সৌন্দর্যের পূজারী
কোন এক ছুটির দিনের বিকেলে আমি ও আমার চাচাতো ভাই ঘুরতে গিয়েছিলাম বড়দহ সেতু দেখতে। তার অবশ্য যথেষ্ট কারণ ছিল, সাম্প্রতিক সময়ে সেতুটা আমাদের এলাকায় তৈরি হয়েছে এবং যার কারণে এলাকার মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থা আগের থেকে অনেকটাই সহজ ও গতিশীল হয়েছে।
একটা বিষয় কল্পনা করে দেখুন, যখন একটা এলাকায় বহুদিন থেকে যোগাযোগের ব্যবস্থা ছিল না, সেই জায়গায় যদি হঠাৎ করেই এলাকার মানুষের জন্য যোগাযোগের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়, তাহলে তা প্রকৃত পক্ষে সত্যিই ভালো হয় এবং নদীর তীরবর্তী অঞ্চলের মানুষের জীবন জীবিকায় বেশ পরিবর্তন হয়।
মজার ব্যাপার হচ্ছে, যখন যোগাযোগের ব্যবস্থা উন্নত হয়, তখন সেখানকার চারিপাশের মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থাতেও অনেকটাই পরিবর্তন চলে আসে। যার প্রমাণ আমি সেদিন স্বচক্ষে দেখতে পেয়েছিলাম। নতুন করে সেখানে বাজার বসেছে এবং ক্রমাগত লোকজনের আগমনে বাজার বেশ ভালোই জমে উঠেছে এবং লোকজন এখন চেষ্টা করছে রাস্তার আশে পাশে বসত বাড়ি গড়ে তোলার জন্য।
যে ফুলের ছবিগুলো আজকে শেয়ার করছি, তা মূলত সেদিন তালুকদার বাড়ির সামনে থেকে তুলেছিলাম। এই বাড়িটা কিছুদিন আগেও এখানে ছিল না। বিশেষ করে এখন যখন এখানে রাস্তা ও সেতু তৈরি হয়েছে, তাই এখাকার সব নব নির্মিত বাড়িঘর গুলোতে আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে।
এ ফুলগুলো নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়াটা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ না। কারণ তা ইতিমধ্যেই আপনারা জানেন। তবে তার থেকে বরং সৌন্দর্যটা উপভোগ করুন। কারণ এই সৌন্দর্যের টানেই সেদিন আমি চলন্ত রিক্সা থামিয়ে ফুল গুলোর ছবি তুলেছিলাম।
এমনিতেই ছোট ছোট ফুল গাছ তার ভিতরে রং বে রঙের ফুলগুলো ফুটে আছে, যা এমনিতেই রাস্তার পাশ দিয়ে ছুটে চলা মানুষের নজর কেড়ে নেবে। আমিও তার ব্যতিক্রম না। রিক্সায় করে যখন সেতুর দিকে যাচ্ছিলাম, হঠাৎ করেই ছোট ফুলগুলোর সৌন্দর্য আমাকে মুগ্ধ করেছিল। তাই রিক্সাওয়ালা ভদ্রলোককে দাঁড় করিয়ে মুঠো ফোনের মাধ্যমে ছবিগুলো তুলেছিলাম।
বাড়ির সামনের জায়গাটা সাজানোর জন্য এই ফুলের গাছগুলোর গুরুত্ব অপরিসীম। বাড়ি আপনার যেমনই হোক না কেন, তার সামনে যদি এমন বাহারি রকমের ফুল ফুটে থাকে তাহলে সেই সৌন্দর্যে এমনিতেই মন ভরে ওঠে। বিশেষ করে বাড়িতে যারা অতিথি হিসেবে আসবে বা রাস্তা দিয়ে যারা যাতায়াত করবে তাদের কিন্তু এই সৌন্দর্য এমনিতেই নজর কাড়বে।
আসলে বাড়ির সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য তেমন আহামরি কোন কিছুর প্রয়োজন হয় না। শুধুমাত্র নিজেদের স্বতঃস্ফূর্ত চেষ্ঠা থাকলেই হয়ে যায়। বিশেষ করে তা সম্পূর্ণ নির্ভর করে মানসিকতার করে। তালুকদার বাড়িটা খুব যে আহামরি ছিল তা বলবো না, তবে সেই বাড়ির সামনের পুরোটা অংশ জুড়ে এই সুন্দর ফুলের গাছগুলো তারা লাগিয়ে বাড়ির সৌন্দর্য যেন অনেকটাই বাড়তি করে তুলেছে।
ডিসকর্ড লিংক
https://discord.gg/VtARrTn6ht
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness
OR
https://twitter.com/sharifShuvo11/status/1670390575722545154?t=WUfDE1pqctsr9n5jWayz1A&s=19
ভাইয়া একদম ঠিক বলেছেন, যখন যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হয় তখন সেখানকার চারিপাশের মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থার অনেকটাই পরিবর্তন আসে। এই যেমন আমাদের এখানে যখন ধরলা সেতু নামের সেতুটি উদ্বোধন হয়নি তখন নদীর ওপারের মানুষের অবস্থা খুব বেশি একটা ভালো ছিল না। আর যখন সেতুটি নির্মাণ হয়ে গেছে তখন যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হয়েছে, সেই সাথে সেখানকার আশেপাশে অনেক দোকানপাট ও রেস্টুরেন্ট হয়ে সেখানকার চেহারাই পরিবর্তন হয়ে গেছে। আর এই ধরলা সেতু দেখার জন্য প্রতিদিন বিকেল বেলায় প্রচুর ভিড় জমে। যাইহোক ভাইয়া, তালুকদার বাড়ির প্রশংসা করতেই হয়, কেননা সেখান থেকে আপনি চমৎকার কিছু ফুলের ফটোগ্রাফি করতে পেরেছেন। অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া, খুব সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের উপহার দেয়ার জন্য।
