এই বছরের শীত(অনুভূতির মিশেলে)
নমস্কার
এই বছরের শীত:
অন্যান্য বছরের তুলনায় এই বছর যেন শীত জাকিয়ে বসেছে।আসলে চাঁদের বুড়ি মনে হচ্ছে চরকায় বেশিই সুতা কেটে ফেলেছে তবে ছোট বরফের খন্ডগুলি বাঁধতে ভুলে গিয়েছে।দিন যতই যাচ্ছে ততই ষড়ঋতুর সেই প্রকৃতিগুলো কোথায় যেন নিজেকে মুখ লুকিয়ে নিচ্ছে ,আবার বলতে গেলে যে আবহাওয়ার রূপ-বৈচিত্র্য শুরু হচ্ছে সেটা যেন তার নিজস্ব ঢঙে আপন গতিতে চলছে বয়ে চলা নদীর স্রোতের মতো।
একটা সময় ছিল যখন ছয়টি ঋতুর প্রভাব ঠিকভাবে হতো এই গ্রাম বাংলায়।মানুষ উপভোগ করতো প্রতিটি ঋতুকে নতুনভাবে সাদরে।কিন্তু সেই ষড়ঋতুর এতটাই পরিবর্তন ঘটেছে যে,মানুষের আবেগের পরিবর্তনের কাছেও যেন হার মানে।এখন তিনটি কালের দেখা পাওয়া যায় গ্রীষ্ম,বর্ষা ও শীতের।সত্যি বলতে এগুলো প্রকৃতিতে আসলে যেন আর বাড়ি ফেরার নাম-ই করে না।
এই বছর যখন গরম পড়া শুরু করেছিলো এতটাই গরমের তীব্রতা হয়েছিলো যে খরার সৃষ্টি হয়েছিল।আবার এতটাই বৃষ্টির গতিবেগ হয়েছিল যে প্রবল বন্যার সৃষ্টি হয়েছিলো কোথাও কোথাও।তেমনি এখন এই শীতের সময়, যেটা এখন প্রকৃতিকে নিজের হাতের মুঠোয় কব্জা করেছে।শীতের তীব্রতা কাটিয়ে ওঠায় যেন মুশকিল।আগে শীতে একটি চাদরের সঙ্গে একটি ব্ল্যাংকেট গায়ে জড়িয়ে নিলেই শীতকালের বিদায় বেলা চলে আসতো।কিন্তু এখন একটার পর একটা গায়ে জড়িয়ে নিলেই যেন কোথা থেকে ফোকর কাটিয়ে ঠান্ডা ঠিক শরীরের লোমের মধ্যে বাসা বাঁধে পিঁপড়ার মতো।
জানি না, এখন শহরের কি অবস্থা।তবে আমাদের গ্রামের গতিবিধি ঠিক এমনটা।কোনো কোনো দিন সকালে উঠে দেখি এতটাই ঘন সাদা কুয়াশায় প্রকৃতি ঢেকে গিয়েছে যে,অন্য এক জগতে বাস করছি।যেন কাশ্মীরের বরফের মধ্যে কিংবা আকাশে সাদা মেঘের ভেলায়।যেখানে দূরের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা একেবারেই অসম্ভব হয়ে পড়ে, তার মধ্যে আবার খেজুর গাছগুলি উঁকি দিচ্ছে গাছিদের অপেক্ষায়।কিন্তু বর্তমানে গাছির দেখা পাওয়া দায় হয়ে পড়েছে।যাইহোক আজ এই পর্যন্ত-ই।
পোষ্ট বিবরণ:
| শ্রেণী | জেনারেল রাইটিং |
|---|---|
| ডিভাইস | poco m2 |
| অভিবাদন্তে | @green015 |
| লোকেশন | বর্ধমান |
| আমার পরিচয় |
|---|
টাস্ক প্রুফ:
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
দিদি আমার মনে হয় এটা প্রকৃতির এক বিরূপ পরিবর্তন। গরমের মৌসুমে মাত্রার অতিরিক্ত গরম আবার বৃষ্টির মৌসুমে মাত্রার অতিরিক্ত বৃষ্টি। যার কারণে হয়তোবা শীতের মৌসুমে এরকম হাড় কাঁপানো শীত পরছে যেন মনে হয় শীতের কাপড় ভেদ করে গায়ে পিপড়ার মত চিমটি কেটে ধরছে।
হি হি,ঠিক বলেছেন ভাইয়া।আপনার সুন্দর মতামতের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
এই বছর গরমও বেশি পড়েছে, আবার শীতও বেশি পড়েছে। সামনে হয়তোবা আরও ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে। তবে এমন আবহাওয়ার জন্য আমরাই দায়ী। আসলে পরিবেশের উপর আমরা অতিরিক্ত অত্যাচার করে ফেলেছি। যাইহোক পোস্টটি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
প্রকৃতির এমন বিরূপ প্রভাবের জন্য আমরাই দায়ী,একেবারেই সঠিক বলেছেন ভাইয়া।ধন্যবাদ আপনাকে।