ভালোবাসার শেষ পরিণতি ২য় পর্ব
আসসালামু আলাইকুম
আমার প্রিয় বাংলা ব্লগ এর সকল ভাই ও বোনেরা কেমন আছেন? নিশ্চয় মহান সৃষ্টিকর্তার রহমতে সবাই বাড়ির সকল সদস্যকে নিয়ে ভালো আছেন সুস্থ আছেন। আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে এবং আপনাদের সকলের দোয়ায় ভালো আছি, সুস্থ আছি।সকলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে শুরু করেছি আজকের পোস্ট।
ভালোবাসার শেষ পরিণতি ২য় পর্ব
বরাবরের মতো আজও আমি আপনাদের মাঝে এসেছি নতুন একটা পোস্ট নিয়ে। আসলে আজ এােছি একটা গল্প নিয়ে। গল্প মানে আমাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া অনেক ঘটনা। গল্প লিখতেও পড়তে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। তাইতো সপ্তাহে একটি করে গল্প লেখার চেষ্টা করি।এমন এক ভালোবাসার গল্প গত পর্বে আপনাদের সাথে শেয়ার করেছিলাম। আজ এর দ্বিতীয় পর্ব নিয়ে এসেছি। আসলে এমন কিছু ভালোবাসা আছে যা নিজের চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা মুশকিল। সত্যি বলতে ভালোবাসা ও বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। সত্যি কারের ভালোবাসার মানুষ খুঁজে পাওয়া অনেক মুশকিল। অনেক সময় খুঁজে পেলে ও পরিবারের চাপে হয়তো ভালোবাসার মানুষকে ধরে রাখা সম্ভব হয় না। এমনি এক গল্প নিয়ে এসেছি আপনাদের মাঝে তাহলে চলুন শুরু করে আজকের পোস্ট।
আকাশ ও রিনার ভালোবাসার গল্প। আকাশ সত্যি রিনাকে অনেক ভালোবাসে। যদিও আকাশ রিনাকে ভালোবাসার ছলনায় ফেলতে চেয়েছিল। তবে ছলনায় না ফেলে তাকে সত্যিকারে ভালবেসে ফেলেছে। কিন্তু আকাশের চাচা জানে আকাশ রিনার সাথে অভিনয় করছে। আসলে আকাশ প্রথমে অভিনয় করেছিল কিন্তু তারপর মন থেকে ভালোবেসে ফেলেছে। যাইহোক রিনা ও আকাশকে মনে প্রাণে ভালোবাসে। এভাবে একদিন রিনা আকাশের সাথে পালিয়ে যাবার সিদ্ধান্ত নিল। আকাশ সিদান্ত নিল ঠিক কিন্তু ভয়ে অস্হির হয়ে পড়ল। আসলে আকাশ তেমন কিছু করে না তারপর আবার চাচা যদি জানতে পারে আকাশ সত্যিকারে রিনাকে ভালোবাসে তাহলে তো মুশকিল।
তারপর একদিন রিনা বাবা রিনার বিয়ে ঠিক করে ফেলল।আর তখন রিনা সিদ্ধান্ত নিল যে করেই হোক সে বাড়ি থেকে বের হয়ে যাবে। এভাবে রিনার বিয়ের তারিখ এর আগেই রিনা আকাশের সাথে বাড়ি থেকে বেরিয়ে এলো।রিনা যাবার সময় বেশ কিছু টাকা পয়সা সাথে নিয়ে গিয়েছে। আর রিনার কিছু ছোট গহনা ছিল সেগুলো নিয়ে গিয়েছে। তারপর দুজনে বিয়ে করে পালিয়ে রয়েছে। আকাশ রিনার থেকে বেশি ভয়ে আছে তার চাচার জন্য। এদিকে সব জেনে গিয়েছে আকাশ রিনাকে নিয়ে পালিয়েছে।
তারা দুজনে কোন আত্মীয় বাড়ি না গিয়ে সোজা ঢাকায় গিয়ে ছোট একটা বাসা ভাড়া করে রয়েছে। এদিকে রিনার পরিবার থেকে আকাশের পরিবার বেশি খুঁজতে লাগলো তাদের। তারা প্রথমে কিছু দিন কষ্টে থাকলেও তারপর আজাশ ছোট একটা চাকরি করে মোটামুটি ভালোই চলছিল। কিন্তু এভাবে পালিয়ে কতদিন থাকা যায়।আর আকাশের চাচা তাদের মরিয়া হয়ে খুঁজতে লাগলো। এভাবে চলে গেল এক বছর। একদিন আকাশ তার বাবা মায়ের সাথে যোগাযোগ করল। তারপর তারা বাড়িতে আসতে বলল।কিন্তু আকাশের চাচার জন্য বাড়িতে আসতে সাহস পেল না।তারপর একদিন আকাশের চাচা তাদের বাসার ঠিকনা জানতে পারল।আসলে আকাশের চাচা এখনো বিয়ে করেনি। কারণ সে রিনার মাকে বিয়ে করতে চেয়েছিল।তাই তার রাগ যে করেই হোক রিনাকে আকাশের জীবন থেকে সরিয়ে দিতে হবে। তারপর একদিন আকাশের চাচা হঠাৎ আকাশের বাসায় চলে এলো[।চলবে]
| প্রয়োজনীয় | উপকরণ |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @parul19 |
| ডিভাইস | redmi note 12 |
| লোকেসন | ফরিদপুর |
আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি। আবার দেখা হবে অন্য কোন ব্লগে অন্য কোন লেখা নিয়ে। সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।
আমি পারুল। আমার ইউজার নেম@parul19। আমার মাতৃভাষা বাংলা। বাংলাদেশ আমার জন্মভূমি।আমি ফরিদ পুর জেলায় বসবাস করি।আমার দুটি মেয়ে আছে। আমি বাংলাই লিখতে ও পড়তে ভালোবাসি। আমি নতুন নতুন রেসিপি তৈরি করতে ও ঘুরতে পছন্দ করি।এই অপরুপ বাংলার বুকে জন্ম নিয়ে নিজেকে ধন্যবাদ মনে করি।
https://x.com/MimiRimi1683671/status/1922671365976383770?t=z8P6sJjR-7Sa-8y8HM34Rg&s=19
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
https://x.com/MimiRimi1683671/status/1922651753448608244?t=4u-UfYrta53b7wLMcQF3Vg&s=19
https://x.com/MimiRimi1683671/status/1922653124935782467?t=o6l3nbU58TiMUgvSDTLsWA&s=19
গল্পটা আসলেই অনেক ইমোশনাল আর বাস্তবধর্মী লাগছে। আকাশ আর রিনার ভালোবাসার টানাপোড়েন, সামাজিক বাধা আর চাচার প্রতিশোধপরায়ণতা পুরো গল্পটাকে নাটকীয় করে তুলেছে। খুব আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছি পরবর্তী পর্বের জন্য। আশা করি আকাশ-রিনার ভালোবাসা সব বাধা পেরিয়ে জয়ী হবে।