লাইফ স্টাইলঃ ব্যস্ততার মাঝে ছাত্রছাত্রীদেরকে নিয়ে পিকনিকে অংশগ্রহণ
আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধুগন
আমি @mostafezur001 বাংলাদেশ থেকে
আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন আমিও ভালো আছি আজকে আমি আপনাদের মাঝে হাজির হয়ে গেলেন। গতকালকে আমি আপনাদের মাঝে একটা পোস্ট শেয়ার করেছিলাম যেখানে আমি বলেছিলাম যে আমাদের স্কুলের দ্বিতীয় মূল্যায়ন শেষ হয়ে যাবার কথা। আসলে আমার প্রাইভেটের কিছু ছাত্রছাত্রী আগে থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে পরীক্ষা শেষ হয়ে যাওয়ার পরপরই একটা পিকনিক আয়োজন করবে। সেই অনুসারে তারা আগে থেকেই টাকা উত্তোলন করে রেখে দিয়েছিল। আসলে ছাত্র-ছাত্রীর অনেকদিন পিকনিক করেনি তাই তাদের মনের মাঝে পিকনিক করার একটা অনুভূতি উদয় হয়েছিল। এমনিতেই এই সপ্তাহে অনেক ব্যস্ত সময় পার করছি তারপরে আবার হঠাৎ এই পিকনিক নিয়ে আমাকে আরো বেশি ব্যস্ত হতে হয়েছে। এতটাই ব্যস্ত হয়ে গিয়েছি যে এই প্লাটফর্মে যেখানে একটা দিন উপস্থিত না হতে পারলে ভালো লাগবে না সেখানে এই সপ্তাহে ভালোভাবে কাজই করতে পারছি না।
যেহেতু আমাদের এলাকাতে তেমন কোন নদী নেই তাই আমরা একটা পার্ক নির্ধারণ করেছিলাম পিকনিক করার জন্য। পার্কটি আমাদের গ্রামে অবস্থিত তাই আমাকে একটু হলেও স্বস্তি দিয়েছে। আমি স্বস্তি পেলে কি হবে কষ্টের মধ্যে ফেলে দিয়েছিলাম আমার মা এবং আপনাদের আপুকে। কারণ এই জায়গাটা আমার বাড়িতে হবার কারণে রান্নার সকল ব্যবস্থা আমার বাড়িতেই করতে দিয়েছিলাম। যেহেতু ছাত্রছাত্রীরা অনেক ছোট তাই তারা রান্নার কাজ খুব একটা ভালোভাবে করতে পারবে না আর রান্নার কাজ করতে গেলে তারা জায়গাটা ভালোভাবে ঘুরে দেখতে পারবে না এর জন্য আমরা আমাদের বাড়িতেই রান্না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। জায়গাটি নদীর মতই দেখতে তাই ছাত্র-ছাত্রীরা জায়গাটা ভ্রমণ করে অনেক মজা পাই। এই জায়গাটি সম্পর্কে আজকে তো বেশি কিছু শেয়ার করা সম্ভব হচ্ছে না পরবর্তী দিনের সাথে শেয়ার করব।
দুপুরের দিকে আমরা সকলে একত্রিত ভাবে খাওয়া দাওয়া শেষ করেছি। খাওয়া দাওয়াতে আমরা অনেকগুলো আইটেম রেখেছিলাম যেন তারা খুবই মজার সাথে সেগুলো খেতে পারে। যেহেতু আজকে এই পোস্ট শেয়ার করার সিদ্ধান্ত ছিল সন্ধ্যার দিবে কিন্তু সন্ধ্যায় যে কখন হঠাৎ ঘুমিয়ে গিয়েছি সেটা বলতে পারবো না। আসলে অনেক বেশি ব্যস্ত ছিলাম তাই তো সন্ধ্যায় কখন ঘুমিয়েছি সেটা আমার নিজেরই মনে নেই। এই যে এত রাতে আমার ঘুম ভাঙলো আরো হঠাৎ মনে পড়ে গেল আপনাদের মাঝে আজকে পোস্ট শেয়ার করা হয়নি তাই তাড়াতাড়ি করে এখনই পোস্ট শেয়ার করার জন্য ব্যস্ত হয়ে গেলাম। আমাদের পিকনিকের বিষয়গুলো ভালোভাবে পরবর্তী সময়ে আপনাদের মাঝে পোস্ট আকারে শেয়ার করব। আজকের মত এ পর্যন্তই পরবর্তী সময়ে আপনাদের মাঝে হাজির হবে নতুন কোন একটা পোস্ট এর মধ্য দিয়ে।
