আমার বাংলা ব্লগ - একটু হাসি || কৌতুক সপ্তাহ -০৩
আমার বাংলা ব্লগের আরো একটি নতুন আয়োজন- এবিবি একটু হাসি’তে সবাইকে স্বাগতম জানাচ্ছি। এটা একটু ভিন্ন ধরনের উদ্যোগ, মনের উচ্ছ্বাসে প্রাণ খুলে হাসার আয়োজন। যেখানে সবাইকে নিয়ে প্রতি সপ্তাহের একটা দিন একটু অন্য রকমভাবে কৌতুকের সাথে আনন্দ করার প্রয়াস চালানো হবে। নিজেকে একটু অন্য রকমভাবে প্রকাশ করতে হবে, সবাইকে নিজের কথায় কিংবা কৌতুকে মাতিয়ে রাখতে হবে। বিষয়টি যেন আরো বেশী আকর্ষণীয় হয়ে উঠে সেই জন্য প্রতি সপ্তাহে পাঁচজনকে $২.০০ ডলার করে মোট $১০.০০ ডলার এর ভোট দেয়া হবে। তবে যারা এই আয়োজনের ক্ষেত্রে আন্তরিকতার পরিচয় দিবে এবং মজার কিছু শেয়ার করার চেষ্টা করবে, পুরস্কারের ক্ষেত্রে তাদেরকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।
এবিবি-ফান এর মাধ্যমে প্রতি সপ্তাহের বুধবার এবিবি একটু হাসি পোষ্ট শেয়ার করা হবে, যেখানে প্রতি সপ্তাহে ভিন্ন ভিন্ন বিষয় নির্বাচন করা হবে। আপনারা সেই বিষয়টির সাথে সামঞ্জস্য রেখে নিজের মতো করে কৌতুক অথবা মজার কোন হাসির অনু গল্প শেয়ার করবেন। এখানে মূল উদ্দেশ্য থাকবে হাসি, এমন কিছু শেয়ার করতে হবে সবাই যেন প্রাণ খুলে হাসার সুযোগ পায়। সেটা আপনার নিজের হতে পারে কিংবা সংগৃহীত হতে পারে, তবে এই ক্ষেত্রে অবশ্যই নিয়মের ভিতর থাকতে হবে, যেন কপিরাইট এর বিষয়টি সামনে আসতে না পারে।
আমাদের জীবনে মজার নানা ঘটনা রয়েছে, যেখানে হাসির একটা বিষয়ও সংযুক্ত রয়েছে। যেগুলো স্মরণ হলে এখনো আমরা মনে মনে হাসি অথবা লুকিয়ে হাসার চেষ্টা করি। আমরা আড়ালে থাকা সেই বিষয়গুলোকে সম্মুখে আনতে চাই এবং সকলের সাথে তা শেয়ার করার মাধ্যমে একটু অন্য রকমভাবে দিনটি উপভোগ্য করতে চাই। কৌতুকের ব্যাপারে একটা বিষয় মনে রাখতে হবে, কৌতুক মোটেও কপিরাইটেড না। তবে সেটা সংগৃহীত পুরনো কৌতুক হবে, যদি ক্রিয়েটিভ কৌতুক হয় যেটার লেখকের নাম জানা আছে সেটা কপিরাইটেড। আশা করছি বিষয়টি পরিস্কার এখন।
আজকের বিষয়ঃ
বৃষ্টি/বর্ষা (বৃষ্টি কিংবা বর্ষার সাথে সংযুক্ত যে কোন কৌতুক/ হাসির অনু গল্প)
অংশগ্রহণের নিয়মাবলীঃ
- কৌতুক/হাসির অনু গল্প সর্বোচ্চ ৭৫ শব্দের মাধ্যমে দিতে হবে।
- একজন ইউজার শুধুমাত্র একটি কৌতুক/হাসির অনু গল্প শেয়ার করতে পারবে।
- কৌতুক/হাসির অনু গল্প অবশ্যই উপরের বিষয়ে সাথে সামঞ্জস্য/সংযুক্ত থাকতে হবে।
- এডাল্ট কিছু শেয়ার করা যাবে না, তবে সকলের সাথে ভাগ করে নেয়া যায় সেই ধরনের কিছু শেয়ার করা যাবে।
- পোষ্টটি অবশ্যই রিস্টিম করতে হবে।
ধন্যবাদ সবাইকে।
| আমার বাংলা ব্লগের ডিসকর্ডে জয়েন করুনঃ | ডিসকর্ড লিংক |
|---|
মন্টু সদ্য বিয়ে করেছে। হাতে তখনো মেহেদির চিহ্ন। একদিন তুমুল ঝড়-বৃষ্টি হচ্ছে। এমন দুর্যোগেও তাকে রাস্তায় দেখা গেল। একটি নামকরা পিজ্জার দোকানে দৌড়ে গিয়ে ঢুকলো ছাতা গুটাতে গুটাতে।বিক্রেতা পিজ্জার বক্স তার হাতে দিতে দিতে প্রশ্ন করল-
বিক্রেতা: আপনি বিবাহিত মনে হচ্ছে...
