আমরা আর কখনো ফিরে পাবো না ওই দিন গুলো। হাসি খুশি দিন গুলো হারিয়ে গিয়েছে আমাদের।
শৈশবের সেই খেলাধুলা গুলো খুব মনে পড়ে এখন। শৈশব কালে যখন আমরা আমাদের আশে পাশের ছোট্ট ছোট্ট ভাই বোনেদের সাথে খেলা করতে যেতাম। তখন সেই দিন গুলো ছিলো মধুময়। চাইলে এখন আর সেই দিন গুলো খুঁজে পাবো না। হারিয়ে গিয়েছে আমাদের জীবন থেকে সেই শৈশবের সুন্দর দিন গুলো। হারিয়ে গিয়েছে সেই খেলার সাথী গুলো।
আমাদের যখন চার থেকে পাঁচ বছর বয়স ছিলো তখন আমাদের কিছু খেলার সাথী ছিলো। তাদের কে নিয়ে খেলা করতাম কানামাছি ভবো ভবো। এক জনের চোখ বেঁধে বাকি কয়জন তাকে গায়ে হাত দিয়ে হাসি মজাই মেতে উঠতাম। সেই দিন গুলো কিন্তু আমাদের জীবন থেকে হারিয়ে গিয়েছে। আরো খেলা করতাম নারিকেলের মালা নিয়ে ভাত রান্না করতাম বালি দিয়ে। যে খেলার নাম ছিলো মালা টুলো গাছের পাতা দিয়ে তরকারি রান্না করতাম। কত আনন্দ করে মিছে মিছে খেয়ে ফেলতাম। সেই দিন গুলো আজ আমাদের জীবন থেকে হারিয়ে গিয়েছে।
আমার নাম চম্পা খেলাটির নাম হয়তোবা অনেকে জানেন। শৈশব কালে আমি কিন্তু আমার নাম চম্পা খেলাটি অনেক খেলেছি। আরো খেলা করতাম জুতা চোর সন্ধ্যার সময় মাঠে গিয়ে জুতা চোর খেলা করতাম। অনেক ভালো লাগতো সেই দিন গুলো এখন চাইলে আর ওই দিন গুলো খুজে পাবো না।
যখন একটু বড় হয়ে ছয় থেকে সাত বছর বয়স হলো তখন স্কুলে যেতাম স্কুলে গিয়ে একটি ক্লাস শেষ হয়ে যাওয়ার পরে স্কুলের বন্ধুদের সাথে স্কুলের মাঠে গিয়ে ক্রিকেট খেলা এবং ফুটবল ও বিভিন্ন ধরনের খেলা করতাম। আবার স্কুল থেকে বাড়ি এসে গোসল করে ভাত খেয়ে চলে যেতাম খেলা করতে সারা দিন খেলার উপরে থাকতে সব সময় ভালো লাগতো। চাচাতো ভাইদের সাথে কাঁচের মার্বেল খেলতে চলে যেতাম সন্ধ্যার কিছু সময় আগে চলে আসতাম বাড়ি বাড়ি আসার পরে মায়ের বকুনি শুনতে অনেক ভালো লাগতো তখন এখন আর মা বকে না।
যখন ১০ থেকে ১১ বছর বয়স হলো তখন বন্ধুর সংখ্যা একটু বেশি হতে লাগলো ধীরে ধীরে বাজারে যেতে শিখলাম বাজারে স্কুলের মাঠে গিয়ে ফুটবল ক্রিকেট খেলতে খুবই ভালো লাগলো। আরো বেশি ভালো লাগতো হা ডু ডু খেলা করতে ৬ জন ৬ জন ১২ জন মিলে হা ডু ডু খেলা করতে হয়। এই খেলা আমাদের বাংলাদেশের জাতীয় খেলা আমাদের গ্রাম গঞ্জে ঐতিহাসিক খেলা আমার অনেক প্রিয় একটি খেলা।
ধীরে ধীরে সব খেলা যেনো এক ঝটকায় চলে গেলো আমাদের জীবনে থেকে। কারণ আমরা যখন বুঝতে শিখলাম ভালো ভাবে তখন আমাদের বিভিন্ন ভাবে চাপ নিতে হয়েছে কেউ লেখাপড়ার জন্য অনেক চাপ নিয়েছে যার জন্য সে খেলাধুলা করতে ভুলে গিয়েছে, কেউ পরিবারের জন্য নিজে রোজগার করতে চলে গিয়েছে ভুলে গিয়েছে তার হাসি খুশি জীবনের সেই খেলাধুলা গুলো।
যখন আমরা ভালো করে বুঝতে শিখলাম তখন আমাদের জীবন থেকে যেনো সব হাসি খুশি চলে গিয়েছে হারিয়ে গিয়েছে সেই শৈশবের সুন্দর দিন গুলো হারিয়ে গিয়েছে সেই মায়ের বকা হারিয়ে গিয়েছে মা বাবার কাছে কেউ বিচার দেওয়া। এখন আর কেউ বিচার দেয় না তোমার ছেলে এইটা করেছে মা একটু বকে না। আমাদের বয়স যখন বেশি বাড়বে ততো আমাদের জীবন থেকে এই জিনিস গুলো হারিয়ে যাবে।
ধন্যবাদ সবাইকে বন্ধুরা আশা করব আজকের পোস্টটি ভালো লাগবে আপনাদের কাছে আজ এখানে শেষ করছি আপনারা সবাই ভালো এবং সুস্থ থাকবেন।
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
ছোট বেলার স্মৃতি আসলে আমাদের জীবনের এক অমূল্য সম্পদ।আমরা যত বড়োই হই না কেন এই ভালো-লাগার সময়টাকে কখনোই ভুলতে পারি না।
আপনার লেখা পড়তে পড়তে আমিও আমার ছোটবেলায় চলে গিয়েছিলাম।
এত সুন্দর ভাবে এই চমৎকার বিষয়টা নিয়ে লেখার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
