সন্ধ্যা বেলা নদীর পাড়ে ভয়ানক একটি স্মৃতিময় গল্প //পর্ব-২
আসসালামুআলাইকুম/আদাব
আমাদের এই জীবনটা চলমান, জীবনে চলার পথে আমরা অনেক কিছুই অর্জন করি আবার অনেক কিছুই আমরা অর্জন করতে পারি না। তবে জীবনে চলার পথে প্রত্যেকটা মুহূর্ত যেন স্মৃতি হয়ে জমা হয়ে থাকে আমাদের জীবনের পাতায়। এই জীবনের পাতাগুলো যদি আমরা কোন এক সময় নীরবে বসে উপলব্ধি করি তাহলে এই স্মৃতিগুলো মনে পড়ে যায়। আর খুবই খারাপ লাগে কখনো কখনো ভাল লাগে। আসলে জীবনটা চলমান জীবনটা কখনোই থেমে নেই। জীবন তার নিজ গতিতে চলছে। আমরা এভাবেই যেন আমাদের জীবনের মূল্যবান দিনগুলো পার করছি। তো বন্ধুরা আজকে আমি আপনাদের মাঝে স্মৃতির পাতা থেকে একটি গল্প শেয়ার করতে আসলাম। আর এই গল্পটি হল নদীর পাড়ে ভয়ানক দৃশ্য দেখার গল্প। তোর বন্ধুরা চলুন গল্পটি পড়া শুরু করা যাক।
আমাদের গ্রামের পাশেই নদী রয়েছে। তাইতো ছোটবেলা থেকে যেন এই নদীর সাথে আমার অনেক স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে। আসলে নদীমাতৃক গ্রাম গুলোর সাথে মানুষের অনেক সম্পর্ক থাকে। এই নদীর সাথেই যেন ছোটবেলার দিনগুলো পার করা হয়। নদীর বুকে নৌকা নিয়ে ভ্রমণ করার মজাটা অন্য রকম। নদীতে বন্ধুদের সাথে দুপুরে গোসল করার মুহূর্ত বিকালে মাছ ধরার মুহূর্তগুলো সত্যিই অসাধারণ। বিকেলবেলা নদীর পাড়ে এসে নৌকায় বসে থেকে নদীর শীতল প্রকৃত উপভোগ করা এই মুহূর্তগুলো যেন সত্যি অনেক আনন্দের। এখন মানুষ বেশিরভাগই শহর মুখী হয়েছে। যার কারণে গ্রামের সৌন্দর্য এবং গ্রামের প্রকৃতির ওইভাবে উপভোগ করা হয় না। তবে ছোটবেলা সেই দিনগুলোর কথা মনে হলে কতই না ভালো লাগে। বন্ধুদের সাথে নদীর পাড়ে কত মজা করেছি।
আসলে জীবনে চলার পথে ফেলে আসা সেই দিনগুলোর কথা বেশি মনে পড়ে কারণ ফেলে আসা সেই দিনগুলো ছিল যেন শ্রেষ্ঠ দিন। বন্ধুদের সাথে হাসিমাখা দিনগুলো পার করেছি। জীবনের উপরে কোন চিন্তা ভাবনা ছিলনা। ছিলনা কোন বাঁধা। নীরবে বন্ধুদের সাথে খেলাধুলা করতে করতে কখন সন্ধ্যা হয়ে গিয়েছে আমরা সেটাও বুঝতাম না। আসলে নদীর পারে অনেক সুন্দর পরিবেশ ছিল। সেখানে খেলাধুলার ব্যবস্থা ছিল। আর নদীতে নৌকার উপর থেকে বড়শি দিয়ে মাছ ধরা দৃশ্যগুলো দেখে খুবই ভালো লাগতো। আমাদের গ্রামের বড় ভাইয়েরা এই বড়শি দিয়ে মাছ ধরত। যার কারণে আমরা বন্ধুরা মিলে নদীর পাড়ে নৌকায় বসে থেকে সেই বড়শি দিয়ে মাছ ধরার দৃশ্যগুলো দেখতে অনেক বেশি মজা পেতাম।
