ভাগ্নেকে নিয়ে হাঁটাহাঁটি এবং খাওয়া-দাওয়ার অভিজ্ঞতা।
আমার ভাগ্নে খাওয়া-দাওয়া করতে খুবই ভালোবাসে। বিশেষ করে জাঙ্ক ফুড তার খুবই পছন্দের। অবশ্য আজকালকার বেশিরভাগ বাচ্চাদেরই জাঙ্কফুট খুব পছন্দ। যাইহোক ভাগ্নেকে নিয়ে সন্ধ্যার সময় আমি হাঁটতে বের হয়েছিলাম। বোনের বাসা থেকে বের হয়ে ঠিক সামনেই দেখতে পেলাম নতুন একটি রেস্টুরেন্ট ওপেন হয়েছে। সেই রেস্টুরেন্টের প্রধান খাবার হচ্ছে পিজ্জা। রেস্টুরেন্ট টা দেখে আমি আমার ভাগ্নেকে জিজ্ঞেস করলাম এখানকার পিৎজার টেস্ট কেমন? ভাগ্নে আমাকে জানালো সে তখনও সেখান থেকে পিজ্জা খাইনি। তখন আমি তাকে বললাম তাহলে আমরা আজকে ফেরার সময় এখান থেকে পিজ্জা খাবো। আগে আমার ভাগ্নে আমার কাছে প্রায়ই পিজা খেতে চাইতো। তবে এখন ও কিছুটা বড় হয়ে যাওয়ার কারণে মামার কাছে আবদার করতে হয়তো লজ্জা পায়।
আবার আমি তাকে কিছু খাবে কিনা জিজ্ঞেস করলেও আমাকে কিছু বলে না। এবারও যখন তাকে পিজ্জা খাওয়াতে চাইলাম তখন সে জানালো সে খাবে না। তবে আমি তো ঠিকই জানি পিজ্জা আমার ভাগ্নের খুবই পছন্দের খাবার। যাই হোক হাটাহাটি শেষে যখন বাসার দিকে ফিরছিলাম। তখন আমি ভাগ্নেকে নিয়ে সেই রেস্টুরেন্টে গেলাম। সেখানে গিয়ে বসে আমি খাবার অর্ডার করতে চাইলে আমার ভাগনে আমাকে বললো খালি খালি টাকা খরচ করার দরকার কি? যাই হোক আমি তার কথা না শুনে তার জন্য একটা ছোট সাইজের পিজা অর্ডার করলাম। সেই সাথে অর্ডার করলাম বাফেলো উইংস। খাবার অর্ডার করে আমরা দুই মামা ভাগ্নে বসে গল্প করছিলাম। তবে গল্প করতে করতে আমাদের গল্প ফুরিয়ে গেলো কিন্তু পিৎজার দেখা পাচ্ছিলাম না।
শেষ পর্যন্ত যখন ওয়েটারকে ডেকে জিজ্ঞেস করলাম। তখন সে বলল আর কিছুক্ষণের ভেতরেই পিজ্জা তৈরি হয়ে যাবে। যাই হোক কয়েক মিনিট পরেই আমাদের টেবিলে চলে এলো গরম গরম পিৎজা। সেই সাথে এলো বাফেলো উইংস। পিজা টেবিলে পরিবেশন করতেই ছবি তোলার পর আমরা খাওয়া শুরু করলাম। আমি অবশ্য ছোট্ট সেই পিজা থেকে শুধু একটা স্লাইস নিয়েছিলাম। তবে পিৎজা আমার কাছে কোন কালেই খুব একটা ভালো লাগে না। যদিও এদিন আমি একটা মজার কাজ করেছিলাম। পিৎজার সাথে যে সস দেয়া ছিলো আমি সেটা ব্যবহার না করে পিজা খাওয়ার জন্য আমি বাফেলো উইংসের সাথে যে গ্রেভি ছিল সেটাকে সস হিসাবে ব্যবহার করেছিলাম। সেই গ্রেভি দিয়ে পিজা খেতে আমার কাছে দারুন লেগেছিলো। যাই হোক আমাদের খাওয়া দাওয়া পর্ব যখন প্রায় শেষের দিকে। তখন খেয়াল করলাম আমাদের পাশের একটা টেবিলে একজন মাশরুম খাচ্ছে। তার খাওয়া দেখে মনে হচ্ছিলো মাশরুমটা খেতে খুব মজা হবে। তখন আমি ওয়েটারকে ডেকে আমাদের জন্য গার্লিক মাসরুম অর্ডার করলাম। আমার ভাগ্নে জানালো সে এর আগে কখনো মাশরুম এভাবে খাইনি। আমি নিজেও কিছুটা কনফিউজড ছিলাম যে আসলে খেতে কেমন হবে। পরবর্তীতে মাশরুম যখন টেবিলে চলে এলো তখন খেতে গিয়ে দেখি দারুন লাগছে। যাই হোক মাশরুম খাওয়া শেষ হলে আমরা বিল মিটিয়ে বাড়ির দিকে রওনা দিলাম। এভাবেই মামা ভাগ্নের ঘোরাঘুরি এবং খাওয়া-দাওয়ার পর্ব শেষ হলো।
আজকের মত এখানেই শেষ করছি। পরবর্তীতে আপনাদের সাথে দেখা হবে অন্য কোন নতুন লেখা নিয়ে। সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।
| ফটোগ্রাফির জন্য ব্যবহৃত ডিভাইস | Samsung s24 ultra |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @rupok |
| স্থান | ঢাকা |
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
VOTE @bangla.witness as witness
OR
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
আপনার ভাগ্নে তো দেখছি আসলেই বেশ বড় হয়ে গিয়েছে। তাইতো খাবার অর্ডার করার সময় সে আপনাকে বললো, খালি খালি টাকা খরচ করার দরকার কি। যাইহোক মামা ভাগ্নে মিলে বেশ ভালোই খাওয়া দাওয়া করেছেন। পিজ্জা আমার সবসময়ই খুব পছন্দ। পিজ্জার ফটোগ্রাফি দেখে খুব ভালো লাগলো। এতো চমৎকার একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।