অচেনা শহরে আমার অভিজ্ঞতা🦊(১০%পে আউট লাজুক খ্যাকের জন্য)🦊
★ ১৫ মাঘ।
★ ১৪২৯ বাংলা।
★ রবি বার।
★ বাজারেগিয়ে পথ হারিয়ে ফেলার কিছু গল্প।
আসসালামু-আলাইকুম
হ্যালো বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালো এবং সুস্থ আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে ভালো আছি।আমি মোঃ তৌফিকুল ইসলাম (@kosto) আপনাদের মাঝে নতুন একটি ব্লগ নিয়ে চলে এলাম।আজ আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে যাচ্ছি একটি মজার ঘটনা আমার নিজের সাথে ঘটে যাওয়া কিছু কথা।
আমি কিছু দিন আগে আপনাদের সাথে শেয়ার করেছিলাম আমিও আমার এক বড় ভাই মেচের দায়িক্ত পেয়েছি। গতো শুক্রবারে মেচে দুপুরে খাবার আয়োজন করাহয় খাসিমুরগি বা পাকিস্তানি বড় সাইজের সাদা মুরগি গুলো।সাত কেজি ওজনের একটি খাসি মুরগি প্রতি কেজি ৩৭৫ দরে ক্রয় করে ছিলাম।আমাদের ম্যাচের বর্তমান বাবুর্চি মুরগিটা কাটতে গিয়ে বটি বোচা করে ফেলে। এই বইটির এমন অবস্থা যে একটি পিঁয়াজ কাটা যায় না।তাই কয়েকদিন ধরেই অনেকের কাছে জিজ্ঞাসা করেছিলাম এখানে খাবারের দোকান কোথায় জানার জন্য।সঠিকভাবে লোকেশন দিতে পারছিল না। তাই আমি একটি হোটেল মালিকের সঙ্গে কথা বলে ভাটেরচর বাজারে খুঁজতে বের হলাম।
আমাদের বাসস্থান থেকে ভাটেরচর যেতে ভাড়া লাগে ২০ টাকা।বাসার সামনে থেকে অটোতে নতুন রাস্তা পর্যন্ত ১০টাকা ভাড়া এবং নতুন রাস্তা থেকে ভাটেরচর মোড় পর্যন্ত বাসের ভাড়া ১০ টাকা।ওখানে গিয়ে বেশ কিছু লোকজনের সঙ্গে কথা বললাম কেউ বলতে পারে কেউ বলতে পারে না।তাদের বলা লোকেশন অনুযায়ী রাস্তা দিয়ে হাঁটতে শুরু করলাম। কিছুদুর গিয়ে দেখি শুধু গোলি আর গোলি কোন দিকে যাব ভেবে উঠতে পারছিলাম না। তখন ভাবছিলাম ইস যদি কামার দের দোকানের লোকেশন গুগল ম্যাপে থাকতো কতইনা ভাল হত।লোকেশন যখন দেয়া নেই কি আর করার তাই সামনে একটি ভাইয়াকে জিজ্ঞাসা করলাম কামারের দোকান কোন সাইডে একটু দেখিয়ে দিবেন।তিনি আমাকে আরএকটি গলি দেখিয়ে বল্লেন সোজা গিয়ে বামে তারপর একটু এগিয়ে ডানসাইডে গেলেই দেখতে পাবেন।আমি তাকে ধন্যবাদ জানিয়ে আমার গন্তব্যে রওনা হলাম।অচেনা জায়গা বারবার ঘুরতে হচ্ছে তাই একটু বিরক্তি বোধ করছিলাম।হঠাৎ দেখতে পেলাম একটি হার্ডওয়ারের দোকানে বেশকিছু অস্ট্রেলিয়ান ঘুঘু পালন করছেন।দেখেতো আমি অনেক খুশি এতোখন যেবিরক্ত অনুভব করছিলাম তাএখন আর নেই ঘুঘু গুলোদেখতে অনেক সুন্দর।আমিও পালন করেছি এবং আমার অনেক পছন্দও ভালোবাসি ঘুঘু,পাখি,কবুতার ইত্যাদি প্রাণি গুলো পালন করতে।দোকানদার জাকির ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলে তার পোষা ঘুঘু গুলোর ফটো তোলার জন্য অনুমতি চাইলাম।
জাকির ভাই হেসে বললেন ছবি তুলবেন আবার অনুমতি লাগবে কেন ছবি তুলেন যতগুলো ইচ্ছা তবে আমাকে তুলেন না।আমি বললাম ভাইয়া যেকোনো মালিকানা জিনিসের ছবি তুলতে হলে আমার মনে হয় অনুমতি নেয়া টাই বেটার। তারপর বেশ কিছু ফটোগ্রাফি করলাম।
ফটোগ্রাফি শেষে জাকির ভাইয়ের কাছ থেকে আবারো লোকেশন নিলাম কামারের দোকান কোন দিকে। লোকেশন অনুযায়ী একটু এগিয়ে গিয়ে অবশেষে ফিরে পেলাম কামারের দোকান। এখন পোস্ট করার জন্য প্রস্তুত। যদি কোন ভুল ত্রুটি হয়ে থাকে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।
🌹সকলকে ধন্যবাদ🌹
| সমস্ত ছবির | তথ্য |
|---|---|
| লোকেশন | বাংলাদেশ 🇧🇩 |
| ক্যামেরা | স্যামস্যাং এম ২১ |
| ক্যামেরাম্যান | মোঃ তৌফিক ইসলাম(@kosto) |
| w3words | https://w3w.co/point.craziest.aspect |
