"আমার বাংলা ব্লগ'প্রতিযোগিতা -৪২ | কাগজ দিয়ে চন্দ্রমল্লিকা,লিলিসহ অন্যান্য ফুলের বাকেট তৈরি।
হ্যালো বন্ধুরা,
আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। প্রতিদিনের মত আজকেও আপনাদের সামনে এসে হাজির হলাম নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। তবে আজকে এত সুন্দর একটা পোস্ট করতে পারছি শুধুমাত্র আমাদের চলমান প্রতিযোগিতার জন্য। আর এবারের প্রতিযোগিতার জন্য আমাদের প্রিয় তানজিরা আপুকে জানাই অনেক অনেক ধন্যবাদ। তানজিরা আপু আমাদের জন্য এবারে খুবই সুন্দর একটা প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে। আসলে ডাই প্রজেক্ট গুলো তৈরি করতে আমি বরাবরই ভীষণ পছন্দ করি। এটা হয়তোবা আপনারা অনেকেই জানেন।
আর বিশেষ করে প্রজেক্টটা মূলত ফুল দেওয়া হয়েছে এজন্য আরও বেশি ভালো লেগেছে। ফুল কিন্তু আমরা সবাই কমবেশি পছন্দ করি। আর নিজের হাতে ফুল তৈরি করলে আরো বেশি ভালো লাগবে। যদিও এর আগে কাগজ দিয়ে বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র তৈরি করেছিলাম। তার সাথে ফুল ও তৈরি করেছিলাম। তাই জন্য এবারে ভিন্ন কিছু তৈরি করার চিন্তা করলাম। আসলে আমি চাইছিলাম শুধুমাত্র একটা ফুল না বিভিন্ন ধরনের ফুল দিয়ে সাজানোর। তাই জন্য আমি চন্দ্রমল্লিকা ফুল, সূর্যমুখী ফুল, লিলি ফুল এবং তার সাথে টিস্যু পেপার দিয়ে এক ধরনের ফুল তৈরি করার চেষ্টা করলাম।
আসলে আমি যে ফুলগুলো তৈরি করলাম এগুলোর মধ্যে সবগুলো ফুলি আমার ভীষণ ভালো লাগে। আসলে প্রথমেই এতগুলো ফুল তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। আমি আগে থেকেই জানতাম এতগুলো ফুল তৈরি করে ডেকোরেশন করতে অনেক কষ্ট হবে। আসলে আমি সব সময় একটু কষ্ট করেই কাজগুলো করার চেষ্টা করি। তো নিজের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আস্তে আস্তে ফুল তৈরি করা শুরু করি। যদিও এতগুলো কাজ একদিনে করা সম্ভব না। তার জন্য আমি প্রায় তিন দিন সময় নিয়ে পুরো কাজটা সম্পূর্ণ করলাম। তবে অনেক পরিশ্রম হলেও কিন্তু যখন আমি পুরো ফুলের বাকেট তৈরি করলাম আমার কাছে কিন্তু অসাধারণ লেগেছিল। এটা কিন্তু আমি আমার ঘরে সাজিয়ে রেখেছি। দেখে মনে হচ্ছিল অনেকটা আর্টিফিশিয়াল ফুলের মত। আসলে এখন বাজার থেকে আমরা কিন্তু আর্টিফিশিয়াল ফুলগুলো কিনে ঘর সাজাই। তবে এখন নিজের তৈরি করা ফুল দিয়ে ঘর সাজিয়ে আরো বেশি ভালো লাগলো। সত্যি এবারের প্রতিযোগিতার কারণে কিন্তু আমার ঘর সাজানোর জন্য একটা ফুলের বাকেট তৈরি হয়ে গেল। সব মিলিয়ে ফুলগুলো তৈরি করে ভীষণ ভালো লেগেছে। আশা করছি আপনাদেরও কিন্তু ভালো লাগবে।
