
ভূমিকাঃ
“আমার বাংলা ব্লগ”- এখন শুধু একটি কমিউনিটির নাম না বরং সকলের নিকট জনপ্রিয় মাধ্যম, নিজের ভাষায় আবেগ, অনুভূতি ও ভালোবাসা প্রকাশের। দিন দিন যার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং শীর্ষে উঠে আসছে র্যাংকিং এ। আসলে আমার বাংলা ব্লগ এর যাত্রা শুরু হয় মাতৃভাষায় মনের ভাব প্রকাশে স্টিম ব্লকচেইন এ সুযোগ সৃষ্টি করার লক্ষ্য নিয়ে। পুরো পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা বাংলা ভাষাভাষী কমিউনিটিকে এক প্লাটফর্মে নিয়ে আসা এবং পারস্পরিক সম্পর্ক সৃষ্টির মাধ্যমে ভাষার প্রতি ভালাবাসা সৃষ্টি করা এবং নিজেদের বন্ধনকে আরো মজবুত করা। আমাদের বিশ্বাস আমরা খুব দ্রুততম সময়ের মাঝে আমাদের লক্ষ্যে পৌছাতে সক্ষম হবো। আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিতে এখন পর্যন্ত ২৬৫৯ জন সদস্য হয়েছেন এবং বর্তমান এ্যাকটিভ পোষ্টের সংখ্যা ২৩৮।
আমরা পুরো বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বাঙালীদের নিজের মাতৃভাষায় আবেগ, অনুভূতি ও জীবনের গল্পগুলোকে ভাগ নেয়ার সুযোগ করে দিতে চাই। কারন তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে ব্লকচেইন সবার মাঝে একটি সেতু বন্ধন তৈরী করতে সক্ষম হয়েছে। আমরা এই সুযোগটির পূর্ণ ব্যবহার এবং বাঙালি কমিউনিটির একটি নির্দিষ্ট অবস্থান নিশ্চিত করার মাধ্যমে পারস্পরিক সম্পর্ক এবং অভিজ্ঞতা বিনিময় সহজসাধ্য করতে চাই।
হ্যাংআউট-৪২
সময়ের পূর্বেই ভেসে আসে চমৎকার মিষ্টি সেই কণ্ঠস্বর, আমার বাংলা ব্লগের এ্যাডমিন
@shuvo35 ভাই যথারীতি সময়ের পূর্বে সকলের দৃষ্টি আকর্ষন করেন এবং হ্যাংআউট সম্পর্কে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন। তারপর কাউন্ট ডাউনের মাধ্যমে শুরু হয় হ্যাংআউট। সবাইকে স্বাগতম জানিয়ে হ্যাংআউট শুরু করেন শুভ ভাই। আমরা বিনোদন করবো, মজা করবো কারন এই দিনটার জন্য আমরা সবাই অপেক্ষা করি। যাইহোক শুরু হতে কথার মাঝে থাকবে অনেকগুলো তথ্য, আরো কিছু বিষয় আছে যা আপনারা আস্তে আস্তে জানতে পারবেন।
এরপর আমি কথা বলি, আার অধীনে থাকা সবাই বেশ ভালো কাজ করছেন। তবে হয়তো রমযান মাস উপলক্ষ্যে অনেকেই তাদের এনগেজমেন্ট এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারছেন না। তাই অনেক ভালো ইউজারদের এনগেজমেন্টের অবস্থা খুব একটা ভালো দেখা যায় নাই । কিন্তু সকলের উদ্দেশ্যে একটা কথা বলতে চাই আমাদের কমিউনিটিতে সব কিছু এখন আরো বেশী স্বচ্ছ কারন আমরা বটের মাধ্যমে সকলের এনগেজমেন্ট চেক করি, তাই কারো প্রতি স্বজনপ্রীতি করার একদম সুযোগ নেই। এই কারনে এই সপ্তাহে কিছু ভালো ইউজার সুপার এ্যাকটিভ তালিকা হতে বাদ পড়েছেন। বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করার আহবান জানান। সার্বিক বিবেচনায় ভালো কাজের জন্য ৫ স্টিম পুরস্কার পাচ্ছেন
