ভ্রমণ পোস্ট // সিলেট ভ্রমণের ৪৩ তম পর্ব
আসসালামু আলাইকুম/আদাব আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধু গন আমি @kibreay001 বাংলাদেশ থেকে বলছি আজ (০৮-০২-২০২৫)
আসসালামু আলাইকুম আমার স্টিম বন্ধু গন আশা করি আপনারা অনেক ভালো আছেন । আপনাদের দোয়ায় আমিও অনেক ভালো আছি। আমি @kibreay001 আমি আজকে আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে যাচ্ছি ভ্রমণ পোস্ট // সিলেট ভ্রমণের ৪৩ তম পর্ব। আজকে সকাল বেলায় ঘুম থেকে উঠার পর থেকে বসে বসে সময় পার করছি। আসলে সিঙ্গাপুর আসার পরে সকাল বেলায় খাবার খাওয়ার কথা ভুলে গেছি। আসলে এখানের মানুষজন সকালবেলায় নাস্তা করে না বললেই চলে। তবে আমি সকালবেলায় হাত মুখ ধুয়ে হালকা নাস্তা করি। নাস্তা খাওয়া শেষ করে বেশ কিছু সময় মোবাইল ফোন টেপা টিপি করেছিলাম যেহেতু এখন আসছে শুধুমাত্র পরীক্ষা দেওয়ার জন্য তারপরে আবারো বাড়িতে রিটার্ন করব তাই এখন কোন কাজ নেই শুধুমাত্র বসে থাকি আর ক্লাসগুলো করি। সব মিলিয়ে দিনগুলো বেশ কষ্টে পার করতে হচ্ছে। তখনই ভাবলাম আজকে আপনাদের মাঝে পোস্ট শেয়ার করতে হবে তাই বসে গেলাম পোস্ট লেখার জন্য। তবে চলুন আজকে আপনাদের মাঝে আমার সিলেট ভ্রমণের পোস্ট শেয়ার করা যাক...........
আপনারা প্রথমে উপরের ছবির দিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন আমি আপনাদের মাঝে খুবই চমৎকার ভাবে দুইটি ছবি আমার মোবাইলের ক্যামেরা বন্দী করে শেয়ার করেছি। এর আগেও আমি আপনাদের মাঝে বেশ কয়েকটি পর্ব শেয়ার করেছি আপনারা সেখানে দেখতে পেয়েছেন আমি সহ আমার বেশ কয়েকজন বন্ধু-বান্ধবের ছবি। কলেজ লাইফে আমার সব থেকে কাছের বন্ধু ছিল পারভেজ। আসলে স্কুল লাইফ থেকে পারভেজের সাথে আমার চেনা জানা সেখান থেকে গভীর সম্পর্কের বন্ধুত্বের বাঁধন গড়ে ওঠে। আসলে এখনো তার সাথে আমার মাঝে মাঝে কথা হয় তার সাথে যখন কথা বলি, না দেখার অনুভূতিগুলো তখন শেয়ার করি। আপনাদের মাঝে বেশ কয়েকদিন হ্যাংআউটে আমার বন্ধু পারভেজ কবিতা আবৃত্তি করেছিল। আসলে কলেজ থেকে তিনি কবিতা আবৃত্তি এবং গান প্রতিযোগিতায় বিভাগীয় পর্যায়ে থেকে পুরস্কার নিয়ে এসেছিল। সব মিলিয়ে সিলেট ভ্রমণে আমরা দুজনসহ কলেজের বন্ধুবান্ধব এবং স্যার ম্যাডামদের সাথে বেশ দারুন সময় অতিবাহিত করেছিলাম।
