লাউয়ের নিরামিষ রসা রেসিপি
হ্যালো..!!
আমার সুপ্রিয় বন্ধুরা,
আমি @aongkon বাংলাদেশের নাগরিক।
আজ- ৩১ ডিসেম্বর, শনিবার, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ।
আমি অংকন বিশ্বাস, আমার ইউজার নেম @aongkon। আমি মা, মাতৃভাষা এবং মাতৃভূমিকে সব থেকে বেশি ভালোবাসি। আশা করি, আপনারা সবাই সুস্থ এবং সুন্দর আছেন। আমার মাতৃভাষা বাংলার একমাত্র ব্লগিং কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর ফাউন্ডার, এডমিন প্যানেল, মডারেটর প্যানেল এবং সকল সদস্য ও সদস্যাদের আমার অন্তরের অন্তরস্থল থেকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন রইল।
আমি আজকে আপনাদের সামনে নতুন একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি। আজকে আমার পোস্টটি হল লাউয়ের নিরামিষ রসা রেসিপি। শীতকালীন বিভিন্ন রকম সবজির ভেতরে লাউ অন্যতম। আমরা কমবেশি সবাই লাউ খেয়ে থাকি। আমার কাছে লাউ খুবই প্রিয় একটি খাবার। লাউয়ের রসা এবং লাউ ডালে খেতে খুবই পছন্দ করি আমি। আমি খুব সহজে লাউয়ের রসা তৈরি পদ্ধতি আপনাদের সাথে শেয়ার করব।
আমি প্রথমে লাউ ছোট ছোট পিস করে সুন্দর মত কেটে নিয়েছি সাথে মরিচও ধুনের পাতাও কেটে নিয়েছি। সবকিছু কেটে নেয়ার পর পরিষ্কার জল দিয়ে ধুয়ে নিয়েছি।
রেসিপি তৈরির জন্য উপকরণ:
| ক্রমিক | উপকরণ | পরিমাণ |
|---|---|---|
| ১ | লাউ | মিডিয়াম একটি |
| ২ | মরিচ | পনেরোটি |
| ৩ | হলুদ | তিন টেবিল চামচ |
| ৪ | লবণ | চার টেবিল চাম |
| ৫ | জিরা | দুই টেবিল চামচ |
| ৬ | কালোজিরা | এক টেবিল চামচ |
| ৭ | তেল | পরিমাণ মতো |
| ৮ | মেথি | এক টেবিল চামচ |
উপকরণ প্রস্তুত প্রণালী :
রন্ধন প্রণালী
প্রথমে গ্যাসের চুলা জ্বালিয়ে করায় বসিয়ে দিয়ে তাতে পরিমাণ মত তেল দিয়ে নিয়েছি।
তেল হালকা গরম হওয়ার পর জিরা, কালোজিরা, মেথি, মরিচ দিয়ে নেব এবং হালকা নাড়াচাড়া করে নেব।
মসলাগুলো হালকা নাড়াচাড়া করে নেয়ার পরে আগে থেকে কুটে লেখা লাউ করাইতে দিয়ে দেব এবং পরিমাণ মতো হলুদ ও লবণ দিয়ে নেব।
সবকিছু দেয়ার পর সুন্দর মত নাড়াচাড়া করে সকল মসলা এবং তরকারি ভালোভাবে মিক্সচার করে নেব।
কিছু সময় নড়াচাড়া করার পরে একটি ঢাকনা দিয়ে করায় ঢেকে দেবো এবং কিছু সময় অপেক্ষা করব।
কয়েক মিনিট পরে ঢাকনা উঠিয়ে নিব। তারপর খুন্তি দিয়ে কিছু সময় নাড়াচাড়া করব। লাউ থেকে যে পানি বের হয়েছিল সেই পানিতে আবার লাউয়ের রসা হয়ে যাবে বলে পরে আর পানি দিইনি। আপনারা চাইলে ইছামতো পানি দিয়ে নিতে পারেন।
এবার আগে থেকে খুশি খুশি করে রাখা ধুনের পাতা লাউয়ের তরকারির ভিতর দিয়ে নেব এবং খুব সুন্দর ভাবে নাড়াচাড়া করে নেব।
ধুনের পাতা দেওয়ার কয়েক মিনিট পরেই আমার রেসিপিটি খাবারের উপযুক্ত হয়ে গিয়েছে এবং চুলা বন্ধ করে দিয়ে করাই নামিয়ে ফেলবো।
লাউয়ের রসা রেসিপিটি পরিবেশনের জন্য পাত্রে রাখা হয়েছে। আমার তৈরি লাউয়ের রসা খেতেও অনেক সুস্বাদু হয়েছিল।
পোস্টের ছবির বিবরন
| ক্যামেরাম্যান | @aongkon |
|---|---|
| ডিভাইস | স্যামসাং জে-৭ প্রো |
| ক্যামেরা | ১৩ মেগাপিক্সেল |
প্রিয় বন্ধুরা,
আমি স্টিমিট প্ল্যাটফর্মে আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিতে প্রতিনিয়ত আমার সৃজনশীলতা দিয়ে ভালো কনটেন্ট শেয়ার করে এই কমিউনিটিকে সমৃদ্ধ করতে চাই এবং উচ্চতার শিখরে নিয়ে যেতে চাই। আমার লাউয়ের রসার রেসিপি ব্লগটি কেমন হয়েছে আপনারা সবাই কমেন্টের মাধ্যমে অবশ্যই মন্তব্য করবেন, সামান্য ভুল ত্রুটি অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন এবং সুপরামর্শ দিয়ে পাশে থাকবেন। আবার দেখা হবে নতুন কোনো পোস্ট নিয়ে শীঘ্রই, ততক্ষণে সবাই নিজের খেয়াল রাখবেন সুস্থ এবং সুন্দর থাকবেন এটাই কাম্য করি।
