মিট থিওরি রেস্টুরেন্টে একদিন
আসসালামুআলাইকুম সবাইকে।
আমার বাংলা ব্লগের বন্ধুরা কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও ভালো আছি আলহামদুলিল্লাহ।
আজকে আবার হাজির হয়ে গেলাম নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। ছুটির দিন মানেই ঘোরাঘুরি। ছুটির দিন বাইরে কোথাও খেতে না গেলে যেন ছুটির দিনই মনে হয় না। বেশ কিছুদিন ধরে আমার হাজব্যান্ড বলছিল যে কোথাও গিয়ে স্টেক খাবে। যদিও আমার কাছে স্টেক তেমন একটা ভালো লাগে না। কিন্তু আমার হাজবেন্ডের খুব ইচ্ছা ছিল সেজন্যই মূলত যাওয়া। সে আগে থেকেই ঠিক করে রেখেছিলো কোথায় স্টেক খেতে যাবে। বানানির একটি রেস্টুরেন্টে খুব ভালো স্টেক পাওয়া যায়। সেখানে চলে গিয়েছিলাম আমরা। ছুটির দিন বাইরে খাব তাই বাসায় আর রান্নার ঝামেলা করিনি। দুপুর বেলা আমরা খাওয়ার জন্য বাইরে চলে গিয়েছিলাম।
রেস্টুরেন্টের নাম মিট থিওরি। নামটি ইউনিক লেগেছে। ১৪ তলার উপরে। এত উপর থেকে নিচের দিকে দেখতে বেশ ভালো লাগছিল। রেস্টুরেন্টটি খুব সাজানো গোছানো পরিষ্কার ছিল। দেখেই মনে হলো যে এদের খাবার বেশ ভালো হবে। খোলামেলা জায়গা ছিল এবং খুব একটা ভিড় দেখলাম না। মোটামুটি লোকজন ছিল। মূলত রেস্টুরেন্ট গুলো রাতের বেলায় বেশি ভিড় হয়। দিনে তেমন ভিড় থাকে না। শুরুতেই আমরা গিয়ে মেন্যু দেখে খাবার ঠিক করে নিলাম। ওয়েটারকে জিজ্ঞাসা করে এই রেস্টুরেন্টের সিগনেচার আইটেম যেটি সেটি অর্ডার দিলাম। প্রতিটি খাবারের অনেক দাম।
খাবার অর্ডার দেওয়ার পর এরা বলল যে ৪০ মিনিট সময় লাগবে। ৪০ মিনিট বাচ্চাদের নিয়ে বসে থাকা আসলে বেশ মুশকিল। তখন ওরা বলল সাইডে বাচ্চাদের জন্য প্লে জোন আছে। এখানে ছোট ছোট গাড়ি দিয়ে সাজানো। আর উপর থেকে নিচে দেখতে খুব সুন্দর লাগছিলো। বাচ্চারা খাবার আসার আগ পর্যন্ত এখানেই সময় কাটিয়েছে আর আমাদের বিরক্ত করেনি।
৪০/৪৫ মিনিট পর আমাদের খাবার অবশেষে পেলাম। আমরা এখানে বেশ কয়েক রকমের চিকেন স্টেক, চিকেন কাবাব এবং মাটোন স্টেক ও মাটন রিব, আর দুই রকমের রাইস অর্ডার দিয়েছিলাম। সেই সাথে আমরা দুটি জুস অর্ডার দিয়েছিলাম। আগেই বলেছিলাম জুস যেন খাবার শেষে দেওয়ার জন্য। কারণ বাচ্চারা জুস দেখলে অন্য কিছু আর খেতে চায়। এই সব খাবারের দাম নিয়েছিলো ৭২০০ টাকা। খাবার খুবই মজাদার ছিল। দাম বেশি হলেও মনে হল যে খেয়ে তৃপ্তি পাওয়া গিয়েছে। যদিও খাবার শেষ করতে পারিনি।
ছুটির দিনের জম্পেশ খাওয়া দাওয়া হয়েছে। বেশ ভালো সময় কাটিয়েছিলাম। যাই হোক এই ছিল আমার আজকের আয়োজন। সময় নিয়ে আমার পোস্টটি দেখার জন্য সকলকে ধন্যবাদ। সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। পরবর্তীতে দেখা হবে আবার নতুন কিছু নিয়ে।
ধন্যবাদ
@tania
| Photographer | @tania |
|---|---|
| Phone | I Phone 15 Pro Max |
| আমি তানিয়া তমা। আমি বাংলাদেশে থাকি। ঢাকায় বসবাস করি। আমি অর্থনীতিতে অনার্স মাস্টার্স কমপ্লিট করেছি। আমি বিবাহিত। আমার দুটি ছেলে আছে। আমার শখ রান্না করা, শপিং করা,আর্ট করা, ঘুরে বেড়ানো। আমি বাংলায় কথা বলতে এবং ব্লগিং করতে ভালোবাসি। আমি আমার বাংলাদেশকে ভালবাসি। |
|---|
VOTE @bangla.witness as witness OR SET @rme as your proxy

Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
মাঝেমধ্যে এভাবে মজার মজার খাবার বাইরে গিয়ে খেতে অনেক বেশি ভালো লাগে। ছুটির দিনে বাহিরে খাওয়া-দাওয়া করেছিলেন এটা জেনে খুব ভালো লাগলো। বাচ্চাদের খেলার জিনিস গুলো ছিল বলেই তারা আপনাদের আর ডিস্টার্ব করেনি। খাবার গুলো দেখেই তো বুঝতে পারছি খাবারের মান অনেক বেশি ভালো ছিল।
ঠিক বলেছেন আপু মাঝে মধ্যে এরকম মজার খাবার খেতে ভালোই লাগে। ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
ছুটির দিনে দুপুর বেলা গিয়েছিলেন ভাইয়ার পছন্দ অনুয়ায়ী স্টেক খেতে। দুপুরে গিয়েছেন বলেই হয়তো ভীড় কম পেয়েছেন। প্লে জোন রাখায় বেশ ভালো হয় বাচ্চাদের জন্য। আর খাবার এর দাম বেশি হলেও খেয়ে যে তৃপ্তি পেয়েছেন, এটাই ভালো লাগার। খাবারের পরিমাণ ও তো বেশ ভালোই ছিলো। আপনার অভিজ্ঞতা জেনে ভালো লাগলো।
আসলেই আপু দাম যাই হোক না কেন খাবার খেয়ে তৃপ্তি পেলে আর কোন কিছু লাগেনা। ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
সবাই মিলে মিট থিওরি রেস্টুরেন্টে খাওয়া দাওয়া করার জন্য গিয়েছিলেন শুনে ভালো লাগলো। ভাইয়ার আবদারে যাওয়া হয়েছিল বুঝতেই পারছি। তবে মাঝেমধ্যে এভাবে খাওয়া দাওয়া করতে ভালো লাগে। এই রেস্টুরেন্টের পরিবেশটা অনেক সুন্দর। যেহেতু রেস্টুরেন্টটা অনেক উপরে, নিশ্চয়ই উপর থেকে বাহিরের সিনারিটা খুব সুন্দর লাগছিল দেখতে। তবে রাতের বেলায় বেশি সুন্দর লাগবে। ভালো লাগলো আপনাদের খাওয়া-দাওয়ার মুহূর্ত।
আমার হাজবেন্ডের আবদারে যাওয়া হয়েছিল। বেশ ভালো সময় কাটিয়েছিলাম। ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।