আপনারা উপরের ছবির দিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন আমি আপনাদের মাঝে চমৎকারভাবে আবারও দুটি ছবি আমার মোবাইলের ক্যামেরা বন্দি করে শেয়ার করেছি। সিলেট ভ্রমণের দ্বিতীয় দিন আমরা গিয়েছিলাম সিলেট ভোলাগঞ্জ সাদা পাথর দেখার উদ্দেশ্যে। সিলেট ভোলাগঞ্জ সাদা পাথর যেখানে আমরা গাড়ি পার্কিং করেছিলাম সেখান থেকে ইন্ডিয়া এবং বাংলাদেশের পাহাড়ে দৃশ্য গুলো দেখা যাচ্ছিল সত্যি আমার কাছে দেখতে বেশ ভালো লেগেছিল। ভোলাগঞ্জ সাদা পাথর আমরা যেখানে বাস রেখেছিলাম সেখান থেকে নৌকায় প্রায় আধাঘন্টা পথ পাড়ি দিতে হয়েছিল ভোলাগঞ্জ পিকনিক স্পট গিয়ে পৌঁছানোর জন্য। নদী পথ পাড়ি দেওয়ার সময় নৌকা যখন নদীর মধ্যে হেলে দুলে বেড়াচ্ছিল তখন সত্যি আমি কাছে বেশ ভয় পেয়ে গেছিল। এমনিতেই আমি নদীপথে নৌকায় চড়তে বেশ ভয় পাই। সব মিলিয়ে বেশ দারুন একটা অনুভূতি ছিল সিলেট ভ্রমনে। সেখানে গিয়ে পৌঁছানোর পরে দেখি অনেক ডিএসএলআর ক্যামেরাম্যান অন্যদের ছবি তুলে দেখছে শুধুমাত্র টাকার বিনিময়ে। আমারাও সেখানে গিয়ে পৌঁছানোর পর একজন ডিএসএলআর ক্যামেরা ম্যান ভাড়া করেছিলাম। আমাদের সাথে কন্টাক হয়েছিল প্রত্যেকটি ছবি প্রতি দুই টাকা করে নিবে। আমরা সকল বন্ধু-বান্ধব মিলে দুই টাকা করে দেওয়ার জন্য রাজি হয়েছিল।
আপনারা আবার লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন আমি খুবই সুন্দর ভাবে আপনাদের মাঝে আবারও দুটি ছবি আমার মোবাইলের ক্যামেরাবন্দি করে শেয়ার করেছি। আসলে আমরা যখন ডিএসএলআর ক্যামেরা ভাড়া করে ছিলাম তখন সকল বন্ধু-বান্ধব ড্রেস চেঞ্জ করে গোসল করার জন্য পানির মধ্যে নেমেছিলাম। আসলে আমি নৌকার মধ্যেই ড্রেস চেঞ্জ করে নিয়েছিলাম সেখানে গিয়ে গোসল করব বলে। তাই প্রথম থেকে আমি ছবি তোলা শুরু করেছিলাম। আমি প্রথম থেকে গোসল করা শেষ পর্যন্ত প্রায় ৩০০ ছবি তুলেছিলাম। ডিএসএলআর ক্যামেরাম্যান আমার কাছ থেকে ৩০০ ছবির জন্য ৫০০ টাকা নিয়েছিল। এখনো সিলেট ভ্রমণের আমার কাছে অনেক ছবি রয়েছে আমি চেষ্টা করব আপনাদের মাঝে এভাবে পর্ব আকারে সিলেট ভ্রমণের সব দৃশ্যগুলো আপনাদের মাঝে তুলে ধরার জন্য। আসলে আমরা সিলেট ভ্রমণে গিয়ে সিলেটে প্রায় চার দিন অবস্থান করেছিলাম সেখানে আমরা সকলে মিলে বেশ দারুন সময় অতিবাহিত করেছিলাম। আশা করি আজকের লেখা পোস্ট আপনাদের সকলের কাছে ভালো লাগবে। সকলের মতামত নিচে কমেন্ট বক্সের মাধ্যমে জানাবেন। সকলের জন্য শুভকামনা রইল।
পোস্ট তৈরির বিবরণ
| শ্রেণী | সিলেট ভ্রমণ |
|---|---|
| ডিভাইস | oppo f21s pro / ডিএসএলআর |
| লেখক | @kibreay001 |
| লোকেশন | সিলেট |
