রেসিপি:দেশি মোরগের মাংস রান্না।
আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটি বন্ধুরা
আমি @fatema001 বাংলাদেশ থেকে
আজ শুক্রবার , ২ মে ২০২৫
আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধু গণ আপনাদের সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। কেমন আছেন আপনারা সবাই। আশা করছি আপনারা সবাই সুস্থ ও ভালো আছেন। আমি ও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। প্রতিদিনের মতো আজকে আবারো আপনাদের মাঝে নতুন একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হয়ে গেলাম। আজকে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব একটি রেসিপি পোস্ট। দেশি মুরগি অথবা মোরগের মাংস খেতে আমরা সবাই পছন্দ করি। আমার কাছে তো দেশি মোরগের মাংস দিয়ে চালের রুটি খেতে ভীষণ মজা লাগে। কিছুদিন আগে আমি যখন মায়ের বাসায় ছিলাম তখন এই রেসিপিটা আমার মা তৈরি করেছিল। আমিও সাথে ছিলাম আর তখনই এই ফটোগ্রাফি টা ধারণ করি। তবে রেসিপি র শেষের দিকে ছবি তুলতে আমার একদমই মনে ছিল না। রান্না করার পর পর এই দুইটা ছবি তুলেছিলাম এরপরে আর ছবি তোলা হয়নি। তবে রেসিপিটা খুব মজাদার এবং সবার পছন্দের তাই আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম। আপনাদের কাছে দেশি মোরগের মাংস খেতে কেমন লাগে সেটা অবশ্যই জানাবেন। কিভাবে আমি সম্পূর্ণ রেসিপিটা তৈরি করলাম সেটা এখন শুরু করছি।
প্রয়োজনীয় উপকরণ
| ক্রমিক নম্বর | নাম |
|---|---|
| ১ | দেশি মোরগের মাংস |
| ২ | শুকনা মরিচ বাটা |
| ৩ | জিরা ও ধনিয়া বাটা |
| ৪ | আদা বাটা |
| ৫ | তেল |
| ৬ | লবণ |
| ৭ | দারচিনি, এলাচ |
| ৮ | তেজপাতা |
| ৯ | হলুদ গুঁড়া |
| ১০ | রসুন ও পেঁয়াজ কুচি |
ধাপ-১
প্রথমে আমি দেশি মোরগের মাংসগুলো পরিষ্কারভাবে ধুয়ে নিলাম। এরপর পরিমাণ মতো ধনিয়া, জিরা,আদা ও লাল শুকনা মরিচ বেটে নিলাম। তারপর একটু বেশি করে পেঁয়াজ ও রসুন কুচি করে কেটে নিলাম।
ধাপ-২
এরপর কড়াই এর মধ্যে পরিমাণ মতো তেল দিয়ে দিলাম। প্রথমে পেঁয়াজ ও রসুন কুচিগুলো দিয়ে দিলাম। তারপর বাটা মসলা গুলো দিয়ে দিলাম। এরপর এর মধ্যে দিয়ে দিলাম এলাচ দারচিনি ও কয়েকটা তেজপাতা। এরপর দিয়ে দিলাম স্বাদমতো লবণ ও হলুদ গুঁড়া।তারপর সবগুলো উপকরণ ভালোভাবে নাড়াচাড়া করে নিলাম।
ধাপ-৩
এরপর অল্প একটু পানি দিয়ে মসলা গুলো ভালোভাবে কষিয়ে নিলাম।
ধাপ-৪
তারপর মোরগের মাংসগুলো দিয়ে কিছুক্ষণ ভালোভাবে নাড়াচাড়া করে মাংসগুলো ভালোভাবে কষাতে হবে।
ধাপ-৫
কষানো হয়ে গেলে মাংসগুলো একদম ভাজি মত হয়ে যাবে তখন ঝোল রাখার জন্য পরিমাণ মতো পানি দিয়ে দেব। এরপর মাংসগুলো সিদ্ধ হয়ে গেলে কিছুক্ষণ রান্না করে নিব।
ধাপ-৬
এই ছিল আমার আজকের রেসিপি। কেমন লাগলো আমার আজকের শেয়ার করা এই রেসিপিটা অবশ্যই জানাবেন। আশা করছি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে। সবার সুস্থতা কামনা করে আজকে এখানেই শেষ করছি। পরবর্তীতে আবার আপনাদের মাঝে নতুন কোন পোস্ট নিয়ে হাজির হবার চেষ্টা করব। আল্লাহ হাফেজ।
