ভ্রমন:-ডিসি পার্কে কাটানো কিছু সুন্দর মুহূর্ত(শেষ পর্ব)
হ্যালো সবাইকে
কেমন আছেন সবাই ?আশা করি ভাল আছেন। আমিও ভাল আছি আল্লাহর রহমতে। আজকে আরও একটি নতুন পোস্ট নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। ডিসি পার্কে কাটানো কিছু মুহূর্ত আজকে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব। আশা করি আপনাদের কাছে আমার এই পোস্টটি ভালো লাগবে।
আজকে আরও একটি নতুন পোস্ট নিয়ে হাজির হলাম। ঘোরাঘুরি করতে আমার কাছে বেশ ভালো লাগে। সেজন্য সবসময় চেষ্টা করি আপনাদের মাঝে আমার ঘোরাঘুরি করার মুহূর্তগুলো শেয়ার করার জন্য। যখনই সম্ভব হয় তখনই ঘোরাঘুরি করতে বেরিয়ে পড়ি কিন্তু মাঝেমধ্যে বিভিন্ন সমস্যার কারণে বেরোনো হয় না। বেশ কিছুদিন আগে আমি শীতের মধ্যেই ডিসি পার্কে গিয়েছিলাম ঘোরাঘুরি করার জন্য সেখানে গোটা একটা দিন কাটিয়েছি। যদিও এর মধ্যে ডিসি পার্কে ঘোরাঘুরি করার বেশ কিছু পর্ব আপনাদের মাঝে এবং বেশ কিছু মুহূর্ত শেয়ার করা হয়েছে। আজকে আরও একটি নতুন পর্ব নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হলাম। এই পর্বেও ডিসি পার্ক কাটানো সুন্দর কিছু মুহূর্ত সম্পর্কে আপনাদের মাঝে শেয়ার করব।
ইতিমধ্যেই ডিসি পার্কের বেশ অনেকগুলো পর্ব আপনাদের মাঝে শেয়ার করা হয়ে গিয়েছে। আজকে আমি ডিসি পার্কের শেষ পর্বটি আপনাদের মাঝে শেয়ার করব। ডিসি পার্এক টা ত বড় ছিল যে প্রত্যেকটা মুহূর্ত আপনাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য পর্ব আকারে শেয়ার করেছিলাম আর বেশ অনেকগুলো পর্ব হয়ে গিয়েছে। কিভাবে হল সেটা বুঝতে পারলাম না সময়ের সাথে অনেকগুলো পর্ব হয়ে গেল। তাহলে আজকে চলুন ডিসি পার্কে শেষ পর্বটা আপনাদের মাঝে শেয়ার করি। আসলে ডিসি পার্কের প্রত্যেকটা অংশ ঘোরাঘুরি করার পর একটাও সাইড দিয়ে আমরা বেরিয়ে যাচ্ছিলাম আর সেখানে অনেক কিছুই ছিল। যদিও সবকিছু ঘুরে ঘুরে দেখতে পারেনি সময়ের কারণে কারণ দিনে দিনে আবার বাড়িতেও ফিরতে হবে। চট্টগ্রাম থেকে ফেনীতে আসতে বেশ অনেকটাই সময় লাগে। তাছাড়া আরো বিভিন্ন জায়গা ঘোরাঘুরি করতে হবে সেজন্য আমরা ডিসি পার্ক থেকে বেরিয়ে গেলাম দুপুরে।
এখন আমি ডিসি পার্কে যে অংশের মুহূর্ত গুলো আপনাদের মাঝে শেয়ার করব সেখানে বেশ সুন্দর সুন্দর কিছু জিনিস ছিল। বিশেষ করে সেখানে ছিল ছবি তোলার কিছু জিনিস যেখানে খুবই সুন্দর করে তারা ডেকোরেশন করেছে।অনেকগুলো জায়গা ছিল ছবি তোলার জন্য কিন্তু আমি সেখানে বেশি ছবি তুলতে পারিনি। কারণ আরুশ বাবু সারাদিন ঘোরাঘুরি করার পর দুপুরের দিকে ক্লান্ত হয়ে গিয়েছে। যেহেতু ছোট মানুষ আর প্রথমবার জার্নি হয়েছে সেজন্য সে একটু ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল এবং আর সে ঘুরাঘুরি করতে একটু রাজি ছিল না। শেষের দিকে কান্নাকাটি শুরু করছিল সেজন্য তাড়াতাড়ি হাঁটার উপরে এই মুহূর্তে জায়গা গুলো ঘুরে বেরিয়ে যাবার চেষ্টা করেছিলাম।