ভালো থাকবেন সবসময় এই শুভকামনা রইলো আপনার জন্য
আপনি একদম ঠিক বলেছেন শৈশবের স্মৃতি আমাদের জীবনে অমূল্য সম্পদ। আমরা যতো বড়ো হয় না কেনো শৈশবের সেই কাটানো সময় গুলো আমরা কখনো ভুলতে পারবো না।
ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর একটি মন্তব্য আমার পোষ্টের মাধ্যমে শেয়ার করার জন্য।
ছোটবেলায় আমরা অনেক ভালো ছিলাম ৷ সারাদিন মাঠে পড়ে থাকতাম আর খেলাধুলা করতাম ভাত খাওয়ার সময় হয়ে গেলেও ভাত খেতে যাওয়ার কথা মনেই আসে না ৷ আর ছোট বেলায় গ্রামের সবাই মিলে নানা ধরনের খেলায় মেতে উঠলাম কি যে ভালো লাগতো ৷ আর আজকে আপনি সেই দিনগুলোর কথা মনে করিয়ে দিলেন ৷
ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে তুলে ধরার জন্য ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন ৷
জি ভাই ছোটবেলায় আমরা অনেক ভালো ছিলাম ব্রাজিল মাঠে খেলাধুলা করতাম তখন অনেক ভালো লাগতো ভাত খেতে যাওয়ার কথা মনে আসতো না শুধু সারাদিন খেলাধুলা করতে মন চাইতো।
ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর একটি মন্তব্য শেয়ার করার জন্য।
আপনি অনেক শৈশবের স্মৃতি মনে করিয়ে দিলেন। ছোটবেলায় সত্যিই খেলাধুলা করার জন্য অনেক বন্ধু-বান্ধবের গ্রুপ ছিল। দাঁড়িয়া বান্দা কুতকুত,সাতচাড়া,বউচি, গাছে ওঠা, ডাঙ্গুলী, মার্বেল ইত্যাদি সহ এমন কোন খেলা নেই যা আমি ছোটবেলায় খেলিনি। আজ আপনার লেখাটি পড়ে সমস্ত স্মৃতিগুলো তাজা হয়ে গেল। এজন্য আপনাকে ধন্যবাদ না দিয়ে পারছি না। ভালো থাকবেন।
এটা জানতে পেরে খুব ভালো লাগলো আমার পোস্টটি দেখে আপনার শৈশবের স্মৃতি মনে পড়ে গেলো। এবং আপনি শৈশবে অনেক খেলা করেছেন জানতে পেরে ভালো লাগলো। শৈশবের সেই দিন গুলো আমাদের জীবনে এক স্মৃতি হয়ে থাকবে এই স্মৃতি কখনো মুছে যাবে না।
অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর একটি মন্তব্য শেয়ার করার জন্য আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।
আপনার জন্য ও অনেক শুভকামনা রইলো।
কোথায় আছে সময় পার হয়ে গেলে সেটা আর ফিরে আসে না ।। ঠিক সেরকম শৈশব চলে গেছে সেটা কখনো ফিরে পাবো না কিন্তু স্মৃতি হয়ে আছে শৈশবের সেই দিনগুলো আর সারা জীবন থাকবে।। আজকে আপনি আমার শৈশবের দিনগুলো মনে করিয়ে দিয়েছেন খুবই ভালো লেগেছে মনে পড়ে।।।
এটা একদম ঠিক বলেছেন ভাই সময় চলে গেলে আর ফিরে আসে না ঠিক শৈশব চলে গেলে আর কখনো ফিরে আসে না থেকে যায় শুধু আমাদের জীবনে স্মৃতি হয়ে।
ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর একটি কমেন্ট করার জন্য।
আপনাকেও ধন্যবাদ ভাই আর আপনার পরবর্তী পোস্ট পড়ার অপেক্ষায় রইলাম।।
আমরা আসলে শৈশবের স্মৃতিগুলো কখনোই করবো না। আপনার এই লেখা পড়তে গিয়ে আমার অনেক স্মৃতি মনে পড়ে গেল যেমন আমরা দুই ভাই ওখানে ক্রিকেট খেলতাম আর আমরা শুধু বকা দিত বলতো তোরা জায়গা পাস না ক্রিকেট খেলার ওঠান কেন ক্রিকেট খেলিস তবুও আমরা শুনতাম না। আসলে এসব জীবনে এখন শুধুই অতীত। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ সুন্দর লেখনি আমাদের কাছে উপস্থাপনা করার জন্য।
আপনার শৈশবের স্মৃতি আজ মনে পড়ে গেলো আপনারা দুই ভাই ক্রিকেট খেলতে যেতেন এবং শুধু বকা দিতো আপনাদের এটা জানতে পেরে খুবই ভালো লাগলো।
ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর একটি মন্তব্য শেয়ার করার জন্য।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য। শৈশবের স্মৃতি বিজড়িত দিনগুলো কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে। আপনার শৈশব স্মৃতি পড়ে আমার শৈশবের স্মৃতি মনে পড়ে গেল। অনেক ভালো লাগলো আপনার পোস্টটি পড়ে। ভালো থাকবেন সবসময়।