বটিতে যদি ঠিকঠাক ধার না থাকে তাহলে কাটাকুটি করা খুবই কষ্টকর হয়ে যায়। কাটাকুটির পর বটি পরিস্কার করে ধুয়ে মুছে রাখলে ভালো থাকে আর বাসায় মাঝে মাঝে পাথার দিয়ে ধার দিলেই চলে।মেসের জিনিসপত্র তেমন ঠিক থাকেনা তার কারন হলো সবাই নিয়ে কাজ করে। অচেনা কোথাও গিয়ে কোন কিছু খুঁজে পাওয়া একটু সমস্যা হয়ে যায় এখন তো গুগুলে সার্চ দিলে অনেককিছু খুব সহজেই পাওয়া যায় হয়তো-বা আর কিছুদিন পর কামারের দোকানোও গুগলে সার্চ করলে পাওয়া যাবো।☺️ঘুঘু পাখি গুলো অনেক সুন্দর লাগছে। সবমিলিয়ে আপনার পোস্ট টি আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ ভাইয়া।
ঠিক কথাই বলেছেন আপু মেচের যেকোন জিনিসই অবহেলায় পড়ে থাকে। নিজের কাজ করা হয়ে গেলে যেকোনো জিনিস ফেলে রেখে চলে যায় সবাই। ইন্টার্নেট ও টেকনোলজি এতটাই এগুচ্ছে সবখানেই গুগোল এ সার্চ দিলে হয়তো পাওয়া যাবে । আপনার মূল্যবান মতামত জানানোর জন্য অনেক ধন্যবাদ।
আসলে কোন জায়গার সঠিক লোকেশন টা যদি জানা না থাকে তাহলে জায়গাটা খুঁজতে একটু কষ্ট কর হয়ে দাঁড়ায়। যাহোক শেষমেষ সবাইকে জিজ্ঞেস করতে করতে গিয়ে যে জায়গাটা খুঁজে পেয়েছেন জেনে ভালো লাগলো। আপনার হ্যাঁ ঘুঘু পাখির ফটোগ্রাফি গুলো বেশ সুন্দর ছিল। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর পোস্টটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
অবশেষে খুজে পেয়েছিলাম ভাই।আপনার মূল্যবান মতামত জানানোর জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।
দোকান খুঁজে নিতে আপনার অনেক কষ্ট হয়েছে দেখেই বোঝা যাচ্ছে। এমনিতেই নতুন জায়গায় যাওয়ার ফলে সবকিছু চেনা হয় না। আপনি যখন একবার চিনে নিয়েছেন পরেরবার আসলে আর খুঁজতে হবে না এভাবে। আপনি কিছুক্ষণ বিরক্তির মধ্যে থাকলেও ঘুঘু পাখিগুলো দেখে আপনার বিরক্তিবোধ কেটে গিয়েছে। ঘুঘু পাখি আমারও ভীষণ পছন্দের। একের পর এক গলি দিয়ে আসছেন অনেক বিরক্তি লাগারই কথা। আরো এই জায়গাটিতে আপনি একেবারেই নতুন। তাই আপনি কিছু চেনেন না। যাই হোক অবশেষে আপনি আপনার গন্তব্যে পৌঁছাতে পেরেছেন এটা জেনেই আমার কাছে কেমন জানি ভালো লাগছে। এবং খুবই সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি করলেন নতুন জায়গায় নতুন গন্তব্য সেই সাথে ঘুঘু পাখি সত্যি সবমিলিয়ে অসাধারণ একটি পোস্ট ছিল।
মূল্যবান মতামত জানিয়ে পাশে থাকার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু আপনাকে।
হ্যাঁ প্রথমত এই ধরনের অভিজ্ঞতার মেসে গিয়ে সবাই নিতে পছন্দ করে । নতুন পরিবেশ যেটা মানিয়ে নিতে অনেকেই পারে না । আপনি মেসে গিয়ে দারুন সময় অতিবাহিত করেছেন তার পাশাপাশি অনেক বড় একটি মুরগি নিয়ে এসে রান্না করে খেয়েছেন। অভিজ্ঞতা অর্জন করতে থাকুন যেটা সবাই শুরুতে করে থাকে।
অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।
নতুন কোন জায়গায় গেলে এমনিতেই পথ চেনা বা বিভিন্ন স্থান চেনা অনেক কষ্টের হয়ে পড়ে। অনেক জনকে জিজ্ঞেস করার পরেও কেউ ঠিকমতো বলতে পারেনা এরকম জায়গাগুলোর ম্যাপ থাকলে ভালো হতো এটা কিন্তু আপনি ঠিকই বলেছেন। আপনি যেহেতু জায়গাটিতে নতুন ছিলেন তাই আপনার গন্তব্যে পৌঁছাতে অনেক দেরি হয়েছিল। যদিও বিরক্তি লাগছিল কিন্তু ঘুঘু পাখিগুলো ভালো লেগেছিল। আমার কাছেও দেখে ভীষণ ভালো লেগেছে। অবশেষে গন্তব্যে পৌঁছাতে পেরেছেন এটা জেনে ভালো লাগলো। এরকম স্থান গুলোতে অলিগলি বেশি থাকে তাই কোনগুলি দিয়ে যাব ভাবতে পারিনা। ভালোই ছিল আপনার পোস্ট।
সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই আপনাকে।
ভাই যখন টাইপ করছেন তখন বানানের বিষয় গুলো খেয়াল রাখবেন। আপনার অনেক বানান ভুল হচ্ছে।
ঠিক আছে ভাই এর পরথেকে চেক করে দিব ধন্যবাদ আপনাকে।