পুজো পরিক্রমা ২০২৪: চারুপ্রভা, আবাসনের পুজো
নমস্কার বন্ধুরা,
যুগ যতটা এগিয়ে চলেছে বাংলা ছড়ার মান ও কদর দিন দিন ততটাই কমে চলেছে। এমনকি বর্তমানে বাংলা লেখকদের আড়াল করে তার পরিবর্তে চলে আসছে ভিন্ন ভাষার লেখকরা। বাংলা ভাষার কদর যেখানে কমছে সেখানে একটি নাম এখন জ্বলজ্বল করছে, সুকুমার রায়। সুকুমার রায়ের আবোল তাবোল পড়েনি এমন বাঙালি খুব কম পাওয়া যায়। অন্যতম শ্রেষ্ঠ এই বাঙালি সন্তানের সৃষ্টি আজ বাঙালির অন্তরাত্মায় স্থান করে নিয়েছে। "হুঁকো মুখো হ্যাংলা" হোক কিংবা "ঠাস দ্রুম দ্রাম" ছড়া গুলো শুনলেই সুকুমার রায়ের কথা চোখে ভাসে। যদিও নিজের জীবদ্দশায় শ্রেষ্ঠ বাঙালিটি নিজের প্রাপ্য সম্মান টুকু পাননি। এমনকি মানুষটি তার কালজয়ী লেখা প্রকাশিত হতেও দেখে যাননি। অবাক হই শুনে যে, সুকুমার রায়ের মৃত্যুর মাত্র দশ'দিন পরে প্রকাশনা পায় আবোল তাবোল। বিগত বছরে সুকুমার রায়ের অমর সৃষ্টি নিয়ে হাতিবাগান নবীন পল্লী তাদের মন্ডপ ফুটিয়ে তুলেছিলো। যখন এবারে দমদম পার্কের যুবক বৃন্দর পুজো মন্ডপ থেকে বেরিয়ে কিছুটা দূরে এগিয়ে গেলাম তখন পেলাম সেই আবোল তাবোল থিমের উপরে পাড়ার পুজো মন্ডপ।
পাড়ার পুজো, অনেক চেষ্টা করো যেটা নাম আমি জানতে পারিনি আশেপাশে ঘোরাফেরাও করে দেখেছি সেখানে কোথাও নাম লেখা নেই। পাশের বহুতলের নাম অনেক খোঁজাখুঁজি করে দেখতে পেলাম চারুপ্রভা। নামে কিবা এসে যায় মূলত ভাবনাটাই খুব ভালো লাগলো। মন্ডপ সজ্জা নবীন পল্লীর থেকে একদমই ভিন্ন। নবীন পল্লী পাড়ার বাড়ির দেওয়াল কেই মণ্ডপের অংশ হিসেবে বেছে নিয়েছিল। চারুপ্রভা সার্বজনীন তাদের কাপড়ের মন্ডপ জুড়ে আবোল তাবোলের প্রচ্ছদ ফুটিয়ে তুলেছে। কোথাও হাঁসজারুদের ভিড়, কোথাও আবার সুকুমার রায়ের ছড়া। আবোল তাবোলের হরেক বিষয় মন্ডপের দেওয়ালে ফুটে আছে।
মন্ডপের ঠিক মাঝে প্রতিষ্ঠিত হয়ে আছেন মা দুর্গা। মায়ের সাজ হয়েছে ডাকের কাজের উপরে।
"আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটির প্রথম MEME Token : $PUSS by RME দাদা
"আমার বাংলা ব্লগের" প্রথম FUN MEME টোকেন $PUSS এখন SUNSWAP -এ লিস্টেড by RME দাদা
X-প্রোমশনের ক্ষেত্রে যে ট্যাগ গুলো ব্যবহার করবেন,
@sunpumpmeme @trondao $PUSS
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.