উপকরণ| পরিমাণ |
| আধা পাকা আম | ৪ কেজি |
| চিনি | ৮ কাপ |
| পাঁচপোড়ন | ৩ টেবিল চামচ |
| লবণ | পরিমাণ মত |
| সাদা সরিষা বাটা | ৩ টেবিল চামচ |
| আদা বাটা | ১টেবিল চামচ |
| রসুন বাটা | ৫ টেবিল চামচ |
| হলুদ গুড়ো | ১চা চামচ |
| মরিচ গুড়ো | ২চা চামচ |
| সরিষার তেল | ৩ কাপ |
| তেজপাতা | ৬/৭টি |
| দারচিনি | ২ টুকরো |

প্রথমত আমি আমগুলোকে ভালোভাবে ধুয়ে নিলাম। তারপর খোসাসহ এগুলোকে কেটে নিলাম। মাঝের আটি ফেলে একটি আমকে ৪ ভাগ করে নিলাম। এগুলোকে পানি শুকানোর জন্য কিছুক্ষণ রোদে দিয়ে নিলাম।

পাঁচপোড়নগুলোকে শুকনো তাওয়ায় টেলে গুড়ো করে নিলাম।
এইধাপে আমি একটি বড় আকারের কড়াই চুলায় বসিয়ে দিলাম। এর মধ্যে আমি ৩কাপ পরিমাণ সরিষার তেল দিয়ে দিলাম।

তেল হালকা গরম হয়ে এলে এরমধ্যে তেজপাতা, দারচিনি দিয়ে দিলাম।

এরপরে দিয়ে দিলাম আদা বাটা, রসুন বাটা। এগুলো দিয়ে কিছুক্ষণের জন্য ভাজতে থাকলাম।
তারপরে সরিষা বাটা দিয়ে আবারও ভাজতে থাকলাম কিছুক্ষণ।

এরমধ্যে আধা কাপ পরিমাণ চিনি দিয়ে দিলাম।যাতে চিনির পানি বের হয়ে যায় আর মসলাগুলো পুড়ে না যায়।

তারপর আমি কেটে রাখা আম দিয়ে দিলাম। আম দিয়ে প্রথমেই মসলাগুলোর সাথে নেড়ে মিশিয়ে দিলাম। যাতে নিচে মসলাগুলো পুড়ে না যায়।
এরপরে এরমধ্যে পরিমাণ মত হলুদ গুড়ো, মরিচ গুড়ো এবং লবণ দিয়ে দিলাম। আবারও সব একসাথে নেড়ে মিশিয়ে নিলাম।
কিছুক্ষণ পর আবার বাকি চিনি দিয়ে দিলাম। নেড়ে এই আচার করতে থাকলাম। চিনির পানি অনেক বেরিয়ে গেছে।এই চিনির পানিতেই আমগুলো সিদ্ধ হয়ে এলো।

চিনি আর আম ঘন হয়ে এলে এরমধ্যে পাঁচপোড়ন গুড়ো দিয়ে দিলাম। আচারের সাথে সব ভালোভাবে মিশিয়ে ৫ মিনিট কড়ালাম।এরমধ্যেই আচার কড়াইয়ের গা ছেড়ে দিয়েছে।তাই নামিয়ে স্টিলের একটি পাত্রে নামিয়ে নিলাম।
এইযে মজাদার আর লোভনীয় আমের আচার তৈরি হয়ে গেল।আপাতত এই আচার আমি ২ দিন রোদে শুকিয়ে নেব এবং পরে তেলের মধ্যে রেখে দিব।


এগুলো এমনিতেও খাওয়া যাবে।আহ,আচার তৈরির সাথে সাথেই মুখে দিয়ে দিলাম 😁।এটা কিন্তু সিক্রেট, আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম😋😋।
আশা করি এই রেসিপিটি আপনাদের সবার কাছেই ভালো লাগবে।কেমন লাগলো আমার আজকের এই রেসিপি তা মন্তব্য করে জানাবেন।
সবাই অনেক অনেক ভালো থাকবেন,সুস্থ থাকবেন। সবার জন্য আন্তরিক ভালোবাসা রইল। সম্পূর্ণ পোস্টে আমার ভুল-ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। |

আমি তাহমিনা আক্তার বৃষ্টি। আমি একজন বাংলাদেশী। আমি বাংলায় কথা বলি,আমি বাংলায় নিজের মনোভাব প্রকাশ করি। আমি নিজের মত করে সবকিছু করার চেষ্টা করি। আমি অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী। পড়ালেখার পাশাপাশি আমি বিভিন্ন জিনিস আঁকতে পছন্দ করি। বিভিন্ন ধরনের ছবি আঁকা, রঙ করা, নতুন নতুন কিছু তৈরি করা আমার পছন্দের কাজ। তবে রান্নাবান্না আমার ভালোলাগা, চেষ্টা করি সবসময় নিজে নতুনভাবে কিছু রান্না করার। ভ্রমণপ্রেমীদের মত আমিও ঘুরতে পছন্দ করি। পরিবারের সবাইকে নিয়ে আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।

