ভ্রমণ: বিনোদিয়া ফ্যামিলি পার্ক ও যশোর বিমানবন্দর পর্ব-১১।

in আমার বাংলা ব্লগlast year

IMG-20250302-WA0038.jpg

আসসালামু আলাইকুম/আদাব
আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটি বন্ধুরা
আমি @fatema001 বাংলাদেশ থেকে
আজ মঙ্গলবার ,১৩ মে ২০২৫

আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধু গণ আপনাদের সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। কেমন আছেন আপনারা সবাই। আশা করছি আপনারা সবাই সুস্থ ও ভালো আছেন। আমি ও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। প্রতিদিনের মতো আজকে আবার আপনাদের মাঝে নতুন একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হয়ে গেলাম। আজকে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব একটি ভ্রমণ পোষ্টের কিছু অংশ। এর আগে আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছিলাম বিনোদিয়া ফ্যামিলি পার্ক ও যশোর বিমানবন্দরের দশটি পর্ব। আজকে ১১ তম পর্ব নিয়ে উপস্থিত হয়েছি। আশা করছি আর পরবর্তীতে একটি পর্বের মাধ্যমে এই ভ্রমণ পোষ্ট সম্পন্ন হয়ে যাবে। আজকে আমি যশোর বিমানবন্দরের ভেতরের অনেক সুন্দর সুন্দর কিছু জায়গা আপনাদের মাঝে তুলে ধরব। সত্যি বলতে চাষের বিমানবন্দরে গিয়ে জায়গাটা দেখে আমি আসলেই মুগ্ধ হয়ে গেছি। এত সুন্দর জায়গা আর এত নিরিবিলি পরিবেশ আমার ভীষণ ভালো লেগেছে। সবথেকে বেশি ভালো লেগেছিল এর নিয়ম কানুন গুলো দেখে খুব সুন্দর শৃঙ্খল ভাবে মানুষ চলাফেরা করছে সুন্দরভাবে। সত্যি বলতে গেলে বিনোদিয়া ফ্যামিলি পার্কের থেকে আমার কাছে যশোর বিমানবন্দর বেশি ভালো লেগেছে। সর্বপ্রথম আমি আপনাদের মাঝে যে ফটোগ্রাফি টা শেয়ার করেছি এটা দেখে আপনারা জায়গাটা বিষয় অনেকটা সুন্দর ধারণা পেয়ে গেছেন আশা করছি। যশোর বিমানবন্দরে গিয়ে আমরা নাগর দোলায় চড়েছিলাম। আর যখন একদম উঁচুতে উঠেছিলাম তখন আমি এই ফটোগ্রাফি টা ধারণ করেছিলাম। তবে এটা এক সাইডের ফটোগ্রাফি অন্য সাইটের ফটোগ্রাফি আমি ধারণ করতে পারি না কেননা অন্য সাইডে আপনাদের ভাইয়া এবং বাবু বসে ছিল। আর নাগর দোলায় চড়ার নিয়ম অনুযায়ী বেশি নড়াচড়া করা যায় না। কেননা এগুলো লোহার শিকল দিয়ে তৈরি অনেক উপর দিয়ে থেকে আবার নিচে নামে আবার নিচ থেকে উপরে যায়।

IMG-20250302-WA0026.jpg

IMG-20250302-WA0027.jpg

তাই এই অবস্থাতে যদি নড়াচড়া করা যায় তাহলে সমস্যা হতে পারে। এজন্য আর আমি অন্য দিকে ছবি আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে পারলাম না। আশা করছি প্রথম ফটোগ্রাফি টা দেখে জায়গাটা অনেকটা অংশ আপনারা বুঝতে পেরেছেন। আমরা যেহেতু বিকেল বেলা গিয়েছিলাম তাই পরিবেশটা আরো বেশি সুন্দর ছিল। বিকেল বেলা ঠান্ডা আবহাওয়া এরকম প্রাকৃতিক পরিবেশের মধ্যে এত সুন্দর জায়গা সত্যি অসাধারণ। আমরা গিয়ে গাড়ি থেকে নেমেই প্লেনের আওয়াজ শুনে বাবু ঘুম থেকে উঠে পড়ে। তারপর বাবুকে সম্পুর্ন ভাবে ঘুম থেকে তুলতে বেশ কিছুটা সময় লেগেছিল কিন্তু ওর আব্বু থাকাতে আরো বেশি সহজে হয়ে গিয়েছিল। ওখানে বাচ্চাদের জন্য অনেক সুন্দর সুন্দর খেলনা ছিল। তাছাড়াও বড়দের ঘোরার মত দেখার মত জায়গা অনেক ছিল। আমরা ভিতরে গিয়ে প্রথমে রকেট বিভিন্ন ধরনের প্লেন আরো অনেক কিছু যানবাহন দেখতে পেলাম। যেগুলো খুব সুন্দর ভাবে রেখে তার ইতিহাস একটি বোর্ডে লিখে দেওয়া হয়েছে।

