পুজো পরিক্রমা ২০২৪: লালাবাগান নবাঙ্কুর পর্ব ১
নমস্কার বন্ধুরা,
লালাবাগান দক্ষিণ কলকাতার পুরোনো বসত গুলোর মধ্যে একটি। সেখানে পাশাপাশি দুটি বিখ্যাত পুজো মন্ডপ আছে। লালাবাগান সার্বজনীন এবং লালাবাগান নবাঙ্কুর। লালাবাগান সার্বজনীন থেকে বেরিয়ে কিছুটা দূরেই লালাবাগান নবাঙ্কুর। পায়ে পায়ে চলে গেলাম। লালাবাগান নবাঙ্কুর দুর্গা পুজো ২০২৪ সালে তাদের ৬৫ তম বর্ষপূর্তি পালন করছে। তাদের এবারের থিম "লালাবাগানে নবাঙ্কুর"। যার মূল ভাবনা প্রকৃতি ও পরিবেশ সংরক্ষণ এবং সেটা নিয়ে এক অনন্য পরিবেশবান্ধব থিম। যেখানে পুরো মণ্ডপ জুড়ে ৮,০০০-রও বেশি গাছগাছালি ব্যবহার করা হয়েছে, যার মাধ্যমে গড়ে উঠেছে এক বিস্ময়কর সবুজ মণ্ডপ। পরিবেশ সচেতনতার এক নতুন রূপ।
যখন লালাবাগান নবাঙ্কুরের সামনে যখন দাঁড়িয়েছি তখন ঘড়িতে পৌনে তিনটে। পায়ে শক্তি নেই বললেই চলে, সেই অবস্থায় মন্ডপের সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছি। লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলাম ২০ মিনিট। আসলে মণ্ডপে কোনো এক বিচারক এসেছেন, তারা মন্ডপ খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছিলেন তাই ভেতরে প্রবেশ নিষেধ। কিন্তু ততক্ষণে ধৈর্য্যের বাঁধ ভেঙে গিয়েছে। পারলে সেখানেই শুয়ে পড়ি। ভীর থেকে হাঁকা হাঁকি শুরু করলে মন্ডপ থেকে বিচারকরা পালিয়ে গেলো। আমি সবাইকে হুড়মুড় করে ঢুকতে দিয়ে নিজে ধীরে সুস্থে ঢুকলাম। আহা! মণ্ডপে ঢোকার আগেই প্রাণটা জুড়িয়ে গেলো, সবুজে আবহে।
২০২৪ সালের লালাবাগান নবাঙ্কুরের থিমের মাঝে ছিলো "সবুজে সাজানো মা"। মণ্ডপ জুড়ে ব্যবহার করা হয়েছে ঔষধি গাছ, লতাগুল্ম, ক্যাকটাস, অর্কিড প্রভৃতি প্রজাতির উদ্ভিদ। থিমের মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষের মনে পরিবেশের প্রতি ভালবাসা ও দায়িত্ববোধ জাগিয়ে তোলা। লালাবাগানে নবাঙ্কুরের পুজো সমিতি চেয়েছেন, শহরের কংক্রিটের জঙ্গলেও প্রকৃতির সংস্পর্শ যেন ফিরে আসে দুর্গাপুজোর মাধ্যমে। মণ্ডপে প্রবেশ করতেই অনুভব হবে এক প্রাকৃতিক বনভূমির আবহ। বাতাসে পাতা ও মাটির গন্ধ, যেন শহরের কোলাহল থেকে বেরিয়ে প্রকৃতির কোলে আশ্রয় নিয়েছি।
"আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটির প্রথম MEME Token : $PUSS by RME দাদা
"আমার বাংলা ব্লগের" প্রথম FUN MEME টোকেন $PUSS এখন SUNSWAP -এ লিস্টেড by RME দাদা
X-প্রোমশনের ক্ষেত্রে যে ট্যাগ গুলো ব্যবহার করবেন,
@sunpumpmeme @trondao $PUSS
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.