"অনলাইন থেকে পাওয়ার ব্যাংক কেনার অনুভূতি"
নমস্কার
অনলাইন থেকে পাওয়ার ব্যাংক কেনার অনুভূতি:
বন্ধুরা,প্রতিনিয়ত আমি ভিন্ন ভিন্ন পোষ্ট করতে ও লিখতে ভালোবাসি।তাই আজ আমি আপনাদের সামনে আবারো উপস্থিত হয়েছি সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী একটি পোস্ট নিয়ে। **আজ আমি আপনাদের সঙ্গে পাওয়ার ব্যাংক কেনার অনুভূতি ও তার গুরুত্ব সম্পর্কে আমার নিজস্ব অনুভূতি শেয়ার করবো।
ফোন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে বর্তমানে।একমুহূর্ত আমরা ফোন ছাড়া জীবনটাকে যেন উপভোগ করতেই চায় না।একদিন ভাত না খেয়ে থাকলে চলবে কিন্তু একদিন ফোন ছাড়া চলবে না এমনই পরিস্থিতি আরকি!☺️☺️যাইহোক এই ফোনের আবার খাদ্যের যোগান দিতে হয়।
মানুষ যেমন খাবার ছাড়া বাঁচতে পারে না তেমনি এই ফোনেরও চার্জ দিতে হয়।তবে সবসময় আমাদের ফোনে চার্জ নাও থাকতে পারে।তখন গুরুত্ব সময়গুলোতে অসুবিধায় পড়তে হয়।সবজায়গায় ফোনে চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা থাকে না বা চার্জ দেওয়াটাও নিরাপদ নয় বলে আমি মনে করি।তাই ফোনের সঙ্গী হিসেবে পাওয়ার ব্যাংক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।যেটা যেকোনো অবস্থায় যেকোনো জায়গাতে ফোনে চার্জ দেওয়া যায় ও বহন করা যায়।পাওয়ার ব্যাংক চার্জ সংরক্ষণ করে রাখে।বিভিন্ন পাওয়ারের পাওয়ার ব্যাংক পাওয়া যায়।যার পাওয়ার যত বেশি তার দাম ততটাই বেশি।আর সেই পাওয়ার ব্যাংক তার পাওয়ারের উপর নির্ভর করে চার্জকেও সংরক্ষণ করে রাখে।তাই আমি 20,000 পাওয়ারের একটি পাওয়ার ব্যাংক কিনে ফেললাম অনলাইন থেকে।
বাড়িতে আগে থেকেই 10,000 পাওয়ারের একটি পাওয়ার ব্যাংক ছিল যেটা আমার দাদা ইউজ করে।আর মাঝে মাঝেই আমিও ব্যবহার করি তাই দাদা জোর করে একপ্রকার অনলাইনে অর্ডার করেই দিলো আমার জন্য পাওয়ার ব্যাংকটি।20,000 পাওয়ারের পাওয়ার ব্যাংকে অনেকবার চার্জ দেওয়া যায়।তো এটি আমরা অর্ডার করেছিলাম দূর্গাপূজার প্রায় এক সপ্তাহ আগে।ভেবেছিলাম পূজার মধ্যেই চলে আসবে কিন্তু এটা যেহেতু মুম্বাইয়ের mi স্টোর থেকে এসেছে তাই অনেকটাই সময় লেগে গিয়েছে।প্রায় 10-12 দিন অপেক্ষা করার পর অর্থাৎ দূর্গাপূজা শেষ হওয়ার পর পাওয়ার ব্যাংকটি আমরা হাতে পেয়েছিলাম।