যে ভাবনা সেইভাবে কাজ শুরু করলাম। আজকের এই ডাই করতে আমার কি কি উপকরণ লাগলো এবং কিভাবে আমি এই ডাই তৈরি করলাম তার ধাপে ধাপে বর্ণনা করে আপনাদের সাথে এই সম্প্রদায়ে ভাগ করে নিলাম। আশা করি আমার আজকের ডাই পোস্ট আপনাদের ভালো লাগবে।
প্রয়োজনীয় উপকরণ
• রঙিন কাগজ
• সাদা কাগজ
• টিস্যু পেপার
• কাঁচি
• গাম
• পেন্সিল
• স্কেল
• কম্পাস
• অ্যালুমিনিয়াম তার
• গ্লু গান
• জল রং
• রংয়ের ব্রাশ।
প্রয়োজনীয় বিবরণ :
ধাপ - ১ :
প্রথমে আমি একটি রঙিন কাগজ নিলাম। এরপর কাগজটাকে সমান চারকোনা করে ৬ টা কাগজ কেটে নিলাম।
ধাপ - ২ :
এরপরে একটা কাগজ নিয়ে কোনা করে ভাঁজ করে একদম ছোট করে নিলাম। এরপরে গোল করে কেটে নিলাম। এভাবে একটা ফুলে তৈরি হবে।
ধাপ - ৩ :
একই রকম ভাবে সবগুলো কাগজ ভাঁজ করে কেটে ফুল তৈরি করে নিলাম।
ধাপ - ৪ :
এরপরে আমি ফুলের পাপড়ি গুলো কে হাত দিয়ে একটা একটা করে ভাজ করে নিলাম। এভাবে সবগুলো ফুলের পাপড়ি একই রকম ভাবে ভাঁজ করে নিলাম।
ধাপ - ৫ :
এরপর আমি গোলাপি রঙের একটা কাগজ চিকন চিকন করে কেটে নিলাম। এরপর গোল করে ভাজ করে একটা কলির মতো তৈরি করে নিলাম।
ধাপ - ৬ :
এরপরে তৈরি করা ফুলের পাপড়ি গুলো একটার উপর একটা গাম লাগিয়ে জোড়া লাগিয়ে নিলাম। তার উপরে মাঝখান বরাবর করে তৈরি করা ফুলের কলি লাগিয়ে নিলাম। এভাবে একটা ফুল তৈরি করে নিলাম।
ধাপ - ৭ :
এরপরে একই পদ্ধতি ব্যবহার করে আরো দুইটা ফুল তৈরি করে নিলাম। সব মিলিয়ে তিন কালার তিনটা চন্দ্রমল্লিকা ফুল তৈরি করলাম।
ধাপ - ৮ :
এরপর আমি কালো কাগজ দিয়ে চিকন করে কয়েকটা কাঠি তৈরি করে নিলাম। কাঠিগুলোর মধ্যে অ্যালুমিনিয়াম তার দিয়ে নিলাম।
ধাপ - ৯ :
এরপরে আমি কাগজ কেটে পাতা তৈরি করে নিব।
ধাপ - ১০ :
এভাবে আমি কাগজ কেটে ছয়টার মত পাতা তৈরি করে নিলাম।
ধাপ - ১১ :
এরপরে তৈরি করা কালো রংয়ের কাঠিগুলো পাতার উপর থেকে জোড়া লাগিয়ে নিলাম।
ধাপ - ১২ :
এরপর পাতাগুলোকে ফুলের মধ্যে লাগিয়ে নিলাম। একটা ফুলের মধ্যে দুইটা পাতা করে লাগিয়ে নিয়েছি।
ধাপ - ১৩ :
এরপর আমি একটা সাদা কাগজ নিয়ে চিকন চিকন করে ভাজ করে নিয়েছি। এরপর পাতার মত করে কেটে নেব।
ধাপ - ১৪ :
