বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় কাটানোর মূহর্ত শেষ পর্ব
আসসালামু আলাইকুম
আমার প্রিয় বাংলা ব্লগ এর সকল ভাই ও বোনেরা কেমন আছেন? নিশ্চয় মহান সৃষ্টিকর্তার রহমতে সবাই বাড়ির সকল সদস্যকে নিয়ে ভালো আছেন সুস্থ আছেন। আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে এবং আপনাদের সকলের দোয়ায় ভালো আছি, সুস্থ আছি।সকলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে শুরু করেছি আজকের পোস্ট।
বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় কাটানোর মূহর্ত শেষ পর্ব
বরাবরের মতো আজও আমি আপনাদের মাঝে এসেছি নতুন একটা পোস্ট নিয়ে। আসলে এখনকার বাচ্চারা তেমন খেলাধুলা করে না বলেই চলে। তাদের বেশির ভাগ সময় যায় পড়াশোনায় আর ডিভাইস দেখে।আগের আমরা যেভাবে খেলাধুলা করতাম সেটা এখন নেই। তবে স্কুলে বার্ষিক ক্রিয়া প্রতিযোগিতায় দেখা যায় একটু খেলাধুলা। যদিও আমার বাচ্চারা তেমন কোন খেলা পাড়ে না। তারপর দুই বোন বয়সের তুলনায় লম্বা বেশি। তাই ওরা যে ক্লাসে থাকুক না কেন সব সময় "ক" দলে পড়ে।আর এমনিতেই পারে না তারপর বড় দলে।যাইহোক আমি ও সব সময় বড় দলে পড়তাম আর আমার বাচ্চা বলে কথা। তবে পাড়ুক না না পাড়ুক অংশগ্রহণ করেছে এটাই অনেক। যদিও তারা পিঁছে দেখে ধরলে সেকেন্ড হবে। যাইহোক আগে দুই পর্ব শেয়ার করেছিলাম আপনাদের ভালো লেগেছিল তাই আজ তৃতীয় বা শেষ পর্ব নিয়ে এসেছি। তাহলে চলুন শুরু করি আজকের পোস্ট।
আমরা যেমন খুশি তেমন সাঁজো দেখা শেষ করে চলে আসলাম কিছু খাবারের জন্য। আসলে বাচ্চাদের তো আর খাওয়ার শেষ নেই। এরা সব সময় বাইরের খাবার গুলো বেশি খেতে পছন্দ করে। তবে কোন স্কুলে যদি বার্ষিক প্রতিযোগিতা হয় তাহলে দোকানের অভাব হয় না বিভিন্ন ধরনের দোকান বসে। তবে আমি তেমন কিছু খায় না কিন্তু বাদাম খেতে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। তাই তো কিছু বাদাম কিনলাম। আর বাচ্চাদের কথা কি বলবো তারা সব কিছু একাই কিনে খাচ্ছে। এই কেক গুলো তাদের কাছে অনেক পছন্দের। তাই তারা বারবার কিনে এনেছিল কিন্তু খায়নি রেখে দিয়েছে।
তারপর আবার আমরা স্টেজে চলে আসলাম। আসলে স্টেজে এসে বসতে না বসতেই শুরু হলো প্রাইজ দেওয়া। আর এটা জিনিস লক্ষ্য করলাম যারা পুরষ্কার পেয়েছে তারা সব গুলোতেই পেয়েছে। সত্যি এমন পুরষ্কার পেতে অনেক ভালো লাগে। তারপর পুরষ্কার দেওয়া একটু দেখে চলে গিয়েছিলাম বাচ্চাদের খেলনা দেখার জন্য। আসলে বাচ্চারা খেলনা দেখলে কিনতে মিস করে না।
তারপর বাচ্চাদের জন্য কিছু খেলনা দেখলাম। আসলে এখানে দোকানদার অনেক বেশি দাম চায়। তবে দাম বেশি দেখে আমি কিনতে নারাজ কিন্তু মেয়ে নাছরবান্দা সে যেকোন একটা খেলনা কিনবেই। কি আর করা যাবে তারপর একটা খেলনা কিনে দিয়েছি।সত্যি এরা জিনিস ভালো দেয় না কিন্তু দাম বেশি রাখে।কিন্তু বাচ্চারা বুঝতে চায় না।
তারপর আবার গেল বাচ্চারা সরবত খাওয়ার জন্য। আসলে আমি কিছু চটপটি কিনে এনেছিলাম বাড়ি এসে খাওয়ার জন্য। আসলে আমরা সব কিছু কিনতে কিনতেই এদিকে প্রাইজ দেওয়া প্রায় শেষ। সবশেষে দুই মেয়ে দুটি শান্তনা পুরষ্কার পেয়েছে তাই নিয়ে চলে আসলাম। যাইহোক খেলাধুলা বেশ ভালোই উপভোগ করেছিলাম।বেশ ভালো সময় কাটিয়েছি। আশাকরি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে।
| প্রয়োজনীয় | তথ্য |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @parul19 |
| ডিভাইস | redmi note 12 |
| লোকেসন | ফরিদপুর |
আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি। আবার দেখা হবে অন্য কোন ব্লগে অন্য কোন লেখা নিয়ে। সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।
আমি পারুল। আমার ইউজার নেম@parul19। আমার মাতৃভাষা বাংলা। বাংলাদেশ আমার জন্মভূমি।আমি ফরিদ পুর জেলায় বসবাস করি।আমার দুটি মেয়ে আছে। আমি বাংলাই লিখতে ও পড়তে ভালোবাসি। আমি নতুন নতুন রেসিপি তৈরি করতে ও ঘুরতে পছন্দ করি।এই অপরুপ বাংলার বুকে জন্ম নিয়ে নিজেকে ধন্যবাদ মনে করি।
https://x.com/MimiRimi1683671/status/1898014859385798968?t=a-WV_8ZQyN7yBsANce_HJg&s=19
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
আপু আপনার মেয়েরা বয়সের তুলনায় বেশি লম্বা হয়ে গেছে তাই ওদের বড়দের দলে দিয়ে দিয়েছে। আমার সাথে এমন হতো বিভিন্ন জায়গায় খেলা খেলতে গেলে লম্বা বেশি হওয়ার কারণে কখনো বাদ পড়ে যেতাম আবার কখনো বড় দলে চলে যেতাম। তবে মেয়েরা লম্বা হওয়া ভালো। বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় কাটানো শেষের মুহূর্ত টা দেখে ও পড়ে খুবই ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপু শেয়ার করার জন্য।
আপনার কাছে ভালো লেগেছে জেনে অনেক ভালো লাগলো, ধন্যবাদ আপু।