গল্প :- সম্মান // পর্ব:-০৪।
হ্যালো বন্ধুগণ,
আমি @bidyut01. একজন বাঙালি ব্লগার।সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের ব্লগটি শুরু করছি।
আজ সোমবার। ২২ ই জানুয়ারি, ২০২৩ ইং।
আসসালামু আলাইকুম।
সুপ্রিয় বন্ধুগণ, আপনারা সবাই আমার আন্তরিক শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা গ্রহণ করবেন। আমি আশা করি আপনারা সবাই মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে অনেক ভাল আছেন, সুস্থ আছেন এবং নিরাপদে আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় এবং মহান আল্লাহপাকের দয়ায় অনেক ভাল আছি। আজকে আমি আরো একটি নতুন পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি।
চুরি করা যাদের পেশা তাদের আবার ভয় কিসের কথাটি সুজন বলেছিল কালুকে উদ্দেশ্য করে। সুজনের কথা শুনে কালু তার মনের ভেতর থেকে সকল ভয় ছুঁড়ে ফেললো। চুরি করার জন্য সে বেশ আগ্রাসী মেজাজী হয়ে গেল। কালুর মনোবল দেখে সুজন বেশ চাঙ্গা হয়ে উঠলো। আসলে চুরি করার নেশা বড় নেশা। যেটাকে সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। আর কালু ও সুজন হলো জাত চোর। কারণ দুজনের বাবার প্রধান পেশা ছিল চুরি করা। এমনকি তাদের দাদাও চুরি করতে গিয়ে জনগণের হাতে ঠেঙ্গানি খেয়ে মরেছে। শুধু তাই নয়, সুজন ও কালুদের শ্বশুরমশাইও নিজ নিজ এলাকার নামকরা চোর। তাই চুরির কাজে গিয়ে ভয়কে জয় করে চুরির কাজ সম্পন্ন করা হল সুজন ও কালুর প্রধান বৈশিষ্ট্য।
যাহোক, দু'জন চোর যখন সেই ধার্মিক লোকের কলাবাগানে প্রথম প্রবেশ করলো তখন তারা কলাবাগানের দৃশ্য দেখে পুরোপুরি অবাক হয়ে গেল। কলাবাগানের অসংখ্য কলার কাঁধি দেখে দু'জনের মনে আনন্দের কোন শেষ ছিল না। সুজন তো বলেই ফেললো,"আরে কালু বাগানের সব কলা গুলো যদি সাফ করে চুরি করতে পারি তাহলে আমরা পুরো একমাস বসে খেতে পারবো।" সুজনের কথা শুনে কালু বললো ঠিকই বলেছিস, এক মাস পরে আবার এই কলা বাগান থেকে আরও অনেক কলা চুরি করতে পারবো। কলা চুরি করার আগে তারা দুজন আরো একবার কলাবাগানের আশপাশে কেউ আছে কি-না সেটা ভালোভাবে পরীক্ষা করে নিলো। তারপর কলার কাঁধি কাটার জন্য তাদের সেই ধারালো অস্ত্র বের করলো।
তারপর সুজন ও কালু কলা গাছের নিকটে চলে গেল। কালু কলার কাঁধি শক্ত করে ধরে নিলো। এবার সুজন যখনই কলা গাছে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করতে গেল ঠিক তখনই কলা গাছের ভিতর থেকে অদ্ভুত একটা শব্দ এলো। অদ্ভুত শব্দ শুনে সুজন ও কালু অনেকটা ভয় পেয়ে গেল। তারপর তারা দু'জন দেখলো যে কলা গাছের ঝাড় থেকে কালো রঙ্গের লম্বা একটি সাপ বের হয়ে আসছে। রাতের বেলায় নির্জন মাঠে কলাবাগানে এরকম কালো রঙ্গের লম্বা ভয়ংকর সাপ দেখে দুজনেই ভয়ে কাঁপতে শুরু করলো। তারা দুজন শুধুমাত্র দুজনের দিকে একবার করে তাকায় আর সাপের দিকে তাকায়। কথা বলার মতো সাহস তাদের ভিতর ছিল না।
তাদের সঙ্গে থাকা লাইট বন্ধ করে যে দৌড় দিবে-সেই রকম কোন পরিস্থিতি নেই। লাইটের আলো দিয়ে সুজন ও কালু যতই পিছনে দিকে যেতে লাগলো সাপটি ততই তাদের সামনে সামনে যেতে লাগলো। সাপের এরকম অদ্ভুত আচরণ দেখে তাদের ভিতরে ভয়ের কোন কমতি ছিল না। সুজন আবার কালুকে ফিসফিস করে বলতে লাগলো, মনে হয় এটাই সেই ধার্মিক লোক, যে আজ আমাদের সাপ হয়ে ভয় দেখাচ্ছে। কালু আবার সুজনকে ফিসফিস করে বলতে লাগলো, সাপ দেখে ভয় না পেয়ে চলো আমরা সাপটিকে মেরে ফেলি। কালুর কথামতো সুজন যখন সাপটির শরীরকে উদ্দেশ্য করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করতে গেল। আর ঠিক তখনই ঘটে গেল এক অসম্ভব ঘটনা।
গল্পটির তৃতীয় পর্বটি পড়ার লিঙ্ক
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
ভাই এরকম একটা জায়গায় কি কেউ পর্ব শেষ করে ? সুজন এবং কালু প্রথমে যখন ভয় পাচ্ছিল পরবর্তীতে অনেক কিছু বলে তারা নিজেদেরকে সামলে ছিল। কিন্তু কলার কাঁধি কাটার সময় দেখছি অনেক বড় একটা সাপ বের হয়েছিল। সাপটাকে মেরে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তারা। কিন্তু সাপটাকে মারার সময় কি অদ্ভুত ঘটনা ঘটেছিল এটাই তো বুঝতে পারতেছি না। আশা করছি এটা আপনি পরবর্তীতে আমাদের মাঝে শেয়ার করবেন। পরবর্তী পর্ব খুব শীঘ্রই পাবো আশা করছি।
এটাই তো এক ধরনের আকর্ষণ। গল্পটির বাকি অংশ পড়ার জন্য আর কয়েকটা দিন অপেক্ষা করেন।
ধার্মিক লোকটার কলাবাগানে কালু এবং সুজন চুরি করার জন্য গিয়েছিল। আর তাদের সাথে আজব আজব ঘটনা ঘটতে শুরু করে। একেবারে শেষ পর্যায়ে তারা ভয় কম পেলেও যখন কলার কাঁধি কাটতে যাবে তখনই আরেকটা ঘটনা ঘটলো। ওই কালো বড় সাপটা কোথা থেকে আসলো ? আশা করছি পরবর্তীতে এই সবগুলো বিষয় আরো স্পষ্টভাবে স্যার বলবে। পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষায় থাকলাম।
আজব ঘটনা মানে কি মহা আজব ঘটনা ঘটবে। কয়েকটা দিন অপেক্ষা করেন।