"বড়ই আচার"।১০% লাজুক শেয়ালের জন্য।
আসসালামু-আলাইকুম।
কেমন আছেন বন্ধুরা। আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালই আছি। আজ আমি আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করব মজাদার এবং সুস্বাদু বড়ই আচার রেসিপি। আচার কমবেশি সবাই পছন্দ করে। আমারও আচার খেতে ভীষণ ভালো লাগে। যেকোনো ধরনেরই আচার হোক না কেন তা খেতে আমার খুবই ভালো লাগে। সব ধরনের আচার বানাতেই আমার ভালো লাগে। বড়ই গুলো সিজনের সময় ভালোভাবে রোদ দিয়ে রেখে দিয়েছিলাম। কয়েকদিন আগে সেই বড়ই দিয়ে আচার বানিয়েছি। সেই আচারই আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করতে যাচ্ছি। এবার তাহলে চলুন দেখে নেয়া যাক আমি কিভাবে বড়ই আচার তৈরি করেছি।
প্রয়োজনীয় উপকরণ
| উপকরণের নাম | পরিমাণ |
|---|---|
| বড়ই | আধা কেজি |
| চিনি বা গুড় | পরিমাণ মতো |
| শুকনা মরিচ | ৫/৬ টি |
| পাঁচফোড়ন | ২ চা চামচ |
| রসুন বাটা | ১ চা চামচ |
| হলুদের গুঁড়া | ১ চা চামচ |
| জিরার গুড়া | আধা চা চামচ |
| শুকনা মরিচের গুড়া | পরিমাণ মতো |
| লবণ | পরিমাণমতো |
| সরিষা তেল | আধা কাপ |
প্রস্তুত প্রণালী
ধাপ ১ঃ
প্রথমে বড়ইগুলোকে ভালোভাবে পরিষ্কার করে ধুয়ে নিব। এরপর একটি প্রেসার কুকারে বড়ইগুলো সিদ্ধ করে নিব।
ধাপ ২ঃ
এরপর চুলায় একটি পাত্র নেই। পাত্রের মধ্যে পরিমান মতো সরিষার তেল দিয়ে দেই। সরিষার তেলের মধ্যে কয়েকটি শুকনা মরিচ দিয়ে একটু নাড়াচাড়া করে নেই। এরপর সিদ্ধ করে রাখা বড়ইগুলো এর মধ্যে দিয়ে দেই।
ধাপ ৩ঃ
এবার পরিমান মত গুর বা চিনি দিয়ে দেই।
ধাপ ৪ঃ
এরপর এর মধ্যে হলুদের গুঁড়া, শুকনা মরিচের গুড়া, জিরার গুঁড়া এবং পাঁচফোড়ন গুঁড়া দিয়ে দেই। এরপর পরিমানমতো লবণ দিয়ে দেই।
ধাপ ৫ঃ
এবার কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে সব উপকরণ ভালোভাবে মিশিয়ে চুলা থেকে নামিয়ে ফেলি।
ধাপ ৬ঃ
এবার এটি প্লেটে পরিবেশন করে নিয়েছি।
আজকের মত এ পর্যন্তই। আবার কথা হবে অন্য কোন বিষয় নিয়ে। সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এই কামনায় আজকের মতো এখানেই শেষ করছি।
| Photographer | @iraniahmed |
|---|---|
| Device | Samsung M01s |
এই সময়ে বড়ই আচার যেটা খুবই মজাদায়ক খাবার ।আমার কাছে আচার জাতীয় খাবার খেতে খুবই ভালো লাগে। যেটা পছন্দ নিও খাবার গুলোর মধ্যে একটি আপনার আচার রেসিপি খুবই সুন্দর হয়েছে।
আমার কাছেও আচার-জাতীয় খাবারগুলো খেতে খুবই ভালো লাগে। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
আপনার বড়ই আচার দেখে খুব খেতে ইচ্ছে করছে। দেখে জিভে জল চলে এসেছে। আচার খেতে কার না ভালো লাগে বলুন। আচার তৈরি পদ্ধতি খুব সুন্দর ভাবে আপনি উপস্থাপন করেছেন। তবে যে কোন আচার খেতে আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর আচারের রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য বড়ই আচার খেতে আমারও ভীষণ ভালো লাগে।
আপনার মত আমারও একই ধরনের অবস্থা আপু, কিন্তু আমার কাছে সব থেকে চালতার আচার বেশি ভালো লাগে।