@rahimakhatun।

কমিউনিটির এ্যাডমিন
@winkles ভাই কথা বলেন এরপর, শুরুতেই তার একজন ইউজারের কথা বলেন, তার ব্যাপারে বলেন এনগেজমেন্ট বৃদ্ধি করতে হবে, পোষ্ট সংখ্যা বাড়াতে হবে কারন ১৫/২০ পর একটা পোষ্ট করলে হবে না। প্রতিদিন পোষ্ট করার পরামর্শ দেন আর তা সম্ভব না হলে অন্তত ৫/৬ টি পোষ্ট সপ্তাহে করার অনুরোধ করেন। কারন তা না হলে নিজের অবস্থান ধরে রাখা সম্ভব হবে না। এছাড়া তার অধীনে থাকা বাকী ইউজারদের কাজ সব ঠিক ঠাক আছে। তার পোষ্টে কাংখিত কমেন্টকারীদের পুরস্কার কিছু সময়ের মাঝেই যথা নিয়মে চলে যাবে।

এরপর কমিউনিটির এ্যাডমিন এবং কোয়ালিটি কন্ট্রোলার
@rex-sumon সুমন ভাই কথা বলেন। শুরুতেই পাওয়ার আপ কনটেষ্ট নিয়ে কথা বলেন, সবাই জানেন আমি পাওয়ার আপ কনটেস্ট পরিচালনা করি, এই সপ্তাহের সংখ্যা দেখে বেশ খুশি কারন অশংগ্রহণকারী অনেক বেশী হয়েছে আগের তুলনায়, সবাই বেশ ভালো পাওয়ার আপ করেছেন, অনেকেই আবার স্টিম কিনে পাওয়ার আপ করছেন, যা খুবই ভালো দিক। বিজয়ীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে এবং যথা নিয়মে পুরস্কার সকলের নিকট চলে যাবে। এছাড়া তার অধীনের ইউজারদের মাঝে অনেকেই অবস্থান বেশ খারাপ ছিলো, দুইজনের নাম বলেন এ্যাকটিভ না হলে তাদেরও এ্যাকটিভ তালিকা হতে বাদ দেয়া হবে। বাকীদের এনেগজমেন্ট বৃদ্ধি করার অনুরোধ করেন। এছাড়াও কিছু ইউজারদের কার্যক্রম সব দিক হতে বেশ ভালো ছিলো।
কমিউনিটির এ্যাডমিন
@moh.arif আরিফ ভাই কথা বলেন এরপর, শুরুতেই তার অধীনে থাকা এ্যাকটিভ ইউজারদের নিয়ে কথা বলেন এবং যাদের মান একটু বেশী খারাপ ছিলো তাদের রিপোর্ট প্রথমে উপস্থাপন করেন। রিপোর্ট উপস্থাপনের সাথে সাথে তাদেরকে কাংখিত পরামর্শ দেয়ার চেষ্টা করেন। যাদের মান খারাপ ছিলো তাদের এ্যাক্টিভিটি বৃদ্ধি করতে বলেন।
এরপর শুভ ভাই ফিরে আসেন এবং আরিফ ভাইয়ের কথার প্রসঙ্গ টেনে নিজের অনুভূতি শেয়ার করেন। সবাইকে মন খারাপ করতে না করেন এবং সব কিছু পজিটিভলি নেয়ার অনুরোধ করেন। আমার বাংলা ব্লগ অল্প সময়ের জন্য না, এই কনসেপ্টটা মাথায় রাখতে হবে। সুতরাং আপনারা যদি আপনাদের মানসিকতা পরিবর্তন করে দীর্ঘ সময়ের জন্য কাজ করতে পারেন তাহলে ভালো কিছু করতে পারবেন। তার অধীনে থাকা অনেক ভালো ইউজার আছেন কিন্তু আমাদের সীমাবন্ধতার কারনে তাদের কাংখিত তালিকায় আনতে পারি নাই, সেটা আমার জন্য দুঃখজনক ছিলো। তবে আমরা বিষয়টি নিয়ে চিন্তা ভাবনা করছি। সবাই ভালো কাজ করছেন।