সাধারণত 20,000 পাওয়ারের পাওয়ার ব্যাংকের দাম 1900 থেকে 2100 টাকার মতো হয়ে থাকে কিন্তু যেহেতু পূজার সময় তাই দাম একটু কমে পাওয়া গিয়েছিল।আমি এটি 1699 অর্থাৎ 1700 টাকায় কিনতে পেরেছিলাম।এটার অনেক কালার ছিল কিন্তু আমি অবশ্য ব্ল্যাক কালার পছন্দ করে অর্ডার দিয়েছিলাম।তাই এটা হাতে পাওয়ার পর যেন তর সইছিলো না,কলাপাতার উপরেই খুলে ফেলেছিলাম☺️☺️.তবে খোলার পর দেখলাম এটা বেশ ভারী আছে চওড়া টাইপের নয় বলে।ছবিতে দেখলে বুঝতে পারবেন এটি একটু পুরু টাইপের সঙ্গে একটি চার্জারও রয়েছে।যার দুইদিকের অংশ একই সাইজের পিন ছিল। mi কোম্পানির জিনিসগুলি এমনিতেই খুবই ভালো হয়ে থাকে।তো এটাই ছিল আমার নতুন পাওয়ার ব্যাংক কেনার অনুভূতি অনলাইন থেকে।আশা করি এটা ভালো কাজ দেবে ফোনের জন্য ও আমার প্রয়োজন মেটাতে।চাইলে আপনারাও কিনে নিতে পারেন।
পোষ্ট বিবরণ:
| শ্রেণী | জেনারেল রাইটিং |
|---|---|
| ডিভাইস | poco m2 |
| অভিবাদন্তে | @green015 |
| লোকেশন | বর্ধমান |
| আমার পরিচয় |
|---|
টুইটার লিংক
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
Thanks.
তুমি অনেক কমে এই পাওয়ার ব্যাংকটি অনলাইনে পেয়েছো। ওই সময় বিগ বিলিয়ন ডে অফার চলছিল বলে দাম অনেকটা কম ছিল। আর সেই সুযোগটা তুমি সুন্দর ভাবে ব্যবহার করেছ। এই শাওমি পাওয়ার ব্যাংক টা খুব ভালো। ভীষণ টেকসই। আশা করছি এটি তোমার বহুদিন চলবে।
দাদা বিগ অফার বললে ভুল হবে তবে 200 টাকা বেঁচেছে। আসলেই সে সুযোগ কাজে লাগাতে পেরেছিলাম,যাইহোক অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
আমরা যারা অনলাইন কাজ করি আমাদের জন্য ফোনটা এত বেশি জরুরী এবং এখন তো ভেরিফাইড ট্যাগ পাওয়ার পর দেখছি কমেন্ট করতে পোস্ট করতে এবং ডিসকার্ডে চ্যাটিং করতে প্রচুর চার্জ যায়। সেই জায়গা থেকে আমারও মনে হচ্ছে একটা ভালো পাওয়ার ব্যাংকের খুব প্রয়োজন। বেশ প্রয়োজনীয় একটি জিনিস কিনে নিয়েছো নিজের জন্য। আর ওই সময় তো অনলাইন অফার চলছিল দেখলাম। কমদামেই পেয়েছো আমার মনে হয়। কেমন সার্ভিস দিচ্ছে জানিও তো।
একদম-ই তাই দিদি,প্রচুর চার্জ যায় এই কাজে।এখন তো ভালোই সার্ভিস দিচ্ছে আশা করি পরবর্তীতেও ভালোই দেবে,ধন্যবাদ তোমায়।
একদম ঠিক কথা বলেছেন এক বেলা ভাত না খেয়ে থাকা যায় কিন্তু ফোন না থাকলে আমাদের জীবনটা মনে হয় থেমে যায়।আসলে ফোনে কাজ করলে ফোনে চার্জ থাকাটা জরুরী।সেই ক্ষেত্রে ফোনে চার্জ দেওয়ার সময় বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় । আপনি অনলাইন থেকে পাওয়ার ব্যাংক কিনেছেন বেশ ভালো করেছেন অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি জিনিস।ধন্যবাদ আপু আপনার অনুভূতিটি পড়ে অনেক ভালো লাগলো।
আসলেই এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি জিনিস,সুন্দর মতামতের জন্য ধন্যবাদ আপু।