দুই বান্ধবী মিলে রেস্টুরেন্টে একদিন।
হ্যালো..!!
আমার প্রিয় বন্ধুরা,
আমি @purnima14 বাংলাদেশী,
আজ- ০৩ ডিসেম্বর, বুধবার, ২০২৫ খ্রিঃ।
কভার ফটো
কয়েকটি ছবি একত্রিত করে সুন্দর একটি কভার ফটো তৈরি করে নিয়েছি।
আমি আশা করি, আপনারা সবাই সুস্থ এবং সুন্দর আছেন। আমি নিজেও ভালো আছি। আমি সবসময় চেষ্টা করি নিজেকে হাসি খুশি রাখার। আমি "আমার বাংলা ব্লগের" মাধ্যমে আপনাদের সামনে আমার ক্রিয়েটিভিটি তুলে ধরবো।
আজকে ভিন্ন ধরনের কিছু পোস্ট করার ইচ্ছে ছিল। তবে সকাল থেকে আর সময় হয়নি। আজকে আমাদের ইনস্টিটিউটে ক্রিয়া প্রতিযোগিতা থাকার কারণে আমরা সব বান্ধবীরা মিলে সেখানে গিয়েছিলাম। সেজন্য সকাল সকাল পোস্ট করতে পারিনি। এখন রুমে এসে মনে পড়লো পোস্ট করার কথা। তাড়াহুড়ো করে একটি ঘোরাঘুরি পোস্ট শেয়ার করতে চলেছি। আশা করছি ভালো লাগবে।
আমি আর আমার বান্ধবী মিলে চলে গিয়েছিলাম কুষ্টিয়া শহরের মধ্যে অবস্থিত সবথেকে সুন্দর রেস্টুরেন্টে। বর্তমানে এই রেস্টুরেন্ট কে সবথেকে সুন্দর রেস্টুরেন্ট বলা হয়। এখানকার পরিবেশ যেমন সুন্দর তেমনই খাবার-দাবারের দাম অনেক বেশি। অনেকদিন ধরেই যাব যাব ভাবছিলাম তবে যাওয়া হয়ে উঠছিল না। তারপর একদিন আমি আর বান্ধবী মিলে সেখানে পৌছে গেলাম।
হালকা হালকা শীত পড়েছে তখন। নভেম্বর মাস পরীক্ষা শেষ করেছি সবে । একদিন বিকেল বেলায় বান্ধবী ফোন দিয়ে বলল চল যাওয়া যাক। তারপর দুজন মিলে রেডি হয়ে চিকিৎসা নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম এই রেস্টুরেন্টের উদ্দেশ্যে। এই রেস্টুরেন্টের নাম হলো জেন গার্ডেন। অনেকে এটাকে রূপ টপ এবং দিশা টাওয়ার নামেও চিনে থাকেন।
আমার কাছে মনে হয়েছে হালকা গরমের দিনে এই রেস্টুরেন্ট উপভোগ করার মত একটি জায়গা। কারণ রেস্টুরেন্টটি অবস্থিত আট তলা বিল্ডিং এর উপরে। ছাদের উপর এত সুন্দর পরিবেশ পেয়ে দেখে মুগ্ধ হতে বাধ্য থাকবে। আমার কাছেও বেশ ভালোই লাগছিল।
তবে এখানকার খাবারের দাবারে দাম অনেক বেশি ছিল বলে এখানে যাওয়াটা একটু কষ্টকর বলে মনে হয়। আমার কাছে ওখানে যাওয়ার পরে মনে হয়েছে খাওয়া দাওয়ার পিছনে তারা খরচ কয়টা অপচয়। কারণ এখানকার খাবারের মান তুলনামূলক অতটা ভালো না। তারপরও আমি আর বান্ধবীর মতো গিয়েছি সেহেতু কিছু ছবি ক্যাপচার করলাম।
আমরা এখানে এসে বেশ কিছু খাবার দাবার অর্ডার করেছিলাম। বান্ধবীর পছন্দের চাওমিন এবং আমার পছন্দের চিকেন ফ্রাই অর্ডার করেছিলাম। পরিমাণে অনেকটা হয়েছিল। যেটা দুজন মিলে খাওয়া কষ্টকর হয়ে যাচ্ছিল। এভাবেই আমরা সেখানে বেশ কিছু সময় কাটিয়েছিলাম। কিছুক্ষণ যেতে না যেতেই একটু শীত করছিল। সেজন্য আমরা তাড়াতাড়ি রুমে এসেছিলাম। তবে পরিবেশের দিক থেকে দেখলে পরে রেস্টুরেন্টই একসাথে। যারা প্রকৃতি পছন্দ করে তারা অবশ্যই একবার এখানে গিয়ে ঘুরে আসতে পারেন।
ছবির বিবরণ
ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল
তারিখ: ১১ই নভেম্বর ২০২৬খ্রিঃ
লোকেশন:কুষ্টিয়া
প্রিয় বন্ধুরা,আমার আজকের ব্লগটি কেমন হয়েছে আপনারা সবাই কমেন্টের মাধ্যমে অবশ্যই মন্তব্য করবেন, সামান্য ভুল ত্রুটি হলে অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন এবং সুপরামর্শ দিয়ে সবসময় পাশে থাকবেন। আবার দেখা হবে নতুন কোনো পোস্ট নিয়ে শীঘ্রই, ততক্ষণে সবাই সুস্থ ও সুন্দর থাকবেন।
আমি কে !
আমি পূর্ণিমা বিশ্বাস, আমার ইউজার নেম @purnima14। আমি আমার মাতা-পিতা এবং নিজের মাতৃভূমি ও মাতৃভাষাকে ভালবাসি। আমি হৃদয় থেকে ভালবাসি সৃষ্টিকর্তা ও তার সকল সৃষ্টিকে। আমি বর্তমানে কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে সিভিল টেকনোলজিতে ডিপ্লোমা ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে লেখাপড়া করছি। আমি ভ্রমণ করতে, কবিতা লিখতে ও আবৃত্তি করতে, গান শুনতে, যেকোনো ধরনের রেসিপি তৈরি করতে ও প্রাকৃতিক দৃশ্যের ফটোগ্রাফি করতে অনেক পছন্দ করি। "আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটিতে কাজ করতে পেরে আমি গর্বিত।
@purnima14

আপু বন্ধুবান্ধব বা বান্ধবী নিয়ে কোথাও খাওয়া দাওয়া করতে গেলে বা ঘুরতে গেলে এমনিতে ভালো লাগে। আপনি দেখছি বান্ধবীকে নিয়ে কুষ্টিয়া একটি রেস্টুরেন্টে খেতে গেলেন। তবে রেস্টুরেন্টগুলো যদি মার্কেটের উপরে হয় তখন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। যাই হোক পোস্টটি আমাদের মাঝে শেয়ার করছেন তাই ধন্যবাদ আপনাকে।
শুধু বান্ধবীরে নিয়ে রেস্টুরেন্টে গেলে হবে ? আরো কত অভাগা মানুষ আছে 🙃