শীতের রাতে বাজি ধরে গোসল করার গল্প //পর্ব-২
আসসালামুআলাইকুম/আদাব
বন্ধুদের সাথে হাজার গল্প জড়িয়ে রয়েছে আমাদের প্রত্যেকের জীবনে। আর এই গল্পগুলো সত্যি অনেক আনন্দদায়ক ছিল। কিছু কিছু গল্প রয়েছে অনেক মজার, যে গল্পগুলো আমরা কখনোই ভুলতে পারবো না। তেমনি একটি গল্প আমার বন্ধুদের সাথে ঘটেছিল। আর এই গল্পটি আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে ছিলাম।বন্ধুদের সাথে এই মজার ঘটনা গুলো অনেক আনন্দদায়ক। আসলে আমরা একদিন সবার মধ্যে বাজি ধরে ছিলাম।শীতের মধ্যে পুকুরে গোসল করেছিল। এই গল্পটি আপনাদের মাঝে শেয়ার করতেছিলাম। আজকে সেই গল্পের দ্বিতীয় পর্ব নিয়ে হাজির হলাম। আশা করছি আজকের পর্বের গল্প পড়ে আপনাদের ভালো লাগবে।
শীতকালে আমাদের গ্রামে মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছিল। আর এই মাহফিলকে কেন্দ্র করে মেলার আয়োজন ছিল। আর এই মেলাতে আমার সকল বন্ধুরা মিলে এসেছিলো। বন্ধুদের সাথে মেলাতে অনেক আনন্দ মুহূর্ত উপভোগ করেছি। আমরা জিলাপি কিনে বসে খাচ্ছিলাম। এমন সময় শান্ত আর সোহান এর মধ্যে তর্ক হয়। তারা বাজি ধরে নেয়, যে এই শীতের রাতে পুকুরে গিয়ে গোসল করতে হবে। আসলে সোহাগ ছিল ঘাড়তে তারা, ও কথায় কথায় রাজি ধরে। আর শান্ত ছাড় দেওয়ার পাত্র নয়। শান্ত এই বাজিটা আরো শক্ত করে ধরে, যার কারণে সোহানকে গোসল দেওয়ার জন্য রাজি হতেই হল। তোর সোহান গোসল দেওয়ার জন্য গেঞ্জি এবং প্যান্ট পড়েই যেন এই পুকুরে নামার সিদ্ধান্ত নিল।
আসলে শীতকালে এমনিতেই গ্রাম অঞ্চলে অনেক বেশি শীত পড়ে। আর এই শীতের মধ্যে শীতের কাপড় পড়েই যেন বাইরে বের হওয়া যায়না। প্রচন্ড কুয়াশা তার মধ্যে পুকুরের পানি তো আরো বেশি ঠান্ডা থাকে। কারণ চারদিকে কুয়াশা এবং এই পুকুরে ঠান্ডা পানির মধ্যে সোহান নামতে শুরু করলো। তখনই আমারই অনেক ভয় করতেছিল। একবার মনে হল সোহান যদি ঠান্ডায় অজ্ঞান হয়ে যায় তাহলে বিপদ হয়ে যাবে।
আমার নাম মোঃআলিফ আহমেদ।আমি বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগে সিরাজগঞ্জ জেলায় বসবাস করি। আমি বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে নিজেকে গর্বিত মনে করি। আমি আমার জন্মভূমিকে খুবই ভালোবাসি। আমি সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজের একজন ছাত্র। আমি ছোট বেলা থেকেই আর্ট করতে পছন্দ করি।তাই অংকন করতে আমার খুব ভালো লাগে।তাই আমি সময় পেলেই বিভিন্ন চিত্র অংকন করি।বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমন করতে ও ফটোগ্রাফি করতে আমার খুবি ভালো লাগে।🌼💖🌼
তারপর এই শীতের মধ্যে সোহান যেন বাজিতে জেতার জন্য পুকুরের ভিতরে নেমে পরল এবং পুকুরের ভিতর নেমে সোহান একটা চিৎকার দিয়ে উঠল। কারন এত ঠান্ডা ছিল আর ওকে ডুব দিতে হয়েছেও যেন ডুব দিয়ে চিৎকার করে উঠল। তারপরে সোহান তাড়াতাড়ি করে পুকুর থেকে উঠতে চাইলো, কিন্তু ও উঠতে পারতেছিল না। কারণ ওরা হাত-পা একদম ঠান্ডা হয়ে গেছে ওর হাতে কোন শক্তি ছিল না।
তারপর আমরা বন্ধুরা মিলে সোহানকে সেখান থেকে উঠিয়ে নিয়ে আসলাম এবং সোহানের শরীর মুছে দেওয়ার জন্য একটি কাপড়ের ব্যবস্থা করলাম এবং সেখানে আমরা আগুন ধরানোর চেষ্টা করতেছিলাম। তাই আশেপাশের খড়কুটো ছিল সেই খড়কুটো নিয়ে এসে আগুন জ্বালিয়ে দিলাম এবং সোহানকে আগুন তাপাতে বললাম। তো বন্ধুরা পরবর্তীতে কি হয়েছিল সেইটুকু আপনাদের সাথে আগামী পর্বে শেয়ার করবে ইনশাআল্লাহ।🖤✨।
ধন্যবাদ সকলকে✨💖
ফোনের বিবরণ
| ক্যামেরা | স্যামসাং গ্যালাক্সি |
|---|---|
| ধরণ | রাইটিং ✨ |
| মডেল | এম-৩১ |
| ক্যাপচার | @alif111 |
| অবস্থান | সিরাজগঞ্জ -রাজশাহী- বাংলাদেশ। |
https://twitter.com/AhmedAlif135308/status/1894460917167128986?t=KYIZLWDr415Jxb3gbwZ_8g&s=19
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
শীতের রাতে বাজি ধরে গোসল করার এই গল্পটি পড়েই তো আমারই ভয় হচ্ছে। এত শীতের মধ্যে কিভাবে পুকুরে গোসল দিনও দেখা যাক আগামী পর্বে কি হয় সোহানের।
শীতের রাতে গোসল করার ইন্টারেস্টিং একটি গল্প শেয়ার করলেন। তবে শীতের রাতে গোসল করতে সত্যি অনেক কষ্ট হয়। আপনার বন্ধুর সোহাগ এবং শান্ত বাজি ধরে গোসল করেছে। শীতের রাতে পানি যে পরিমাণ ঠান্ডা থাকে তার মধ্যে উঠে আসা সত্যি অনেক কষ্টের। তবে আপনার বন্ধুরা এবং আপনি সবাই মিলে আপনার বন্ধু সোহাগকে পুকুর থেকে তুলে নিয়ে এসে জামা কাপড়ের ব্যবস্থা করেছেন জেনে ভালো লাগলো। খড়কুটো জ্বালিয়ে তারপর কি করলেন সেটা জানার অপেক্ষায় থাকলাম।
এটা ঠিক বলছেন যে,গ্রামে এমনিতেই শীতকালে প্রচুর শীত। তবে আমরাও এমন মজা করতাম বন্ধুদের সাথে। কিন্তু কোন বন্ধু রাজি হতো না পুকুরে গোসল করার জন্য। যাইহোক আপনার বন্ধু বাজি ধরে পুকুরে গোসল করছে।তবে এই ঠান্ডার মধ্যে গোসল না করা টা উত্তম ছিলো।তবে বন্ধু বান্ধবের সাথে কিন্তু এগুলো মজা করতে খুবই ভালো লাগে। ধন্যবাদ আপনাকে পোস্ট টি শেয়ার করার জন্য।