//আমার জীবনের বাস্তব গল্প:-পর্ব ২৮//
"সবার সুস্বাস্থ্য কামনা করছি" |
|---|
আমার প্রিয় বাংলা ব্লগ এর ভাই ও বোনেরা, মুসলিম ভাই ও বোনদের জানাই আসসালামু আলাইকুম সনাতন ধর্মালম্বী ভাই ও বোনদের জানাই আদাব এবং অন্যান্য ধর্ম অবলম্বনকারী ভাই ও বোনদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আশা করি মহান সৃষ্টিকর্তার কৃপায় সবাই বাড়ির সকল সদস্যকে নিয়ে ভালো আছেন সুস্থ আছেন। আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে এবং আপনাদের সকলের দোয়ায় ভালো আছি, সুস্থ আছি।প্রতি দিনের মত আজকেও আপনাদের মাঝে আরেকটি বিষয় নিয়ে উপস্থিত হলাম। আজকের বিষয় হচ্ছে আমার জীবনের বাস্তব গল্প:-পর্ব ২৮ আমি আপনাদের মাঝে সব সময় নতুন কিছু শেয়ার করার চেষ্টা করি।তবে এখানে আমার দুঃখ ও কষ্ট সব কিছু শেয়ার করি।আপনারা হয়তো কেউ কেউ আমার পর্ব গুলো পড়ছেন।যারা পড়ছে তারা খুব তাড়াতাড়ি বুঝতে পারবে। যাইহোক দেরি না করে শুরু করা যাক।
আপনাদের মাঝে এর আগে বলা হয়েছে যে,বাবার কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা নিয়ে জমি আবাদ করতাম।আর সেগুলো টাকা নেওয়াতে আমার ভাবিরা হিংসা করতো।আচ্ছা আমি কিন্তু আমার ফ্যামলিকে এখানে ছোট করতেছি না।যেটা ঘটনা ঘটেছে সেটা সুন্দর ভাবে গল্পের আকারে শেয়ার করবো।আপনারা কেউ আমার ফ্যামলিকে ছোট করবেন না।তো যাইহোক তারা কিন্তু এগুলো দেখার পর মনে মনে অনেক হিংসা করতো।তবে আমি দেখছি আমার সব ভাইয়েরা একটু আলাদা টাইপের। তারা নিজে নিজের চিন্তা করেন।তো বড় ভাই তেমন একটা কাজ করতে পারে না, তার একটু বয়স হয়েছে এই জন্য।
তো এইভাবে আমরা বেশ কিছুদিন আবাদে মন দিলাম। আমার বাবা কিন্তু সেই সময় অনেক অসুস্থ।তার ওষুধ পাতি যাবতীয় জিনিস যা লাগতো আমি সব নিয়ে আসতাম।আমি একটা বিষয়ে লক্ষ্য করছি ওই সময়,আমার ভাইয়েরা কোনদিন আমার বাবার জন্য কোন ওষুধ নিয়ে আসতো না।যাইহোক বাবা তাদের বলছিল যে ওষুধ নিয়ে আসতে।কিন্তু তারা ওষুধ কোনদিন নিয়ে আসতো না। বরং তারা বলতো যে যেগুলো টাকা আছে সেগুলো দিয়ে ওষুধ নিয়ে আসতে। কিন্তু বাবা আমাকে যে ১০ হাজার টাকা দিছে সেটার জন্য তারা ওষুধ নিয়ে আসতো না। আসলে কিছু কিছু মানুষের মনে শয়তান ভর করলে সব কিছু উলট পালট হয়ে যায়। ঠিক তেমনি আমার ভাইয়ের দসা হয়েছে।
আমার বাবার বেশি বয়স হওয়ার কারনে সে কিন্তু চলাফেরা করতে পারতো না। তবে যতদিন বেঁচে ছিলো আল্লাহ তায়ালা ভালো ভাবে রেখে দিয়েছিল।যতই কষ্ট হওক না কেনো,বাবা সব কষ্ট সহ্য করে নিতো।যাইহোক আমি সব সময় বাবাকে খেয়াল রাখতাম এবং যা লাগতো নিয়ে আসতাম।তো ১০ হাজার টাকা দেওয়াতে তারা কিন্তু অনেক খারাপ ব্যবহার শুরু করছে।আসলে মানুষের মনে তখনই হিংসা জন্ম নেই যখন একটা জিনিস দেখে সে মানতে পারে না। আর হিংসা করা মানুষ কিন্তু বেশি কিছু করতে পারে না। তো এই ভাবে কিছু দিন যাওয়ার পর তারা কিন্তু আমার বাসায় এসে মাফ চেয়েছে।
