পার্কিংলটে বিপত্তি: পর্ব ৩
নমস্কার বন্ধুরা,
পার্কিংলটে বিপত্তি: পর্ব ২ এর পর....
রাতুলের অফিসটা বেশ বড়সড়। আসলে বহুতলের পুরো আট নম্বর তলা জুড়ে অফিস। আর সে কারণে প্রত্যেক কর্মচারীরাই পেয়েছে নিজস্ব সুবিশাল কিউবিকল। রাতুলের অফিসের আট নম্বর তলার উপরে মাত্র দুটো তলা আছে, তারপরেই সুবিশাল ছাদ। যদিও সেখানে যাওয়ার অনুমতি কারো নেই। রাতুল তাই বুদ্ধি করে এক দারোয়ানের সাথে খাতির জমিয়ে নিয়েছে তার সাথেই মাঝে মধ্যে চুপিচুপি রাতের বেলায় ছাদে যায়। আসলে অফিসটা ফাঁকা জায়গায় হওয়ায় আলো দূষণ তেমন নেই তাই ছাদ থেকে আকাশটা খুব পরিষ্কার দেখায়।
সুযোগ পেলেই তাই রাতুল দারোয়ানকে নিয়ে ছাদে হাজির হয়। বিশেষ করে রাতের দিকে যখন অফিস ফাকা হয়ে যায়, ছাদে বসে তখন কিছুটা সময় কাটায়। চারপাশটা গাছ গাছালিতে ভর্তি তাই দূরদূরান্ত পর্যন্ত কোনো আলো দেখতে পাওয়া যায় না, সেজন্য ছাদে এক অদ্ভুত ধরনের মিষ্টি অবহ তৈরী হয়।
মাসের শেষের আগে প্রজেক্টটা অনেকটা দূর এগিয়ে গেছে তাই কিছুটা সময় ফাঁকা পেতেই রাতুল ভেবেছিল অল্প সময় ছাদে কাটিয়ে আসবে। আসলে টানা কদিন ধরে রাত জেগে কাজ করার জন্য প্রজেক্টটা ডেড লাইনের অনেক আগে শেষ হওয়ার মতো অবস্থায় পৌঁছে গেছে আর সেটার বেশি কৃতিত্ব রাতুলের।
রুমি তাই একটু আগেই অফিস থেকে বেরিয়ে গেলো। তবে অফিস থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় রাতুলকে সে জানিয়ে গেলো, প্রজেক্ট তো মোটামুটি শেষ তাছাড়া আজ শুক্রবার রাত্রি নটার পরে মোটামুটি বিল্ডিং টাই পুরো ফাঁকা হয়ে যাবে। ওদিকে খুব একটা কিন্তু বেশি গার্ডও থাকে না, রাতুল তুই তাড়াতাড়ি বেরিয়ে যাস। যদিও রুমির কথায় মাথা ঝাঁকালেও রাতুলের সেদিকে একটুও খেয়াল নেই। রুমির কথার জবাবে, হুঁ উত্তর দিয়েই রাতুল তাই ফের কম্পিউটারের স্ক্রিনের দিকে মুখ গুঁজলো।
আসলে কয়েকটা ডেটা সেটের উপর কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে চলে এসেছে সেটা করলেই আজকের মতো তার কাজে ইতি। তারপরেই রাতুল ছাদে চলে যাবে। কদিন যে পরিমানে চাপ তার উপর দিয়ে গিয়েছে, তাই কিছুটা হলেও স্বস্তি খুঁজছিলো সে। আর কাজের পরে ছাদে যেতে পারবে সেই ভাবনাতেই রাতুল মনে মনে খুব খুশি।
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
গল্পটি ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে সামনের দিকে। যতই পড়িছি ততই গল্প সমন্ধে জানার আগ্রহ জেনে আরও বেড়ে যাচ্ছে। তবে রাতুল কিন্তু বেশ পরিশ্রমি একজন মানুষ। আর পরি্শ্রমের পরে কিন্তু একটু স্বস্তিও চায় এই মনটা।
এরকম পরিবেশে ছাদের যেতে আসলেই ভালো লাগার কথা। যেহেতু দূরদূরান্ত অনেক ফাঁকা দেখা যায়। তাছাড়া রাতের বেলা নিরিবিলি ছাদে বসে থাকতে কার না ভালো লাগে। রাতুল তো একা থাকতে পছন্দ করে। তার আরো বেশি ভালো লাগার কথা। যাই হোক রহস্যের গন্ধ পাচ্ছি। কিছু একটা হবে হয়তো। পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।
আমিও রাত হলেই ছাদে! অল্প হাওয়া হয়, খুব আরাম লাগে দিদি।