একটি জাতি ধ্বংসের প্রয়াস (দ্বিতীয় পর্ব)

কেমন আছেন বন্ধুরা? আমি ভালো আছি। আশাকরি আপনারা ও ভালো আছেন।


এই চাউলটাকে কেটে ছেঁটে সাইজ করে এমন করা হয় যেখানে কোনো রকমের উপকার থাকে না। আমরা এখন চিকন চালের যে ভাত খাই সেটাতে কোনো পুষ্টি উপাদান নেই বললেই চলে। আমরা যে ভাতটা খাচ্ছি সেটা থেকে শুধু শরীর কার্বোহাইড্রেট পেয়ে থাকে। চালটা বিভিন্নভাবে রিফাইন করার ফলে সেখান থেকে সমস্ত পুষ্টিকর উপাদান গুলো হারিয়ে যায়। তারপর ধরুন শাক সবজির কথা। সেখানেও একই অবস্থা। শাক-সবজি চাষের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নানারকম সার আর কীটনাশক ব্যবহার করা হয়।


What kinds of change steemit can bring in our society_20240602_215037_0000.png

ক্যানভা দিয়ে তৈরি করা হয়েছে।

সেই সাথে এখন ব্যবহার করা হচ্ছে বিভিন্ন রকমের গ্রোথ হরমোন। যেটা আপনি অনেক শাকসবজির সাইজ দেখলে বুঝতে পারবেন। আমাদের দেশীয় প্রজাতির শাকসবজি গুলো হোতো আকারে কিছুটা ছোটো। কিন্তু বর্তমানে অনেক শাকসবজি দেখতে পাবেন যেগুলো আকারে বিশাল হয়ে থাকে। বাজার থেকে টাটকা শাকসবজি হিসেবে আমরা যেটা কিনে বাড়ি আনছি আসলে সেটা বিষ মিশ্রিত শাকসবজি। আর এখানে আমরা যারা ভোক্তা আছি তাদেরও কিছু সমস্যা রয়েছে।


আমরা বাজারে গিয়ে সবচাইতে চকচকে যে শাকসবজি গুলো দেখা যায় সুন্দর চেহারার আমরা সেগুলো সব সময় কেনার চেষ্টা করি। কিন্তু অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের কাছ থেকে শুনলে বুঝতে পারবেন এই শাকসবজি গুলো কখনোই কেনা উচিত না। কারণ এই শাক-সবজি গুলিতে অতিরিক্ত মাত্রায় রাসায়নিক সার এবং কীটনাশক ব্যবহার করা হয়েছে। এরপর ধরুন ফলের কথা। এই ফল পাকানো থেকে শুরু করে সংরক্ষণ প্রত্যেকটা পর্যায়ে নানা রকমের ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহার করা হচ্ছে মাত্রাতিরিক্ত পরিমাণে। (চলবে)


আজকের মত এখানেই শেষ করছি। পরবর্তীতে আপনাদের সাথে দেখা হবে অন্য কোন নতুন লেখা নিয়ে। সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।



ধন্যবাদ

Sort:  
 2 years ago 

চাল,শাকসবজি কিংবা ফলের কথা যা ই বলি না কেনো,সবকিছুতেই এখন ভেজাল। নির্ভেজাল খাবার আমরা একেবারেই খেতে পাচ্ছি না। বাড়তি জনসংখ্যার চাহিদা মেটাতে বাড়তি উৎপাদন ঠিকই হচ্ছে, কিন্তু আমরা ভেজাল খেয়ে খেয়ে অসুস্থ হয়ে যাচ্ছি। যাইহোক পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।

Coin Marketplace

STEEM 0.05
TRX 0.33
JST 0.081
BTC 63226.76
ETH 1686.26
USDT 1.00
SBD 0.42