রেসিপিঃ দেশি মুরগির মাংস দিয়ে জালি কুমড়ার ঝোল
"হ্যালো",
সবাইকে আমার নতুন একটি রেসিপি ব্লগে স্বাগতম। আজকে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব দেশি মুরগি দিয়ে জালি কুমড়া রেসিপি। এখন বাজারে প্রচুর পরিমাণে জালি কুমড়া পাওয়া যাচ্ছে। আর জালি কুমড়া আমার খুবই পছন্দের একটি সবজি। জালি কুমড়া ভাজা কিংবা তরকারি সবকিছুই আমার খেতে বেশ ভালো লাগে। শরীরটা বেশ দুর্বল হয়ে গেছে তাই প্রত্যেকদিনের খাবারে ঝোল জাতীয় খাবার রাখার চেষ্টা করছি। সেই থেকেই এই রেসিপিটি তৈরি করা। আশা করছি রেসিপিটা আপনাদের কাছেও ভালো লাগবে। কারণ জালি কুমড়া এবং দেশি মুরগি দুটাই আমাদের খুব পছন্দের খাবার।
তো বন্ধুরা চলুন বেশি কথা না বাড়িয়ে মূল রেসিপিতে চলে যাই।
| উপকরনসমূহঃ |
|---|
| দেশি মুরগির মাংস |
| জালি কুমড়া |
| পেঁয়াজ কুচি |
| কাঁচামরিচ ফালি |
| আদা-রসুন বাটা |
| জিরা-ধনিয়ার গুঁড়া |
| শুকনা মরিচের গুঁড়া |
| হলুদ গুঁড়া |
| গোটা গরম মসলা |
| তেজপাতা |
| লবণ |
| তেল |
ধাপ-১
প্রথমে আমি কুমড়ো গুলো ভালোভাবে ভেজে নেব। এজন্য চুলায় একটি কড়াই বসিয়ে কড়াইয়ে তেল দিয়ে টুকরো করে কেঁটে রাখা কুমড়ো দিয়ে সামান্য হলুদ গুঁড়া এবং পরিমাণ মতো লবণ দিয়ে কুমড়ো গুলো ভালোভাবে ভেজে নিয়েছি।
ধাপ-২
কুমড়া ভাজা হয়ে গেলে তুলে নিয়ে একই তেলে গোটা গরম মসলার ফোড়ন দিয়ে পেঁয়াজ কুচি এবং কাঁচামরিচ ফালি দিয়ে ভালোভাবে কিছুক্ষণ ভেজে নিয়েছি বাদামি করে। এরপর সামান্য পানি দিয়ে একে একে সব গুঁড়া মশলা এবং বাটা মসলা দিয়ে কিছুক্ষণ কষিয়ে নিতে হবে।
ধাপ-৩
মসলাটা কিছুক্ষণ কষানো হয়ে গেলে আগে থেকে কেঁটে ধুয়ে রাখা দেশি মুরগির মাংসগুলো দিয়ে ৫ মিনিটের মত কষিয়ে রান্না করে নিতে হবে।
ধাপ-৪
মাংসগুলো ভালোভাবে কষিয়ে রান্না করার পর এবার দু কাপ পানি দিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে মাংসগুলো রান্না করে নিতে হবে।
*ধাপ-৫
মাংস রান্না হয়ে গেলে এবার আগে থেকে ভেজে রাখা কুমড়োর টুকরোগুলো দিয়ে আবারো কিছুক্ষণ কষিয়ে নিতে হবে।
ধাপ-৬
কষিয়ে রান্না করার পর পরিমাণ মতো পানি দিয়ে দিয়েছি রান্নার জন্য। পানি দিয়ে ১০ মিনিটের মতো রান্না করার পর নামিয়ে নিয়েছি।
সত্যি বলতে এভাবে জালি কুমড়া রান্না করলে আমার কাছে খেতে অনেক ভালো লাগে। আর দেশি মুরগির মাংসে তো আলাদা স্বাদ আছে এটার বলার অপেক্ষা রাখে না। আপনারা যারা কখনো এই রেসিপিটি তৈরি করে খাননি বা আর কখনো দেখেননি অবশ্যই এভাবে রান্না করে খেয়ে দেখবেন। আমার বিশ্বাস এটা আপনারা পছন্দ করবেন।
তো বন্ধুরা আজকে পর্যন্তই। রেসিপি টা কেমন লেগেছে অবশ্যই জানাবেন। আর সবাই ভালো থাকবেন এবং সুস্থ থাকবেন।দেখা হবে পরবর্তীতে নতুন কোন বিষয় নিয়ে।
দেশি মুরগির মাংস দিয়ে জালি কুমড়ার ঝোল রেসিপিটা দেখতে বেশ লোভনীয় লাগছে আপু। খেতেও মনে হচ্ছে দারুণ হয়েছে। দেশি মুরগি পছন্দ করে না এমন মানুষ খুব কমই আছে। আর জালি কুমড়া মাছ অথবা মাংস দিয়ে রান্না করে খাওয়া যায়। দেশি মুরগি এবং জালি কুমড়ার কম্বিনেশনটা এককথায় দুর্দান্ত হয়েছে আপু। রেসিপিটা দেখে খুব ভালো লাগলো। শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
সত্যি বলতে ভাইয়া দেশি মুরগি দিয়ে জালি কুমড়ার রেসিপিটা আমার কাছেও বেশ ভালো লেগেছে খেতে এবং আমি মাঝেমধ্যে রান্না করি।আর জালি কুমড়া আমার ভীষণ পছন্দের সবজি।
জ্বর হয়ে অসুস্থ হয়ে গেলে শরীর বেশি দুর্বল হলে তখন এরকম সবজি জাতীয় জিনিস বেশি খেলে শরীরটা তাড়াতাড়ি একটু ইমপ্রুভ করে। আপনি জালি কুমড়া দিয়ে মুরগির মাংস রান্না করেছেন মুরগির মাংস এমনিতেই মজা লাগে আমার কাছে ।জালি কুমড়া দিয়ে কখনো রান্না করা হয়নি অনেকে শুনি রান্না করে আপনার খাবার দেখে মনে হচ্ছে অনেক মজাই হয়েছিল।