আমি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান।আমি বাংলাদেশের খুলনা বিভাগে মেহেরপুর জেলার গাংনী থানায় বসবাস করি।আমি বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে নিজেকে গর্বিত মনে করি। আমি আমার জন্মভূমি বাংলাদেশকে খুবই ভালোবাসি।বর্তমানে আমি গ্রীনরেইন ল্যাবরেটরী স্কুলের একজন শিক্ষক।আমি ফটোগ্রাফি করতে খুব ভালোবাসি এবং সৃজনশীলতার মাধ্যমে নতুন নতুন জিনিস তৈরি করতে আমার খুবই ভালো লাগে।আমি বিশ্বাস করি, আমার এই সৃজনশীল কাজের মাধ্যমে থেকে কেউ যদি উপকৃত হয় বা নতুন কিছু শিখতে পারে তবেই আমার সৃজনশীল কাজটি সার্থক হবে। তাই আমি চেষ্টা করবো আপনাদের মাঝে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন সৃজনশীল জিনিস নিয়ে উপস্থিত হতে। আমি ২০১৭ সালে প্রথম এই প্লাটফর্মে যুক্ত হয়েছিলাম সেই থেকে আজ পর্যন্ত এই প্লাটফর্মের সাথেই রয়ে গিয়েছি। আশা করি ভবিষ্যতেও এই প্লাটফর্মের সাথেই থেকে যাব।
আমার কিছু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
ফেসবুক টুইটার
VOTE @bangla.witness as witness
OR
Posted using SteemPro Mobile
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
এত কিছু রান্না করার সময় একটু কষ্ট হচ্ছিল তবে যখন পিকনিক এবং বাচ্চাদের কথা মনে হচ্ছিল তখন বেশ ভালো লাগছিল। আর সব থেকে বেশি ভালো লাগলো যখন আবু রায়হান পিকনিকের কাছে গিয়ে অনেক খুশি ছিল। কালকের দিনটা আজকে আপনার পোষ্টের মাধ্যমে দেখতে পেরে ভীষণ ভালো লাগলো।
আসলে অনেক জিনিস রান্না করেছো তো তাই অনেক বেশি কষ্ট হয়েছে।
পরীক্ষার সময় বাচ্চারা বেশ প্রেসারে থাকে। আর এই প্রেসার কাটিয়ে ওঠার পর এরকম একটু ঘুরাঘুরি করলে ভালোই লাগে। পরীক্ষা শেষে বাচ্চাদের নিয়ে দারুণ কিছু মুহূর্ত কাটিয়েছেন। বাচ্চাদের নিয়ে পিকনিকের আয়োজন করেছেন দেখে ভালো লাগলো। জায়গাটা ভীষণ সুন্দর। আর রান্নাবান্না আপনাদের বাড়িতে করা হয়েছে শুনে ভালো লাগলো। সুন্দর মুহূর্ত গুলো শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
ঠিক কথা প্রেশার কাটিয়ে ওঠার পরে একটু ঘোরাঘুরি করলে ভালই লাগে।
