"সায়েন্স সিটি ভিতরে একুরিয়ামে দেশী বিদেশী মাছের ফটোগ্রাফি"(পর্ব - ২)
বন্ধুরা
আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি, সবাই ভালো আছেন। সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের পোস্টটি শুরু করছি। আগের পর্বে সায়েন্স সিটির একুরিয়ামের মাছের ফটোগ্রাফির কথা বলেছিলাম। আমার মাছ ভীষণ ভালো লাগে দেখতে কিন্তু খেতে না। আপনারা জানেন আমার প্রিয় মানুষটি একজন ভোজন রসিক মানুষ। সে মাছ খেতে খুবই পছন্দ করে। তবে সে মাংস খুব একটা পছন্দ করে না বললেই চলে। প্রায় সব ধরনের মাছ। খেতে পছন্দ করে।সেই সুবাদে এখন আমি অনেক মাছ চিনি। এই শীতে বাংলাদেশ ঘুরতে গিয়ে কক্সবাজার যাওয়ার সুযোগ হয়ে গিয়েছিল। কক্সবাজার গিয়ে ও আমরা প্রচুর। মাছ খেয়েছিলাম। আবার প্রচুর বিভিন্ন ধরনের মাছ দেখেছিলাম। যদিও আমি সেগুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করতে পারিনি। বাংলাদেশ থেকে এখানে। আসার কিছুদিন পরেই দেখি আপনাআপনি আমার সেই বাংলাদেশে ঘুরতে যাওয়ার সকল ছবি ফোন থেকে ডিলিট হয়ে গেছে। কি ভাবে কি হলো বুঝতে পারলাম না। আপনারা জানেন আমি বেশ কয়েকবার সায়েন্স সিটি ঘুরতে গিয়েছিলাম। যতবার গিয়েছি ততবারই কিছু না কিছু ফটোগ্রাফি করেছি। তবে এই বার শুধু মাছের কিছু ফটোগ্রাফি করেছিলাম। গত পোষ্টে ( পর্ব -১ ) শেয়ার করেছিলাম।আজ ২য় পর্ব শেয়ার করবো। আশা করি, আপনাদের ভালো লাগবে।
এই মাছ লম্বায় প্রায় ১৫ সে. মি.। এর আকার চ্যাপ্টা হয়ে থাকে। এই মাছের নাম সিলভার ডলার। এরা খুব ধীরে ধীরে চলাফেরা করে। এই গাছপালায় ভরা গভীর জলে বাস করে।এই মাছ গুলো শান্ত স্বভাবের ঝাঁক বেঁধে চলাফেরা করতে ভালোবাসে। সিলভার ডলারের মাছ স্ত্রী মাছ ২০০০ এর বেশি ডিম দেয়। ডিম ফুটে বাচ্চা বের হতে তিনদিন সময় লাগে। অন্যান্য মাছের সাথে এই
সিলভার ডলার একুরিয়ামে রাখা যায়।
প্লেকোস্টমাস ক্যাট ফিশ দীর্ঘদিন ধরে একুরিয়াম প্রেমীদের কাছে জনপ্রিয় একটি মাছ।এরা দৈর্ঘ্যে প্রায় ৪৫ সে. মি. পর্যন্ত লম্বা হয়। এদের মুখের কাছে শুর থাকে। এই মাছ গুলো একুরিয়ামের একেবারে নিচের খাবার খায়।
এই মাছটির নাম কই কার্প।এটি এশিয়ার মিঠে জলের মাছ।কিন্তু কালক্রমে এখন এই মাছ গুলো সারা বিশ্বে পাওয়া যায়।এই মাছ গুলোকে চেনা যায় এদের খুব ছোট ছোট চোখ ও ঠোঁট খুবই পুরু এবং ঠোঁটের দুই পাশে দুটি শুর আছে। এদের গায়ের আঁশ অনেক বড় হয়ে থাকে। বিভিন্ন আকৃতির হয়ে থাকে । ছোট কার্প কে বলা হয় গোল্ড ফিশ। এই মাছ গুলো শ্যাওলা জাতীয় খাবার খায়।
এই মাছটিকে বলা হয় টাইগার শার্ক।এই মাছের চোখ অনেক বড় ও এদের থুতনিতে শুর থাকে। ঠোঁটের উপরে একজোড়া বড় শুর থাকে।এরা ১৩০ সে. মি. পর্যন্ত লম্বা হতে পারে।এদের পাখনা ধূসর বা কালো রঙের হয়ে থেকে।
এই মাছটির নাম বার্। এটি খুবই ছটপটে স্বভাবের হয়ে থাকে। বিভিন্ন রং বেরংয়ের হতে থাকে।এদের গায়ে চকচকে বড় আঁশ থাকে।এরা সারাক্ষণ একুরিয়ামের পাথর নিয়ে ঘাটাঘাটি করে। এই মাছগুলো দেখতে অনেক সুন্দর লাগে।
তারিখ: ২২ আগস্ট ২০২২
স্থান: সায়েন্স সিটি, কলকাতা
ক্যামেরা পরিচিতি: redmi 8 poro