আমার নাম মোঃআলিফ আহমেদ।আমি বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগে সিরাজগঞ্জ জেলায় বসবাস করি। আমি বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে নিজেকে গর্বিত মনে করি। আমি আমার জন্মভূমিকে খুবই ভালোবাসি। আমি সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজের একজন ছাত্র। আমি ছোট বেলা থেকেই আর্ট করতে পছন্দ করি।তাই অংকন করতে আমার খুব ভালো লাগে।তাই আমি সময় পেলেই বিভিন্ন চিত্র অংকন করি।বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমন করতে ও ফটোগ্রাফি করতে আমার খুবি ভালো লাগে।🌼💖🌼
যার কারণে আমরা বন্ধুরা মিলেও বড়শি দিয়ে মাছ ধরার জন্য সিদ্ধান্ত নিলাম। যার কারণে দোকান থেকে আমরা বড়শি কিনে নিয়ে এসে সিপ বানিয়ে নদীর পাড়ে বসে থেকে মাছ ধরতে যাইতাম কিন্তু আমরা মাছ ধরতে পারতাম না। আমাদের বড়শিতে আধার খেয়ে চলে যেত মাছ। কিন্তু আমরা একটা মাছও ধরতে পারিনি। যার কারণে খুবই খারাপ লাগতেছিল। তো আমাদের পাশের যে বড় ভাই ছিল তার বড়শিতে অনেক মাছি ধরতো। আর মাছ ধরার মুহূর্তটা এতটা আনন্দের মাছ না ধরলে বোঝাই যায় না।
আমাদের গ্রামের শফিক ভাই ছিল, সে বোয়াল মাছ ধরত। তার অনেক গুলো বরশি নদীর পাড়ে শক্ত একটি লাঠির সাথে বেঁধে রাখত। আর এই বোয়াল মাছগুলো আদার খেতে আসতো। আসলে সে ছোট ছোট তাজা মাছ বড়মিতে লেগে রাখতো আর এই মাছগুলো নড়াচড়া করলেই বোয়াল মাছ এসে ধরত। সে সন্ধ্যা বেলা পেতে রাখত এবং রাতে কিংবা পরের দিন সকাল বেলায় এসে মাছ সহ নিয়ে যেত। তার বড়শিতে অনেক বড় মাছ ধরত। যার কারণে আমরা বিকেল বেলা সিদ্ধান্ত নিলাম তার বড়শিতে যদি বোয়াল মাছ ধরা থাকে তাহলে আমরা এই মাছগুলো নিয়ে আসবো।তাই আমরা মাগরিবের আযান সময় নদীর পাড়ে আসলাম। তো বন্ধুরা পরবর্তীতে কি হয়েছিল সেই অংশটুকু আপনাদের সাথে আগামী পর্বে শেয়ার করব।আজকে এখানেই শেষ করছি। 🖤✨।
ধন্যবাদ সকলকে✨💖
ফোনের বিবরণ
| ক্যামেরা | স্যামসাং গ্যালাক্সি |
|---|---|
| ধরণ | রাইটিং ✨ |
| মডেল | এম-৩১ |
| ক্যাপচার | @alif111 |
| অবস্থান | সিরাজগঞ্জ -রাজশাহী- বাংলাদেশ। |
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
আসলে আমাদের জীবনে অনেক গল্প রয়েছে। এই গল্পগুলোর কথা মনে হলেই ভালো লাগে। আপনারা বন্ধুরা মিলে নদীর পারে অনেক আনন্দময় মুহূর্ত উপভোগ করেছেন। স্মৃতিময় এই গল্পটি পড়ে ভালো লাগলো। দেখা যাক আগামী পর্বে কি হয়।
ঠিক বলেছেন ভাইয়া জীবনে চলার পথের প্রতিটা মুহূর্ত স্মৃতি হয় জমা পড়ে থাকে। যখন আমরা একাকী বসে থাকি তখন সেই মুহূর্তগুলো খুব মনে পড়ে। মাঝে মাঝে কিছু স্মৃতি হাসির রেখা টেনে দেয় আবার কিছু কিছু স্মৃতি কষ্টের ছাপ এঁকে দেয়। ছোটবেলার স্মৃতি যেমন মধুর থাকে তেমনি আনন্দের থাকে। আপনি আজ খুব সুন্দর গল্প শেয়ার করেছেন। আপনারা বড়শিতে মাছ ধরা পড়েছে কিনা দেখার জন্য সন্ধ্যা বেলা নদীর পাড় গিয়েছেন আর এরপর কি হলো জানার অপেক্ষায় রইলাম।