আজকে আপনি আমাদের মাঝে খুবই সুন্দর ভাবে বড়ই এর আচার তৈরি করার পদ্ধতি শেয়ার করেছেন। আসলে আপনার তৈরি করা এ পদ্ধতিটি দেখে আমার জিভে জল চলে এসেছে।
চালতার আচার আমারও খেতে অনেক ভালো লাগে। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
বড়ই আচার গুলো খুবই লোভনীয় লাগছে দেখতে। বড়ই আচার খেতে আমার ভালই লাগে। তবে নিজে কখনো আচার তৈরি করা হয়নি। আপনি অনেক সুন্দর ভাবে আচার তৈরির পদ্ধতি উপস্থাপন করেছেন এবং শেখার সুযোগ করে দিয়েছেন এজন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপু।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্য করার জন্য। বড়ই আচার আসলেই খেতে অনেক ভালো লাগে।
বড়ই আচার আমার খুবই ফেভারিট। আপনি তো দেখছি আমার খুবই প্রিয় একটি আচার তৈরি করে ফেলেছেন। এখন তো কিছুতেই লোভ সামলাতে পারছি না। খুব সুন্দর ভাবে দক্ষতা সহকারে এই আচার তৈরি করে শেয়ার করেছেন। ধন্যবাদ জানাই শেয়ার করার জন্য।
এই আচার আপনার খুবই ফেভারিট জানতে পেরে খুবই ভালো লাগলো। বড়ই আচার আমারও অনেক পছন্দের।
আহ দেখেই শান্তি ছোটবেলায় কতইনা পছন্দের খাবার ছিল এটি, খুব মজা করে বরই আচার খেতাম ছোটবেলা, আর সেই পছন্দের খাবারের রেসিপি খুঁজে পেলাম আপনার পোষ্টের মাধ্যমে, শুভকামনা আপনার জন্য।
ছোটবেলায় এ আচার আপনার অনেক পছন্দের ছিল এই কথা জানতে পেরে খুবই ভালো লাগলো। আপনার জন্য রইল অনেক অনেক শুভকামনা।
বড়ই আচার আমার অনেক প্রিয়, অনেকের হয়তো তেতুলের আচার প্রিয়। তবে আমি বড়ই আচারটি বেশি পছন্দ করি। ধন্যবাদ আপনাকে খুব সুন্দর ভাবে ঘরোয়া পদ্ধতিতে বড়ই আচার আমাদের সাথে রেসিপি আকারে তুলে ধরার জন্য।
আমার প্রায় সব ধরনের আচারই অনেক পছন্দের। আচার খেতে আমার খুবই ভালো লাগে। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
আমি একটা সময় অনেক রকম আচার খেতাম, তবে ইদানিং খাওয়া যায় না। ধন্যবাদ আপনাকে ফিডব্যাক দেওয়ার জন্য।
বড়ই আচার দেখে যেন জিভে পানি চলে আসলো এটা আমার অনেক ভালো লাগে। তবে আপনার তৈরি পদ্ধতি আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। শুভকামনা রইল আপনার জন্য
বড়ই আচার দেখে সত্যি জীভে জল চলে আসার মতই। আপনার জন্যও রইল অনেক অনেক শুভকামনা।
বরই আচার দেখে মুখে পানি চলে এসেছে। আসলে আচার আমার খুব পছন্দের। আর আপনি যেভাবে আচার তৈরি করেছেন কালার টা খুব সুন্দর এসেছে বোঝা যাচ্ছে খেতে খুবই সুস্বাদু হয়েছিল।
বড়ই আচার খেতে সত্যি অনেক সুস্বাদু হয়েছিল। এমনিতেই আচার খেতে খুবই ভালো লাগে।
মজাদার বরই এর আচার রেসিপি শেয়ার করেছেন আর বরই আচার তৈরি করতে কি কি উপকরণ লাগে সেগুলো সুন্দরভাবে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। আর বড়ই আচার কিভাবে তৈরি করতে হয় সেটা পর্যায়ক্রমে তুলে ধরেছেন যেটা অনেক লোভনীয় ছিল আপু। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।
আপনার মন্তব্যটি পড়ে খুবই ভালো লাগলো। সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।