চন্দ্রহাসি বাংলো ( পর্ব ৬ )
| হ্যালো বন্ধুরা, আশা করি সবাই ভালো আছেন। সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের ব্লগটি শুরু করছি। |
|---|
Image Created by OpenAI
আজকে আপনাদের সাথে "চন্দ্রহাসি বাংলো" গল্পটির ষষ্ঠ পর্ব শেয়ার করে নেবো। তো ওই অমিত নামের ছেলেটাকে সুধীর ওই আয়নায় ছায়া হিসেবে দেখতে পায় ওই ঘরে যাওয়ার সাথে সাথে। তখন প্রায় অনেক রাত হয়ে গেছে আর ওইদিন অমাবস্যা। এমনিতেই বাংলোটা পাহাড়ি এলাকায় আর তারপর ঘন কুয়াশায় বাংলোর চারপাশ পুরো ঢেকে গিয়েছে। চারিদিকে একটা গভীর নিস্তব্ধতা, বাইরে বয়ে যাওয়া হাওয়াও যেনো হঠাৎ করে থমকে গিয়েছে। সুধীর কিন্তু এখনও সেই আয়নার ঘরে পড়ে আছে আর সেই পুরোনো ছবি এবং পেন্ডেন্ট সামনে রাখা।
সুধীর এখনও মনের মধ্যে একটা অদ্ভূত অনুভব করতে লাগে যে, তার পেছনে এখনো কারো নিশ্বাস ফেলার মতো আওয়াজ হচ্ছে । আর সবকিছু কেমন যেনো ঠান্ডা মতো ভারী হয়ে যাচ্ছে। সুধীর আবারো ঘুরে দাঁড়ালো এবং এবারও কিছুই দেখতে পেলো না। তবে এইবার একটা অদ্ভূত ঘটনা তার সাথে ঘটে গিয়েছে। কারণ এর আগেও কয়েকবার যখন সে এইভাবে পেছনে তাকিয়ে আবার আয়নার দিকে তাকিয়েছে, তখনও সবকিছু শুন্য শুন্য ছিল অর্থাৎ কারো কোনো নিশ্চিহ্ন পাওয়া যায়নি। কিন্তু এইবার যখন সে আবারও আয়নার দিকে ঘুরে দাঁড়ালো, তখন সেখানে আর নিজের প্রতিবিম্ব নেই।
হঠাৎ আয়নার মধ্যে একটা যুবকের ছায়া দেখতে পেলো এবং সুধীর তো দেখার সাথে সাথে চমকে ওঠে। কারণ ধুম করে যদি কারো সামনে কারো প্রতিবিম্ব এইভাবে চলে আসে, তখন এমনিতেই নিজের আত্মা কেঁপে ওঠে। তো যাইহোক, এইবার আয়নায় যে যুবকের ছায়া দেখতে পেলো, তার যেনো একটা গম্ভীর মুখ, চোখে ক্লান্তি। একদম ঠিক সুধীর ওই ছবিতে যেমনটা দেখেছিল। সুধীর মনে মনে ভাবছে- এটা কি তাহলে সেই অমিত ছেলেটা! এইবার আয়নায় ভেসে ওঠা সেই ছায়ামূর্তিটি বললো- আমি চন্দ্রাকে অনেক ভালোবাসতাম, কিন্তু আমার একটা ভুল ছিল, আমি তার কাছে ফিরতে অনেক দেরি করেছিলাম।
আর যখন ফিরলাম তখন যেনো সবকিছু শেষ হয়ে গেলো, চন্দ্রা চিরতরে আমার জীবন থেকে চলে গেলো। সুধীর তখন তাকে জিজ্ঞাসা করলো যে- তুমি তাহলে কে? কোনো আত্মা, না চন্দ্রা দেবীর শুধুই স্মৃতি হিসেবে এখানে আছো? ছায়ামূর্তিটি তখন বললো যে- আমি আসলে কিছুই না, কারণ আমি নিজেকে একটা অপরাধবোধ মনে করি। আমার ভালোবাসা আসলে তাকে মৃত্যুর মুখ থেকে ফেরাতে পারেনি। আর আমি এখনো তার স্মৃতিতে এই বাংলোর ভেতরে আটকে গেছি। এরপর এই আয়নায় আরো একটা অদ্ভূত ঘটনা ঘটলো, আয়নায় আরো একটা প্রতিচ্ছবি ধীরে ধীরে ভেসে উঠলো। সেটা আরো কারো নয়, চন্দ্রা দেবীর। চন্দ্রা তখন ধীরে ধীরে ফিসফিস শব্দে বলতে লাগলো- "আমি আসলে জানতে চেয়েছিলাম সে কেনো ফিরে আসেনি। এতদিন বাদে আজকে তার উত্তরটা জানতে পারলাম"।....
শুভেচ্ছান্তে, @winkles
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |



Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
Absolutely captivating, @winkles! The suspense is palpable in this sixth installment of "চন্দ্রহাসি বাংলো"! Your storytelling paints such a vivid picture – I can practically feel the chilling atmosphere and the weight of Sudhir's unease in that room. The imagery of the mirror reflecting the youth and then Chandra herself is truly haunting.
The dialogue is particularly strong here, hinting at a tragic love story and lingering regrets. I'm dying to know what happens next! How will Sudhir react to Chandra's words? What will become of the trapped spirits?
Fantastic work! I'm sure many others are eager to unravel the mysteries alongside us. Readers, be sure to share your theories and predictions in the comments below! What do you think will happen in the next chapter?