এক অসহায় মায়ের গল্প ২য় বা শেষ পর্ব
আসসালামু আলাইকুম
আমার প্রিয় বাংলা ব্লগ এর সকল ভাই ও বোনেরা কেমন আছেন? নিশ্চয় মহান সৃষ্টিকর্তার রহমতে সবাই বাড়ির সকল সদস্যকে নিয়ে ভালো আছেন সুস্থ আছেন। আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে এবং আপনাদের সকলের দোয়ায় ভালো আছি, সুস্থ আছি।সকলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে শুরু করেছি আজকের পোস্ট।
এক অসহায় মায়ের গল্প ২য় বা শেষ পর্ব
বরাবরের মতো আজও আমি আপনাদের মাঝে এসেছি নতুন একটা পোস্ট নিয়ে। আসলে আজ এসেছি একটা গল্প নিয়ে। গল্প লিখতে ও পড়তে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। তাই তো সপ্তাহে একটি করে গল্প লেখার চেষ্টা করি। আর গল্প মানে আমাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া সকল ঘটনা। আসলে বৃদ্ধ হলে বাবা-মা কতটা অসহায় হয়ে পড়া তা হয়তো আছমা ভাবিকে না দেখলে বুঝতে পারতাম না। মায়ের ভালোবাসা সাথে পৃথিবীর কোন কিছুর তুলনা হয় না। কিন্তু কিছু কিছু সন্তান মায়ের ভালোবাসা বুঝতে পারে না। আর সন্তানরা মাকে যতই কষ্ট দিক না কেন মা কখনো সন্তানকে ভালবাসতে পিছুপা হয় না। পৃথিবীতে একমাত্র নিঃস্বার্থভাবে ভালবাসলে মা বাসে।আর এই মাকে আমরা কিভাবে অবহেলা করি যা বলার মতো নয়।আসলে বাস্তবতা বড়ই কঠিন। তাহলে চলুন শুরু করি আজকের পোস্ট।
আছমা ভাবি ও তার স্বামী দুজনে অনেক কষ্ট করে কিছু টাকা জোগাড় করল। আর কিছু টাকা গ্রামবাসী দিয়ে তাকে একটা থাকার জন্য ছোট ঘর তুলে দিল। আসলে বড় ছেলের অবস্থা মোটামুটি তার নিজের সংসার রেখে মা বাবাকে সম্পূর্ণ দেখা সম্ভব হয় না।আর মা বাবা সব কিছু ছোট ছেলেকে দিয়ে দিয়েছে।অথচ ছোট ছেলে তাদেরকে ঘরে থাকতে দিল না।যাইহোক থাকার জায়গা হলো কিন্তু তাদের যে বয়স তাতে ইনকাম করার মতো অবস্থা নেই। আসলে দিন গেলে তাদের দুমুঠো খেতে কে দেবে।
এদিকে ছোট ছেলে কোন দায় নেবে না বাবা মার। এভাবে কোন রকম কষ্ট করে দিন যেতে লাগলো তাদের। একদিন হঠাৎ করেই আছমা ভাবির স্বামী অনেক অসুস্থ হয়ে পড়ল।তারপর তাকে কে চিকিৎসা করাবে।আসলে কোন রকম খেয়ে পড়ে বাঁচা যায় কিন্তু অসুস্থ হলে তো ঝামেলা। এভাবে সরকারি হসপিটালে কিছু দিন ভর্তি থাকার পরে হঠাৎ একদিন আছমা ভাবির স্বামী মারা গেল।
তারপর গ্রামের সবাই মিলে তার মাকে বড় ছেলের মধ্যে খেতে বলল।আর সবাই তাকে সাহায্য করতে লাগলো। এদিকে সবাই আছমা ভাবিকে যা দেয় তা আবার ছোট ছেলেকে না দিলে বিশাল ঝড়গা লেগে যায়। অথচ মাকে দেবে না কিন্তু তার জিনিস এর সমান ভাগ চাই। তাই আছমা ভাবি সবাইকে বলে দিয়েছে তাকে কিছু না দিতে।এক সে কিছু করতে পারেনা। তবে বড় ছেলের বউ কোন রকম দেখে কিন্তু ছোট ছেলেরা ফিরে তাকায় না।আসলে আছমা ভাবির কষ্টের শেষ নেই। এমন অনেক ভাবি আমাদের সমাজে অসহায় ভাবে বেঁচে আছে।
| প্রয়োজনীয় | উপকরণ |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @parul19 |
| ডিভাইস | redmi note 12 |
| লোকেসন | ফরিদপুর |
আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি। আবার দেখা হবে অন্য কোন ব্লগে অন্য কোন লেখা নিয়ে। সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।
আমি পারুল। আমার ইউজার নেম@parul19। আমার মাতৃভাষা বাংলা। বাংলাদেশ আমার জন্মভূমি।আমি ফরিদ পুর জেলায় বসবাস করি।আমার দুটি মেয়ে আছে। আমি বাংলাই লিখতে ও পড়তে ভালোবাসি। আমি নতুন নতুন রেসিপি তৈরি করতে ও ঘুরতে পছন্দ করি।এই অপরুপ বাংলার বুকে জন্ম নিয়ে নিজেকে ধন্যবাদ মনে করি।
https://x.com/MimiRimi1683671/status/1917233217670963462?t=0-yIAQ624Uj2ZT8fdXhk7A&s=19
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
https://x.com/MimiRimi1683671/status/1917234908118073490?t=4bsgpNz0lq35dqO79YtYig&s=19