💦
💦 BRISTY 💦
💦

খোসাসহ আমের আচার তৈরি রেসিপি দেখে তো খেতে ইচ্ছে করছে। এই ধরনের আচার রেসিপি দেখলেই তো খেতে ইচ্ছে করে। অনেক সুন্দর হয়েছে আপনার আচার রেসিপি তৈরি। আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
এত সুন্দর মন্তব্য দেখে খুবই ভালো লাগলো ।অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
আপু গত তিন আগে খোসা সহ আমের আচার দিয়েছি।খিচুড়ি দিয়ে খেতে ভালোই লাগে।প্রতিটি ধাপ আপনি খুব সুন্দর করে দেখিয়েছেন। ভালো লাগলো।ধন্যবাদ
জি আপু খিচুড়ি দিয়ে খেতে সত্যিই অনেক ভালো লাগে ।আর আমি তৈরি করার পর থেকে খিচুড়ি রান্না করলে এই আচার দিয়েই খাচ্ছি।
খোসাসহ আমের আচার তৈরি করেছেন আর সবশেষে আমের আচার আলাদা প্লেটে পরিবেশন করার পরে যে ছবিটি তুলেছেন সেটা দেখে আমার তো অনেক লোভ হয়েছে।
একটু পাঠিয়ে দিন আপু টেষ্ট করে দেখি 😋
পাঠিয়ে দিতে তো পারছিনা ভাইয়া ।এই ভাবে তৈরি করে নিজে খেয়ে দেখবেন ।আশা করি অনেক ভাল লাগবে। আর এটি সত্যিই অনেক মজাদার।
আপু খুব সুন্দর করে খোসাসহ আমের আচার দিয়েছেন। আমার কাছে এরকম আচার খেতে খুব ভালোই লাগে। আপনি খুব সুন্দর করে প্রতিটি ধাপ উপস্থাপন করেছেন। আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি আমের আচারের রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
আমের আচারের মধ্যে খোসাসহ আমের আচার খেতে আমার কাছে বেশি ভালো লাগে। তাই প্রতিবছরই এই আচার দিয়ে থাকি।
প্রতিবছর আমি অনেক আমের আচার তৈরি করি। কিন্তু আমি তেমন একটা আমের আচার খাই না। আচারটি আমিও এভাবেই তৈরি করি। খুব মজা লাগে খেতে। আপনারা আচারটি খুব মজাদার হয়েছে তা কালার দেখেই বলে দেওয়া যাবে। এত লোভনীয় লাগছে দেখতে।
আমার কাছে সব ধরনের আচার খেতে ভালো লাগে। তবে যখন বাসায় তৈরি করা হয় তখন খেয়ে থাকি।আর এটিই আমার অনেক পছন্দের একটি আচার।
বাহ আমের আঁচার তৈরিতে কতো কিছু লাগে। আমি আইটেম গুলো দেখে অবাক হয়ে গেলাম। দারুণ ভাবে বানিয়েছেন আপু। আমাকে একটু দিয়ে যান। খিচুড়ির সাথে খাইতে সেই হবে।
জি ভাইয়া, খিচুড়ির সাথে খেতে সত্যিই অনেক ভালো লাগে ।আর আজকে সকালে আমিও খিচুড়ির সাথে এই আচার খেয়েছিলাম।
আমের আচার আমার খুবই পছন্দের। আমাদের বাসায় যখন আমের আচার তৈরি করা হয় তখন যতক্ষণ পর্যন্ত আচার না ফুরায় ততক্ষণ পর্যন্ত আমি আচার খেয়েই যাই। বিশেষ করে আমের খোসাসহ আমের আচার তৈরি করলে আচারের স্বাদ আরো অনেকগুণ বেড়ে যায়। আপু আপনি খুবই সুস্বাদু করে আমের আচার তৈরি করেছেন। রেসিপিটি দেখেই লোভ লেগে যাচ্ছে। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে আমের আচার তৈরির রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
আমের সিজন থাকা সত্ত্বেও আমি আচার তৈরি করে আচার বেশি খাই। আর এখন প্রায় অর্ধেক শেষ করে ফেলেছি।
ঠিক বলেছেন আপনার মত আমিও বাড়িতে তৈরি করা সকল ধরনের আচার খেতে খুবই পছন্দ করি। আবার এইভাবে আমের খোসা সহ আচার দিলেও খেতে খুবই ভালো লাগে। আপনার আচার গুলো দেখেই তো জিভে জল চলে আসলো। একটু খেতে পারলে ভালো লাগতো। আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
কি আর করার যেহেতু দূরে আছে তাই নিজেই তৈরি করে খেয়ে ফেলেন ।আশা করি আপনার তৈরি করতে বেশিক্ষণ সময় লাগবে না।
আমের আচার আমিও প্রতিবারই তৈরি করি। আপনার আমের আচার দেখে আমারও ইচ্ছে করছে আমের আচার তৈরি করে ফেলি। খুব শীঘ্রই তৈরি করে আপনাদের সাথে উপস্থাপন করব।
অবশ্যই আপনার রেসিপি দেখার অপেক্ষায় থাকবো। ভালো থাকবেন।