পাতাগুলোর মাঝখানের অংশে লাল রং দিয়ে রং করে নিব।
ধাপ - ১৫ :
এরপর হলুদ এবং সবুজ কালার দিয়ে পাতাগুলো ডিজাইন করে নিলাম।
ধাপ - ১৬ :
এরপরে ছোট ছোট করে কতগুলো কমলা কালারের কাগজ কেটে নিলাম। কাগজগুলো তারের মধ্যে লাগিয়ে এরপর সবুজ ট্যাপ দিয়ে পেঁচে নিলাম।
ধাপ - ১৭ :
এরপর সবগুলোকে একসাথে জোড়া লাগিয়ে একটা ফুলের কলি তৈরি করে নিলাম।
ধাপ - ১৮ :
এরপরে ফুলের কলির মাঝখানে রেখে চারপাশে একটা একটা করে পাতাগুলো লাগিয়ে একটা লিলি ফুল তৈরি করে নিলাম।
ধাপ - ১৯:
এরপর আমি সূর্যমুখী ফুল তৈরি করার জন্য প্রথমে ে ছোট বড় করে কয়েকটা গোল বৃত্ত কেটে নিলাম।
ধাপ - ২০ :
এরপরে বৃত্তগুলোকে ভাজ করে নিলাম। ভাজ করে এরপর চিকন চিকন করে কোনা করে কেটে নিলাম।
ধাপ - ২১:
সবগুলো ভাস খোলার পর দেখব অনেকটা ফুলের মত তৈরি হয়ে গিয়েছে। এরপর ফুল গুলোকে একটা স্কেলের সাহায্যে একটু বাঁকা করে নিলাম।
ধাপ - ২২ :
এরপর একটার উপরে একটা ফুল গাম দিয়ে জোড়া লাগিয়ে নিলাম।
ধাপ - ২৩:
এরপর আমি সবুজ কালো এবং হলুদ কালারের কাগজ চিকন করে কেটে নিলাম। ওই কাগজগুলোকে একদম চিকন চিকন করে কেটে নিলাম। এরপর প্রথমে কালো কাগজ পেছিয়ে দিলাম তার সাথে সবুজ রঙের কাগজ পেঁচিয়ে নিলাম। এরপরে হলুদ রঙের কাগজ পেঁচিয়ে একটা খুব সুন্দর ফুলের কলি তৈরি করে নিলাম।
ধাপ - ২৪:
এরপর তৈরি করা কলি গুলো ফুলের উপরে লাগিয়ে নিলাম।
ধাপ - ২৫ :
এরপর চিকন চিকন করে তিনটা কাঠি তৈরি করে নিলাম। কাঠি গুলোর মধ্যে ফুল গুলোকে জোড়া লাগিয়ে নিলাম।
ধাপ - ২৬ :
এরপরে সবুজ কালার দিয়ে চিকন করে কতগুলো পাতা কেটে নিলাম। পাতার মধ্যে কালো কালারের কাঠি লাগিয়ে নিলাম।
ধাপ - ২৭ :
এরপরে আমি বড় বড় করে চারটা পাতা কেটে নিলাম। পাতার চারপাশে চিকন চিকন করে ডিজাইন করে নিলাম।
ধাপ - ২৮:
এরপর আমি চিকন চিকন করে আবারো কয়েকটা কাঠি তৈরি করে নিলাম।
ধাপ - ২৯ :
এরপর পাতার মাঝখানের অংশে কাঠি গুলো লাগিয়ে নিলাম।
ধাপ - ৩০ :
এরপর একটা পাতার মধ্যে সবুজ কালার দিয়ে পাতার ভেতরের অংশ ডিজাইন করে নিলাম।
ধাপ - ৩১ :
এরপর আমি টিস্যু পেপার নিলাম। টিস্যু পেপারটাকে চিকন চিকন করে একটু ভাজ করে নিলাম।
ধাপ - ৩২ :
ভাজ করে মাঝখানের অংশে তার দিয়ে পেঁচিয়ে নিলাম। এরপরে লাল রং দিয়ে পাতার অংশ গুলো একটু কালার করে নিলাম।
ধাপ - ৩৩ :
এরপর একটা একটা করে টিস্যুর ভাজ গুলো খুলতে শুরু করি। ভাঁজ করলে দেখবে একটা ফুলের মতো তৈরি হয়ে গিয়েছে।
