ভ্রমণঃ নাটোরের গ্রীন ভ্যালি পার্ক ভ্রমণ পর্ব-৫
আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধুগন
আমি @mostafezur001 বাংলাদেশ থেকে
আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন আমিও ভাল আছি আজকে আমি আপনাদের মাঝে পুনরায় আরও একটা নতুন পোস্ট শেয়ার করার জন্য হাজির হয়ে গেলাম। আমি বেশ কিছুদিন আগে নাটোরের গ্রীন ভ্যালি পার্ক ভ্রমণ করেছিলাম সেই ভ্রমণের মুহূর্তগুলো আপনাদের মাঝে প্রতিনিয়ত শেয়ার করছি। সেখানে আমরা অনেক মজা করেছিলাম আর সেই জন্যই সেই দিনটাকে আমরা খুবই সুন্দরভাবে অতিবাহিত করতে পেরেছিলাম। যেহেতু স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদেরকে নিয়ে এই দিনটা অতিবাহিত করেছিলাম তাই বিষয়টা আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছিল। স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদেরকে এভাবে শিক্ষা সফরে নিয়ে যেতে পারলে আসলেই মনের মাঝে অন্য রকমের ভালো লাগা কাজ করে। ছাত্র-ছাত্রীরা সবসময় লেখাপড়ার মাঝে যদি থাকে তাহলে তারা একঘেয়েমি হয়ে যায় তাই তাদেরকে এই একঘেয়েমি দূর করার জন্য বছরে অন্তত একবার হলেও বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানগুলো ভ্রমণ করিয়ে আনা অত্যন্ত জরুরি। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি প্রত্যেক বছরেই আমাদের স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের কে নিয়ে কোথাও না কোথাও ভ্রমণ করাতে নিয়ে যাব যেন তারা সেই জায়গায় আনন্দ ঘন কিছু মুহূর্ত অতিবাহিত করতে পারে। আর স্কুল লাইফে পাওয়া এই পিকনিকের গুরুত্ব কতটা বেশি হয়তো বা যারা স্কুল অতিক্রম করে চলে এসেছেন তারা ভালই বুঝতে পারছেন। স্কুল লাইফে বন্ধু-বান্ধবীদের সাথে পিকনিক করার মধ্যে যা মজা রয়েছে তা জীবনে আর কোন খানেও খুঁজে পাওয়া যায় না। যদি ওই স্কুল লাইফে ছাত্রছাত্রীদের কাছে টাকা থাকে না কিন্তু অফুরন্ত সময় এবং বন্ধু থাকে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলেও সত্য যে যখন নিজের কাছে অফুরন্ত টাকা থাকে তখন সময় এবং বন্ধু থাকে না। এইজন্য স্কুল লাইফে পিকনিকে যাওয়াটা অনেকটাই মজাদার বিষয়।
ইতিমধ্যে আমি এই পার্কের কয়েকটা পোস্ট আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি সেখানে আপনারা দেখেছেন এই পার্কের সৌন্দর্য কতটা বেশি। আর যারা এখানে ভ্রমণ করেছেন তারা তো সরাসরি পার্কের সৌন্দর্য উপভোগ করার মত সুযোগ পেয়ে গিয়েছেন। যেহেতু এই পার্কের নাম গ্রীন ভ্যালি তাই এখানে বেশিরভাগ জিনিস গাছ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে।
গাছ দিয়ে তৈরি করার কারণে জায়গাটা দেখতে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমির মতো হয়ে গিয়েছে। আর এই কারণেই দর্শনার্থীদের উপস্থিতি এই জায়গাটিতে প্রচুর পরিমাণে লক্ষ্য করা যায়।
