চট্টগ্রাম ভ্রমণ // আমার পরিবার নিয়ে ভ্রমণ গাজীপুর থেকে চট্টগ্রাম(পারকি বিচ)। পর্ব-২
স্টিমিটের বন্ধুরা,
আসসালামুয়ালাইকুম।
আবারো আপনাদের মাঝে হাজির হয়ে গেলাম ভ্রমণের দ্বিতীয় পর্ব নিয়ে। আশা করি সবাই ভাল আছেন আলহামদুলিল্লাহ আমিও ভাল আছি। তাহলে চলুন দ্বিতীয় পর্বের ভ্রমণ কাহিনীটি শুরু করা যাক।
চট্টগ্রাম গিয়েছি মূলত বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানগুলো ঘুরার জন্য তাই আর দেরি না করে ওইদিনই রাতে সবাই মিলে ছোট বোনের বাসায় বসে সিদ্ধান্ত নিলাম কোথায় ঘুরতে যাওয়া যায়। সকালের সম্মতিক্রমের সিদ্ধান্ত হলো আনোয়ারা থানায় অবস্থিত পারকি বিচে ঘুরতে যাওয়ার জন্য। যে কথা সেই কাজ আমার ছোট বোনের হাজব্যান্ড এবং আমার স্বামী মিলে একসাথে সিদ্ধান্ত নিলো যে সবাই মিলে একসাথে যাওয়ার জন্য। এদিকে আমার হাজবেন্ডের ছোট বোন তার সাথেও আমরা যোগাযোগ করলাম যেহেতু চট্টগ্রামে এসেছি ইচ্ছা ছিল সবাইকে একসাথে করে কোথাও ঘুরতে যাওয়ার জন্য। তাদেরকেও বললাম আগামীকালকে সকাল সকাল যাতে রেডি হয়ে থাকে আমরা একসাথে হয়ে পারকি বিচে ঘুরতে যাব। এই খবর শুনে ভাগ্না-ভাগ্নি গুলো সবাই খুব খুশি হয়ে গিয়েছিল।
উপরের ছবিতে আপনার হয়তো লক্ষ্য করেছেন আমরা প্রায় দুই তিনটা পরিবার মিলে একসাথে এই পারকি বিচে ঘুরতে গিয়েছিলাম। পারকি বিচটা দেখতে হুবহু কক্সবাজারের মতোই। তবে এটা দর্শনীয় স্থান হয়ে উঠছে দিন দিন, এখানে অনেক পর্যটন আসছে আগে এতটা পর্যটক হত না ইদানিং অনেক পর্যটন আসার কারণে দিন দিন পর্যটন নগর হিসেবে গড়ে উঠছে এই পারকি বিচটি। প্রায় ১৩ কিলোমিটার নিয়ে এই পারকি বিচ। কক্সবাজারের সাথে আমি কিছুটা পার্থক্য পেয়েছি সেটা হল কক্সবাজারে যেমন হোটেল হোটেলে পরিপূর্ণ কিন্তু এখানে তেমন চোখে পড়েনি মাঝেমধ্যে একটা দুইটা কাজ চলছিল দেখতে পেলাম তবে আমার মনে হয় খুব শীঘ্রই এখানে অনেক বড় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি পাবে।
যে কথা সেই কাজ পরের দিন আমরা সবাই একত্র হয়ে পারকি বিচের উদ্দেশ্যে রওনা হলাম। প্রথমে সিএনজি করে আমাদেরকে যেতে হয়েছিল পতেঙ্গা ১৫ নাম্বার জেটি পর্যন্ত। এরপর সেখান থেকে নৌকায় করে কর্ণফুলী নদী পার হয়েছি। যদিও এর আগের দিন নৌকায় উঠেছি ভালো লেগেছিল আবার সুযোগ পেলাম সব মিলিয়ে বাদ ছাড়া অনেক বেশি আনন্দিত উচ্ছাসিত ছিল। নদী পার হয়ে সেখান থেকে আবার সিএনজি করে যেতে হবে সেই পারকি বিচে। তাই আমরা আবারো দুটো সিএনজি ভাড়া করে নিলাম এরপর সেখান থেকে প্রতিটা সিএনজি ১৫০ টাকা করে ভাড়া নিল আমাদেরকে পারকি বিচে পৌঁছে দিল। এই বিচেও কক্সবাজারের মত বিভিন্ন পয়েন্ট রয়েছে যেমন সুগন্ধা, কলাতলী এরকম কক্সবাজারের নাম রয়েছে। এখানেও বীচের নাম রয়েছে তবে ওই বিচের নামটা আমার এখন মনে পড়ছিল না। সিএনজি ড্রাইভার আমাদেরকে ঠিক ওরকম একটি বিছে নামিয়ে দিল। আপনারা নিচে যে ছবিটা দেখছেন এটা হচ্ছে বিষ ঢোকার রাস্তা এই রাস্তা ধরে আমাদেরকে হেঁটে বিছে মূল আকর্ষণীয় জায়গায় যেতে হবে। যেখানে সাগরের পানি রয়েছে।
বিচের মূল আকর্ষণীয় জায়গায় পৌঁছে বাচ্চাদেরকে আর ধরে রাখতে পারলাম না। তারা দৌড়ে পানিতে নেমে গেল এতটা উচ্ছ্বাসিত আনন্দিত ছিল তারা। আমারও হাসবেন্ড সেও বাচ্চাদের সাথে নেমে গেল যাতে কোন বিপদ-আপদ না হয় এবং সে সর্বক্ষণ তাদেরকে দেখাশোনার মধ্যে রাখল। আজ এই পর্যন্তই পরবর্তী পর্বে পারকি বিচের শেষ অংশটা আপনাদের সামনে শেয়ার করব এ পর্যন্ত যা শেয়ার করেছি আশা করি পড়ে ভাল লাগবে। আপনাদের মূল্যবান সময় ব্যয় করে পর্বটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
লোকেশন
চলবে...............
ধন্যবাদান্তে
@sanuu
গাজীপুর, ঢাকা, বাংলাদেশ থেকে।
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
Twitter share link