এরপর কথা বলের কমিউনিটির মডারেটরগন, শুরুতেই কথা বলেন
@brishti আপু, প্রথমে নতুন ইউজারদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা কমিউনিটির এনাউন্সমেন্ট চ্যানেলটি প্রতিদিন চেক করবেন, প্রতি নিয়ত এখানে নোটিশ করা হয় জরুরী বিষয়গুলোকে। এছাড়া লেভেল এর চ্যানেলগুলোও চেক করতেন বলেন। লেভেল-১ এর ক্লাসগুলোতে নিয়মিত উপস্থিত থাকার অনুরোধ করেন। ক্লাসের বাহিরেও কিছু জানার থাকলে টিকেট ক্রিয়েট করতে বলেন। ভয়ের কিছু নেই আমরা সবাই আপনাদের পাশে আছি।

এরপর
@alsarzilsiam ভাই বলেন, তিনিও শুরুতে লেভেল-৩ নিয়ে কথা বলেন। যারা লেভেল-৩ পাস করেছেন তাদের সবার পোষ্টগুলো চেক করার পর খুবই খারাপ অবস্থা দেখতে পান, যা সত্যি খুবই হাতাশা জনক। তাদের মাঝে অনেকেই একটা অথবা দুইটা পোষ্ট করছেন। দুই একটা করে কমেন্ট করছেন, কয়েক জনের নাম উল্লেখ্য করেন পুরো সপ্তাহে মাত্র একটি কমেন্ট পাওয়া গেছে। এনগেজমেন্ট খুবই খারাপ। এভাবে চলতে থাকলে এ্যাকটিভ তালিকায় গিয়ে কিছুই করা সম্ভব হবে না। তাই তাদের এ্যাক্টিভিটি বৃদ্ধি করার অনুরোধ করেন। তারপর আমার বাংলা ব্লগের সোশ্যাল মিডিয়ার লিংকগুলো শেয়ার করেন।
এরপর
@rupok ভাই কথা বলেন, আমার বাংলা ব্লগে এখন নিউ মেম্বার নেয়া হয় নির্দিষ্ট সময়ে, তার মাঝেও অনেকের ক্ষেত্রে গাফলতি দেখা যাচ্ছে। ক্লাস করেছেন আটজন কিন্তু তাদের মাঝে পোষ্ট পেয়েছি মাত্র দুইটা। যারা ভাইবা পাস করেছেন এখন পরীক্ষা দিতে পারবে, কিন্তু তাদের মাঝ হতে পোষ্ট পেয়েছি তিনজনের মাত্র। অথচ সবারই আগামী কালের মাঝে পোষ্ট লেখার কথা ছিলো লেভেল-১ সম্পূর্ণ করার জন্য। এটা সত্যি অবাক করেছে তাকে এই কয়দিন সময়ের মাঝে মাত্র তিনজন পোষ্ট করেছেন। এছাড়াও যারা লেভেল এ থাকে তারা একদমই পোষ্ট করতে চায় না, এটা তারা বুঝতে চান না দারুণ একটা সুযোগ তাদের রয়েছে কিন্তু তারা সেটা গ্রহন করতে চাচ্ছেন না, পোষ্ট করছেন না। অথচ লেভেলে থাকা অবস্থায় খুব সহজেই সাপোর্ট পাওয়া সম্ভব। এরপর সিয়াম ভাইয়ের সাথে সহমত পোষণ করেন, পোষ্ট করে সবাইকে এনগেজমেন্ট বৃদ্ধি করতে বলেন। যারা ভিবিন্ন লেভেলে আছেন তাদের নিয়মিত পোষ্ট করতে বলেন এবং তার সাথে এবিবি স্কুলকে অবশ্যই ৫% বেনিফিশিয়ারি যোগ করবেন।
এরপর