ধাপ - ৩৪ :
এরপর সবুজ কালার দিয়ে কাটি তৈরি করে নিলাম। কার সাথে একটা ছোট্ট ফুল তৈরি করে নিলাম। ফুলের মধ্যে কাঠি জোড়া লাগিয়ে নিলাম
ধাপ - ৩৫ :
একই রকম ভাবে আর একটা ফুল এবং পাতা তৈরি করে নিলাম। এরপর দুইটা ফুল একই সাথে একটা ডালে জোড়া লাগবে নিলাম।
ধাপ - ৩৬ :
এরপর আমি ছোট ছোট কতগুলো গোল কাঠি তৈরি করে নিলাম। সেগুলোকে একটা ছোট প্লাস্টিক বাটির মধ্যে নিয়ে নিলাম। এরপর এক এক করে ফুল দিয়ে সাজানো শুরু করি।
শেষ ধাপ :
এভাবে আমি পুরো ফুল আর পাতা দিয়ে একটা বাকেট তৈরি করা শেষ করি। আশা করি আমার আজকের ডাই পোস্ট আপনাদের ভালো লাগবে। পরবর্তীতে আবারও দেখা হবে নতুন কিছু নিয়ে। সবাই ভালো থাকবেন।
পোস্ট বিবরণ
| শ্রেণী | ডাই |
|---|---|
| ডিভাইস | Redmi note 9 |
| ফটোগ্রাফার | @tasonya |
| লোকেশন | ফেনী |
আমার পরিচয়
আমার নাম তাসলিমা আক্তার সনিয়া। আমি বাংলাদেশী। বাংলা ভাষা আমাদের মাতৃভাষা বলে আমি অনেক গর্বিত। আমি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অনার্স ফাইনাল ইয়ারের একজন ছাত্রী। আমি ছবি আঁকতে ভালোবাসি। বিশেষ করে যে কোন ধরনের পেইন্টিং করতে পছন্দ করি। যখনই অবসর সময় পায় আমি ছবি আঁকতে বসে পড়ি। এছাড়াও আমি ভ্রমণ করতে পছন্দ করি। কিছুদিন পর পর বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণ করার চেষ্টা করি। এছাড়াও আমি বিভিন্ন ধরনের কারুকাজ করতে পছন্দ করি। রান্না করতেও আমার খুব ভালো লাগে। আমি বিভিন্ন ধরনের রেসিপি তৈরি করতে পছন্দ করি। আমি যখনই সময় পাই আমার পরিবারের সবাইকে বিভিন্ন ধরনের রেসিপি তৈরি করে খাওয়াই। আমি সব সময় নতুন নতুন কিছু করার চেষ্টা করি।
🎀 ধন্যবাদ সবাইকে 🎀 |
|---|
VOTE @bangla.witness as witness
OR
SET @rme as your proxy

আপু প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার জন্য অনেক অভিনন্দন জানাই আপনাকে। আপনি আজ খুব সুন্দর কিছু ফুল শেয়ার করলেন। দেখতে খুব সুন্দর লাগছে।আপনি ধাপগুলো তুলে ধরেছেন। আমার কাছে খুব ভালো লাগলো আপনার বানানো ফুলগুলো।ধন্যবাদ আপু শেয়ার করার জন্য।
আমার বানানো ফুলগুলো আপনার কাছে ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম। ভালো থাকবেন আপু
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
You've got a free upvote from witness fuli.
Peace & Love!
