প্রথমেই আমি বরবটি আর আলু কিউব করে কেটে নিয়েছি।

এর পাশাপাশি পেয়াজ, কাচামরিচ, টমেটো কেটে নিলাম।

চাল আর মসুর ডাল একসাথে ধুয়ে নিয়েছি।

এরপর একটি কড়াইয়ে ৩ টেবিল চামচ পরিমাণ তেল দিয়ে দিলাম।

তেল কিছুটা গরম হয়ে এলে এরমধ্যে পেঁয়াজ কুচি, কাঁচামরিচ ফালি দিয়ে দিলাম এবং ভাজতে থাকলাম কিছুক্ষন।

এরপরে দিয়ে দিলাম রসুনের কোয়াগুলো।

কিছুক্ষণ এগুলোকে ভেজে নেয়ার পর আমি এরমধ্যে ধুয়ে রাখা চাল আর মসুর ডাল দিয়ে দিলাম। একসাথে নেড়ে সবকিছুকে ভাজতে থাকলাম।

পরিমাণ মত লবণ আর হলুদ গুড়ো দিয়ে আবারও সবকিছু একসাথে ভেজে নিলাম ৫ মিনিটের মত।আমি এক্ষেত্রে চুলার আঁচ মিডিয়াম লো তে রেখে ভাজলাম।
এরপরে আমি এরমধ্যে পরিমাণ মত পানি দিয়ে দিলাম।পানি দেয়ার পর সবকিছু আবারও নেড়েচেড়ে ৩টি গোটা কাচামরিচ আর টমেটো ফালি দিয়ে দিলাম।
তারপর ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রান্না করতে থাকলাম।
রান্নার ফাকে কয়েকবার ঢাকনা উঠিয়ে নেড়েচেড়ে দিলাম যাতে সবকিছু ভালোভাবে সিদ্ধ হয় এবং লেগে না যায়।

এক পর্যায়ে পানি শুকিয়ে এলে এক চা চামচ পরিমাণ ঘি দিয়ে দিলাম। চুলার আগুন একেবারে লো তে রেখে আরও ২-৩ মিনিট রান্না করলাম।তারপর চুলা থেকে নামিয়ে নিলাম।
গরম গরম একটি প্লেটে এই নরম সবজি খিচুড়ি নিয়ে নিলাম।গাজর আর কাচামরিচ দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করলাম।



আমার আজকের এই রেসিপিটি আপনাদের কাছে কেমন লেগেছে তা জানাতে ভুলবেন না কিন্তু।সবার মন্তব্যের অপেক্ষায় রইলাম।
সবাই অনেক অনেক ভালো থাকবেন,সুস্থ থাকবেন। সবার জন্য আন্তরিক ভালোবাসা রইল। সম্পূর্ণ পোস্টে আমার ভুল-ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। |

আমি তাহমিনা আক্তার বৃষ্টি। আমি একজন বাংলাদেশী। আমি বাংলায় কথা বলি,আমি বাংলায় নিজের মনোভাব প্রকাশ করি। আমি নিজের মত করে সবকিছু করার চেষ্টা করি। আমি অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী। পড়ালেখার পাশাপাশি আমি বিভিন্ন জিনিস আঁকতে পছন্দ করি। বিভিন্ন ধরনের ছবি আঁকা, রঙ করা, নতুন নতুন কিছু তৈরি করা আমার পছন্দের কাজ। তবে রান্নাবান্না আমার ভালোলাগা, চেষ্টা করি সবসময় নিজে নতুনভাবে কিছু রান্না করার। ভ্রমণপ্রেমীদের মত আমিও ঘুরতে পছন্দ করি। পরিবারের সবাইকে নিয়ে আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।