জ্বি আপু দেশি মুরগির মাংস দিয়ে জালি কুমড়ার রেসিপিটি খেতে অনেক মজা হয়েছিল। ধন্যবাদ আপু সুন্দর একটি মন্তব্যের জন্য।
জালি কুমড়োর সাথে দেশি মুরগির মাংস বেশ ইউনিক রেসিপি শেয়ার করেছেন আপু।রেসিপিটি দেখেই মনে হচ্ছে খেতে সুস্বাদু ছিল।আপনার রেসিপি তৈরির প্রক্রিয়া শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত উপস্থাপনা চমৎকার ছিল।ধন্যবাদ আপু সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
আপনার সুন্দর মন্তব্যটি পড়ে বেশ ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপু সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।
জালি কুমড়া স্বাস্থ্যের জন্য অনেক ভালো আপু। আমার অনেক ভালো লাগে এই ধরনের আমিষ জাতীয় খাবার গুলো ঝোল করে খেতে। তবে আমি অনেক বেশি চেষ্টা করি ভাজা পূড়া খাবারের চেয়ে ঝোল করে খাওয়ার। আমার বাচ্চারা ও বেশ পছন্দ করে ঝোল জাতীয় খাবার খেতে। যদিও কোন কিছু ভাজা কিংবা ভুনা করি তাহলে সাথে ঝোল জাতীয় কিছু রাখতে হয়। আপনি জালি কুমড়া দিয়ে বেশ মজার করে দেশি মুরগির মাংস রান্না করছেন দারুণ দেখাচ্ছে। খেতে নিশ্চয়ই অনেক মজার হবে আমি দেখে বুঝতে পারছি।
ঠিক বলেছেন আপু আমার বাসাতেও একই অবস্থা। আমার বাসাতেও কোন শুকনো খাবারের সাথে ডাল থাকতে হবে তা না হলে ঝোল জাতীয় খাবার থাকতেই হবে প্রতিদিন।আপনার ভাইয়া তো শুকনা ভাত খেতেই পারে না। ধন্যবাদ আপু সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।
আপু জালি কুমড়া যে দেশি মুরগী রান্না করা যায় আমার জানা ছিল না। আপনার রেসিপি দেখে মনে হচ্ছে অনেক সুস্বাদু হয়েছিল।একদিন এভাবে অবশ্যই তৈরি করব।সত্যি আপু দেশি মুরগীর স্বাদ অতুলনীয়। ধন্যবাদ আপু।
হ্যাঁ আপু আমরা জালি কুমড়া মুরগির মাংস কিংবা মাছ দিয়ে রান্না করে থাকি। এতে করে খেতে অনেক সুস্বাদু লাগে। একদিন অবশ্যই রান্না করে খেয়ে দেখবেন।
দেশি মুরগির মাংস যে আমার কি পরিমাণ ফেবারেট বলে বোঝাতে পারবো না।।
আপনি অনেক ভালোভাবে রেসিপিটি প্রস্তুত করে ফটোগ্রাফি আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন দেখে তো লোভ সামলাতে পারছি না।
ইচ্ছে করছে রেসিপি খেতে শুরু করি।।
উপস্থাপন করেছেন অসাধারণভাবে রেসিপি প্রস্তুত প্রণালী
দাওয়াত রইলো ভাইয়া বাসায় চলে আসেন। ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
জালি কুমড়া আর লাউ দিয়ে দেশি মুরগি বেশ ভালো ই লাগে।দেখে খুব দারুন লাগলো।রেসিপিটি ধাপে ধাপে খুব সুন্দর ভাবে তুলে ধরেছেন। খুব মজার রেসিপি শেয়ার করলেন।ধন্যবাদ আপু।
ধন্যবাদ আপু সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
দেশি মুরগির মাংসের সাথে জালি কুমড়ার খুবই সুস্বাদু এবং লোভনীয় একটি রেসিপি তৈরি করছেন আপনি। আপনার রেসিপি তৈরির ক্ষেত্রে জালি কুমড়া গুলো প্রথমে ভেজে নেওয়া ওটা আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। আসলে জালি কুমড়ার সাথে মুরগির মাংস রান্না খুবই রুচি সম্মত একটি খাবার। খুবই মজাদার একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
রান্নার আগে যে কোনো সবজি ভেজে নিলে সবজির কাঁচা গন্ধটা দূর হয়ে যায়। আর তখন রান্নাটা অনেক সুস্বাদু হয় খেতে। ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
মুরগির মাংস খেতে আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। আর দেশি মুরগির মাংস হলে তো কথাই নেই। রেসিপি কালার দেখে খুবই লোভনীয় লাগছে। তবে মুরগির মাংস জালি কুমড়া দিয়ে রান্না করে কখনো খাওয়া হয়নি। এভাবে একদিন বাসায় রান্না করে খেয়ে দেখব। সুস্বাদুও মজাদার একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
হ্যাঁ আপু এভাবে রান্না করলে খেতে অনেক সুস্বাদু হয়। অবশ্যই একদিন বাসায় চেষ্টা করবেন রান্না করার। আপনার কাছে ভালোই লাগবে আশা করছি।