আমি পরিমাণ মত সবগুলো উপকরণ নিয়ে নিলাম।কলাকে ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিলাম।
এখন আমি ব্লেন্ডারের জগে ২ কাপ পরিমাণ দই,কেটে রাখা কলা,চিনি আর লবণ দিয়ে দিলাম।
তারপরে পরিমাণ মত ঠান্ডা পানি দিয়ে দিলাম।

এরপরে আমি ২ মিনিটের মত সবগুলোকে একসাথে ব্লেন্ড করে নিয়েছি।

এখন সবকিছু মোটামুটিভাবে ব্লেন্ড হয়ে এসেছে।
এখন আমি দিয়ে লেবুর রস দিয়ে দিলাম এরমধ্যে। তার সাথে দিয়ে দিলাম বরফের টুকরো।
আবারও ভালোভাবে ১ মিনিট ব্লেন্ড করে নিয়েছি।

এখন এটি সম্পূর্ণভাবে তৈরি হয়ে গেল।আজকে প্রথমবার মিষ্টি দই দিয়ে লাচ্ছি তৈরি করার চেষ্টা করলাম। আর খুব ভালোই লেগেছিল,একটু টক ফ্লেভারে তৈরি করে ফেললাম মজাদার লাচ্ছি।একটি গ্লাসে এটি নিয়ে লেবুর একটি স্লাইস দিয়ে সাধারণভাবেই পরিবেশন করলাম।



আমার আজকের এই রেসিপিটি আপনাদের কাছে কেমন লেগেছে তা জানাতে ভুলবেন না কিন্তু।সবার মন্তব্যের অপেক্ষায় রইলাম।
সবাই অনেক অনেক ভালো থাকবেন,সুস্থ থাকবেন। সবার জন্য আন্তরিক ভালোবাসা রইল। সম্পূর্ণ পোস্টে আমার ভুল-ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। |

আমি তাহমিনা আক্তার বৃষ্টি। আমি একজন বাংলাদেশী। আমি বাংলায় কথা বলি,আমি বাংলায় নিজের মনোভাব প্রকাশ করি। আমি নিজের মত করে সবকিছু করার চেষ্টা করি। আমি অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী। পড়ালেখার পাশাপাশি আমি বিভিন্ন জিনিস আঁকতে পছন্দ করি। বিভিন্ন ধরনের ছবি আঁকা, রঙ করা, নতুন নতুন কিছু তৈরি করা আমার পছন্দের কাজ। তবে রান্নাবান্না আমার ভালোলাগা, চেষ্টা করি সবসময় নিজে নতুনভাবে কিছু রান্না করার। ভ্রমণপ্রেমীদের মত আমিও ঘুরতে পছন্দ করি। পরিবারের সবাইকে নিয়ে আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।

💦
💦 BRISTY 💦
💦

প্রতিবার গরমে লাচ্ছি খাওয়ার ধুম পড়ে যায় আমার। কেননা আমি লাচ্চি খেতে খুবই পছন্দ করি। হোক সেটা বাসায় অথবা রেস্টুরেন্টে। গরমের তীব্রতা সহ্য করতে না পেরে মন যখনই চাই তখনই এই লাচ্ছি তৈরি করে খাই। তবে রমজান মাস হওয়াতে এখন নিজের লোভ কে সংযত করে রাখছি। আপনার তৈরি মিষ্টি দই আর কলা দিয়ে নতুন ফ্লেভারের লাচ্ছি দেখেই বুঝতে পারছি খেতে পারলে প্রাণটা জুড়িয়ে যাবে। এতো সুস্বাদু একটি লাচ্ছি কিভাবে তৈরি করেছেন তার প্রতিটি ধাপ আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
এই গরম থেকে শরীরের ক্লান্তি দূর করার জন্য, এই লাচ্ছি হতে পারে বেশ অতীব জরুরী পানীয় । বেশ ভালই বানিয়েছেন। দেখেই বোঝা যাচ্ছে ।
জি ভাইয়া চেষ্টা করলাম নতুনভাবে মিষ্টি দই দিয়ে এই পানীয়টি তৈরি করার ।অসংখ্য ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
বাহ্ আপু অসাধারণ হয়েছে আপনার তৈরি মজাদার এই লাচ্ছি। আমি কখনো কলা দিয়ে তৈরি লাচ্ছি খাইনি। তবে আপনার রেসিপি দেখে মনে হচ্ছে বেশ মজাদার হবে। এবার রমজানে তাহলে আমিও ট্রাই করে দেখবো। অনেক ধন্যবাদ আপু মজাদার এই রেসিপিটি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য। আপনার জন্য অনেক ভালোবাসা ও শুভকামনা রইল।
হ্যাঁ আপু তৈরি করে অবশ্যই দেখবেন খুবই মজা লাগে। ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা খেতে বেশি ভালো লাগে ।এইভাবে আমি মাঝে মধ্যেই তৈরি করে থাকি ।
জ্বি আপু রোজার শেষ সময় যদি এমন লাচ্ছি পাশে থাকলে ক্লান্তি আলতে কিছুই থাকবে না, যাই হোক খুব সুন্দর করে আপনি লাচ্ছি তৈরি করেছেন, উপস্থাপনা অনেক চমৎকার ছিলো শুভকামনা রইলো আপনার জন্য আপু মনি।
মিষ্টি দই আর কলা দিয়ে আপনি নতুন ফ্লেভারে লাচ্ছি তৈরি করে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। আপনার এই লাচ্ছি তৈরি রেসিপি দেখেই বোঝা যাচ্ছে অনেক বেশি সুস্বাদু যদিও এরকম ভাবে কখনোই লাচ্ছি খাওয়া হয়নি।
এখন গরমের সময় আর এই গরমের সময় সত্যিই সকলের শরীর ক্লান্ত হয়ে পড়ে, আর এই ক্লান্ত শরীরে এরকম এক গ্লাস লাচ্ছি মানে সতেজতা ফিরে পাওয়া।
আপনার পোষ্ট এর মাধ্যমে একটি নতুন ধরণের লাচ্ছি দেখতে পেলাম।যদি একটু পান করতে পারতাম তাহলে ধন্য মনে করতাম।আপনার জন্য শুভ কামনা রইল।
কয়েকদিন আগেই আমিও লাচ্ছির রেসিপি শেয়ার করেছি আমি। আপনার রেসিপি টি দেখে খেতে খুবই ইচ্ছে করছে আপু 😜। রমজান মাসে এমন রেসিপি খেতে কার না ভালো লাগে। আসলেই ভালো লাগলো রেসিপি টি। শুভকামনা রইল আপু আপনার জন্য। 🙂🙂
মিষ্টি দই এবং কলা দিয়ে নতুন ফ্লেভারের লাচ্ছি তৈরি অনেক সুন্দর হয়েছে ।এই রমজান মাসে সিয়াম পালন করার পর এই ধরনের লাচ্ছি পেলে পরান টা জুড়িয়ে যাবে। দারুন উপস্থাপন করেছেন লাচ্ছি তৈরীর বিষয়টি ভালো লাগলো ।
রোজার এই সময়ে আপনার রেসিপি দারুণ কাজে আসবে।সারাদিনের ক্লান্তির পর ঠান্ডা এক গ্লাস লাচ্ছি শরীরের জন্য খুব উপকারী। ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।