💦
💦 BRISTY 💦
💦

বৃষ্টি দিনের স্পেশাল একটি খাবার হচ্ছে গরম গরম খিচুড়ি সাথে ডিম ভুনা থাকলে তো কোন কথাই নেই।বৃষ্টির দিনে আপনার তৈরি করা নরম নরম খিচুড়ি দেখে তো আমার খেতে খুবই ইচ্ছা করছে। দেখে মনে হচ্ছে খেতে খুবই সুস্বাদু হয়েছে। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু আমাদের মাঝে এত সুন্দর একটি রেসিপি স্থাপন করার জন্য।
সব সময় তো ভুনা খিচুড়ি খাওয়া হয় ।তাই মাঝেমধ্যে চেষ্টা করি নরম খিচুড়ি খাওয়ার জন্য। এটি খুবই মজা লাগে খেতে।
ঠিক বলেছেন আপু খিচুড়ি অনেকেরই পছন্দ। আর আপনি এই খিচুড়ি অন্য রকম পদ্ধতি তৈরি করেছেন দেখতে অনেক লোভনীয় লাগতাছে মনে হয় খেতেও নিশ্চয়ই অনেক সুস্বাদু হবে আমিও খিচুড়ি খেতে অনেক বেশি ভালোবাসি তাই দেখে জিভে পানি চলে এলো ধন্যবাদ আপনাকে এরকম সুন্দর পদ্ধতিতে খিচুড়ি তৈরি করার জন্য আমার পক্ষ থেকে আপনার প্রতি অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল
জি আপু খেতে খুবই সুস্বাদু হয়েছিল ।আর এটি সকালবেলায় তৈরি করেছিলাম। বৃষ্টি হওয়ার কারণে খিচুড়ি খেতে অনেক ভালো লেগেছিল।
বৃষ্টির দিনে সকাল বেলায় এরকম নরম খিচুড়ি খেতে কি যে ভালো লাগে আমার বলে বোঝানো যাবে না। আপনার খিচুড়ি ষষ্ঠ ধাপ দেখে আমার মনে হচ্ছে যে সেখান থেকে একটু উঠিয়ে নিয়ে খাই। এত লোভনীয় লাগছে দেখতে। খুবই মজাদার হয়েছে আপনার নরম খিচুড়ি তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
জি আপু খেতে অনেক বেশি ভালো লাগে তাই আমি গতকাল সকালেও এটি তৈরি করেছিলাম ।আসলে বৃষ্টির দিনে মাঝেমধ্যে খিচুড়ি খেতে অনেক বেশি ভালো লাগে।
আপু আপনার কথাটি একদম ঠিক, বৃষ্টির দিনে হালকা হালকা ঠান্ডা আবহাওয়ায় খিচুড়ি খাওয়ার মজাই আলাদা। আমিও বৃষ্টির দিন হলে খিচুড়ি খাওয়ার তোড়জোড় শুরু করে দেই। খিচুড়ি খেতে আমার খুবই ভালো লাগে। তবে আপু আপনি যে খিচুড়ি তৈরি করেছেন তা আপনি নরম খিচুড়ি বলেছেন। আর এই খিচুড়ি কে আমরা সবজি খিচুড়ি বলে থাকি। আপনার তৈরি নরম খিচুড়ি, মাছ ভর্তা ও বাদাম ভর্তার সাথে খেতে পারলে খুবই ভালো লাগতো। বৃষ্টির দিনে নরম খিচুড়ি খাওয়ার অন্যরকম অনুভূতিটুকু আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
নরম খিচুড়ি সাথে যে কোন ধরনের আচার অথবা চাটনি দিয়ে খেতে খুব ভালো লাগে ।আর আমি আচার দিয়েই খেয়েছিলাম খুব ভালো লেগেছিল।
আপু খিচুড়ি দেখে লোভ সামলাতে পারছি না। আমার কাছে এমন খিচুড়ি খেতে অনেক ভালো লাগে। বৃষ্টির দিনে সত্যি এমন খিচুড়ি খেতে অনেক ভালো লাগে। আমার খিচুড়ি দেখে জিভে জল চলে আসল। আপনার উপস্থাপনা অনেক সুন্দর হয়েছে। প্রতিটি ধাপ খুব সুন্দর ভাবে বর্ণনা করেছেন। আপনার সুন্দর শুভকামনা রইল।
আপু খুব সহজে কিন্তু খিচুড়ি তৈরি করা যায়। আর তা তৈরি করতে বেশিক্ষণ সময় লাগে না। মন চাইলে খেয়ে নিতে পারবেন তৈরি করে।
আপু আপনার রেসিপিটি খুবই লোভনীয় হয়েছে।
আপনি ঠিকই বলেছেন বৃষ্টির দিনে খিচুড়ি খেতে খুবই ভালো লাগে। আপনার রেসিপিটি দেখে একটু টেস্ট করতে ইচ্ছে করছে। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইল।
বৃষ্টির সময় খিচুড়ি খেতে বেশি ভালো লাগে আমার কাছে। তাই বর্ষাকালে কয়েক দিনে অনেকবার খিচুড়ি খাওয়া হয়।
আপনার কথার সাথে আমি একমত আপু, আমার কাছে অনেক ভালো লাগে বৃষ্টির দিনে খিচুড়ি খেতে। আমিও সময় পেলে বাসার মধ্যে খিচুড়ি রান্না করি। গরম গরম খিচুড়ি খেতে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। আপনার খিচুড়ি রেসিপি দেখে মনে হচ্ছে খেতে অনেক সুস্বাদু হয়েছে। ধন্যবাদ আপু আপনাকে খিচুড়ির সাথে বৃষ্টির এত সুন্দর মুহূর্ত আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
গরম গরম খিচুড়ি তার সাথে চাটনি অথবা আচার দিয়ে খেতে অনেক বেশি সুস্বাদু এবং মজাদার হয়।আর আমি আচার দিয়েই খিচুড়ি খেয়ে ছিলাম।
বৃষ্টির দিনে খিচুড়ি খেতে আমার খুবই ভালো লাগে, কারণ খিচুড়ি আমার খুবই প্রিয়, আর বৃষ্টির দিনে এই নরম খিচুড়ি খেতে আরো বেশী মজাদার লাগে, আপনার মজাদার রেসিপি দেখে খেতে ইচ্ছা করছে।
জি ভাইয়া নরম খিচুড়ি কিন্তু অনেক মজাদার হয় আর আপনিও খিচুড়ি তৈরি করে খেতে পারবেন।
খিচুড়ি রান্নার রেসিপি টা দেখে ভীষণ ভালো লেগেছে। আপনি খুব চমৎকারভাবে খিচুড়ি রান্না করেছেন। ধাপে ধাপে খুব চমৎকারভাবে আপনি উপস্থাপন করেছেন। আপনার উপস্থাপনা বেশ ভালো লেগেছে আমার। শুভকামনা ও ভালোবাসা রইলো আপনার জন্য।
উপস্থাপনা যেমনই হোক না কেন খিচুড়ি কিন্তু খুবই ভালো লেগেছে খেতে ।আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর মন্তব্য ভাগ করে নেয়ার জন্য।