মন্টু: না হলে কোন মা তার ছেলেকে এই বৃষ্টির মধ্যে বাইরে পাঠায়! তা-ও একটা পিজ্জার লাইগা! কও দেহি মিয়া...
এই ধরনের কমেন্ট দেখলে আরো ভয় লাগে মনে হয় সিঙ্গেল থাকাটাই ভালো 🙄🙄
হুম, সিঙ্গেল থাকলে ঝামেলা কম☺️.
হা হা হা হা এটা বেষ্ট ছিলো, বউ আসতে না আসতে বারোটা বাজায় দিছে।
হুম, নতুন বউয়ের আবদার বলে কথা।😃👰🏻♀🍕
দুই মাতাল রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলো ☁️
১ ম মাতাল : ভাই আকাশ ফুটো হয়ে গেছে চল কোনো ছাউনির নিচে যাই ...
হঠাৎ বিদ্যুত চমকালো 🔥
২ য় মাতাল : ওই তো ঝালাই করার লোক এসে গেছে , আর ছাউনির নিচে যেতে হবে না ! !😆😆😆
এটা বেশ মজার ছিল। হা হা হা...
ধন্যবাদ ভাইয়া
আজ সারাদিন বৃষ্টি হয়তো ঝালাই করার লোক আসেনি😂
এইডা দারুণ ছিলো ভাই, বেশ মজা পাইছি হা হা হা
অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া
হা হা হা অসম্ভব চালাক ছিলেন হোজ্জা, তাইতো চালাকি করে বেচে গেলেন।
ঠিক বলেছেন ভাই।আসলে অনেক সময় বুদ্ধি খাটিয়ে অনেক বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
অতি চালাক, সবকিছুতেই পার পেয়ে যাবে ভালো ছিল আপনার কৌতুক।
অতি চালাকি করতে গিয়ে অনেক সময় কিন্তু আবার বিপদে ও পরতে হয়।
বৃষ্টির দিনে দুজন লোক মুখোমুখি এমন এক ইট বিছানো রাস্তায়, যেখানে একসঙ্গে একজনের বেশি হাটা যায় না। দুইজনের মধ্যে কে কাদায় নেমে পথ ছেড়ে দেবে এই নিয়ে দ্বিধা।
১ম জন: আপনি পথ ছাড়ুন। নইলে ঐদিন যা করেছি আজও কিন্তু তেমন করবো!
২য় ব্যক্তি ভয়ে রাস্তা থেকে কাঁদায় নেমে পথ ছেড়ে দিলো।
১ম ব্যক্তি পার হয়ে চলে গেলে দূর থেকে ২য় ব্যক্তি জানতে চাইলো, ‘ভাই, ঐদিন কী করেছিলেন?’
১ম ব্যক্তি: আজ আপনি যেটা করলেন।
হা হা হা এটা ভালো ছিলো, মজা পেয়েছি। এই রকম ছোট বেলায় আমরাও করতাম।
একবার মনে পরে তখন নতুন সাইকেল চালানো শিখেছি। স্কুল থেকে বর্ষায় ছাতা নিয়ে বাড়ি ফিরছি সাইকেলে চেপে। সারাটা রাস্তা ভালো এলাম,হঠাৎ দেখি এক মিস্ত্রী কাকু ওয়াকম্যান চালিয়ে হেডফোন কানে লাগিয়ে মাথায় করে বালির পাত্রটা নিয়ে যাচ্ছিলো ঠিক রাস্তার মাঝ বরাবর। পাশে আবার একটা বাইক দাঁড়ানো। আমি বেল না মেরে চিৎকার করছি "কাকু সরো!"কাকুর দুপায়ের মাঝে সাইকেলের চাকা ঢুকিয়েও আমি শান্তি পাই নি। সাইকেলের সামনের চাকায় বসিয়ে নিয়ে সামনে রেখে দেওয়া বালির স্তুপে পড়েছি।
আরে পড়েছিও এমন ভাবে যে কি বলব! মিস্ত্রী কাকু আগে পড়েছে বালির উপর, ওনার মাথায় থাকা বালি(যেটা আর কি সিমেন্ট মাখানো থাকে)সেটা ছিটকে তো পড়েছেই আবার ওনার মাথাতেও পড়েছে। ওনার উপর আমার সাইকেল পড়ে আছে, আর আমি সাইকেলের পেছনের চাকায় বাবু হয়ে বসে আছি আমার ব্যাগ ছিটকে রাস্তায়।আমার তখন মাথা বন বন করে ঘুরছে। কাকু বলছে, "মনা রে ওঠ!আমার পায়ে লাগে তো! " তখন হুঁশ ফিরেছে। তাড়াতাড়ি উঠে হাত পা ঝেড়ে সাইকেল তুলে দেখি সামনের চাকা ওভাল শেপ হয়ে গেছে। আর আসে পাশের বাড়ি থেকে হাহা করে সবাই হাসছে। যা ই হোক। অতটা সিরিয়াস ব্যথা লাগে নি কারোই। 😁
হা হা হা হা, দারুণ একটা মুহুর্ত তৈরী হয়েছিলো তাই না।
আর বলবেন না! আমি যা লজ্জা পেয়েছিলাম, তারপর থেকে সাইকেল নিয়ে প্রায় যেতামই না স্কুলে।
হাহাহা আসলে বেশ চমৎকার মজার একটি গল্প ছিল, বেশ ভালো একটি স্মৃতি মনে হচ্ছে।
ধন্যবাদ 😊
হা হা হা হা, পুরো বিষয়টি পোষ্টের মাধ্যমে শুনতে চাই, তারপর কি হলো?
