আমি পাঁচপোড়নগুলোকে শুকনো ভাবে ভেজে নিয়েছি। গরম অবস্থায় আমি এটিকে আধাভাঙা বা গুড়ো করে নিয়েছি।
প্রথমত আমি একটি কড়াইতে তেল দিয়ে দিলাম। তেল হালকা কিছুটা গরম হয়ে গেলে এরমধ্যে আধা চা চামচ পরিমাণ পাঁচপোড়ন দিয়ে দিলাম এবং তিনটি শুকনো মরিচ দিয়ে ভাজতে থাকলাম কিছুক্ষণ।
এর পরে আমি এর মধ্যে দিয়ে দিলাম আদা বাটা এবং সরিষা বাটা। যেহেতু আমি পূর্বে রসুন বাটা দিয়েছিলাম তাই এখন আর রসুন ব্যবহার করিনি।
এগুলোকে কিছুক্ষণ ভেজে নিয়ে তার পরে আমি এর মধ্যে লবণ এবং পরিমাণমতো চিনি দিয়ে দিলাম। চিনি দেয়ার পরও ভালোভাবে নেড়ে চেড়ে মিশিয়ে কিছুক্ষণের জন্য ভাজতে থাকলাম।
চিনি গলে যাওয়া পর্যন্ত ভাজতে থাকলাম। এরপরে আমি এই গলানো চিনির মধ্যে আম গুলো দিয়ে দিলাম। ধীরে ধীরে এগুলো থেকে কিছুটা পরিমাণ পানি বের হতে থাকলো, আর এইভাবে আমি রান্না করতে থাকলাম।
আমি এভাবে আচারকে কিছুক্ষণ ভেজে নিতে থাকলাম। কড়াইতে এভাবে খুন্তির সাহায্যে নেড়েচেড়ে আমি ভাজতে থাকলাম।যখন পানি শুকিয়ে যাবে তখন আমি এর মধ্যে শুকনো মরিচ গুলোকে ভেঙে দিয়ে দিলাম।
শুকনো মরিচ ভেঙ্গে দেয়ার পর আমি আবার নাড়তে থাকলাম। এভাবে পানি শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত ভাজতে থাকলাম। কড়াইয়ের গাছাড়া ভাব নিয়ে এলে তখন আমি এর মধ্যে গুঁড়ো করে রাখা পাঁচপোড়ন গুলো দিয়ে দিলাম। দেয়ার পর আবার আমি ভালোভাবে নেড়ে চেড়ে আরও চার থেকে পাঁচ মিনিট ভেজে নিলাম।
কড়াইয়ের গা ছেড়ে দিলে আচার নামিয়ে নিলাম। নামানোর পর সাথে সাথেই আমি আলাদা একটি পাত্রে নিয়ে নিলাম।

এখন এটি সম্পূর্ণভাবে তৈরি হয়ে গেল। আর এই আচার এখনই খাওয়া যাবে। অথবা রোদে শুকিয়ে রেখে দিলেও খেতে অনেক মজার হয়।আমি এগুলোকে ২/৩ দিন রোদে শুকিয়ে নেব।



বলে রাখি এই আচার কিন্তু একদমই আমের মৌসুমে তৈরি আচারের মত সুস্বাদু। কেউ যদি এভাবে তাজা আচারের স্বাদ পেতে চান তাহলে এই পদ্ধতি অবলম্বন করে দেখতে পারবেন।
সবাই অনেক অনেক ভালো থাকবেন,সুস্থ থাকবেন। সবার জন্য আন্তরিক ভালোবাসা রইল। সম্পূর্ণ পোস্টে আমার ভুল-ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। আর অবশ্যই মতামত জানাবেন। |

আমি তাহমিনা আক্তার বৃষ্টি। আমি একজন বাংলাদেশী। আমি বাংলায় কথা বলি,আমি বাংলায় নিজের মনোভাব প্রকাশ করি। আমি নিজের মত করে সবকিছু করার চেষ্টা করি। আমি অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী। পড়ালেখার পাশাপাশি আমি বিভিন্ন জিনিস আঁকতে পছন্দ করি। বিভিন্ন ধরনের ছবি আঁকা, রঙ করা, নতুন নতুন কিছু তৈরি করা আমার পছন্দের কাজ। তবে রান্নাবান্না আমার ভালোলাগা, চেষ্টা করি সবসময় নিজে নতুনভাবে কিছু রান্না করার। ভ্রমণপ্রেমীদের মত আমিও ঘুরতে পছন্দ করি। পরিবারের সবাইকে নিয়ে আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।