আসলে মাঝে মধ্যে এমন হয় ছবি গুলো হঠাৎ করে ডিলিট হয়ে যায় ৷ তখন মনটা খারাপ হয়ে যায় ৷ যা হোক আগের পোষ্ট টি দেখি নি ৷ সায়েন্স সিটি ভিতরে একুরিয়ামে দেশী বিদেশী মাছের ফটোগ্রাফি গুলো অসাধারণ ছিল৷
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
দূর ও দিদি আপনা আপনি ডিলিট হয়েছে তাতে কি হয়েছে দাদার থেকে কিছুটা ছবি ধার দিতে পারলেন না। আপনার করা সাইন্সল্যাবের প্রথম পর্বটি আমার পড়া হয়নি। তবে সায়েন্স সিটি ভিতরে একুরিয়ামে দেশী বিদেশী মাছের ফটোগ্রাফি গুলো আমার কিন্তু বেশ ভালো লেগেছে। আশা করি আগামীতে আরও সুন্দর সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি দেখতে পাবো।
হ্যাঁ বৌদি আপনার মুখে শুনেছিলাম আপনি মাছ খেতে খুব একটা পছন্দ করেন না আর চিকেন খেতেও পছন্দ করেন না ।তবে দাদা তো খুবই ভোজন রসিক মানুষ উনি তো মাছ খেতে খুবই পছন্দ করেন শুনেছি আপনার কাছে। আজ আবারও আপনার পোস্টটি পড়ে আর একবার জানতে পারলাম। সাইন্স সিটিতে গিয়ে আপনি বিদেশি মাছেদের যে ফটোগ্রাফি পর্ব - এক শেয়ার করেছিলেন সেটি আমি পড়েছিলাম আর কিছু অজানা মাছের নাম জানতে পেরেছিলাম ।আজকে আবারও পর্ব- দুই পড়ে নতুন কিছু মাছের নাম জানতে পারলাম। ছটফটে স্বভাবের বার মাছ, ঠোঁটের উপরে একজোড়া শুড় ওয়ালা টাইগার শার্ক, এশিয়ার মিঠে জলের কই কার্প, প্লে কোস্টমাস ক্যাট ফিশ ,সিলভার ডলার সবই নতুন নতুন কিছু অজানা সুন্দর মাছ।
আজকে আপনার ফটোগ্রাফির মাধ্যমে খুবই সুন্দর সুন্দর মাছ দেখতে পেলাম। এই মাছগুলো এর আগে দেখা হয়নি, সত্যিই অসাধারণ কিছু মাছের ফটোগ্রাফি দেখতে পেলাম, দেশ-বিদেশের মাছের ফটোগ্রাফি গুলো শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
সায়েন্স সিটি ভিতরে একুরিয়ামে অনেকগুলো দেশী-বিদেশী মাছের ফটোগ্রাফি করেছেন আপনি। প্রত্যেকটি মাছের ফটোগ্রাফি দেখতে খুবই সুন্দর লাগছে। একই সাথে দেশী ও বিদেশি মাছের বর্ণনা গুলো পড়ে অনেক কিছু জানতে পারলাম।টাইগার শার্ক মাছটি দেখতে অনেকটা পাঙ্গাস মাছের মতো মনে হচ্ছে। অনেক সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
সায়েন্স সিটি ভিতরে একুরিয়ামে দেশী বিদেশী মাছের কিছু চমৎকার ফটোগ্রাফি আপনার মাধ্যমে দেখতে পেলাম বৌদি।যা দেখে খুবই ভালো লেগেছে।তবে বাংলাদেশে ঘুরতে আসার সকল ছবি ফোন থেকে ডিলিট হয়ে গেছে শুনে একটু খারাপ লাগলো।যাইহোক,আশা করি আগামী পর্বে আরও সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি দেখতে পাবো।
ইশশ,ছবিগুলো ডিলেট না হলে বেশ অনেকগুলো ছবি দেখতে পেতাম বৌদি।
একুরিয়ামে থাকা দেশী বিদেশী মাছের ফটোগ্রাফি দেখে খুব ভালো লাগলো আপু। একুরিয়ামের মাছ দেখতে আমার সবসময়ই খুব ভালো লাগে। কিছুদিন আগে তাজমহলে ঘুরতে গিয়ে একুরিয়ামের দেশী বিদেশী মাছ দেখেছিলাম। আপনার প্রতিটি ফটোগ্রাফি জাস্ট অসাধারণ হয়েছে। ফটোগ্রাফি গুলো দেখে খুব ভালো লাগলো বৌদি। শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
আমি নিজেও অনেকগুলো ছবি তুলেছিলাম সাইন্স সিটিতে এই মাছের একুরিয়ামের সামনে গিয়ে। বেশিরভাগটাই অবশ্য ডিলিট করে দিয়েছি। আজ আবার নতুন করে যেন সবকিছু দেখছিলাম দিদিভাই। টাইগার শার্ক মাছ টা আমার দারুণ লেগেছে সামনা সামনি।