পুজো পরিক্রমা ২০২৪: আলিপুর সার্বজনীন ২
নমস্কার বন্ধুরা,
ধীরে ধীরে মূল মণ্ডপের ভেতরে ঢুকে পড়লাম। মন্ডপ বানানো হয়েছে পুরনো রাজবাড়ীর আদলে। যেখানে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা লোকশিল্পীরা ক্রমাগত মহিষাসুর পালার বিভিন্ন অংশ পরিবেশন করছিলেন। সুরুচি সংঘ থেকে বেরিয়ে আসার পরে আলিপুর সার্বজনীনে ঢুকে প্রাথমিকভাবে মন্ডপের বাইরে থেকে সেভাবে বুঝতে পারিনি ভেতরের কতটা আশ্চর্য জনক হতে চলেছি। মূল মণ্ডপের মাঝে উঠোনের আদলে একটি মঞ্চ বানানো, সেখানেই 'মহিষাসুরমর্দিনী' পালা হিসেবে প্রদর্শিত হচ্ছে। আর সেটিকে আবর্ত করে বাকি মন্ডপের গঠন। রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ৫০ অধিক লোকশিল্পীদের নিয়ে মণ্ডপ সাজানো এবং তারা পালাগান পরিবেশন করছে।
মন্ডপ দুই ভাগে বিভক্ত। মণ্ডপে একসাথে দুটো দিক তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন থিমের রূপকার অনির্বাণ দাস। মন্ডপের মূল ভিত্তি যেখানে পালাগানের সেখানে পুরনো জমিদার বাড়ির মন্দিরের গর্ভগৃহ, দুইয়ের সংমিশ্রণ ঘটিয়ে থিমটাকে সম্পূর্ন রূপে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। গুটি গুটি মন্ডপের ভেতরে ঢুকে গেলাম, সেখানে পালাগানের পাশাপাশি তাতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র চোখে আসলো। কিন্তু মূল চমকটা ছিল মন্ডপের মাঝে, যেটার পুরো অংশটাকে ঘিরে বানিয়ে ফেলা হয়েছে বৃহৎ পালাগানের এক স্টেজ। সেখানে শিল্পীরা পালাগান পরিবেশন করছেন এবং মহিষাসুরমর্দিনীর বিভিন্ন অংশ তারা তুলে ধরছেন।
প্রত্যেকটা অংশের বিভিন্ন জায়গায় রয়েছে নানান ধরনের বহুরূপীদের ভিড়। খানিকটা সময় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে পুরোটা উপভোগ করলাম এবং তারপর ধীরে ধীরে এগিয়ে গেলাম মায়ের বিগ্রহের দিকে। মন্ডপের সাথে সামঞ্জস্য রেখে মায়ের বিগ্রহ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
যে বিষয়টা মন্ডপে সবচাইতে বেশি পরিলক্ষিত হলো, সেটা হলো আধ্যাত্মিকতা। যেটা মন্ডপের প্রতিটা অংশে পরিলক্ষিত করেছি। সার্বিকভাবে, আলিপুর সর্বজনীনের 'সং কল্প' থিমটি আলাদা ধারার, বঙ্গের প্রাচীন লোকশিল্পকে মূল ধারায় নিয়ে আসার প্রচেষ্টা।
সাথে দিলাম, আলিপুর সার্বজনীনের নিজস্ব ইউটিউবের ভিডিও।
"আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটির প্রথম MEME Token : $PUSS by RME দাদা
"আমার বাংলা ব্লগের" প্রথম FUN MEME টোকেন $PUSS এখন SUNSWAP -এ লিস্টেড by RME দাদা
X-প্রোমশনের ক্ষেত্রে যে ট্যাগ গুলো ব্যবহার করবেন,
@sunpumpmeme @trondao $PUSS
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
মন্ডপটা তো দেখছি একেবারে রাজবাড়ীর মতোই লাগছে। তাছাড়া পালাগানের স্টেজ দেখে তো মুগ্ধ হয়ে গিয়েছি। ফটোগ্রাফি গুলো দারুণভাবে ক্যাপচার করেছেন দাদা। তাছাড়া আলিপুর সার্বজনীনের নিজস্ব ইউটিউবের ভিডিওটা বেশ উপভোগ করেছি। যাইহোক এতো চমৎকার একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।