বড় ভাই বাড়ি যাওয়ার উপলক্ষে কিছু শপিং করার মুহূর্ত (শেষ পর্ব )।
বড় ভাই বাড়ি যাওয়ার উপলক্ষে কিছু শপিং করার মুহূর্ত শেষ পর্ব আপনাদের সবাইকে স্বাগতম।
যাই হোক বন্ধুরা বাজার তো অনেক করা হলো। এবং আমরা অবশেষে সেখান থেকে বেরিয়ে চলে আসার জন্য রওনা দিচ্ছিলাম।কিন্তু হঠাৎ করে বড় ভাই বলছিল আমার ভাবি নাকি একটি গলার হার নিয়ে যেতে বলেছে। আসলে বড় ভাই হঠাৎ করে বাড়ি যাওয়ার জন্য স্বর্ণের জিনিস কিছুই নিয়ে যেতে পারছে না।
এবং ভাবি কে আমি বলেছিলাম আমি বাড়ি যাওয়ার সময় স্বর্ণের জিনিস নিয়ে যাবো। এবং বাড়ি ভাবি কে আমরা স্বর্ণের জিনিস হিসাবে ২ জোড়া কানের এবং একটি গলার হার দিয়েছি। যেটা ছিলো আমার আম্মার এখান থেকে ৪-৫ বছর আগে গলার হার কেনা হয়েছিল। যাই হোক তার মূল্যর ছিলো কতো আমার সঠিক মনে নেই।
তবে আমার আম্মা খুব বেশি দিন গলায় দিতে পারিনি এটাই বড় কথা এবং আফসোস লাগে এখন সেই কথা ভাবলে। আম্মার জন্য দুই জোড়া কানের দুল এবং একটি হার কেনা হয়েছিল কিন্তু দুল এক জোড়া আমার আম্মা সব সময় ব্যবহার করতো এবং হার ব্যবহার করতো যখন কোথাও যেতো।
যাইহোক ভাবি কে এখন স্বর্ণের জিনিস না দিতে পারার জন্য এবং ভাবি সব কিছু বুঝে বড় ভাইকে বলেছিল সিটি গোল্ডের বা পুতির হার নিয়ে যাওয়ার কথা। আমার অবশ্যই তাতে কোনো মত ছিলো না। কারণ মানুষ যখন বাহিরে থেকে বাড়ি যায় তখন কোনো না কোনো স্বর্ণের জিনিস অবশ্যই নিয়ে যায়। এবং যখন স্বর্ণের জিনিস নিয়ে যেতে পারছি না তাহলে ওই সব নিয়ে যাওয়ার কোন দরকার আছে বলে আমার মনে হয় না।
বড় ভাই বাড়ি গিয়ে একটি গলার হার কিনে দিতে পারতো তাহলে এখান থেকে নিয়ে যাওয়ার কোন কথাই হয় না। যাই হোক সেটা তাদের স্বামী-স্ত্রীর বিষয় যার জন্য আমি সেখানে আর কিছু বললাম না। বড় ভাই আমাকে বলছিল একটি হার নেওয়ার কথা। নিজের মনে মনে ভাবছিলাম বলে দেবো বড় ভাই কে না নিয়ে যাওয়ার জন্য। কিন্তু পরবর্তীতে ভাবলাম তার স্ত্রী তার কাছে একটি দাবি রেখেছে অবশ্যই সে নিয়ে যেতে পারে।
যাইহোক আমরা একটি হার বা আন্টির দোকান খুঁজছিলাম এবং চারি পাশে দেখাশোনা করতে করতে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ করে একটি দোকান আমরা সেখানে পেয়ে যায়। সেখানে গিয়ে আমার মামুন ভাই এবং আমার আরো একটি খালাতো ভাই এবং আমার ভাই সবাই এক সাথে হার পছন্দ করছিল সাথে আমি ও দাঁড়িয়ে ছিলাম এবং আমি সেখান থেকে ছবি ধারণ করছিলাম।
