আমার রেসিপি পোস্টের সংগ্রহশালা (মে পর্ব ১) // ১০% লাজুক 🦊-কে
নমস্কার বন্ধুরা,
আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন। আজ আপনাদের সাথে আমি মে মাসের প্রথম দু সপ্তাহে আমার করা রেসিপি গুলোর সংগ্রহশালা নিয়ে হাজির হয়েছি।
সংগ্রহশালা বানানোর পেছনে আমি মূল দুটো কারণ দেখি। প্রথমত, রেসিপিগুলো থেকে যা কিছু শিখলাম তা সম্পর্কে সম্যক ধারণা ব্যক্ত করে নিজের রান্নার পুনঃমূল্যায়ন করা। দ্বিতীয়ত, রেসিপি গুলোর নির্দিষ্ট আর্কাইভ বানানো।
মে মাসের প্রথম দু সপ্তাহে আমি মাত্র ২ টো নতুন রেসিপি আপনাদের সাথে ভাগ করে নিতে পেরেছি। আসলে বেশ কিছুদিন যাবৎ আমি সময়ভাবে রান্নার করার বিশেষ সুযোগ পাই না। থাক সেসব কথা, চলুন রেসিপি গুলো দেখে নিই।
আমার প্রথম রেসিপিটি ছিলো বড়ি ও আলু দিয়ে পালং শাকের। পালং শাক আমার খুবই পছন্দের, তাছাড়া পালং পছন্দ করে না এমন মানুষ খুব কম পাওয়া যায়। মাঝে মধ্যেই পালং-এর দিয়ে নানান পদ খাই তবে বড়ি দিয়ে পালং আমার কখনোই খাওয়া হয়নি। আসলে কয়েকদিন আগে পিসির শ্বশুর বাড়ি থেকে বাড়িতে তৈরি করা বড়ি এসেছে। শুধু পালং শাক করবো তাই ভেবে কয়েকটা বড়ি শাকে ছড়িয়ে দিলাম। ব্যাস, নতুন রেসিপি তৈরী হয়ে গেলো 😁।
দ্বিতীয় ও শেষ রেসিপিটি হলো ঢেঁড়শের আমিষ চচ্চড়ি। বাজারে ঢেঁড়শের আনাগোনা বাড়তেই বাড়িতে ঢেঁড়শ ভাজা খাওয়া শুরু হয়েছে। রোজ রোজ ভাজা খেতে ভালো লাগেনা তাই চচ্চড়ি করার সিদ্ধান্ত নিলাম।
চচ্চড়ি সাধারণত নিরামিষ ভাবেই রান্না দেখে এসেছি, পিসির কাছ থেকে পেঁয়াজ দিয়ে চচ্চড়ি রান্না করার আইডিয়াটা পেলাম। আর আইডিয়া পেতেই পেঁয়াজ দিয়ে ঢেঁড়শ চচ্চড়ি বানিয়ে ফেললাম। রান্না খারাপ হয়নি তবে ঢেঁড়শ গুলো আরেকটু ছোটো ছোটো করে কাটলে আরো ভালো হতো।
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
আপনার করা রেসিপি গুলো অনেক চমৎকার ছিল দাদা। আপনার এসপি গুলো আমার অনেক ভালো লাগে। আপনি খুব সুন্দর ভাবে রেসিপিগুলো উপস্থাপন করেন। আপনার রেসিপির সংগ্রহশালা দেখে খুবই ভালো লাগলো। ঢেঁড়সে আমিষ চচ্চড়ি আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছিল।।
দাদা আপনার রেসিপি পোস্টের সংগ্রহশালা ঘুরে দেখলাম। দেখে অনেক ভালো লাগলো। অনেক সুন্দর করে সাজিয়ে উপস্থাপনা করেছেন। আপনার জন্য শুভ কামনা রইলো ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।
দাদা আপনার রেসিপি গুলো খুবই সুস্বাদু হয়। আপনার পরিবেশন খুবি ভালো লাগে।আজকে আপনার রেসিপি আবারও একসাথে দেখতে পেয়ে খুবই ভালো লাগলো। পরবর্তীতে আরো মজাদার রেসিপি আপনার কাছ থেকে দেখতে পাবো আশায় রইলাম।
আপনার শেয়ার করা রেসিপিগুলো আমার কাছে বরাবরের মতই খুবই ভালো লাগে।আপনি খুবই দক্ষতার সাথে আপনার রেসিপির বিষয়বস্তুসূমহ আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন।সত্যিই আপনার সংগ্রহশালা রেসিপিগুলো অসাধারণ ছিলো।
ঢেঁড়সের আমিষ চচ্চড়ি রেসিপি টা আমি দেখেছিলাম। বেশ দারুণ লেগেছিল। বিশেষ করে নিরামিষ কীভাবে আমিষ হয় এটা সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা ছিল না। আপনার পোস্ট থেকে সেটা মোটামুটি ধারণা পেয়েছি। এবং আলু ও বড়ি দিয়ে পালং শাকের রেসিপি টা অবশ্য আমি দেখিনি। এটা বশ ভালো মনে হচ্ছে।।
দাদা , আপনার পালং শাকের রেসিপিটি দেখতেই অনেক সুস্বাদু মনে হচ্ছে। আর পালং শাক এমনিতেও আমার অনেক পছন্দ। আপনার পালংশাকের রেসিপিটি অবশ্যই আমি একদিন ট্রায় করবো।
ভাইয়া আপনার রেসিপি পোস্টের সংগ্রহশালা দেখতে পেরে অনেক লোভনীয় লাগছে। পরিবেশন দারুণ ভাবে করেছেন ভাইয়া। আমার কাছে রেসিপি অনেক ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ আপনাকে ভাইয়া এতো সুন্দর রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।