@kingporos ভাই কথা বলেন, শুরুতেই পোষ্ট এবং এনগেজমেন্ট নিয়ে তিনি সিয়াম ও রুপক ভাইয়ের সাথে সহমত প্রকাশ করেন। লেভেল এর ক্ষেত্রে বেনিফিশিয়ারি ঠিক ভাবে হচ্ছে না, হয়তো ভুল হয়ে যাচ্ছে কিন্তু নোটিশ করার পরও তারা বিষয়গুলো ঠিক করছেন না, আবার নোটিশ এর উত্তরও দিচ্ছেন না। যারা লেভেলে আছেন তাদের এ বিষয়টি খেয়াল রাখতে অনুরোধ করেন। লেভেল থাকা অবস্থায় এনগেজমেন্ট বৃদ্ধি করছেন না অনেকেই, পোষ্টের কোয়ালিটি বৃদ্ধি পাচ্ছে কিন্তু এনগেজমেন্ট বাড়ছে না, এটা ঠিক করার আহবান জানান সবাইকে। তাহলে খুব সুন্দরভাবে এ্যাকটিভ তালিকার উপরে চলে আসতে পারবে।
এরপর শুরু করা হয় কুইজ পর্ব। এই পর্বটি পরিচালনা করেন যথারীতি আরিফ ভাই । শুরুতেই তিনি সকলের জ্ঞাতার্থে পরিবর্তিত নিয়মগুলো আবার বলে দেন, একজন ইউজার একধিক কুইজে বিজয়ী হতে পারবে না। তারপর একে একে কুইজ উপস্থাপন করা হয় এবং বিজয়ীদের তার পক্ষ হতে পুরস্কৃত করা হয়। এই পর্বে তাকে সহযোগিতা করি আমি এবং সমুন ভাই।

এরপর
@nusuranur আপু কথা বলেন, শুরুতেই লেভেল-৪ নিয়ে কথা বলেন। গত ক্লাসে ১৪ ছিলো কিন্তু ভাইবা দিয়েছে ৩ জন,
প্রতিদিন যদি এভাবে চলতে থাকলে কিভাবে হবে। ক্লাসে থাকার ব্যাপারে সবাইকে ট্যাগ দেয়া হয় এবং শীট পড়তে অনুরোধ করা হয়, না পড়লে ক্লাসগুলো বুঝতে পারবে না, বিশেষ করে যারা লেভেল-৩ তে আছেন তাদের দৃষ্টি আকর্ষন করেন, শীটের বিষয়গুলো পড়ে আসলে সেটা সকলের জন্য ভালো হয়। কিছু না করে সোজা ক্লাসে এসে যদি বলেন আরো একটা ক্লাস লাগবে, এটা বুঝি নাই, এগুলো শুনলে খারাপ লাগে আমাদের কাছে। আপনারা যদি শীট না পড়েন, হাতে কলমে না পড়েন তাহলে কিছু করতে পারবেন না শিখতে পারবেন না, যদি এভাবে আমাদের কষ্ট দেন তাহলে কিভাবে হবে, আমাদের কাজ থাকে সেগুলো ফেলে আপনাদের জন্য বসে থাকি। কিন্তু আমরা মাত্র তিনজনকে পেয়েছি যারা পরীক্ষা দিতে পারবে। এভাবে ক্লাসে জয়েন হওয়ার কোন মানে নেই।
এছাড়াও দুঃখ প্রকাশ করেন বলেন, লেভেল-৪ এর ইউজারদের নিয়ে নতুন করে কিছুই বলার নেই, কারন তারা কমেন্ট করেন না, ডিসকর্ডে আসেন না, পোষ্ট খুব একটা লিখেন না, এভাবে চললে কোন সাপোর্ট পাবেন না, এ্যাকটিভ তালিকায় আসতে পারবেন না। যদি সুযোগ থাকতো তাহলে তাদের সোজা ইনএ্যাকটিভ তালিকায় নিয়ে যেতাম আমরা, ভেরিফাইড না করে। এভাবে কাজ করলে ভেরিফাইড হওয়ার পরও তারা কোন সাপোর্ট পাবেন না। চিন্তা করে দেখতে অনুরোধ করেন, এগুলো আমাদের জন্য আপনাদের ভালোর জন্যই বলেছি।
তারপর শুভ ভাই ফিরে আসেন এবং অন্য একজন মডারেটর এর বিষয়ে সকলের দৃষ্টি আকর্ষন করেন, যে মানুষটা প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি হলেন আমাদের
@tangera আপু, তিনি গুরুত্বপূর্ণ একটা দায়িত্ব পালন করছেন। কমিউনিটিতে কোন ইউজার সাপোর্ট ঠিক মতো পাচ্ছেন কিনা, এই কাজটি দক্ষতার সাথে করেন থাকেন আপু। সুতরাং তিনি আছেন আমাদের সাথে এবং তার দায়িত্ব দক্ষতার সাথে পালন করছেন।