আমি মোঃ কিবরিয়া হোসেন। আমি বাংলাদেশ খুলনা বিভাগে মেহেরপুর জেলার গাংনী থানা কামারখালী গ্রামে বসবাস করি। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমার মাতৃভাষা বাংলা। আমি বাংলা ভাষায় কথা বলতে এবং লিখতে অনেক ভালোবাসি। সব থেকে আমি বেশি পছন্দ করি ফটোগ্রাফি ক্যামেরাবন্দি করতে। আমি বেশিরভাগ সময় বিভিন্ন জায়গা ঘোরাঘুরি করে থাকি। কয়েকটি শখের মধ্যে আমার প্রধান শখ হচ্ছে বিভিন্ন জায়গা ভ্রমণ করা এবং ফটোগ্রাফি ধারণ করা। আমি স্টিমিট প্ল্যাটফর্মে যাত্রা শুরু করেছি ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসের ০১ তারিখে । স্টিমিট প্ল্যাটফর্মকে আঁকড়ে ধরে ভবিষ্যতে আরো অনেক দূরে এগিয়ে যেতে চাই এটাই আমার লক্ষ্য। সংক্ষিপ্ত আকারে আমি আমার নিজের পরিচয় শেয়ার করলাম আপনাদের মাঝে। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য শুভকামনা রইল।
(১০% প্রিয় লাজুক খ্যাঁক এর জন্য )
VOTE @bangla.witness as witness
OR
https://x.com/kibreay001/status/1888073112765567424?t=W9aYr6qWRVycqo9EDGWBkg&s=19
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
আজকে দেখতে দেখতে আপনি সিলেট ভ্রমণের ৪৩ তম পর্ব শেয়ার করলেন ভাই। আপনার প্রতিটি পর্ব পড়ে এবং সিলেটের সৌন্দর্য আমাকে মুগ্ধ করেছে।আমি পরের বছর সিলেট ভ্রমণ করবো ইনশাআল্লাহ্। সিলেট বাংলাদেশের লন্ডন শহর। আপনার প্রতিটি পর্ব আপনি অনেক সুন্দর করে সাজিয়ে গুছিয়ে শেয়ার করেছেন। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া।
আপনি একদম ঠিক বলেছেন সিলেট শহরকে বাংলাদেশের লন্ডন বলা হয়।
প্রতিনিয়ত আপনার পোস্টে সিলেটের চমৎকার জায়গা গুলি দেখতে পাচ্ছি আপনার ফটোগ্রাফির মাধ্যমে। তবে একটু অবাক হলাম আপনি গোসল করা পর্যন্ত 300 ছবি তুলেছিলেন এটা শুনে। তার মানে বোঝাই যাচ্ছে আপনি ফটোগ্রাফি এবং ফটো তুলতে ভীষণ ভালোবাসেন। যাই হোক এই পর্বটিও চমৎকার ছিলো তাই পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম ভাই।
ঠিক বলেছেন সত্যিই আমি ফটো তুলতে অনেক বেশি পছন্দ করি।
কষ্টের পরে আমাদের জীবনে সফলতা আসে। আশা করছি খুব তাড়াতাড়ি সিঙ্গাপুরে ক্লাসগুলো করে পরীক্ষা দিয়ে আবার দেশে ফিরে আসবেন এবং সফলতা দিকে এগিয়ে যাবেন। সিলেট খুবই সুন্দর একটা জায়গা সিলেটে যাওয়ার ইচ্ছে আমার খুবই রয়েছে। তবে কখনো সুযোগ হলে তখন যেতে পারবো আর কি। সিলেটে সাদা পাথরের বেশ ভালোই সময় কাটিয়েছেন। ধন্যবাদ এই মুহূর্তগুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর ভাবে আপনার মূল্যবান গঠনমূলক মতামত শেয়ার করে আমাকে উৎসাহ দেওয়ার জন্য।