পুজো পরিক্রমা ২০২৪ : শিবমন্দির সার্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি
নমস্কার বন্ধুরা,
প্রত্যেকটা বড়ো স্থাপত্য কিংবা মন্ডপ তৈরির পেছনে বহু মানুষজন আছেন, যাদের আমরা সচরাচর দেখতে পাই না। উজ্জ্বল আলোর সামনে সেসব মানুষ গুলো ফিকে পড়ে যান। তথাকথিত সেই ব্রাত্য মানুষ গুলোকে নিয়ে এ বছরের শিবমন্দির সার্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির মূলভাবনা। ৮৮ বছরে পদার্পণ করা শতাব্দী ছুঁই ছুঁই প্রাচীন ক্লাবটি কলকাতায় সুপরিচিত পুজো মন্ডপ গুলোর মধ্যে। মুদিয়ালি ক্লাবের অল্প কিছু দূরেই দক্ষিণ কলকাতার এই ঐতিহ্যবাহী পুজো সদর্পে জ্বলজ্বল করছে।
শতবর্ষ পূর্ণ করার মাত্র কয়েক বছর দূরে থাকা ঐতিহ্যবাহী পুজো কমিটির এবারের থিম, "ব্রাত্য, আক্ষেপের আড়ালে"। যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে পুজো সম্পন্ন হয় সেই নাম ও গোত্রহীন মানুষ গুলোর কথা তুলে ধরা চেষ্টা করেছে এইবারের পুজো কমিটি। ঢাকি, শোলাশিল্পী, ফুলওয়ালা, প্রতিমাশিল্পীর মতো সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির তথাকথিত অবহেলিত রাই এবারে অনুপ্রেরণা। মণ্ডপের ভাবনা দিয়ে সেই সমস্ত আড়ালে থাকা মানুষদের কাহিনী তুলে ধরেছে পুজো কমিটি, যারা এই বিশাল পুজো কে প্রায় নিঃশব্দেই সংঘটিত করে। সেই সমস্ত মানুষ যারা বড় বড় মণ্ডপ কিংবা বড় কোন স্থাপত্য তৈরি করেন অথচ তারা থেকে যায় আড়ালে।
বড়ো বড়ো বহুতল হোক কিংবা ধর্মীয় স্থান বা সবার নির্মাণ কার্যের প্রকৃত রূপকার হলেন রাজমিস্ত্রি, রঙের মিস্ত্রি, কাঠের মিস্ত্রি, শ্রমিক, মজুর, যারা প্রত্যেকেই সমাজের অজানা প্রান্ত থেকে উঠে আসে। এনারা প্রায় প্রত্যেকেই গ্রাম থেকে উঠে শহরে আসেন, কাজের সন্ধানে। শহরে কোনমতে এক চিলতে ঘরে মাথা গুঁজে থাকে। শহুরে জীবনে আনন্দ, রোশনাই এসব থেকে ব্রাত্য হয়ে অবহেলিত কোনো রকমে দিন গুজরান করেন। তাঁদের ঘাম ঝরানো পরিশ্রম ও দক্ষ হাতে রূপ পায় শহর। দুর্গাপুজোতেও এসব প্রান্তিক মানুষ দিয়েই উজ্জ্বল হয়ে ওঠে, মণ্ডপ সজ্জার মধ্যে দিয়ে তাঁদের জীবন যাপনের এক চিলতে কথা তুলে ধরেছে শিবমন্দির দুর্গোৎসব সমিতি।
মাতৃ প্রতিমা, এখানে সম্পূর্ণই মাটি দিয়ে তৈরি করা হয়েছে, শাড়ি কিংবা কোন ধরনের সাজসজ্জার জরির ব্যবহার হয়নি। মণ্ডপের আবহের যা খুব সুন্দর ভাবে ফুটে উঠেছে।
"আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটির প্রথম MEME Token : $PUSS by RME দাদা
"আমার বাংলা ব্লগের" প্রথম FUN MEME টোকেন $PUSS এখন SUNSWAP -এ লিস্টেড by RME দাদা
X-প্রোমশনের ক্ষেত্রে যে ট্যাগ গুলো ব্যবহার করবেন,
@sunpumpmeme @trondao $PUSS
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
বাহ্! শিবমন্দির সার্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির থিমটা এককথায় দুর্দান্ত হয়েছে দাদা। আড়ালে থাকা মানুষদের কাহিনী তুলে ধরেছে,এর চেয়ে ভালো কিছু আর কি বা হতে পারে। কারণ তারা কতটা পরিশ্রম করে সবকিছু সাজিয়ে থাকেন এবং সেজন্যই তো সবাই এতো সুন্দর সুন্দর পূজা প্যান্ডেল ও মন্ডপ দেখতে পায়। যাইহোক পোস্টটি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ দাদা।
শিব মন্দির সার্বজনীন সত্যিই বড় প্রাচীন একটি দুর্গাপূজা মণ্ডপ কলকাতার বুকে। সেখানে নিয়ম-নীতি মেনে পুজোর ব্যবস্থা হয়ে যাচ্ছে প্রতি বছর। আগে প্রত্যেক বছর এই শিব মন্দির এবং মুদিয়ালী ক্লাব দেখতে যেতাম। বর্তমানে আর তেমন সুযোগ হয় না।