যত মেহেরপুরের দিকে অগ্রসর হতে থাকলাম ততই যেন অচেনা মনে হচ্ছিল কারণ রাস্তার পাশের গাছগুলো সম্পূর্ণ কেটে ফেলা হয়েছে আর রাস্তার কার্যক্রম চলছে। আলমপুরের পরে পার হলাম মদনাডাঙ্গা গ্রাম। আর এভাবে চলতে থাকলাম সামনের দিকে দেখতে থাকলাম আশেপাশের ফসলের মাঠগুলো রাস্তার চারিপাশ যেন ঘন সবুজে ঘেরা আমাদের এই মেহেরপুর অঞ্চল। হয়তো ফটোগ্রাফিগুলোতে আপনারা লক্ষ্য করছেন রাস্তার পাশে গাছ কাটার দৃশ্য রয়েছে। তবে আশা করব খুব শীঘ্রই রাস্তা অনেক সুন্দর হয়ে যাবে পুনরায় রাস্তার পাশে গাছ লাগানো হবে।






Photography device: Infinix hot 11s
Location
আমাদের মেহেরপুরের স্বনামধন্য ব্যক্তি ফরহাদ হোসেন দুদুল যেহেতু বর্তমান মন্ত্রী পদে রয়েছেন, উনি মেহেরপুর শহরকে আরো উন্নতিশীল করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছেন। কুষ্টিয়া মজমপুর থেকে শুরু করে মেহেরপুর পর্যন্ত একটানা হাই রোড গুলো অনেক সুন্দর করার জন্য কার্যক্রম হাতে নিয়েছেন। কিছুদিন আগে কুষ্টিয়া শহরে দেখে এসেছিলাম কুষ্টিয়া শহরের রাস্তাগুলো অনেক উন্নত করে ফেলেছে, ইনশাআল্লাহ খুব শীঘ্রই গাংনী মেহেরপুরের হাইরোড উন্নত করে ফেলবে। আর এভাবেই আমাদের এলাকা উন্নত পর্যায়ে রূপ ধারণ করবে ইনশাল্লাহ। আগলা-মন গাড়ির মাছের ড্রামের উপর বসে দেখতে দেখতে আর ভাবতে ভাবতে সময় পার হতে থাকলো। আর এভাবেই দেখতে থাকলাম রাস্তার চারিপাশে কার্যক্রম চলছে। এরপর আমরা দিঘির পাড়া অতিক্রম করলাম। আর এ মুহূর্তে আকাশের অবস্থা কিছুটা পরিবর্তন হলো, যেহেতু গাংনী বাজার থেকে বৃষ্টির পানিতে হালকা ভিজতে ভিজতে আসছিলাম কিন্তু এই মুহূর্তে যাই হোক বৃষ্টি পানি আর তখন পড়ছিল না। আমরা মাছ বিক্রয়ের আশায় চলতে থাকলাম মেহেরপুরের দিকে। বাকি অংশ আগামী পোস্টে আপনাদের মাঝে তুলে ধরব ততক্ষণ ভালো থাকবেন সবাই।







Photography device: Infinix hot 11s
Location
এতক্ষণ সাথে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

| পুনরায় কথা হবে পরবর্তী কোন পোস্টে, ততক্ষণ ভালো থাকা হয় যেনো। আল্লাহ হাফেজ। |

সময়ের সাথে সাথে সবকিছুরই পরিবর্তন হয়। যেহেতু অনেকদিন পর সেখানে গিয়েছেন তাই সব কিছুরই পরিবর্তন মনে হয়েছে। যাই হোক ভাইয়া আপনি আপনার পুকুরের মাছ বিক্রি করতে গিয়েছেন জেনে ভালো লাগলো। অনেক অনেক শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই আপু।
দিন বদলের সঙ্গে সঙ্গে সবকিছুই পরিবর্তন হয়ে যায়।আপনার দীর্ঘদিনের ব্যবধানে মেহেরপুরেও তাই উন্নত হয়েছে।আপনারা যে উদ্দেশ্যে গিয়েছিলেন তা নিশ্চয়ই সফল হয়েছে মেহেরপুর আড়তে ।রাস্তার দুপাশের সবুজ রঙের দৃশ্য দেখলে মন ছুঁয়ে যায়।আপনার পোস্টটি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া।
হ্যাঁ আপু এই জায়গাটা সুন্দর রেস্টুরেন্ট রয়েছে
মামা আপনি আজকে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন গাংনী থেকে মেহেরপুরে মাছ বিক্রি করতে যাওয়ার দ্বিতীয় পর্ব। আপনার লেখা প্রথম পর্বের পোষ্টটি ও আমি পড়েছিলাম। আসলে আমাদের এই মেহেরপুর রোডে অনেক সুন্দর একটি ব্রিজ হয়েছে অল্প কিছুদিন আগে আমিও দেখেছি। পুকুরের মাছগুলো তো বেশ ভালোভাবে বিক্রয় করেছেন মামা দেখে বোঝা যাচ্ছে। মাছ বিক্রি করে বাড়ি ফেরার সময় আমার সাথে আপনার দেখা হয়েছিল গান নিতে দুইজন সেই সময় গাড়ির উপর থেকে কথা বলেছিলাম। ধন্যবাদ মামা এত সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
হ্যাঁ মামা ফিরতে পথে গাংনী বাজারে তোমার সাথে দেখা হয়েছিল আমার
আপনি গাংনী থেকে মেহেরপুর আড়তে মাছ বিক্রয় করতে যাওয়ার পথে অনেক গুলো রাস্তার ও আলমপুরের ব্রিজের ফটোগ্রাফি করেছেন। সেই সাথে দারুন বর্ণনাও দিয়েছেন। নিজের জেলার রাস্তা যেহেতো সেই রাস্তায় অনেক স্মৃতি থাকবে,এটাই স্বাভাবিক। ধন্যবাদ।
হ্যাঁ ভাই স্মৃতি ধরে রাখতে এই পোস্ট