যদিও ওই সময় আমি বাসায় ছিলাম না।কিন্তু আমার বড় ভাবি ছিলো তাকে এসে সব কিছু খুলে বলছে।কারণ সবার শেষে সে তার নিজের ভুল বুঝতে পারে।আর যারা নিজের ভুলটা বুঝতে পারবে তারা কিন্তু সব কিছু করতে পারবে।তবে সব শেষে যে মানুষ টা নিজের ভুল শিকার করে ওই ধরনের মানুষ গুলো আমার কাছে ভালো লাগে। কারণ মানুষ মাত্রই ভুল এটা স্বাভাবিক। তাই তাদের সব আচরণ,কথা বার্তা ভুলে নতুন করে শুরা করা।তো এর পরে কি হয়েছে সেটা সামনের পর্বে উপস্থাপন করবো।হয়তো সেটাই শেষ পর্ব হতে পারে।তো আজকের মতো এখানেই বিদায় নিলাম আপনারা সবাই ভালো থাকবেন ও সুস্থ থাকবেন।
| ডিভাইস | Tecno camon 20 |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @polash123 |
| লোকেশন | দিনাজপুর |
| আসসালামুআলাইকুম,আমার নাম মোঃ পলাশ সরকার রাজু । আমার স্টিমিট ইউজার নেম @polash123 আমি দিনাজপুর জেলার, পার্বতীপুর উপজেলার একজন বাসিন্দা। আমি পড়া শুনা করি এবং পড়াশোনার পাশাপাশি স্টিমিট প্লাটফর্মে কাজ করি। আমি ক্রিকেট খেলতে অনেক ভালোবাসি।আর ক্রিকেট খেলা দেখতেও খুব ভালবাসি।মাঝে মাঝে সময় পেলে যে কোন ধরনের ফটোগ্রাফি করি। আর অংকন করতেও ভালবাসি।আপনারা সবাই ভালো থাকবেন এবং সুস্থ ও নিরাপদে থাকবেন। |
|---|
You can also vote for @bangla.witness witnesses
https://x.com/Polashislam681/status/1846889483347939362?t=on9OMl7rj26RAMih_VdrSQ&s=19
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
আসলে কিছু কিছু মানুষের মনোভাব খুবই বিরুপ হয়ে থাকে এবং সব সময় হিংসা করতে চায় এগুলো কখনো উচিত নয়।আপনার বাবা আপনাকে ভালোবেসে ১০ হাজার টাকা দিয়েছিল যেন আপনি কিছু করতে পারেন তবে আপনার ভাবীরাযেভাবে হিংসা করছে এগুলো কথা আসলে সত্যি খুব খারাপ লাগছে।
আসলেই এটা দুঃখ জনক বিষয় ভাই, ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
পৃথিবীতে প্রত্যেকটা সন্তানের বটবৃক্ষের ছায়া তার পিতা-মাতা। আর পিতামাতার বাইরে যে সমস্ত আপনজন রয়েছে তারা প্রকাশ্যে অথবা গোপনে সুযোগে সৎ ব্যবহার খারাপ ব্যবহার করতে থাকে। তবে সরাসরি যে সমস্ত মানুষগুলো খারাপ আচরণ করতে থাকে হিংসা করতে থাকে সে সমস্ত মানুষগুলো যেমন ভয়ানক তার চেয়ে গোপনে হিংসা করা মানুষগুলো আরো বেশি ভয়ানক হয়ে থাকে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে নিজেকে কন্ট্রোল করতে হবে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখতে হবে আর কিছু কিছু ক্ষেত্রে সজাগ থাকতে হবে যেন তার মধ্য থেকে নিজেকে ভালো অবস্থানে টিকিয়ে রাখা যায়।
জি ভাই কিছু কিছু ক্ষেত্রে নিজেকে কন্ট্রোল করে রাখতে হয়।ধন্যবাদ আপনাকে এতো সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য।
ভাইয়া আপনার ফ্যামিলিকে ছোট করা নয় বরং প্রতিটা ফ্যামিলিতেই বর্তমানে এমন ঘটনা ঘটে যাচ্ছে। ভাই ভাই আগে ভালো থাকে কিন্তু কেন জানি বিয়ের পর বউদের জন্য ভাইয়ে ভাইয়ে যুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। তখন যদি বাবা মা বেঁচে থাকে তাহলে আরও বেশি সমস্যা হয়। তারা যদি কোনো সন্তান কে ভালোবেসে কিছু দেয় সেটা নিয়েই বেশি অশান্তি শুরু হয়। যেমন আপনার ক্ষেত্রে হয়েছে। তবে পরবর্তীতে তারা এসে মাফ চেয়েছে জেনে ভালো লাগলো। এরপর কি হলো জানার অপেক্ষায় রইলাম।
জি আপু তারা পরবর্তী বিষয় গুলো বুঝতে পারছে সেটা আমার কাছেও ভীষণ ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।