আমি মোছাঃ ফাতেমা খাতুন। আমি এই প্লাটফর্মে ২০২৩ সালের জুন মাসের ২৩ তারিখে যুক্ত হয়েছি। আমি বিবাহিত। আমার একটি ছেলে আছে। আমার শখ বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যাওয়া। বিভিন্ন ধরনের নতুন নতুন রেসিপি এবং রঙিন কাগজ ব্যবহার করে যেকোনো ধরনের জিনিস তৈরি করতে আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগে।প্রাকৃতিক সৌন্দর সহ বিভিন্ন ধরনের আর্ট করতে ও আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। আমার বাংলা ব্লগে কাজ করতে পেরে আমি অনেক আনন্দিত।।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
https://x.com/MstFatema137069/status/1918308042631987306?t=uuvnhd3x3MJvEQjy2YnLQw&s=19
https://x.com/MstFatema137069/status/1918310002391228492?t=griW4r3hu30czmpBUxPyug&s=19
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
খুবই মজাদার একটি রেসিপি তৈরি করেছেন আপু।আপনার তৈরি করা রেসিপিটি দেখতে ভীষণ লোভনীয় লাগছে।এত সুস্বাদু একটি রেসিপি উপস্থাপন করেছেন যা দেখে জিভে জল চলে আসল। দেশি মোরগের মাংস খেতে আমার খুবই ভালো লাগে। আপনি তো বেশ মজা করে রান্না করেছেন যা দেখেই বুঝা যাচ্ছে। ধন্যবাদ আপু সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
আমার কাছে তো দেশি মোরগের মাংস খেতে ভীষণ ভালো লাগে আপু।
আপু দেশি মুরগির মাংস রেসিপি খেতে সবাই পছন্দ করে। আপনি দেখছি আপনার মায়ের হাতে বানানো দেশি মুরগির মাংস রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। এটি ঠিক বলেছেন চালের গুড়া দিয়ে রুটি বানালে দেশি মুরগি দিয়ে খেতে বেশ মজাই লাগে। আর এ ধরনের রেসিপি দিয়ে যে কোন কিছু খেতে বেশ মজাই লাগে। মজার রেসিপিটি সুন্দর করে আমাদের মাঝে উপস্থাপনা করেছেন।
আপু আপনি লোভনীয় একটি রেসিপি শেয়ার করছেন। দেশি মুরগির মাংস খেতে আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগে। আপনার রান্না দেখে বোঝা যাচ্ছে রান্না টি সুস্বাদু হয়েছে। খুবই সুন্দর ভাবে ধাপে ধাপে পুরো রেসিপি টি আমাদের মাঝে উপস্থাপন করছেন। ধন্যবাদ আপনাকে পোস্ট টি শেয়ার করার জন্য।
দেশি মোরগের মাংস রান্না রেসিপি শেয়ার করেছেন।দেশি মোরগের মাংসের রেসিপিটি দেখেই জিভে পানি চলে এসেছে! রান্নার পদ্ধতি খুবই সহজ ও সুন্দরভাবে বর্ণনা করেছেন।রেসিপিটি অনেক ইন্টারেস্টিং।আপনার রেসিপি গুলো সবসময়ই খুব ইউনিক এবং সহজে বানানো যায়। এমনই নতুন রেসিপি শেয়ার করতে থাকুন! আপনার জন্য শুভকামনা রইলো আপু।
দেশি মুরগির মাংস খেতে অনেক সুস্বাদু হয়ে থাকে এবং আমি এই দেশি মুরগির মাংস খেতে অনেক পছন্দ করি৷ আজকে যেভাবে আপনি
এত সুন্দর একটি রেসিপি তৈরি করে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন এটি দেখে তো এখনি খেয়ে ফেলতে ইচ্ছে করছে৷ একই সাথে এখানে এই রেসিপি তৈরি করার ধাপগুলো যেভাবে আপনি একের পর এক খুব সুন্দরভাবে শেয়ার করেছেন তা খুবই সুন্দর হয়েছে৷ একই সাথে ডেকোরেশন দেখে মুখের মধ্যে পানি চলে আসলো৷