তারপর শুভ ভাই সকলের দৃষ্টি আকর্ষন করেন, আমরা প্রতিনিয়ত চেষ্টা করছি ইউজারদের গাইড করতে, সেটা যেভাবেই হোক। তবুও অনেকেই অনেক ধরনের কথা বলেন সাপোর্ট নিয়ে, তারপর প্রশ্ন আবার প্রশ্ন করেন। যা আমরা বিব্রত বোধ করি মাঝে মাঝে। তাৎক্ষনিক ভোট দেয়ার কোন সুযোগ নেই এখানে, দাদাতো প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন দিন রাত সমানে। এরপর শুভ ভাই সুপার এ্যাকটিভ তালিকা প্রকাশ করেন।
সুপার এ্যাকটিভ তালিকা প্রকাশের শুভ ভাই নতুন প্রতিযোগিতা নিয়ে কথা বলেন, আমার বাংলা ব্লগের এবারের প্রতিযোগিতাটি আয়োজন করা হয়েছে গরমের সিজনকে সম্মুখে রেখে। এবারের বিষয় শেয়ার করো তোমার বানানো মজাদার ফলের জুস বা শরবত, তারপর প্রতিযোগিতার পোষ্টের লিংকটি শেয়ার করা হয়। প্রসঙ্গক্রমে আরিফ ভাই কথা বলেন, যারা আমাদের অন্য কমিউনিটিগুলোতে কাজ করছেন তাদের স্বাগতম জানাই কিন্তু আমার বাংলা ব্লগের সুপার এ্যাকটিভি নিশ্চিত করার মাধ্যমে সুপার এ্যাকটিভ তালিকায় আসতে না পারলে, এ্যাক্টিভিটি বাড়াতে না পারেন তাহলে সে সকল কমিউনিটিতে সংযুক্ত হতে পারেন। তারপর আইডিয়া চ্যানেল নিয়ে কথা বলেন, সবাইকে তাদের আইডিয়া শেয়ার করতে অনুরোধ করেন তাহলে প্রতিযোগিতার বিষয় নির্বাচন করাটা আমাদের জন্য সহজ হবে।
এরপর সুমন ভাই কথা বলেন হিরোইজম নিয়ে, হিরোইজম এর ডিসকর্ডের সার্ভার এর লিংক শেয়ার করেন, অনেকেই সেখানে নেই। ওখানে পোষ্ট প্রমোশন চ্যানেল রয়েছে, মাঝে মাঝে ওপেন করা হয় কারন আমাদের হাতে ভোট দেয়ার কিছু সুযোগ থাকে। তখন ভালো ভালো পোষ্টে সাপোর্ট দেয়া হয় যারা ডেলিগেশন করেন নাই তারাও ভোট পাওয়ার সুযোগ নিতে পারবেন।
এটা আপনাদের প্রজেক্ট যারা ডেলিগেশন করবেন তারা রিওয়াডর্স, নিরাপত্তা পাবেন এবং সাপোর্ট পাবেন। হিরোইজমকে সাপোর্ট করার ব্যাপারে সবাইকে উৎসাহ দেন। হিরোইজম এর এনাউন্সমেন্ট চেক করার আহবান জানান, তাছাড়া হিরোইজম এর ডিসকর্ড চ্যানেলে যে কোন ধরনের প্রশ্ন করলে তার উত্তর দেয়া হবে।

শুভ ভাই এবিবি স্কুল নিয়ে কথা বলেন, এটা হলো আমাদের লার্নিং পয়েন্ট, যেখান হতে ভালো কিছু সহজেই শিখতে পারবেন। আমরা প্রতিনিয়ত ক্লাস করাচ্ছি এবং গাইড করার চেষ্টা করছি। নতুন পুরাতন সবাইকে ক্লাসে উপস্থিত থাকতে বলেন। তারপর যারা লেভেলে রয়েছেন তাদেরকে সাইফক্স এর পাশাপাশি এবিবি স্কুলকে বেনিফিশিয়ারি দেয়ার বিষয়টি বলেন। এরপর এবিবি চ্যারিটি নিয়ে কথা বলেন, মানুষ মানুসের জন্য। আমরা সেই সকল মানুষদের পছন্দ করি যারা এটা বিশ্বাস করেন এবং সহযোগিতার মাধ্যমে পাশে থাকেন।