শুধুমাত্র যে গাছ দিয়ে এই জায়গাটা তৈরি করা হয়েছে তা কিন্তু নয়। যারা দর্শনার্থী রয়েছে তাদের খাওয়া দাওয়ার জন্য এখানে খুবই সুন্দর ব্যবস্থা করা হয়েছে। অন্যান্য পার্ক গুলোতে এই ধরনের সুন্দর পরিবেশ লক্ষ্য করা যায় না তাই এই পার্ক টি আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। আপনারা যারা এখন পর্যন্ত এই পার্ক ভ্রমণ করেননি তাদের পরামর্শ দিব আপনারা অন্তত একবার হলেও এটা ভ্রমণ করে দেখুন। আশা করি এটা দেখে আপনাদের কাছে খুবই ভালো লাগবে। আজকে আমি আপনাদের মাঝে বেশি কিছু শেয়ার করছি না একদিন মতো এই পর্যন্তই পরবর্তী সময়ে আপনাদের মাঝে হাজির হব নতুন কোন একটা পোস্ট এর মধ্য দিয়ে।
| শ্রেণী | গ্রিন ভ্যালি পার্ক ভ্রমণ |
|---|---|
| ক্যামেরা | রিয়েলমি সি ২৫ এস ৪৮ মেগাপিক্সেল |
| পোস্ট তৈরি | @mostafezur001 |
| লোকেশন | নাটোর |
| W3W | https://w3w.co/detestable.shimmy.concussion |
আমি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান।আমি বাংলাদেশের খুলনা বিভাগে মেহেরপুর জেলার গাংনী থানায় বসবাস করি।আমি বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে নিজেকে গর্বিত মনে করি। আমি আমার জন্মভূমি বাংলাদেশকে খুবই ভালোবসি।বর্তমানে আমি গ্রীনরেইন ল্যাবরেটরী স্কুলের একজন শিক্ষক।আমি ফটোগ্রাফি করতে খুব ভালোবাসি এবং সৃজনশীলতার মাধ্যমে নতুন নতুন জিনিস তৈরি করতে আমার খুবই ভালো লাগে।আমি বিশ্বাস করি, আমার এই সৃজনশীল কাজের মাধ্যমে থেকে কেউ যদি উপকৃত হয় বা নতুন কিছু শিখতে পারে তবেই আমার সৃজনশীল কাজটি সার্থক হবে। তাই আমি চেষ্টা করবো আপনাদের মাঝে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন সৃজনশীল জিনিস নিয়ে উপস্থিত হতে।
আমার কিছু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
ফেসবুক টুইটার
VOTE @bangla.witness as witness
OR
Posted using SteemPro Mobile
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
মামা আপনি আজকে আমাদের মাঝে খুবই সুন্দরভাবে নাটোরের গ্রীন ভ্যালি পার্ক ভ্রমণ শেয়ার করেছেন। আপনার শেয়ার করা পোস্ট দেখতে আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে। আসলে পার্কের মধ্যে বেশ সুন্দর মনোরম পরিবেশ দেখে আমি মুগ্ধ হয়েছে। এত সুন্দর ভাবে পোস্ট লিখে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
এই জায়গাটা আসলেই অনেক সুন্দর তাই তো এখানে ভ্রমণ করলেই মনটা ভরে যায়।
আসলে একঘেয়ে জীবন যাপন ভালো লাগে না, হঠাৎ করে কোথাও ঘুরতে যেতে পারলে ব্যাপারটা মন্দ হয়না।
গ্রীন ভ্যালি পার্কটি এককথায় অসাধারণ লেগেছে আমার কাছে। যদিও আমার এখান থেকে বেশ দূরে, যদি আশেপাশে থাকতো তাহলে যাওয়ার চেষ্টা করতাম।
যাইহোক ধন্যবাদ ভাই চমৎকার পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
ঠিক কথা বলেছেন হঠাৎ করে ঘুরতে পারলে মনটা আনন্দে ভরে যায়।
নাটোরের গ্রীন ভ্যালি পার্কে ভ্রমণের মুহূর্তে ফটোগ্রাফি গুলো দেখতে পেয়ে অনেক ভালো লাগলো। আমিও ভ্রমন করেছি যার কারণে জায়গা গুলো দেখে আবারো ভালো লাগলো।
আপনি এই জায়গাটা ভ্রমণ করেছেন এটা জানতে পেরে খুবই ভালো লাগলো।