@aongkon

লাউ মাঝে মাঝে খেতে আমারও বেশ ভালো লাগে।তবে লাউ যে কালোজিরা দিয়ে রান্না করে তাই জানতাম না,তবে মনে হচ্ছে কালোজিরা দিলে অন্যরকম একটা ফ্লেভার আসবে এবং ভালোও লাগবে খেতে।আপনার লাউয়ের নিরামিষ কষার কালারটা বেশ দারুন হয়েছে। ভালো ছিলো।ধন্যবাদ আপনাকে
সুন্দর মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
শীতকালে লাউ এর মজা অন্যরকম। কিন্তু কালজিরা বা মেথী দিয়ে কখনো খাওয়া হয়নি। খেতে মনে হয় বেশ ভাল লাগবে। একদিন ট্রাই করতে হবে। বানাবে ক্ষেত্রে একটু যত্নশীল হওয়া দরকার।অনেক অনেক শুভ কামনা আপনার জন্য।
ভালো মতামত প্রদানের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
লাউ খেতে আমি ভীষণ পছন্দ করি। বিশেষ করে লাউয়ের তরকারি যখন ঠান্ডা হয়ে যায় তখন আমার কাছে খেতে খুবই ভালো লাগে। ধন্যবাদ সুন্দর একটি রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন। শুভ কামনা রইলো আপনার জন্য।
হ্যাঁ আপু আপনি ঠিকই বলেছেন ঠান্ডা লাউ খেতে খুবই সুন্দর লাগে আমি তো ফ্রিজে রেখে খাই লাউয়ের তরকারি।
আপনার রেসিপিটি দেখতে খুবই লোভনীয় লাগছে। তবে এভাবে কখনোই লাউয়ের নিরামিষ রসা রেসিপি তৈরি করে খাওয়া হয়নি। দেখে মনে হচ্ছে খেতে খুবই সুস্বাদু হয়েছে। আমি অবশ্যই ভাবে একদিন ট্রাই করে দেখব। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।
অবশ্যই একদিন এরকম রেসিপি ট্রাই করে দেখবেন। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে আপু।
আপনি লাউয়ের নিরামিষ রসা রেসিপি বানিয়েছেন। লাউ এমনিতে শীতকালে খেতে অনেক মজা লাগে। লাউ শরীরের জন্য অনেক উপকারী। আপনার রেসিপি দেখে বোঝা যাচ্ছে খেতে খুব মজা হয়েছে। চমৎকার করে আমাদের মাঝে উপস্থাপনা করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
সুন্দর মতামত প্রদানের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ভাই।
তরকারিতে অনেকেই কালোজিরা ব্যবহার করে। তবে মেথি দিয়ে রান্না করতে দেখিনি কখনো। কালোজিরা ফোড়ণ দিলে খেতে বেশ ভালো লাগে। কিন্তু মেথি দিয়ে খাওয়ার অভিজ্ঞতা আমার নেই। মনে হচ্ছে ভালোই লাগবে খেতে। নিরামিষ লাউ তরকারি কখনো খাওয়া হয়নি। শীতকালে লাউ খেতে বেশি ভালো লাগে। একদিনে এভাবে রান্না করে খেয়ে দেখতে হবে। ধন্যবাদ ভাইয়া এই মজার রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
হ্যাঁ আপু বেশ ভালই হয়েছিল সুন্দর মতামত প্রদানের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
আমার কাছেও শীতকালীন সবজির মধ্যে লাউ খেতে অনেক বেশি ভালো লাগে।লাউ দিয়ে যে কোনো ধরনের রেসিপি তৈরি করা যায় সবগুলো খেতে বেশ দারুণ হয়।আপনি অনেক মজার করে লাউয়ের নিরামিষ কসা রেসিপি করেছেন খেতে দারুণ হবে।
আপনিও লাউ পছন্দ করেন জেনে খুব ভালো লাগলো। সুন্দর মন্তব্য করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ আপু।
মাছ গোস্ত পছন্দ করে না এমন লোকের সংখ্যা কিন্তু খুবই কম। আমিও এর মধ্যে একজন, কিন্তু ভাই লাউ তরকারিটা আমার কাছে এত ভালো লাগে যা আপনাকে বলে বোঝাতে পারবো না। গরমের সময় লাউ তরকারি এবং রুটি খাওয়ার জন্য এতোটুকুই যথেষ্ট। তবে কালিজিরা এবং মেথি দিয়ে লাউ তরকারি কখনো খাওয়া হয়নি। আমরা সাধারণত লাউ আলু এবং মাছ দিয়ে রান্না করে থাকি। যাহোক অনেক সুস্বাদু একটি তরকারি আপনি রান্না করে আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন।
একদম ঠিক কথাই বলেছেন ভাই। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।