এরপর শুরু হয় আমাদের দ্বিতীয় পর্ব, তবে এবার একটা বিশেষ আকর্ষণ ছিলো। সেটা হলো আমার বাংলা ব্লগের এক্সিকিউটিভ এ্যাডমিন
@blacks দাদা একটা ঘোষণা দিয়েছেন বিশেষ একটা কবিতা আবৃত্তি করে তার ইউটিউব এর লিংক শেয়ার করার জন্য। শুভ ভাই প্রথমে তাদের সুযোগ দেন যারা দাদার শেয়ারকৃত কবিতাটি আবৃত্তি করতে চান। এই ক্ষেত্রে প্রথমে
@saifulraju এবং তারপর
@selinasathi1 আপু কবিতাটি আবৃত্তি করেন শোনান। তাদের আবৃত্তি শোনার পর আমার বাংলা ব্লগের এক্সিকিউটিভ এ্যাডমিন
@blacks দাদা কিছু কথা বলেন। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এর এই কবিতাটি তার কাছে দারুণ লেগেছে, তিনি খুবই উচুঁ মানের একজন কবি। আধুনিক সাহিত্যে অপ্রতিদ্বন্দ্বী একজন কবি, এই কবিতারি মাধ্যমে উনি তার নিজের ভবিষ্যতের আকাংখাটি ফুটিয়ে তুলেছেন। তাই তিনি সেটা শেয়ার করেছেন এবং সবাইকে আবৃত্তি করার সুযোগ দিয়েছেন।
দাদা বলেন যারা কবিতাটি আবৃত্তি করেছে নিঃসন্দেহে তারা বেশ ভালো করেছেন কিন্তু সেখানে কবিতাটির মূল ভাব প্রকাশ পাচ্ছে না। যেহেতু সময় খুবই ছিলো সেহেতু তারা কবিতাটির মূল বিষয়টি বুঝতে পারেন নাই। কবিতার ভাব প্রকাশ না পেলে কবিতার উপর অবিচার করা হবে। তাই উনি নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিষয়টি নিয়ে, পরবর্তীতে একটা পোষ্ট করবেন এবং প্রাইজ পুল বাড়িয়ে সবাইকে নতুনভাবে সুযোগ দেয়া হবে অংশগ্রহন করার এবং কবিতার ভেতরে প্রবেশ করে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করার। পরিবর্তী বৃহস্পতিবার তার ফলাফল ঘোষণা করা হবে। কবিতাটা ভালোভাবে পড়ে, অর্থটা বুঝে তারপর আবৃত্তি করুক। কবিতা না বুঝলে সেটার সঠিক অর্থ প্রকাশ পায় না। কবিতাটি অনেক বড় এবং বেশ কঠিনও। যারা পাঠ করেছেন তারা সুন্দর করেছেন, তবে কবিতাটির সঠিক ভাবটা প্রকাশ পাচ্ছে না। তাই সবাইকে সময় দিয়ে আবার সুযোগ দেয়া হবে, প্রাইজ পুল বেশী থাকবে। তারপর বাকী যারা পাঠ করতে চেয়েছেন শুভ ভাই তাদের সুযোগ দেন
@mostafezur001,
@steem-for-future,
@Saymaakter,
@sajjadsohan,
@munna101 এবং
@ferdous3486।

এরপর শুরু হয় যথারীতি গানের আসর, সবাইকে নিজেদের নাম এন্ট্রি দেয়ার সুযোগ দেয়া হয় প্রতমে তারপর একে একে
@jahidulislam01 কবিতা,
@mrnazrul কবিতা,
@hsiddiqui79 গজল,
@amitab গান এবং
@santa14 গজল গেয়ে শুনান সবাইকে। সবাই বেশ মুগ্ধ হয়ে তা শ্রবণ করেন এবং কমিউনিটির পক্ষ হতে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয় লিকুইড স্টিম দিয়ে।
