দবির মিয়ার অন্তহীন সংগ্রাম (অষ্টম পর্ব)
সে বলে যেহেতু তুমি এখন বাড়িতেই থাকো তাই আমরা দুই তিন জন মিলে কয়েকটা ছাগল পালতে পারলে। ঈদের সময় ভালো দামে বিক্রি করা যাবে। এই আইডিয়াটা দবিরের খুব পছন্দ হয়। ততদিনে দড়ির মিয়ার পরিবারের সচ্ছলতা চলে এসেছে। দবির মিয়া তার স্ত্রীর পরামর্শ মতো কয়েকটি ছাগল কিনে আনে। তারপর তারা কয়েক মাস সেগুলো লালন পালন করে ঈদের বাজারে বিক্রি করে দেয়। সেখান থেকে তারা বেশ ভালো টাকা পায়। এভাবে দেখতে দেখতে একসময় দবির মিয়া আর তার স্ত্রীর খামারটা বেশ বড় হয়ে যায়।
অল্প কয়েকটা মুরগি পালন করা থেকে শুরু করে এত বড় খামার হয়ে যাওয়াই দবির মিয়া খুবই খুশি হয়। একদিন বিকালে দবির মিয়া তার ছোটো ছেলেকে সাথে নিয়ে নদীর পাড়ে হাঁটতে গিয়েছিলো। সেখানে গিয়ে দেখে অনেকেই নদীর পাড়ে দাড়িয়ে কি যেন দেখছে। তাদের কাছে গিয়ে দেখে তারা সবাই নদীর পানির দিকে তাকিয়ে রয়েছে।দবির মিয়া অবাক হয়ে দেখে গতকালকেও যে নদীতে পানি ছিলো অনেকটা কম।
(চলবে)
আজকের মত এখানেই শেষ করছি। পরবর্তীতে আপনাদের সাথে দেখা হবে অন্য কোন নতুন লেখা নিয়ে। সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।
দবির মিয়ার পরিবার স্বচ্ছল হয়েছে, এটা জেনে খুব ভালো লাগলো। আসলে মানুষ বুদ্ধি করে পরিশ্রম করতে পারলে, সংসারের উন্নতি করা সম্ভব। তবে দবির মিয়ার স্ত্রীর বেশ ভালোই বুদ্ধি আছে। যাইহোক গল্পটা আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।