স্যার: কিরে বল্টু কালকে স্কুলে আসিসনি কেন?
বল্টু: কালকে তো বৃষ্টি আসছিল স্যার।
স্যার: স্যার রেগে লাঠি নিয়ে আসলো আর বলল কালকে সারাদিন রোদ ছিল আর তুই বলছিস বৃষ্টি আসছিল।
বল্টু: এবার বল্টু কিছুক্ষণ চিন্তাভাবনা করে মাথা চুলকাতে চুলকাতে বলল স্যার কালকে আমার মামাতো বোন বৃষ্টি এসেছিল।😅😅
বাহ বাহ মামাতো বোন এসেছিল সেজন্যই স্কুল যাওয়া বন্ধ 🤣
শিক্ষকঃ কী ব্যাপার! তুমি গতকাল স্কুলে আসনি কেন?
ছাত্রঃ বৃষ্টির জন্য আসতে পারিনি।
শিক্ষকঃ বৃষ্টি, বলো কী? আরে একে তো শীতকাল তার উপর গতকাল বৃষ্টি হলে তো আমরাও টের পেতাম!
ছাত্রঃ টের পাবেন ক্যামনে স্যার! এই বৃষ্টি তো সেই বৃষ্টি নয়। বৃষ্টি হচ্ছে আমার খালাতো বোন। ঈদের ছুটিতে বেড়াতে এসেছে। তাই ওকে ফেলে স্কুলে আসা হয়নি।
খালাতো বোনকে যত দ্রুত সম্ভব বাড়ি পাঠিয়ে দেন। না হলে আপনার লেখাপড়ার বারোটা বেজে যাবে। হা হা হা...
হে হে হে আজ বৃষ্টি নামের কোন মামাতো বোন নেই বলে স্কুল ফাঁকি দিতে পারলাম না
ছোটবেলায় এই ধরনের কৌতুক অনেক পড়েছি কিন্তু একটাও মাথায় নেই আপনারটা পড়ে সেই কথা মনে পড়ে গেল বেশ সুন্দর ছিল।
হাহাহাহাহগ
কর্মচারী- স্যার, বাইরে বৃষ্টিতে শহর ডুবে গেছে। আজ অফিসে যাওয়া সম্ভব না।
বস- আপনিই তো জব এপ্লিকেশনে লিখেছিলেন সাঁতার কাটা আপনার শখ! ১০টার মধ্যেই চলে আসবেন অফিসে। লেট হলে বেতন কাটা হবে।
শখের কথা বলে ফেঁসে গেছেন কর্মচারী, সব শখের কথা বলতে নেই তাই হা হা হা
মজার সাথে সাথে শিক্ষামূলকও ছিল। এরপর থেকে আমি যখন জব অ্যাপ্লিকেশন লিখব তখন ওখানে উল্লেখ করে দেবো আমার চোদ্দপুরুষ কেউ সাঁতার জানে না। জল দেখলেই করোনা হয় আমার।
হা হা হা...
হাহাহা, এটা ভালো ছিল ভাই।
শখের কথা বলে এরকম আমিও বেশ কয়েক জায়গায় আটকে গিয়েছিলাম, বেশ মজার ছিল।
বৃষ্টির দিনে মালিক তার কাজের লোককে বলছে..
মালিকঃ রহিম বাগানে পানি দিতে যা।
রহিমঃ হুজুর আজকে তো বৃষ্টি হচ্ছে।
মালিকঃ বৃষ্টি হলে ছাতা নিয়ে যা।
একজন ব্যাংকার হচ্ছে সেই ব্যক্তি যে রৌদ্রজ্জ্বল দিনে আপনাকে ছাতা ধার দেয়, আর বৃষ্টি নামামাত্র সেটি ফেরত চায়।