এত ব্যস্ততার মাঝেও খুব সুন্দর একটি উদ্যোগ নিলেন আপনারা। বাচ্চারা পরীক্ষা শেষ হলে বিভিন্ন ধরনের পরিকল্পনা করে থাকেন। যেহেতু পিকনিক করছে ছাত্রছাত্রীরা আপনি সেখানে থাকলেন বেশ ভালো করলেন। কারণ ছাত্র ছাত্রীদের সাথে যদি শিক্ষকরা থাকে তারা অনেক বেশি আনন্দ পাই। সুন্দর একটি মুহূর্ত আমাদের সাথে শেয়ার করলেন ধন্যবাদ।
ব্যস্ততার মাঝেই নিজেকে রিল্যাক্স করার জন্য এবং ছাত্র-ছাত্রীদেরকে রিলাক্স করার জন্য এই উদ্যোগ করা।
পরীক্ষা এমনিতেই প্রেসার সৃষ্টি করে।আর এই প্রেসার অনেকটাই চলে যায় আনন্দ অনুষ্ঠান করলে।পিকনিক এ বাচ্চাদের নিয়ে সুন্দর সময় কাটিয়েছেন আপনারা।ধন্যবাদ সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
আমি লক্ষ্য করে দেখেছি ছাত্রছাত্রীরা এই পিকনিকে অনেক আনন্দ পেয়েছে।
ভাই আপনি আজকে আমাদের মাঝের চমৎকার একটি পোস্ট লিখে শেয়ার করেছেন। আসলে ভাইয়া একটা বিষয় আমার খুবই ভালো লাগলো এই ব্যস্ততার মধ্যেও আপনি ছোটদের অর্থাৎ স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে পিকনিক করেছেন। আমার মনে হয় এই পিকনিকের মধ্যে দিয়ে কিছুটা ব্যস্ততার সময় আপনি খুব ভালোভাবেই পার করেছেন। কেননা এভাবে পিকনিক করলে মনে একটা প্রশান্তি লাগে যেটা ব্যস্ত থাকে অনেকটা দূরে ঠেলে দেয়। আপনি ঠিকই বলেছেন ভাই আমাদের এদিকে তেমন কোন নদী নাই। যদিও নদীর পাড়ে পিকনিক করতে খুবই ভালো লাগে কেননা সেখানে দৃশ্যটা অনেক সুন্দর। তবে আমাদের পার্ক এটা কিন্তু পিকনিক করার জন্য দারুন একটি স্পট বলে আমি মনে করি। কেননা আমাদের এখানে বিভিন্ন জায়গা থেকে অনেক মানুষ ঘুরতে আসে সহ পিকনিক করার জন্য আসে। সেটা আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। কেননা নিজের গ্রামে এমন একটা পার্ক রয়েছে।এটা নিয়ে আমি গর্ববোধ করি। আর আপনারা ওইখানে পিকনিক করেছেন বিষয়টা খুবই ভালো লাগলো।আসলে দুপুরে আপনারা খাওয়া-দাওয়া শেষ করে বিভিন্ন আইটেম ছিল। তাছাড়া পিকনিকের মধ্যে বিভিন্ন আইটেমের মধ্য দিয়ে শেষ হয়ে থাকে। আর পিকনিকের একটা মজার বিষয় হচ্ছে অনেক কিছু শেয়ার করো। আর পিকনিকের মধ্যে দিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে খুব সুন্দর একটা মুহূর্ত উপভোগ করেছেন। আর ঐদিন সন্ধ্যায় আমিও পার্কে গিয়েছিলাম এবং আপনি যে পিকনিক করেছেন সে বিষয়ে অনেক কথা হয়েছিল। আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছিল। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া পোস্টটি খুব সুন্দর ভাবে লিখে শেয়ার করার জন্য।
পিকনিক এ আসলেই অনেক বেশি মজা হয়েছিল।
হ্যাঁ! আরো সৃজনশীল তথ্য নিচে দিলাম।
প্রবন্ধ