💦
💦 BRISTY 💦
💦

আপু,আপনার তৈরি করা আমের আচার দেখে আমি চিন্তা করছি অসময়ে কোথা থেকে আপনি আম পেলেন? পরে আপনার পুরো পোস্ট পড়ে বুঝতে পারলাম আসলে এই আম ফ্রিজে রেখে দিয়েছেন। যাইহোক আপু, অনেক সুস্বাদু একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। আচার পছন্দ করে না এমন মানুষ খুবই কম আছে।যদি হয় আমের আচার তাহলে তো কথাই নেই।আচার তৈরি করার প্রতিটি ধাপ আপনি খুব সুন্দর ভাবে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন।অসংখ্য ধন্যবাদ এত সুস্বাদু একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
সুন্দর মন্তব্য করার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
আমি তো প্রথনে ক্যাপশন দেখে ভাবছিলাম কি ব্যাপার এই সময় আম পেলো কই 🤭🤭🤭😛।পরের গল্প পরে ক্লিয়ার হয়ে গেলাম। আমার মা পাকা আম রেখেছিল কিন্তু এখন মজা লাগে না 😝😝😝। আপনার উপস্থাপনা ছিল দেখার মতন সত্যি।ভাইয়া,পাকা আমের তেমন স্বাদ থাকে না।কিন্তু এইভাবে কাচা আমের আচার করে রাখলে অনেক দিন থাকে।ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
আসলে এভাবে তো কখনও ভেবে দেখিনি। আমি সাধারণত আচার বানিয়ে ফ্রিজে ভর্তি করে রাখি । কিন্তু আপনার এই পদ্ধতি দেখে মনে হল যে এভাবে রাখলে পরবর্তীতে আচার বানালে খুবই টাটকা লাগবে। ফ্রিজের আচার বানিয়ে রাখলে পরে সেটি খেতে ততটা মজা লাগেনা। কিন্তু এই পদ্ধতিতে রাখলে দেখেই বোঝা যাচ্ছে যে স্বাদ অটুট থাকবে। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি পদ্ধতি আমাদের সঙ্গে শেয়ার করার জন্য।
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে আপু।
এমন অসময়ে এরকম একটি পোস্ট দেখলে মাথা নষ্ট হয়ে যায়। মন তো এখন লাফাচ্ছে কি করলে পাব এই আচার 😀😊। এমন লোভনীয় একটি খাবারের রেসিপি শীতকালে দেখানোর জন্য আপনাকে জরিমানা করা হবে 🥰
আপু,জরিমানাটা কি??
অসময়ে আমের আচার এর রেসিপি দিয়ে রিতি মতো আপনি লোভ লাগিয়ে দিলেন দেখছি।আমার তো খুব খেতে ইচ্ছা করছে।ধন্যবাদ এই লোভনীয় রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
মন্তব্য করার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপু।
➡️ সত্যি বলতে আপু আমার জিভে জল আসে নাই আপনার আচার তৈরির রেসিপি দেখে। আপনি জানেন এই আচার আমি এত বেশি খাই না। কিন্তু সবারই অনেক প্রিয় আমের আচার। আমার কোন আচার পছন্দের আপনি অবশ্যই জানেন।
মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া।
আপু গো এটা কি দেখালেন 😋😋আমার মুখে পানি চলে এলো। উপরের ক্যাপশন টা দেখেই লোভ সামলাতে পারছি না।আমার আমের আচার অনেক প্রিয়।
অসংখ্য ধন্যবাদ আপু এতো লোভনীয় ও মজাদার রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
আপনার জন্য অনেক শুভকামনা রইলো আপু মনি।
আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ আপু
অসাধারণ আমের আঁচার আপু।আসলেই জিভে জল আসার মত।খুব সুন্দর করে রেসিপিটি করেছেন।সুন্দর করে ধাপ গুলোর বর্ণনা করেছেন।শুভ কামনা রইল আপনার জন্য।
অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া
আমের আচার আমার ম্যাডাম ভীষণ পছন্দ করে 😋 আর আমি খিচুড়ির সাথে খেতে ভীষণ পছন্দ করি। আপনার রেসিপি পেয়ে বেশ উপকার হলো ☺️।
তবে এখনতো আম পাওয়া একটু কষ্টকর। তাই আম সংগ্রহ করতে পারলে অবশ্যই আচার করবো।
শুভ কামনা এবং দোয়া সবসময়ই রয়েছে 🥀
খুব ভালো থাকুন।
ভাইয়া আমি পূর্বেই প্রসেসিং করে রেখে দিয়েছিলাম, তাই এখন করতে পারলাম। ধন্যবাদ ভাইয়া মন্তব্য করার জন্য।
আমের আচার আমার অনেক ভালো লাগে।আমের কেন যে কোন আচার আমার অনেক প্রিয়। সরিষা,পাঁচফোড়ন দিয়ে আচার তৈরি করলে ঘ্রান অনেক ভালো আসে।আপনার কালার অনেক সুন্দর হয়েছে। ধন্যবাদ
ধন্যবাদ আপনাকে আপু