আপনাদের ওখানকার ধরলা সেতুর ব্যাপারটা জেনে বেশ ভালো লাগলো। এটা একদম সত্য, যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হলে সব কিছুই উন্নতির দিকে এগিয়ে যায়।
কোনো জায়গা বা এলাকা উন্নত হওয়ার পূর্ব শর্ত হচ্ছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো হলে সেই জায়গা উন্নত হতে বেশি সময় লাগে না। যাইহোক রিক্সা থামিয়ে দারুণ কিছু ফটোগ্রাফি করেছেন ভাইয়া। ফটোগ্রাফি গুলো দেখে সত্যিই মুগ্ধ হয়ে গেলাম। ফুল ভালোবাসেনা এমন মানুষ পৃথিবীতে খুব কমই আছে। ফুল দেখলে আমিও ছুটে চলে যাই ফটোগ্রাফি করতে। যাইহোক এমন চমৎকার একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া।
আপনার ব্যাপারটা জেনে ভাই, বেশ খুশি হলাম।
সত্যি ভাইয়া ফুল গাছ বাড়ির সৌন্দর্য একেবারে বাড়িয়ে তুলে। বাড়ির অবস্থান যেমনই হোক না কেন ফুলের গাছ মানুষকে আকৃষ্ট করে। যাই হোক ঘুরতে গিয়েও এই ফটোগ্রাফি গুলো করেছেন দেখে ভালো লাগলো। আমরা সবাই সৌন্দর্যের পূজারী। সুন্দর কিছু দেখলেই ভালো লাগে।
এমনটা তো আমিও ভেবেছি, বাড়ি যেমনই হোক না কেন, তার সামনটা যদি সাজানো-গোছানো থাকে, তাহলে সেই সৌন্দর্য আরো অনেকটাই বৃদ্ধি পায়।
অনেক সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি করেছেন। এই ফুলের ফটোগ্রাফি গুলো দেখে খুবই ভালো লাগলো। আসলে ফুল আমার খুবই প্রিয় তাই ফটোগ্রাফি দেখতে ভালো লাগে।
কোন এলাকা উন্নত হওয়ার বড় একটি কারণ হলো যোগাযোগ ব্যবস্থা। এই এলাকায় সেতু হওয়ার কারণে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো হচ্ছে। এখন আগের থেকে অনেক উন্নত হবে। ঠিকই বলেছেন কোন বাড়ির সামনে যদি এমন সুন্দর ফুল থাকে লোকজনের নজর তো কাটবেই। তাছাড়া একই ফুলের বিভিন্ন ধরনের কালার দিয়ে সাজানো। দেখেই বুঝতে পারছি চমৎকার লাগছে বাড়ির সামনেটা।
আপু মূলত এই ফুলগুলোই আমার নজর কেড়ে ছিল, আপনি ব্যাপারটা সঠিক ধরেছেন।
আসলে ভাইয়া কোন এলাকার উন্নতির অন্যতম মাধ্যম হলো যোগাযোগ।যে এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্হা যত ভালো সেই এলাকা ততো উন্নত। আপনি সত্যি বলেছেন বাড়ির অবস্থা যেমনি হোক না কেনো, এমন ফুল থাকলে তার সৌন্দর্য বাড়িয়ে তুলবে।আর মানুষ সৌন্দর্যের পূজারী। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
এটা সত্য যে এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা যত উন্নত হয়, সেখানকার মানুষের জীবনযাত্রাতেও ততো আমূল পরিবর্তন আসে।
সেতু দেখতে গিয়ে তালুকদার বাড়ির সামনে হতে বেশ সুন্দর কিছু নয়ন তারা ফুলের ফটোগ্রাফি করে আমাদের সাথে শেয়ার করবেন। আজকের ফটোগ্রাফির ফুলগুলো প্রত্যেকের কাছেই পরিচিত। তাইতো ফুলগুলোর কোন বর্ণনা প্রয়োজন নেই। বেশ অসাধারণ ছিল ভাইয়া আপনার ফটোগ্রাফি গুলো।
ধন্যবাদ আপু আমার অনুভূতি বুঝতে পারার জন্য।
তালুকদারের বাড়ির সামনে থেকে তোলা বিভিন্ন ধরনের নয়নতারা ফুলের ফটোগ্রাফি এবং অন্যান্য ফুলের ফটোগ্রাফি গুলো আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। একই সাথে আপনার পোস্টের লেখাগুলো আপনি খুবই সুন্দর ভাবে গুছিয়ে গুছিয়ে লিখেছেন। দারুন একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ভাইয়া আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
সত্যি বলতে কি, আমার কাছেও ফুল গুলো বেশ ভালো লেগেছিল ভাই। তাই মুঠোফোনে ক্যামেরা বন্দী করে ছিলাম।
বড়দহ সেতু সুন্দর নাম তো।একটি সেতু নির্মাণের মাধ্যমে সেই এলাকার চেহারা অনেকাংশে পাল্টে দিতে পারে।তাছাড়া এটা মানুষের যাতায়াত আরো সহজতর করে তোলে।ফুলগুলোর ছবি খুবই সুন্দর হয়েছে ভাইয়া।তবে মনে হচ্ছে রাস্তার পাশে হওয়ার ফলে ধুলো জমেছে, ধন্যবাদ আপনাকে।
এইটা সত্য এই সেতু নির্মানের মাধ্যমে ঐ এলাকার মানুষের অবস্থা আগের থেকে অনেকটাই পরিবর্তন হয়েছে।