মুগ ডাল দিয়ে খাসির মাংসের রেসিপি
আসসালামুআলাইকুম সবাইকে।
আমার বাংলা ব্লগের বন্ধুরা কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমিও ভাল আছি আলহামদুলিল্লাহ।
আজকে আবার হাজির হয়ে গেলাম নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। আজকে আপনাদের সঙ্গে একটি মজাদার রেসিপি শেয়ার করবো। সেটি হল খাসির মাংস দিয়ে মুগ ডালের রেসিপি। খাসির মাংস খেতে আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। খাসির মাংস যেভাবেই রান্না করা হোক না কেন খেতে খুব সুস্বাদু হয়। বিশেষ করে খাসির রেজালা। তাছাড়া এভাবে মুগ ডাল দিয়ে রান্না করলেও খেতে খুব ভালো লাগে। এই রেসিপিটা আমি খেয়েছিলাম সুমা আপুর বাসায়। ওর বাসায় খাওয়ার পর আমার এত ভালো লেগেছিল যে আমি বাসায় এসে রান্না করেছি। এভাবে মুগডাল দিয়ে খাসির মাংস রান্না করলে রুটি অথবা পরোটার সঙ্গে খেতে খুবই ভালো লাগে। আশা করি আমার আজকের রেসিপিটি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে। আপনারাও এভাবে বাসায় রান্না করে খেয়ে দেখতে পারেন।
মুগ ডাল--১/২ কাপ
পিঁয়াজ--৭টি
কাঁচামরিচ--৬টি
আদা বাটা--১.৫ টেবিল চামচ
রসুন বাটা--১.৫ টেবিল চামচ
হলুদের গুড়া--২ চা চামচ
মরিচের গুঁড়া--১.৫ চা চামচ
ধনিয়া গুড়া-- ১.৫চা চামচ
গরম মসলার গুঁড়া-- ২চা চামচ
তেজপাতা-- ১ টি
লং--৪টি
এলাচ--৩টি
তেল-- পরিমাণমতো
প্রথমে মুগডালগুলোকে ভালোমতো ভেঁজে নিয়েছি। তারপর পানি দিয়ে এক ঘন্টা ভিজিয়ে রেখেছি। এক ঘন্টা পর পানি ঝরিয়ে নিয়েছি।
চুলায় একটি ফ্রাইপ্যান বসিয়ে দিয়ে তার মধ্যে পরিমাণ মতো তেল দিয়ে এলাচ, তেজপাতা এবং লং দিয়ে একটু ভেজে নিয়েছি। তারপর পিঁয়াজ এবং কাঁচামরিচ দিয়েছি।
পিঁয়াজ, কাঁচা মরিচ একটু ভেঁজে নিয়ে বাটা মশলাগুলো দিয়ে দিয়েছি। বাটা মশলাগুলো দিয়ে একটু নেড়েচেড়ে নিয়ে গুড়া মসলাগুলো দিয়ে দিয়েছি।
এখন সব মসলাগুলো ভালোমতো কষিয়ে নিয়েছি। তারপর ধুয়ে রাখা মাংসগুলো দিয়ে দিয়েছি।
মাংশগুলো মসলার সঙ্গে ভালো মতো মিশিয়ে একটু কষিয়ে নিয়েছি। তারপর সামান্য একটু পানি দিয়ে মাংসগুলো আবারো ভালোমতো কষিয়ে নিব।
পানি শুকিয়ে মাংসগুলো ভালোমতো কষানো হয়ে গেলে ধুয়ে রাখা মুগডাল গুলো দিয়ে দিব।
মুগ ডালগুলো মাংসের সঙ্গে ভালো মতো মিশিয়ে নিয়ে আবারো বেশ কিছুক্ষণ কষিয়ে নিব। তারপর পরিমাণ মতো পানি দিয়ে দিব পুরোপুরি সিদ্ধ হওয়ার জন্য।
মাংসগুলো পুরোপুরি সিদ্ধ হয়ে গেলে আস্ত কাঁচা মরিচ দিব। তারপর ঝোল কমে আসলে চুলা বন্ধ করে দিব।
এখন একটি বাটিতে পরিবেশনের জন্য উঠিয়ে নিয়েছি। আশা করি আমার আজকের রেসিপিটি আপনাদের ভালো লেগেছে। সময় নিয়ে আমার পোস্টটি দেখার জন্য সকলকে ধন্যবাদ। সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। পরবর্তীতে দেখা হবে আবার নতুন কিছু নিয়ে।
