বোতলের বাড়ি দেখতে গিয়ে ঘোরাঘুরি
আসসালামু আলাইকুম
আমার প্রিয় বাংলা ব্লগ এর সকল ভাই ও বোনেরা কেমন আছেন? নিশ্চয় মহান সৃষ্টিকর্তার রহমতে সবাই বাড়ির সকল সদস্যকে নিয়ে ভালো আছেন সুস্থ আছেন। আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে এবং আপনাদের সকলের দোয়ায় ভালো আছি, সুস্থ আছি।সকলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে শুরি করেছি আজকের পোস্ট।
বোতলের বাড়ি দেখতে গিয়ে ঘোরাঘুরি
বরাবরের মতো আজও আমি আপনাদের মাঝে এসেছি নতুন একটা পোস্ট নিয়ে। আসলে আজ এসেছি একটা ঘোরাঘুরির পোস্ট নিয়ে। ঘুরতে আমাদের সবার অনেক ভালো লাগে। তবে ঘুরতে হলে টাকা আর সময়ের প্রয়োজন। আসলে অনেক সময় টাকা থাকলেও সময় থাকে না। আজ বেশ কিছু দিন ধরে অনেক ব্যস্ততার মধ্যে যাচ্ছি। হয়তো আরো কিছু দিন যাবে ব্যস্ততার মধ্যে। আসলে এদিকে বাড়িতে নতুন ধান আসছে আর অন্য দিকে বাচ্চাদের পরীক্ষা শুরু হয়েছে সব মিলে বেশ ঝামেলায় আছি।আর শত ব্যস্ততার মধ্যে আমার বাংলা ব্লগের মাঝে না আসলে ভালো লাগে না। তবে আমাদের বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে একটা বোতলের বাড়ি তৈরি হচ্ছে। যদিও বাড়িটি এখনো সম্পূর্ণ পূর্ণ হয়নি আরো কিছু কাজ বাকী আছে।তবে সবাই গিয়ে দেখে আসে কিন্তু সময়ের অভাবে আমি কখনো যেতে পারিনি।গতকাল আমার জায়ের সাথে বাড়িটি দেখতে গিয়েছিলাম। সত্যি বাড়ি দেখে অনেক ভালো লেগেছিল। বাড়ি দেখে আমার স্টুডেন্ট এর বাড়িতে ঘুরতে গিয়েছিলাম। সময়টা বেশ ভালোই কেটেছিল। আশাকরি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে। তাহলে চলুন শুরু করি আজকের পোস্ট।
আমি যদিও ওদিকে অনেক কম যায়।তবে আমার জা অনেক যায়।যায় আমি কয়েকটি স্টুডেন্ট পড়ায়। তারা সবাই হাই স্কুলে পড়ে। সবাই মোটামুটি ভালোই দূর থেকে আসে।বোতলের বাড়ি দেখার আগেই আমার এক স্টুডেন্ট এর বাড়ি পড়লো।তারপর সে আমাদের দেখে তাদের বাড়িতে নিয়ে গেল।হালকা নাস্তা খেতে দিল।যদিও আমরা নাস্তা খাব না তারপরে কিছু কিছু খেলাম।তারপর স্টুডেন্টকে সাথে নিয়ে চলে গেলাম বোতলের বাড়ি দেখার জন্য। ওদের বাড়ি থেকে বের হতে আমাদের সাথে আর কয়েক জন যোগ হলো।তারপর সবাই মিলে একটু নদীর পাড়ে গিয়েছিলাম। আসলে নদীতে এখন পানি অনেক কম তারজন্য নদীর কিনার পর্যন্ত গিয়েছিলাম। আসলে সবার থাকার জন্য তেমন ফটোগ্রাফি করতে পারিনি।
তারপর সবাই মিলে চলে গেলাম বোতলের বাড়ি দেখার জন্য। আসলে বোতল দিয়ে যে এভাবে বাড়ি তৈরি করা যায় তা আমার জানা ছিল না। যাইহোক আমরা পুরো বাড়িটা ঘুরে দেখলাম অনেক ভালো লেগেছিল। ঘরের ভিতরে তিনটি রুম করেছে।তবে এখনো ওপরে ছাদ দেয়নি।কাছ থেকে দেখতে অসম্ভব সুন্দর লিখেছিল।যদিও আমি বাচ্চাদের নিয়ে যায়নি। তারজন্য মনে হয় একটু বেশি ভালো করে দেখা হয়েছে। আসলে বাচ্চাদের সাথে নিলে ওদের দেখতে দেখতে অনেক সময় চলে যায় নিজের দেখা হয় না।