তারমধ্যে সেখানে কয়েকটা জায়গায় আমরা বসে ছবি তুলেছিলাম এবং এই এক সাইডে একটা পার্ক ছিল। সময়ের কারণে সেখানে যেতে পারলাম না। আশেপাশে অনেক কিছু ছিল একটা রেস্টুরেন্টটা ছিল ভেতরে। তাছাড়া একটা ফুলের দোকান ছিল। এত বড় একটা ফুলের পার্ক যেখানে ফুলের মেলা হচ্ছে সেখানে মানুষ মাথায় হাতে সব জায়গায় তো ফুলের গহনা ব্যবহার করবে। সেজন্য একটা দোকানে বিভিন্ন ধরনের ফুলের গহনা বিক্রি করছিল। এছাড়া একটা অংশ ছিল ছোট্ট একটা ডেকোরেশন করা জায়গা যেখানে মানুষ tiktok করছিল সেখানেও ঢোকার জন্য টিকিট দিতে হয়েছিল। যদিও আমরা এসব কিছুই উপভোগ করতে পারিনি বেরিয়ে আসতে হলো তাড়াতাড়ি হাঁটার উপরে দেখলাম।
বেরিয়ে আসার পথে কিছু জায়গা পরছিল সেখানে অল্প কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে আমরা কিছু ছবি তুলেছিলাম। কিছু ছবি তোলার পর তাড়াতাড়ি করে আমরা গাড়ির উদ্দেশ্যে চলে আসলাম। সবাই পার্কে রয়ে গিয়েছিল আমরাই তাড়াতাড়ি চলে এসেছিলাম কারণ আরুশ বাবু অনেক কান্না করছিল। সেজন্য তার কান্না থামাতে গাড়িতে চলে এলাম ঠান্ডার মধ্যে। শীতকাল হলেও দুপুর হয়ে আসার পর রোদের তাপটা বেড়ে যাওয়ার কারণে আরুশ বাবুর কাছে অনেকটাই গরম লেগেছিল। গাড়িতে উঠে এরপর আমরা একটা অন্য জায়গার উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। সেই মুহূর্তগুলো না হয় পরবর্তীতে আপনাদের মাঝে শেয়ার করব। এই ছিল আমার ডিসি পার্কে কাটানো কিছু মুহূর্ত আর আজকের এই শেষ পর্বটা। আশা করছি আপনাদের সবার কাছে ভালো লাগবে।
| শ্রেণী | ট্রাভেল |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @fasoniya |
| ডিভাইস | Vivo Y15s |
| লোকেশন | বাংলাদেশ |
আমার পরিচয়
আমার নাম ফারজানা আক্তার সোনিয়া। আমি বাংলাদেশী।আমি বর্তমানে লেখাপড়া করি আমি একজন স্টুডেন্ট। আমি আর্ট করতে ভালোবাসি আর যখনই সময় পাই তখনই আর্ট করি।আমি ফটোগ্রাফি করতে খুবই ভালোবাসি । যখনই কোথাও খুব সুন্দর কিছু আমার চোখে পড়ে আমি ফটোগ্রাফি করে ফেলি। এছাড়াও আমি ক্রাফট তৈরি করে থাকি । বিভিন্ন ধরনের রান্না করে থাকি রান্না করতে অনেক পছন্দ করি। আমি আমার পরিবারের সবচেয়ে বড় মেয়ে । আমার ছোট ছোট দুইটা ভাই আছে। আমার অনেক স্বপ্ন রয়েছে যেগুলো স্টিমিট এ কাজ করে পূরণ করতে চাই।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
মাঝে মাঝে সুযোগ পেলে এভাবে বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরি করতে যাওয়া একান্ত প্রয়োজন। এটা নিজের মনে ভালো লাগার সৃষ্টি হয় এবং উৎস সৃষ্টি হয়। তাই আমি সুযোগ পেলে আমাদের নিকটস্থ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এবং জাতীয় স্মৃতিসৌধে বসে থাকি।
ডিসি পার্কে কাটানো শেষ পর্ব আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। এর আগের বেশ কয়েকটা পর্ব দেখা হয়েছে। আজকে শেষ পর্ব শেয়ার করেছেন। খুব সুন্দর মুহূর্ত কাটিয়েছেন ডিসি পার্কে। জায়গাটাও খুব সুন্দর। ধন্যবাদ আপু আপনার কাটানো দারুন মুহূর্ত গুলো শেয়ার করার জন্য।
ডিসি পার্কের চারপাশের পরিবেশ সত্যি খুব দারুণ। ডিসি পার্কে কাটানো কিছু সুন্দর মুহূর্ত দেখে খুব ভালো লাগলো। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য চমৎকারভাবে উপভোগ করেছেন ধন্যবাদ আপনাকে।