ধন্যবাদ
@tania
| Photographer | @tania |
|---|---|
| Phone | oppo reno5 |
| আমি তানিয়া তমা। আমি বাংলাদেশে থাকি। ঢাকায় বসবাস করি। আমি বিবাহিত। আমার দুটি ছেলে আছে। আমার শখ রান্না করা, শপিং করা, ঘুরে বেড়ানো। আমি বাংলায় কথা বলতে ভালোবাসি। আমি আমার বাংলাদেশকে ভালবাসি। |
|---|
VOTE @bangla.witness as witness OR SET @rme as your proxy
আপু আপনি তো আমার অনেক পছন্দের একটা রেসিপি তৈরি করেছেন। খাসির মাংস আমার অনেক বেশি পছন্দের। আর যদি এরকম ভাবে মুগ ডাল দিয়ে খাসির মাংসের রেসিপি তৈরি করা হয় তাহলে তো কোন কথা নেই। আপনি একবার খাওয়ার পরে আপনার আপুর বাসা থেকে এসেই তৈরি করে ফেলেছিলেন। নিশ্চয়ই খুব মজা করে খাওয়া হয়েছিল এই রেসিপিটা।
আপনার পছন্দের রেসিপি শেয়ার করেছি জেনে ভালো লাগলো আপু। ধন্যবাদ গঠনমূলক মন্তব্য করার জন্য।
মুগ ডাল দিয়ে খাসির মাংস রান্নার রেসিপি দেখে লোভ সামলানো মুশকিল। ইস আগে যদি একটু বলতেন তাহলে হয়তো দাওয়া খাওয়া যেত। সত্যি এই রেসিপি কিন্তু রুটি বা পরোটার সাথে খেতে দারুণ মজার হয়। আপনার রেসিপি কালারটা দারুণ এসেছে। ধন্যবাদ আপনাকে সুস্বাদু একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
ধন্যবাদ আমার পোস্টটি দেখার জন্য এবং সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য।
দারুন একটা রেসিপি আপু এভাবে মুগ ডাল দিয়ে রান্না করলে খেতে আমারও অনেক ভালো লাগে। একদম ঠিক বলছেন এই ধরনের মুগ ডাল দিয়ে রান্না করা তরকারি রুটি পরোটার সাথে খেতেও অসাধারণ হয়। বেশ মজার করে তৈরি করলেন খাসির মাংস মুগ ডাল দিয়ে। দেখে তো অনেক ভালো লাগলো অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
আসলেই মুগডাল দিয়ে খাসির মাংস খেতে খুবই ভালো লেগেছিল। ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্য করার জন্য।
মুগ ডাল দিয়ে খাসির মাংসের রেসিপি দেখতে বেশ লোভনীয় লাগছে আপু। গতকাল বিকেলে বাসায় একটি খাসি জবাই করেছিলাম খাওয়ার জন্য। একেবারে তাজা খাসির মাংস খেতে খুবই সুস্বাদু লেগেছিল। প্রথমে ভেবেছিলাম আপনার মতো করে মুগ ডাল দিয়ে রান্না করবো। কারণ এই রেসিপিটা ছোটবেলা থেকেই আমার খুব পছন্দ। তবে পরবর্তীতে খাসির রেজালা তৈরি করেছিল আম্মু। কিন্তু ২/৩ দিন পর এই রেসিপিটা আমিও তৈরি করবো। যাইহোক এতো লোভনীয় একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
রাজশাহী থাকতে আমরাও এমন করতাম। একবারে একটা খাসি এনে জবাই করে মাংস নিয়ে নিতাম বাজারের কেনার মাংসের থেকে খুবই ভালো হতো। যাই হোক বেশ মজা করে খেয়েছেন হয়তো। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
