কচুর মুখি দিয়ে রুই মাছের ঝোল
আ মার বাংলা ব্লগের সকল বাংলাভাষী ব্লগার ভাই এবং বোনদের আমার সালাম এবং আদাপ। সবাই কেমন আছেন? আশা করি সবাই মহান সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে অনেক ভালো আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় এবং মহান সৃষ্টিকর্তার রহমতে অনেক ভাল আছি।
আজকাল প্রচুর মুখী অথবা কচুর বই খুবই জনপ্রিয় একটি সবজি। কোন কোন এলাকায় এই কচুর মুখী অথবা বইকে কচুর মুড়ো ও বলা হয়ে থাকে। আমাদের এলাকায় কচুর মুখীকে বলা হয় কচুর বই। কচুর মুখি খেতে যেমন মজা তেমনই আমাদের শরীরের জন্য এটা ভীষণ পুষ্টিকর একটি সবজি। আয়রন প্রচুর মুখের মূল উপাদান যা আমাদের শরীরের রক্তের হিমোগ্লোবিন অনেক গুনে বাড়িয়ে দেয়।
কচুর মুখি আমরা বিভিন্নভাবে খেতে পারি, যেমন কচুর মুখি চাইলে শুধু মাছ দিয়ে ঝোল করে খাওয়া যায় অথবা আমরা চাইলেই কচুর মুখী ভর্তা করে খেতে পারি। কচুর মুখির তরকারি যেমন মজার হয় তেমনি এর ভর্তাও খেতে ভীষণ সুস্বাদু হয়ে থাকে। অন্যান্য অঞ্চলে এই কচুর মুখী আরো বিভিন্নভাবে খায় আমার জানা মতে।
আজ আমি আপনাদের মাঝে কচুর মুখি দিয়ে রুই মাছের ঝোল রান্নার রেসিপি উপস্থাপন করব। কচুর মুখিতে রুই মাছ দেয়ার আগে রুইটি একটু ভেজে নিয়েছি এর ফলে মাছের স্বাদ আমরা আরো ভালোভাবে নিতে পারব। যাইহোক বন্ধুরা তাহলে চলুন বেশি দেরি না করে রেসিপিটি দেখে আসা যাক।
⊕ ধাপ-১ ⊕
প্রথমে কেটে নেয়া মাছগুলো একটি বাটিতে নেব এবং সেখানে প্রয়োজনীয় মসলা গুলো দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে নেব।
তারপর একটি ফ্লাইং প্যানে আমরা পরিমাণ মতো তেল ঢেলে নেব, তেলগুলো গরম হয়ে এলে একটি একটি করে মাছ ফ্রাইং প্যানে ছেড়ে ভেজে নিতে হবে।
মাছগুলো এরকম ভাজা হয়ে এলে ফ্রাইং প্যান থেকে নামিয়ে নিতে হবে।
⊕ ধাপ-২ ⊕
এবার চুলয় একটি বড় কড়াই বসিয়ে নেব।
তারপর করে কিছু সয়াবিন তেল ঢেলে নেব তেলগুলো গরম হয়ে এলে পেঁয়াজ কুঁচি গুলোকে তেলে ছেড়ে দেব।
পেঁয়াজ কুচি গুলো বাদামি বর্ণের হয়ে এলে চুলো থেকে নামিয়ে নিতে হবে।
⊕ ধাপ-৩ ⊕
এবার কচুর মুখি গুলোকে কড়াইয়ে ঢেলে নেব।
তারপর পরিমাণ মতো লবণ কড়াইয়ে যোগ করব।
এবার কড়াইয়ে পরিমাণ মতো সবগুলো মসলা যোগ করব। তারপর মসলাগুলোকে ভালো করে নাড়িয়ে চাড়িয়ে কচুর মুখি গুলোকে কিছুক্ষণ কষিয়ে নিতে হবে।
এবার পরিমাণ মতো পানি কড়াইয়ে যোগ করব।
কড়াইয়ের পানি গুলো একটু ভারী হয়ে এলে ভেজে নেয়া মাছগুলোকে আমরা কড়াইয়ে ছেড়ে দেব।
⊕ ধাপ-৪ ⊕
তারপর কচুর মুখি গুলো সেদ্ধ হয়ে এলে উপর দিয়ে বেরেস্তাগুলোকে ছিটিয়ে দিলেই তৈরি হয়ে যাবে এই মজাদার রেসিপিটি ।
আশা করি আমার আজকের রেসিপিটি আপনাদের কাছে ভালো লেগেছে। সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমার এই পোষ্টে আসার জন্য। আপনাদের সাথে আবারও দেখা হবে আমার নতুন কোন এক পোস্টে সে অব্দি সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন শুভকামনা রইল সকলের জন্য।| YouTube |
|---|
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
কচুর মুখি ও রুই মাছ দিয়ে খুব সুস্বাদু একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন এবং পরিবেশনটি খুব সুন্দর ছিল। ধন্যবাদ আপনাকে ভালো থাকবেনম
https://twitter.com/mahir4221/status/1553422096499351560?t=s_giHXTCap0AFANXj8wfUA&s=19
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.

আমার এই তরকারিটা বেশ ভালই লাগে, কচু তেমন ভাল না লাগলেও কচুর মুখি বেশ ভালই লাগে, সেই সাথে যদি হয় রুই মাছ তাহলে তো কথাই নেই, চমৎকার ছিল আপনার আজকে রেসিপিটি শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
ভাগ্নে গতকাল আমিও এই রেসিপি শেয়ার করেছিলাম। খুবই স্বাদ হয়েছিল খেতে। তোমার রেসিপিটি দেখে মনে হচ্ছে খেতে খুবই মজার হয়েছে। রেসিপির কালার দেখতে খুবই ভালো লাগছে। প্রতিটি ধাপ খুব সুন্দরভাবে তুলে ধরার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
কচুর মুখি দিয়ে খুব সুন্দর করে রুই মাছের ঝোলের রেসিপি আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। যা দেখে বোঝা যাচ্ছে যে অনেক সুস্বাদু হয়েছে। খুব সুন্দর উপস্থাপনা করেছেন আপনি। শুভকামনা রইলো ভাইজান আপনার জন্য।
কচুর মুখি দিয়ে মজাদার কই মাছের রেসিপি তৈরি করেছেন ভাইয়া।যা দেখে মনে হচ্ছে খেতে খুবই সুস্বাদু হয়েছে। এত সুন্দর এবং মজাদার একটি রেসিপি আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
আমার পছন্দের কিছু মাছ এর মধ্যে রুই মাছও আছে । যেহেতু আমি কচু খাই না কিন্তু সুস্বাদু খাবার পছন্দ করি সেটা কচু দিয়ে হোক না কেনো। আমার মনে হয় কচু দিয়ে রুই মাছের রেসিপি খুব সুস্বাদু হবে। রেসিপিটি দেখে আমার জিভে জল এসে গেল।
কচুর মুখি দিয়ে মজাদার রুই মাছের ঝোল রেসিপি তৈরি করলেন। আসলে কচুমুখী দিয়ে রুই মাছ এবং ইলিশ মাছ খেতে খুবই মজা লাগে। আপনার রেসিপির উপস্থাপন আমার অনেক ভালো লেগেছে। দেখেও শিখতে পারলাম। শুভকামনা রইল।