এরপর প্রশ্ন-উত্তর পর্ব শুরু করা হয়, সবাইকে কমিউনিটি নিয়ে বা নিজেদের যে কোন সমস্যা নিয়ে প্রশ্ন করার সুযোগ দেয়া হয়। শুধুমাত্র একজন ইউজার প্রশ্ন করনে
@shuvo2021 তারপর শুভ ভাই তার উত্তর শেয়ার করেন। আর কোন ইউজার প্রশ্ন না করলে এই পর্ব শেষ করা হয় এবং সব শেষে শুভ ভাই তার নিজের কিছু অনুভূতি শেয়ার করেন।
এরপর সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে শুভ ভাই হ্যাংআউটের সপ্তাপি ঘোষণা করেন।
ধন্যবাদ সবাইকে।
@hafizullah
Community TEAM
@rme ADMIN ✠ Founder 🔯
@blacks ADMIN Executive Admin ♛
@winkles ADMIN Admin India Region 🇮🇳 ✨
@rex-sumon ADMIN Admin Quality Controller ✨
@hafizullah ADMIN Admin Bangladesh Region 🇧🇩 ✨
@shuvo35 ADMIN Admin Bangladesh Region 🇧🇩 ✨
@moh.arif ADMIN Admin Bangladesh Region 🇧🇩 ✨
@rupok MOD Community Moderator 🇧🇩 ✨
@alsarzilsiam MOD Community Moderator 🇧🇩 ✨
@kingporos MOD Community Moderator 🇮🇳 ✨
@nusuranur MOD Community Moderator 🇧🇩 ✨
@tangera MOD Community Moderator 🇧🇩 ✨
@brishti MOD Community Moderator 🇧🇩 ✨
@ayrinbd MOD Community Moderator 🇧🇩 ✨
@shy-fox MOD Extreme Curator 🐺
@abb-school MOD Steem School ✍
@endplagiarism04 MOD Steemit Watcher 🔍
@amarbanglablog MOD Primary Curator ♛♝
@royalmacro MOD Secondary Curator ♝
@curators MOD Secondary Curator ♝
@photoman MOD Secondary Curator ♝

Support
@heroism Initiative by Delegating your Steem Power and get Amazing Support
আসলে 42 নম্বর হ্যাংআউটি ছিল একটি স্মরণীয় হ্যাংআউট। পবিত্র মাহে রমজানের এই দিনে আমার কাছে একটি বিশেষ হ্যাংআউট মনে হয়েছে। কারণ ইফতারের পর যখন অ্যানাউন্সমেন্টে দাদার ঘোষণাটি দেখি তখন থেকে কবিতাটি পাঠ করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিলাম। কিন্তু নামাজ,আজান এবং পাশের বাড়ির শব্দের জন্য কবিতা পড়তেই পারছিলাম না অনেক কষ্ট করে কবিতাটি পাঠ করেছিলাম।একপ্রকার যুদ্ধ করে।এই কবিতাটি জীবনের প্রথম সেদিন পাঠ করেছি।♥♥
জ্বী আমার বাংলা ব্লগের প্রথম রমযান হ্যাংআউট, একটা ভিন্ন অনুভূতি জাগ্রত ছিলো।
আমার বাংলা ব্লগের হ্যাংআউট মানে জমজমাট দিন ।আমার বাংলা ব্লগ মানে ক্লান্তি দূর হওয়ার দিন। অসংখ্যা ধন্যবাদ হ্যাংআউট এর বিষয়বস্তু সংক্ষেপে এই পোস্টের মাধ্যমে তুলে ধরার জন্য ।ভালো থাকুন সবসময়।
আসলেই ভাই, সেই গভীর রাত পর্যন্ত সবাই বেশ আনন্দ নিয়ে উপভোগ করি।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.

Please check my new project, STEEM.NFT. Thank you!