আপনি ঠিক বলেছেন আপু, বাজারের কেনা মাংসের চেয়ে বাসায় এনে খাসি জবাই করে, তাজা মাংস খাওয়ার মজাই আলাদা। হ্যাঁ আপু খুব মজা করে খেয়েছি। সুন্দর ফিডব্যাক দেওয়ার জন্য আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
খাসির মাংস যেভাবে রান্না করা হোক না কেন খেতে বেশ ভালো লাগে। খাসির মাংস আমার বুটের ডাল দিয়ে রান্না করা হয়েছে কিন্তু এভাবে কখনো মুগ ডাল দিয়ে রান্না করা হয়নি। আশা করি এভাবে রান্না করলে খেতেও বেশ টেস্ট হবে। আর দেখে বোঝা যাচ্ছে এটি পরোটা বা রুটির সাথে খেতে বেশ ভালো লাগবে।
ঠিক বলেছেন আপু খাসির মাংস আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। তা যেভাবেই রান্না হোক না কেন। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
মুগ ডালের সাথে মাংসের রেসিপি আমার খুবই খুবই ফেভারেট।
আপনার প্রস্তুত করার রেসিপি দেখে তো ইচ্ছে করছে রুটি অথবা পরোটা নিয়ে বসে যাই 😋😋😋
সকাল সকাল খুব লোভে পড়ে গেলাম আপনার এমন মজাদার রেসিপি দেখে। খেতে নিশ্চয়ই খুব মজা হয়েছিল 😋😋
ভাইয়া আপনিও এভাবে বাসায় রান্না করে খেতে পারেন। খুব মজা লাগে। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্য জন্য।
আপনি মুগ ডাল দিয়ে খাসির মাংসে রেসিপি শেয়ার করেছেন তা দেখে লোভনীয় মনে হচ্ছে। খাসির মাংস সকলেই প্রায় ভালোবাসে।আর এই মাংস যেভাবে রান্না করা হোক না কেন খেতে অনেক মজাদার। খাসির মাংস আমি অনেক বার খেয়েছি কিন্তু আপনার পোস্টে বলেছেন যে এমন করে খাওয়া হয়নি।তাই চেষ্টা করব এমন করে তৈরি করে খাওয়ার। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমাদের মাঝে এত সুন্দর মজাদার রেসিপি শেয়ার করার জন্য ভালো থাকবেন।
অবশ্যই ভাইয়া এভাবে একবার বাসায় রান্না করে খেয়ে দেখবেন। খুবই ভালো লাগবে খেতে। ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্য করার জন্য।
আপু এত রাতে এমন লোভনীয় রেসিপি শেয়ার করে খিদা লাগিয়ে দিয়েছেন। আমার কাছে মুগ ডালের রেসিপি খেতে অনেক ভালো লাগে। মুখ ডাল দিয়ে এভাবে খাসির মাংস রান্না করলে খেতে আরো বেশি ভালো লাগে। আপনার উপস্থাপনা খুব লোভনীয় দেখাচ্ছে। ধাপগুলো খুব সুন্দর ভাবে বর্ণনা করেছেন। ধন্যবাদ মজাদার রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
পোস্ট করার সময় আমার নিজেরই তো আবার খেতে ইচ্ছা করছিল। যাইহোক আপু ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
খাসির মাংস দিয়ে মুগ ডালের দারুন একটা রেসিপি তৈরি করে আজকে আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করলেন। এই ধরনের লোভনীয় রেসিপিগুলো দেখলে কোনভাবেই লোভ সামলে থাকা যায় না।
ঠিক বলেছেন ভাইয়া এরকম লোভনীয় রেসিপি দেখলে আসলেই লোভ সামলানো যায় না। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।