জাষ্ট অসাধারণ হয়েছে আপনার ডাই প্রজেক্ট। মনে হচ্ছে যেন দোকান থেকে কেনা ফুলের ঝুড়ি। বেশ কষ্টসাধ্য কাজ অবলীলায় করে দেখালেন। সত্যিই আপনার কাজের প্রশংসা করতে হয় 👏
আসলে আমি যে কোন কিছু করতে অনেক সময় ব্যবহার করার চেষ্টা করি। যেন অনেক সুন্দর ভাবে তা করা যায়।
অনেক কষ্টের এবং চেষ্টার মাধ্যমে আপনি এই ফুলের বাকেট তৈরি করতে পেরেছেন। আসলেই আপনার ফুল গুলো দেখে বোঝা যাচ্ছে আপনি তৈরি করতে অনেক পরিশ্রম করেছেন। যত বেশি চেষ্টা এবং পরিশ্রম দিয়ে কোন কাজ করা হয় সেই কাজে সব সময় সফলতা পাওয়া যায়। আশা করি আপনিও আপনার এই কাজে সফল হবে। আর সবারই মত প্রতিযোগিতা অংশগ্রহণ করার জন্য আপনার ও অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল।
হ্যাঁ অনেক কষ্ট এবং চেষ্টার মাধ্যমে এটি তৈরি করতে পেরেছি আমি। আসলে আমি যে কোন কাজ পরিশ্রমের মাধ্যমে করার চেষ্টা করি। ধন্যবাদ।
যখন কনটেস্টের অ্যানাউন্সমেন্ট হয় তখনই ভেবেছিলাম এত সুন্দর সুন্দর প্রজেক্ট দেখতে পাব দেখে অবাক হবো।
সত্যি সত্যি সেরকমই হচ্ছে।
আপনার প্রস্তুত করার চন্দ্রমল্লিকা ফুলের দৃশ্য অসাধারণ লাগছে।
বিশেষ করে কালার কম্বিনেশন টা দারুন ফুটেছে।
চেষ্টা করেছি কালার কম্বিনেশন সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলার।
প্রথমেই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য আপনার প্রতি রইল আমার পক্ষ থেকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা। কাগজ দিয়ে চন্দ্রমল্লিকা,লিলিসহ ফুলের বাকেট তৈরি করতে আপনার খুব পরিশ্রম হয়েছে দেখে বোঝাই যাচ্ছে। অনেক ধৈর্য নিয়ে কাজটা শেষ করেছেন জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
হ্যাঁ আপু অনেক ধৈর্য নিয়ে কাজটা শেষ করেছি। আপনার মন্তব্যটা পেয়ে ভালো লেগেছে।
প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার জন্য অভিনন্দন আপনাকে আপু। চন্দ্রমল্লিকা,লিলিসহ অন্যান্য ফুলের বাকেট তৈরি দেখে মনে হচ্ছে সম্পুর্ন অরজিনাল ফুল। বাহ্ দারুন হয়েছে আপনার হাতের কাজ। মুগ্ধ হয়ে গেলাম ধন্যবাদ আপনাকে আপু।
আপনি মুগ্ধ হয়েছেন জেনে অনেক খুশি হলাম। এভাবেই পাশে থাকবেন।
আরে আপু আমি তো তাই বলি যে এত সুন্দর একটি থিম তৈরি করা সেটা শুধু আপনার ধারাই সম্ভব। এত সুন্দর করে যে রঙিন কাগজ দিয়ে লিলি আর চন্দ্র মল্লিকা ফুল বানানো যায় সেটা আজ দেখলাম। উপস্থাপনাও ছিল বেশ চোখ ধাধালো। আশা করি আপনার এত এত পরিশ্রম স্বার্থক হবে। শুভ কামনা রইল আপনার প্রতি।
জানিনা স্বার্থক হবে কিনা তবে সুন্দর করে করার চেষ্টা করলাম কাজটা। পাশে থেকে উৎসাহিত করবেন সবসময় আশা করছি।