এদিকে সন্ধ্যা নেমে আসছিল তাই আমি ও আমার স্টুডেন্ট দুজনে মিলে আবার নদীর কিনারে গিয়েছিলাম কলমি শাক তুলার জন্য। আসলে নদীতে পানি শুকিয়ে যাবার পরে পাশে অনেক কলমি শাক পাওয়া যায়। তাই কিছু তুলে এনেছি।আসলে সন্ধ্যা লাগার জন্য শাকের ফটোগ্রাফি করতে পারিনি।আমার স্টুডেন্ট এর বাড়িতে সুন্দর গেট ফুল রয়েছে। দেখে বেশ ভালো লাগলো। বেশ ভালো একটা সময় কাটিয়েছি। আশাকরি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে।
| প্রয়োজনীয় | তথ্য |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @parul19 |
| ডিভাইস | redmi note 12 |
| লোকেসন | ফরিদ পুর |
আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি। আবার দেখা হবে অন্য কোন ব্লগে অন্য কোন লেখা নিয়ে। সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।
আমি পারুল। আমার ইউজার নেম@parul19। আমার মাতৃভাষা বাংলা। বাংলাদেশ আমার জন্মভূমি।আমি ফরিদ পুর জেলায় বসবাস করি।আমার দুটি মেয়ে আছে। আমি বাংলাই লিখতে ও পড়তে ভালোবাসি। আমি নতুন নতুন রেসিপি তৈরি করতে ও ঘুরতে পছন্দ করি।এই অপরুপ বাংলার বুকে জন্ম নিয়ে নিজেকে ধন্যবাদ মনে করি।
https://x.com/MimiRimi1683671/status/1862847292006674852?t=qpmFyE7VJotPWuHlCkyVww&s=19
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
প্রায় কয়েক বছর আগে ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদিতে এই বোতলের বাড়ি তুলে ধরা হয়েছিল।তখন আমি দেখেছি।আমার খুব অবাক লেগেছিল দেখে কিভাবে বোতল দিয়ে বাড়ি তৈরি করা যায়। আজ আপনার পোস্টের মাধ্যমে আবার দেখতে পেয়ে আর আপনার অনুভূতি গুলো পড়ে ভীষণ ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপু।
আপু আপনার ভালো লেগেছে জেনে অনেক ভালো লাগলো,ধন্যবাদ আপনাকে।
বোতলের তৈরি বাড়ি দেখতে গিয়ে খুব সুন্দর মুহূর্ত কাটিয়েছেন এবং ঘুরাঘুরি করেছেন। ভিন্ন ধরনের একটা জিনিস ছিল এটা। বেশ কয়েকবার নিউজে বোতলের বাড়ি দেখেছিলাম। যাইহোক আজকে আপনার পোস্টে দেখে ভালো লাগলো। আপনাদের কাটানো সুন্দর মুহূর্ত গুলো শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
আমি শুনেছিলাম তাই দেখে এসেছি, ধন্যবাদ আপনাকে।
বোতলের এই ঘরগুলো শুধুমাত্র মোবাইলে ভিডিওর মাধ্যমে দেখেছি আপু। আর আপনার ফটোগ্রাফি গুলো দেখে মনে হল আমি যেন সামনে থেকে এই বাড়িটি দেখছিলাম। সত্যি কত সুন্দর ডিজাইন করেছে ফেলে দেওয়া বোতল দিয়ে। পরিবেশ দূষণ না করে এই আইডিয়াটা বেশ ভালো। আপনার পোস্টটি পড়ে অনেক ভালো লাগলো আপু। বিশেষ করে বোতলের তৈরি বাড়িটি দেখে।
আপু সত্যি দেখতে অনেক ভালো লেগেছিল, ধন্যবাদ আপু।
বোতলের বাড়ি এটা আশ্চর্য বাড়ি দেখছি।চমৎকার বানিয়েছে বাড়িটি।কাছে গিয়ে দেখতে মন চাচ্ছে। আমি ভাবছি এতো বোতল জমিয়েছে কতোদিনে। বেশ ভালো লাগছে আশ্চর্যকর বোতলের বাড়িটি দেখতে।ধন্যবাদ বোতলের বাড়িটি আমাদের সাথে ভাগ করে নেয়ার জন্য।
আপনার ভালো লেগেছে জেনে অনেক ভালো লাগলো, ধন্যবাদ আপনাকে।