আমি অবশ্যই নিজের জন্য খুব বেশি জিনিস নেইনি কারণ আজকে যেহেতু বড় ভাই অনেক দিন পরে বাড়ি যাচ্ছে। এবং বড় ভাই আগে থেকে তার বাড়ি যাওয়ার জিনিস নিজে কিনে নিয়ে এসেছে। এখানে শুধু এসেছি আমরা খালাতো ভাইদের জন্য মোবাইল নেওয়ার জন্য। এবং তারা কিছু জিনিস পাঠিয়ে দেবে বলে। আমরা সেখান থেকে চলে আসি এবং আমি আগের পোস্টে দিয়েছিলাম সেখান থেকে আমরা চলে যাই খাবার খেতে। যেটা আপনাদের মাঝে আমি পোস্ট শেয়ার করেছিলাম। তাই সে গুলো আর আপনাদের মাঝে উপস্থাপনা করলাম না। এখানে আজকের মতো আমি শেষ করে দিলাম। আমার বড় ভাই বাড়ি যা উপলক্ষে কিছু শপিং করার মুহূর্ত।
| Device | Name |
|---|---|
| Android | VivY77 /v2169 vivo |
| Camera | focal length:26mm(equivalent to 35mm focal length film) |
| Location | Malaysia 🇱🇷🇱🇷🇱🇷 |
| Short by | @bayezid123 |
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
আপনি কেনাকাটার শেষ পর্ব নিয়ে হাজির হয়েছেন। অনেক কিছুই কেনাকাটা করেছিলেন হয়ত এজন্য শেষ করতে অনেকগুলো পর্ব লেগে গেলো। আজ সোনার হার কিনতে গিয়েছিলেন এবং সবাই মিলে পছন্দ করে কিনেওছিলেন। আপনার মায়ের কথা শুনে খুব খারাপই লাগলো। মন খারাপ করবেন না ভাই। ভালো থাকবেন।
বড় ভাই বাড়িতে যাওয়ার কেনাকাটার মুহূর্তগুলো পর্ব আকারে আপনি আমাদের কাছে তুলে ধরছেন আমরা প্রত্যেকটি পর্ব অনেক উপভোগ করেছি আজ শেষ পর্ব পড়ে বেশ ভালো লাগলো।
আপনার পর্ব আকারে লেখা প্রত্যেকটা আর্টিকেল বেশ মানসম্মত আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ খুব সুন্দর ভাবে আজকেই পর্ব শেষ করার জন্য।
আপনার বড় ভাই বাংলাদেশে আসা উপলক্ষে শপিং করার শেষ পর্ব শেয়ার করেছেন। আপনার ভাবি আসার সময় স্বর্ণের হার নিয়ে যেতে বলেছে। কিন্তু আপনি একটি কাজ ঠিক করেছেন তাদের স্বামী স্ত্রীর ব্যাপার। সেখানে আপনি কথা না বলে ভালোই করেছেন। পরে শেষমেষ একটা গলার হার কিনেছিলেন। আপনার মায়ের জিনিসগুলো হয়তো এখনো আছে। কিন্তু আপনার আম্মা আর নেই। বিষয়টি ভাবলেই কেন জানি খুব খারাপ লাগে।
সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।
মোটামুটি মার্কেটিং করা শেষ পর্যায়ে তারা চলে এসেছেন। আপনার ভাবি আপনার ভাইয়ের কাছে একটা স্বর্ণের হার দাবি করেছিল। আসলে একজন স্ত্রী তার স্বামীর কাছে অনেক কিছুই আশা করে। আপনার ভাই সেটা পূরণ করেছে জানতে পেরে ভালো লাগলো। বর্তমান সময়ে প্রত্যেকটা জিনিসের দাম প্রচুর পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই দেশে আসার সর্বশেষ পর্ব আমাদের সাথে উপস্থাপন করার জন্য। ভালো থাকবেন।