মজাদার পাস্তার রেসিপি
আসসালামুআলাইকুম সবাইকে।
আমার বাংলা ব্লগের বন্ধুরা কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও ভালো আছি আলহামদুলিল্লাহ।
আজকে আবার হাজির হয়ে গেলাম নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। আজকে আপনাদের সঙ্গে মজাদার পাস্তার রেসিপি শেয়ার করবো। বিকাল হলেই ছেলেদের বিভিন্ন ধরনের নাস্তার বায়না আসে। বেশিরভাগ সময় ঝাল জাতীয় খাবার খেতে চায়। মিষ্টি জাতীয় কোন খাবার একদম খেতে চায় না আমার বড় ছেলে। আমারও অবশ্য মিষ্টি জাতীয় খাবার পছন্দ না। ঝাল জাতীয় খাবারই ভালো লাগে। তাছাড়া বিকালবেলা ঝাল কোন কিছু খেয়ে চা খাওয়ার মজাই আলাদা। সব সময় তো নুডুলস রান্না করি। তাই ভাবলাম যে আজকে একটু পাস্তা রান্না করি। এর আগে পাস্তা রেস্টুরেন্ট স্টাইলে রান্না করেছিলাম। তাই আজকে নিজের মতো করে রান্না করেছি। অনেকটা নুডুলস এর মত করে। আজকের পাস্তা রান্নার পর মাটির পাত্রে সার্ভ করেছিলাম। এই মাটির বাটিটি আড়ং থেকে কিনেছিলাম। এর আগে ইউজ করা হয়নি। আজকেই প্রথম ইউজ করলাম। দেখতে ভালোই লাগছিলো। যাই হোক এভাবে পাস্তা রান্না করলে খেতে খুবই মজা লাগে। আশা করি আপনাদের কাছেও ভালো লাগবে।
মুরগির মাংস
পিঁয়াজ
কাঁচা মরিচ
পাস্তা মসলা
মরিচের গুঁড়া
গরম মসলার গুঁড়া
লবন
তেল
সয়া সস
আদা বাটা
রসুন বাটা
ডিম
প্রথমে মাংসগুলো নিয়ে তার ভিতরে আদা বাটা, রসুন বাটা, লবণ, মরিচের গুঁড়া এবং গরম মসলার গুড়া দিয়ে বেশ কিছুক্ষণ মেরিনেট করে রেখে দিয়েছিলাম।
চুলায় একটি পাত্র বসিয়ে তার মধ্যে পানি এবং তেল দিয়েছি। তারপর পানি ফুটতে শুরু করলে পাস্তাগুলো দিয়ে দিয়েছি।
পাস্তাগুলো মোটামুটি সিদ্ধ হয়ে গেলে একটি চালনিতে পানি ঝরিয়ে নিয়েছি।
চুলায় একটি প্যান বসিয়ে তার মধ্যে পরিমাণ মতো তেল দিয়েছি। তেল গরম হলে পিঁয়াজ এবং কাঁচামরিচ দিয়েছি। পিয়াজ কাঁচামরিচগুলো একটু ভেঁজে নিয়ে ডিম দিয়েছি। সামান্য একটু লবন দিয়ে ডিম গুলো মসলার সঙ্গে ভালো মতো মিশিয়ে নিয়েছি।
তারপর মেরিনেট করা মাংসগুলো দিয়ে আবারো ভালোমতো ভেঁজে নিয়েছি।
এখন সিদ্ধ করে রাখা পাস্তাগুলো দিয়ে মসলার সঙ্গে ভালো মতো মিশিয়ে নিয়েছি।
বেশ কিছুক্ষণ ভেঁজে নিয়ে পাস্তার মসলা দিয়ে দিয়েছি। তারপর আবারো কিছুক্ষণ ভেঁজে নিয়েছি।
তারপর সস দিয়ে আবারো বেশ কিছুক্ষণ ভেঁজে নিয়ে চুলা বন্ধ করে দিয়েছি।
এভাবে আমার পাস্তা তৈরি হয়ে গেলো। আশা করি আপনাদের ভালো লেগেছে। সময় নিয়ে আমার পোস্টটি দেখার জন্য সকলকে ধন্যবাদ। সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। পরবর্তীতে দেখা হবে আবার নতুন কিছু নিয়ে।