IMG-20250302-WA0035.jpg

IMG-20250302-WA0041.jpg

তারপর আমরা সামনের দিকে অর্থাৎ ভিতরে ঢুকে গেলাম গিয়ে দেখে একটা মিউজিয়াম। এরপর আমরা মিউজিয়ামের ভেতরে ঢুকে গেলাম কিন্তু সেখানে দেখার মত সত্যি বলতে কিছুই ছিল না। তাই আর সেখানে কোন ধরনের ফটোগ্রাফি ধারণ করিনি। এরপর ওখান থেকে আমরা আরো ভিতরে চলে গেলাম যেখানে বাচ্চাদের খেলাধুলা করার জন্য অনেক জায়গা ছিল। বিভিন্ন খেলনা ছিল দোলনা ঘোরানো ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের খেলনা। আবু রায়হানকে লাফানোর জন্য একটা খেলনার উপর তুলে দিলাম। কিন্তু সেখানে আরো বড় ছোট অনেক বাচ্চা ছিল তবে ও বেশ ভয় পাচ্ছিল তাই আর ওখানে বেশিক্ষণ ছিলাম না। তবে সত্যি বলতে একটা মজার ঘটনা কি আপনাদের সাথে শেয়ার করব ভাবছি। লাফানোর জন্য যে স্টেডিয়াম বানানো হয়েছিল ওখানে ঢুকতে প্রতিটি জনপ্রতি ৩০ টাকা করে নিয়েছিল। যেহেতু বাচ্চাদের আর চারিদিকে জাল দিয়ে ঘেরা তাই লোকটা বাচ্চাদের উপর ভেতর নিজের হাতে তুলে ছিল। তবে সেই সময় লোকটার টিকিট তার চেয়ারে রেখে চলে যায়।

IMG-20250302-WA0044.jpg

IMG-20250302-WA0047.jpg

আমরা একসাথে অনেকজন ছিলাম আমার বন্ধু হয়েছিল তো তখন আমরা একটা টিকিট ওখান থেকে নিয়ে নি কিন্তু লোকটা বুঝতেই পারে না। যদিও পরে আমরা লোকটাকে সব বললাম এবং তাকে সতর্ক হওয়ার কথাও বলে দিলাম। এরপর আমরা সম্পূর্ণ জায়গাটা ঘুরেছি কিন্তু তেমনভাবে আর ফটোগ্রাফি ধারণ করা হয়নি। ওখানে অনেক ধরনের খেলনার গাড়ি ছিল আপনাদের আবারো বললাম। এরপর আমরা ওর ভেতর থেকে বাইরে চলে এসে কিছু কেনাকাটা করে নিলাম। তবে এর মধ্যে সবথেকে খুশির কেনাকাটা ছিল আমার ছেলের একটি বেলুন। ওর হাতে বেলুন আপনারা সবাই দেখতে পারছেন। বেলুন পেয়ে বাবু ভীষণ খুশি। তাছাড়া আমরা টুকটাক অনেক কেনাকাটা করে নিলাম। এরপর আমরা বাসে উঠতে যাব তখনই অনেক সুন্দর একটি ঘটনা ঘটলো। তবে এটা আমি আপনাদের মাঝে পরবর্তী পর্বে শেয়ার করব। আজকে এখানে শেষ করছি। পরবর্তীতে নতুন কোন পোস্ট নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হবার চেষ্টা করব। আল্লাহ হাফেজ।

g6br9NKHvSo72r7xnHSpj1hkcv6csCddDyMEi1jUecgDw3N4Yfy6YpdUvdCyw6kiWy8pVjCrDNVML5aQoBLFZoYCEFX6JNcKgvs5UsgTeh...vc46UPdpEf1AVVuUWBn8RUMuwUdmFWuyrwZEyyuDTDyVbPcmkcnLzvaPhyPaKzykkdRpMiY3R5t15G2er9hQQRrN59nMWe2xMnGw1fVdX6StCUsD1ukGkadgPX.gif

5zGozCj1raAPxR2gxtAcC4PqrgwoJ7g4fhsaZBQiGiZqD8TG2URyGVeS9wfGC6bbv9GSFJJ7cs9hhhzg9bBWB2YWdJJwcvoKQM9J4d27PR...KPKF6zqAovEmYL1T3UophX8h4Vurjb89ULGf4rkgt5dtawbAQzfqC1a6RfjNVLwj8U29EuYyYkv5jrrkhKTV7iz4S2EEfCFWVMc9QFV9HDhKqYRqgectoFAwRP.gif

hPb2XtKwBGiwRzkrzveR1sSPznD4Wv2miQhHXdT4AQFLAHkykY3jBdZmCxJjk6ztifZuRFBV7zoGPBbLN7Lkye6VFmom81baPfeUCEyY7A...YVvDBETk3mJPgn7FZvEHUXrxkZzx8XXwvxZ1XaAXaUKMY1J4Jnwp1qFNdww2VMXKd9tbLkXzNUZiDGZRtCm2dynbYGBzJduBamEPX9ALJK2XX9TDqYeaKh8Gtd.gif

IMG_20230624_202025.jpg

আমি মোছাঃ ফাতেমা খাতুন। আমি এই প্লাটফর্মে ২০২৩ সালের জুন মাসের ২৩ তারিখে যুক্ত হয়েছি। আমি বিবাহিত। আমার একটি ছেলে আছে। আমার শখ বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যাওয়া। বিভিন্ন ধরনের নতুন নতুন রেসিপি এবং রঙিন কাগজ ব্যবহার করে যেকোনো ধরনের জিনিস তৈরি করতে আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগে।প্রাকৃতিক সৌন্দর সহ বিভিন্ন ধরনের আর্ট করতে ও আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। আমার বাংলা ব্লগে কাজ করতে পেরে আমি অনেক আনন্দিত।।

VOTE @bangla.witness as witness


witness_vote.png

OR

SET @rme as your proxy

witness_proxy_vote.png

Coin Marketplace

STEEM 0.04
TRX 0.33
JST 0.083
BTC 64291.85
ETH 1731.43
USDT 1.00
SBD 0.42