সারাদিন রোজা থাকায় সন্ধ্যার পর খুবই ক্লান্ত লাগছিল, বারবার ভাবছিলাম কখন হ্যাংআউট শুরু হবে। দেখতে দেখতই সময় গড়িয়ে ১১ টা বেজে গেল। যখনই হ্যাংআউট শুরু হল তখনই সব ক্লান্তি যেন কোথায় গায়েব হয়ে গেল। সত্যিই প্রত্যেকবারের মতো কালকের হ্যাংআউটটিও অসাধারণ হয়েছে। খুবই উপভোগ করেছি কালকের হ্যাংআউটটি।
যাইহোক আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই এত সুন্দর করে ৪২তম হ্যাংআউট এর রিপোর্ট আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য।
আসলেই ক্লান্ত শরীর নিয়ে সবাই হ্যাংআউটের জন্য অপেক্ষা করেছে, এটাই কমিউনিটির প্রতি সকলের ভালোবাসা।
রমজানে প্রথমবার গতকালকে হ্যাংআউট অনুষ্ঠিত হয়েছিল। শরীরের ক্লান্তি নিয়ে হলেও হ্যাংআউটে উপস্থিত হতে চেষ্টা করেছি ।খুবই ভাল লেগেছিল সবার সাথে সময় কাটিয়ে। আর সব সময় এত সুন্দর করে গুছিয়ে সবটা উপস্থাপন করে আপনি আবারও হ্যাংআউট এর আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দেন ।অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া আপনাকে ভালো থাকবেন।
জ্বী আমার বাংলা ব্লগের এটাই প্রথম রমযান, একটু ভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছিলো কাল তাই।
Congratulations, your post has been upvoted by @dsc-r2cornell, which is the curating account for @R2cornell's Discord Community.
প্রত্যেকবারের মতো এবারও আপনি খুব সুন্দর ভাবে হ্যাঙ্গআউট এর রিপোর্ট তৈরি করেছেন। আর আমি আবার এত রাত পর্যন্ত জেগে থাকতে পারিন। তাই হ্যাংআউট এর আগেই দুই ঘণ্টা ঘুমিয়ে নিয়েছিলাম । কারণ আমি হ্যাঙ্গআউট মিস করতে চাইনি। যাইহোক ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর একটি রিপোর্ট আমাদের মাঝে উপস্থিত করার জন্য শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
হুম, বুঝতে পারছি আপনাকে রোজায় ধরেছিলো হা হা হা।
🤣😂😆
হ্যাং আউট মানেই অন্যরকম কিছু।গান আড্ডা সব মিলিয়ে দারুন একটা পরিবেশ।খুব অধীর আগ্রহে থাকি এই দিনটির জন্য।
দারুণ দারুণ একটা পরিবেশ বিড়াজ করতেছিলো, শুভ ভাইতো ঘুমাতেই চায় না হা হা হা।
আমারও তো একই অবস্থা☺️
সাপ্তাহিক হ্যাংআউট রিপোর্ট পড়ে খুবই ভালো লাগলো ভাইয়া। আপনি অনেক সুন্দর করে খুঁটিনাটি প্রত্যেকটি বিষয়ে আপনার এই রিপোর্টে প্রকাশ করেছেন। প্রত্যেক বৃহস্পতিবারের মতো আমরা সকলেই এই হ্যাংআউটের অপেক্ষায় ছিলাম। তবে সময়টা যদিও একটু দেরিতে ছিল তাই অপেক্ষার প্রহর আরো বেশি গুনতে হয়েছে। তবে যাই হোক সব মিলিয়ে অনেক সুন্দর সময় কাটিয়েছি আমরা। আপনি সুন্দর করে প্রতিটি মুহূর্ত আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন এ জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
হ্যা, কারন তারাবীর নামাজ পড়ার পর খাওয়ার একটা বিষয় ছিলো।
হাংআউট যে এত সুন্দর হয় তা আমার জানা ছিল না আমি প্রথম কালকে হ্যাংআউটে ছিলাম, আমি খুব আনন্দ পেয়েছি এবং অনেক ভালো লেগেছে, পরবর্তী সময় গুলোতে সব সময় হয় না উঠলে উপস্থিত থাকার চেষ্টা করব
তাহলে তো আপনার অনুভূতিটা বেশী কার্যকর ছিলো কাল।
হ্যা ভাই অনেক আনন্দ ময় সময় কাটালাম