পুজো পরিক্রমা ২০২৪: গড়িয়াহাট একডালিয়া এভারগ্রিন
নমস্কার বন্ধুরা,
গড়িয়াহাট সিংহি পার্ক সার্বজনীনের বেরিয়ে যাওয়ার পথ ধরে কিছুদূর এগোতেই গড়িয়াহাট মোড়ে গিয়ে পৌঁছলাম। রাস্তার ওপাশেই গড়িয়াহাট একডালিয়া এভারগ্রীন। গড়িয়াহাটের চারখানি সুপরিচিত পুজো সমিতি গুলোর প্রতিবছর ভাবনা ভিন্ন থাকলেও সব গুলির একটি বিষয় অনুরূপ হয়, তা হলো চোখ ধাঁধানো আলোক সজ্জা। গড়িয়াহাটের আগের দুই পুজোতে সেটার ঝলক পেয়ে গিয়েছি। হিন্দুস্তান ক্লাবের বেরিয়ে যাওয়ার পথে রঙিন আলোক সজ্জার নীচ দিয়ে হেঁটে পৌঁছতে হয়, গড়িয়াহাট একডালিয়া এভারগ্রিনে।
মণ্ডপের সামনে পৌঁছতেই চোখ আটকে গেলো আলোক সজ্জাতে। তখন চারিদিকে দর্শনার্থীদের ভিড়ে রাস্তা হারিয়ে ফেলার অবস্থা, আলোক সজ্জা পথ দেখিয়ে এগিয়ে নিয়ে গেলো। ২০২৪ সালে ৮২ বছরে পদার্পণ করে এবছরে তাদের থিম ‘স্মৃতির অঞ্জলি’। মূলত একডালিয়া এভারগ্রিন বিশেষ কোনো থিম বা ভাবনা তাদের পুজোয় রাখে না৷ তার পরিবর্তে প্রতিবছরই তারা ভারতের বিভিন্ন মন্দিরের আদলে তৈরি করে মণ্ডপ। বিগত বছর যেমন রাজস্থানের জৈন মন্দিরের আদলে তৈরি করা হয়েছিল এই বছর একডালিয়া এভারগ্রিনে পুরীর শ্রী জগন্নাথ মন্দিরের আদলে তৈরি করা হয়েছে।
গুটি গুটি মণ্ডপের মাঝে ঢুকে পড়লাম। মণ্ডপে আরো একটি চমক অপেক্ষা করছিল, যা এখানে মণ্ডপের মাঝখানে লাগানো হয়। সেই হলো বিশাল আকারের ঝাড়বাতি ৷ যদিও ঝাড়বাতিটি প্রতিবছর একই ধারার হয় তবে মণ্ডপের সাথে সামঞ্জস্য রেখে প্রতি বছর বদলে যায় ঝাড় বাতির রং। প্যান্ডেলটির অন্দরের নকশা ছিল সাবেকি, কোনো পুরনো রাজবাড়ির আদলে। এবং প্রতিটি খুঁটিনাটি ছিল অত্যন্ত নিখুঁতভাবে।
যেহেতু প্রতি বছর কোনো না কোনো মন্দির ঘিরেই মণ্ডপ বানানো হয়। উজ্জ্বল সোনালী জরির কাজে মায়ের বিগ্রহ সাবেকি আনার।
"আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটির প্রথম MEME Token : $PUSS by RME দাদা
"আমার বাংলা ব্লগের" প্রথম FUN MEME টোকেন $PUSS এখন SUNSWAP -এ লিস্টেড by RME দাদা
X-প্রোমশনের ক্ষেত্রে যে ট্যাগ গুলো ব্যবহার করবেন,
@sunpumpmeme @trondao $PUSS
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.