ধন্যবাদ
@tania
| Photographer | @tania |
|---|---|
| Phone | oppo reno5 |
| আমি তানিয়া তমা। আমি বাংলাদেশে থাকি। ঢাকায় বসবাস করি। আমি অর্থনীতিতে অনার্স মাস্টার্স কমপ্লিট করেছি। আমি বিবাহিত। আমার দুটি ছেলে আছে। আমার শখ রান্না করা, শপিং করা,আর্ট করা, ঘুরে বেড়ানো। আমি বাংলায় কথা বলতে এবং ব্লগিং করতে ভালোবাসি। আমি আমার বাংলাদেশকে ভালবাসি। |
|---|
VOTE @bangla.witness as witness OR SET @rme as your proxy

Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
জীভে তো জল চলে আসলো আপু যে রেসিপি পোস্ট দেখালেন। এখনতো কোনো রকমেই আর লোভ সামলাতে পারছি না রেসিপিটা দেখে। দেখেই তো বোঝা যাচ্ছে এটা খেতে কতটা সুস্বাদু হয়েছিল। ইচ্ছে তো করছে এখান থেকে কিছুটা নিয়ে খেয়ে ফেলি।
আপনার রেসিপি পোস্ট পড়তে খুব ভালো লাগলো। পাস্তার রেসিপির বর্ণনা এত সুন্দর করে দিয়েছেন যে মনটা খেতে চাইছে! মাটির পাত্রে পরিবেশন করার আইডিয়াটাও দারুণ হয়েছে। আপনার রান্নার আরও রেসিপি শেয়ার করার অপেক্ষায় থাকলাম। শুভকামনা রইলো!
মজাদার পাস্তার রেসিপি দেখে অনেক ভালো লাগলো। পাস্তা ভালোই লাগে তবে নুডুলসের মত মজা পায় না। খুবই সুন্দর রেসিপি হয়েছে।
পাস্তা খেতে কার না ভালো লাগে। ছোট হোক বা বড় সবাই কিন্তু পাস্তা খেতে অনেক পছন্দ করে। আমি নিজেও পাস্তা অনেক পছন্দ করি। আজকে আপনার এই মজাদার রেসিপিটি দেখে আরো লোভ লেগে গেল। কিছুদিন আগে আমি নুডুলস দিয়ে পাস্তা রেসিপিটি তৈরি করেছিলাম। আজকে আপনার রেসিপিটি দেখে ওই দিনের কথা মনে পড়ল। যাইহোক এত সুন্দর একটি রেসিপি তৈরি করার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
অনেক মজাদার রেসিপি তৈরি করেছেন তো আপনি। দেখেইতো জিভে জল চলে আসলো। মজার মজার খাবার গুলো খেতে আমি অনেক বেশি পছন্দ করি। এই ধরনের খাবার গুলো দুপুরবেলায় বেশি মজা করে খাওয়া যায়। আপনার তৈরি করা আজকের রেসিপি টা আমার খাওয়া হয়েছে অনেকবার। এটা কিন্তু আমার মজা লাগে খেতে। মজার মজার রেসিপি দেখলে ইচ্ছে করে খেয়ে ফেলি।
খুবই সুস্বাদু দেখা যাচ্ছে আপনার তৈরি করা আজকের এই পাস্তা রেসিপি। যেভাবে আপনি আজকের সুস্বাদু পাস্তা রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন তা যেরকম সুস্বাদু দেখা যাচ্ছে তেমনি এটি তৈরি করার ধাপগুলো একের পর এক আপনি খুবই সুন্দরভাবে শেয়ার করেছেন৷ এগুলো দেখে মনে হচ্ছে এখনই যেন এখান থেকে নিয়ে খেয়ে ফেলি৷