বনভোজন ২০২৫: পর্ব ৪
নমস্কার বন্ধুরা,
জলখাবার সেরে ফের বাগানের দিকেই ছুটে গেলাম। আমি যদিও গ্রামের ছেলে এবং জীবনের একটা বড়ো সময় গ্রামেই কাটিয়েছি তবুও এতো বিশাল নার্সারি কিংবা বাগানবাড়ি দেখে আশ্চর্যই হয়েছি। স্বভাবত প্রচন্ড বাসনা হলো পুরো নার্সারিটা ঘুরে দেখবার। সেই ইচ্ছা নিয়ে হাঁটা লাগিয়েছি একপ্রকার দলছুট হয়ে। তাছাড়া আরেকটা বিষয়টা মাথায় ঘুরছিল, সকালের জলখাবার খেতে এমনিতেই দেরী হয়ে গেছে সেগুলো তাড়াতাড়ি হজম করা জরুরি। আসন্ন স্টার্টার গুলোও চুটিয়ে খেতে হবে তো, সেকারণে পেট ফাঁকা লাগবে। হাটাহাটিও হবে, ফুলের নার্সারি খানি ঘুরে ফেলবো আবার সেই সাথে পেটটা হালকা হয়ে যাবে। এক ঢিলে তিন তিনটে কাজ একসাথে🤪।
নার্সারির প্রথম ভাগের যে অংশটা ঘুরছিলাম সেটাতে সম্পূর্ণরূপে কাগজ ফুলের চারা গাছের বাগান। এমন নয় যে সব কাগজ ফুলের চার দেখে খুব অবাক হয়েছি তবে যেটা দেখে মূলত মজা পেয়েছি সেটা হলো এক গাছের ভেতরেই বিভিন্ন রঙের কাগজ ফুল। আপনারা যদি কয়েকটা ছবিটা ভালোভাবে লক্ষ্য করেন তাহলে দেখবেন এখানে সাদা ও লাল রঙের দুই ধরনের কাগজ ফুল একসাথে আছে। বাগানের পরিচারক দের সাথে কথায় কথায় জানতে পারলাম নার্সারির মালিকের আরো চারখানি নার্সারির রয়েছে! শুনে মুখ হা হওয়ার জো, এমন সময়ে ফোন এলো চিকেন পকোড়া এবং মাছ ভাজা নিয়ে আসবার জন্য। কচুরি হজম না হতেই পরের পার্ট শুরু।
দুটো একসাথে খাওয়া সম্ভব না, এজন্য চিকেন পকোড়া এক প্লেট উড়িয়ে মাছ ভাজা নিয়ে বাগানে ফেরত আসলাম। গরমাগরম মাছ ভাজা বেশ সুন্দর সময় কাটছিল। চোখের সামনে টপাটপ গাছের কলম হচ্ছে, কোথাও দুটো রঙের ফুল কোথাও বা চারটে। ছবিতে খুব একটা ভালো বোঝা না গেলেও চোখের সামনে যা দেখছিলাম পুরোটাই অবাক করার মতন। দুই রঙের চারা দেখতে দেখতে হঠাৎ চোখে পড়লো চার রঙা কাগজ ফুল! হালকা হলুদ রঙের ফুল, মেরুন রঙের ফুল সাথে লাল রঙের ফুল আর সাদা রঙের ফুল। কলম করে গাছের মূল পরিচয় বদলে ফেলা হয়েছে আরকি। হাঃ হাঃ!
"আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটির প্রথম MEME Token : $PUSS by RME দাদা
"আমার বাংলা ব্লগের" প্রথম FUN MEME টোকেন $PUSS এখন SUNSWAP -এ লিস্টেড by RME দাদা
X-প্রোমশনের ক্ষেত্রে যে ট্যাগ গুলো ব্যবহার করবেন,
@sunpumpmeme @trondao $PUSS
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
Congratulations, your post was upvoted by @supportive.
ভ্রমণ করতে গিয়ে খুবই দারুণ মুহূর্ত উপভোগ করেছেন। ফটোগ্রাফি গুলো দেখতে পেয়ে ভালো লাগলো। শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
নার্সারিতে হাঁটাহাঁটি করে তো দেখছি পেট খালি করে ফেলেছেন দাদা হা হা হা। তারপর বেশ মজা করে চিকেন পকোড়া এবং মাছ ভাজা খেয়েছেন। আসলে এমন খোলামেলা জায়গায় পিকনিক করতে খুব ভালো লাগে। ফটোগ্রাফি গুলো দেখে ভীষণ ভালো লাগলো। এতো চমৎকার একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
বাহ,নার্সারির মধ্যে জমিয়ে খাওয়া দাওয়া করে বনভোজন করে নিয়েছেন দেখছি।তবে গাছের মধ্যে বসে বসে এভাবে খাওয়ার আনন্দটাই আলাদা।আপনি দারুণ সময় পার করেছেন,ফুলের বাগান দেখে ভালো লাগলো।এক গাছে অনেক ফুল কলমের মাধ্যমেই সম্ভব করা।ধন্যবাদ আপনাকে।